উইঘুরদের ওপর নজরদারি যন্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে চীন

উইঘুরদের ওপর নজরদারি যন্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে চীন

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগর শহরের একটি মসজিদে নামাজ শেষে বেরিয়ে আসছেন উইঘুর মুসলমানরা। ছবি: এএফপি

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘চীন সরকার বিভিন্ন গবেষণার জন্য উইঘুরদের ব্যবহার করছে, ঠিক যেভাবে ল্যাবরেটরিতে ইঁদুরের ওপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়।’

ক্যামেরায় ধারণ করা ছবি দেখে মানসিক অবস্থা বোঝা যায় উইঘুর জনগোষ্ঠীর, এমন গণনজরদারি ব্যবস্থার পরীক্ষা চালাচ্ছে চীন। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও (এআই) ব্যবহার করা হচ্ছে।

বুধবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, শিনজিয়াং প্রদেশের থানাগুলোতে অনুভূতি বুঝতে পারা ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘চীন সরকার বিভিন্ন গবেষণার জন্য উইঘুরদের ব্যবহার করছে, ঠিক যেভাবে ল্যাবরেটরিতে ইঁদুরের ওপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়।’

থানাগুলোতে ক্যামেরা বসানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা উইঘুর বন্দিদের থেকে তিন মিটার দূরে এই ক্যামেরাগুলো বসিয়েছি। এটা অনেকটা লাই ডিটেক্টর (মিথ্যা শনাক্ত করা) যন্ত্রের মতো, তবে তার চেয়েও বেশি উন্নত।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই উইঘুরদের বিচারের জন্য এই ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছে।’

চীনে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) পরিচালক সোফি রি রিচার্ডসন বলেন, ‘এটি খুবই হতভম্ব করার মতো বিষয়। এটি মানুষকে শুধু নিছক কিছু ডাটায় পরিণত করছে। এই প্রযুক্তি এমন জনগোষ্ঠীর ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে, যারা এমনিতেই দমনমূলক পরিস্থিতে বাস করে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাপক চাপের মুখে উইঘুররা এমনিতেই নার্ভাস থাকে। নজরদারি প্রযুক্তিতে তাদের এই মানসিক অবস্থাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।’

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সরাসরি কোনো জবাব দিতে রাজি হয়নি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত চীনের দূতাবাস। তবে তাদের দাবি, চীনে সব জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে।

শিনজিয়াংয়ে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ উইঘুর জাতিগোষ্ঠীর অনেককে ক্যাম্পে বন্দি করে রেখেছে চীন। ক্যাম্পগুলোতে নির্যাতন, জোরপূর্বক কাজ করানো ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন উইঘুররা।

তবে নির্যাতনের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে চীন। দেশটির দাবি, ক্যাম্পগুলো মূলত পুনঃশিক্ষা কেন্দ্র, যেগুলোকে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার নামে আরেক মামলা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার নামে আরেক মামলা

ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও সিইও মো. রাসেল। ফাইল ছবি

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের নামে ধানমন্ডি থানায় আরও একটি মামলা হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে…

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা, হল ও ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দেয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করাসহ তিন দফা দাবি তুলেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সব সড়ক ঘুরে কাজী নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে তা শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ করেন তারা।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

প্রতীকী ছবি

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধ চেয়ে গত ১০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী রিটটি করেন। এতে বিবাদী করা হয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে।

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধের নিশ্চয়তা ও ফাঁস হওয়া ঘটনাগুলোর তদন্ত চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদেশের জন্য রেখেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ঠিক করে দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধ চেয়ে গত ১০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী রিটটি করেন।

রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জুন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কোনো জবাব না পাওয়ায় রিট করা হয়।

আড়ি পাতার ঘটনা বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বহুল প্রচারিত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অথচ সর্বজনীন মানবাধিকার সনদপত্র, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব আধুনিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার স্বীকৃত ও সংরক্ষিত।

এমনকি বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ অধিকার সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৮ আগস্ট বিচারপতি মো. শওকত হোসাইন, বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মবিনের বৃহত্তর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে একটি রায় দেয়।

ওই রায়ে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও টেলিফোন সেবা প্রদানকারী কোম্পানিগুলোর দায়িত্ব সর্বাধিক। সংবিধান ও আইন অনুযায়ী ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ তাদের দায়িত্ব। তারা আইনের বিধান ব্যতিরেকে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত যোগাযোগের তথ্য প্রদান করতে পারে না।

মঙ্গলবার রিটকারী ১০ আইনজীবী হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, রেজওয়ানা ফেরদৌস, উত্তম কুমার বনিক, শাহ নাবিলা কাশফী, ফরহাদ আহমেদ সিদ্দীকী, মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), ইমরুল কায়েস ও একরামুল কবির।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

সব হাসপাতালে সাপের বিষের প্রতিষেধক সরবরাহের নির্দেশ

সব হাসপাতালে সাপের বিষের প্রতিষেধক সরবরাহের নির্দেশ

দেশে সাপের বিষের প্রতিষেধক তৈরির কাজ অনেকটা এগিয়েছে। ফাইল ছবি

চতুর্থ আন্তর্জাতিক সর্পদংশন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে রোববার ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব হাসপাতালে অ্যন্টিভেনম (সাপের বিষের প্রতিষেধক) সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

দেশে বর্ষা মৌসুমে সাপের ছোবলের ঘটনা বেশি ঘটে। এ সময় সাপে কাটার শিকার বেশি হয় গ্রামের মানুষ। অথচ উপজেলা পর্যায়ে দেশের বেশিরভাগ সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সাপের বিষের প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) নেই।

এমন বাস্তবতায় সব হাসপাতালে অ্যন্টিভেনম সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

চতুর্থ আন্তর্জাতিক সর্পদংশন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে রোববার ভার্চুয়াল এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছর আনুমানিক ছয় লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। আর সাপের কামড়ে মারা যান ছয় হাজার মানুষ।

‘সাপের কামড়ে যেন প্রাণহানি না হয়, সে জন্য উপজেলা পর্যায়সহ সবখানে এন্টিভেনম ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু অ্যান্টিভেনম নিশ্চিত করলেই হবে না, পাশাপাশি প্রশিক্ষিত জনবল থাকতে হবে। মাঝে মাঝে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা, অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলামসহ অনেকেই।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

২ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন

২ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন

বাগেরহাট সদর উপজেলার প্লাইউড কারখানায় আগুন লাগে। ছবি: নিউজবাংলা

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক গোলাম সরোয়ার বলেন, ইঞ্জিন রুমে মজুত রাখা তেল থেকে আগুনের সূত্রপাত। এ জন্য আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের বেগ পেতে হয়। সোডিয়াম বাই কার্বনেট ও অ্যালমিনিয়াম সালফেড দিয়ে তৈরি বিশেষ ফোম আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। 

বাগেরহাট সদর উপজেলার প্লাইউড কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

টিকে গ্রুপের এই কারখানার আগুন রোববার দুপুর ১২টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক গোলাম সরোয়ার।

তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বাগেরহাট, খুলনা, মোংলা, মোংলা ইপিজেড, শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জ থেকে ৬টি ইউনিট সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর পর দুই ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ইঞ্জিন রুমে মজুত রাখা তেল থেকে আগুনের সূত্রপাত। এ জন্য আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের বেগ পেতে হয়। সোডিয়াম বাই কার্বনেট ও অ্যালমিনিয়াম সালফেড দিয়ে তৈরি বিশেষ ফোম আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে পরে জানান হবে। ডাম্বিংয়ের কাজ চলছে।

২০০০ সালে যাত্রা করা এই ফ্যাক্টরিতে কাঠ দিয়ে ফাইবোর বোর্ড তৈরি করা হয়।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

পুলিশ ইন্সপেক্টর মামুন হত্যা: ফারিয়ার আত্মসমর্পণ

পুলিশ ইন্সপেক্টর মামুন হত্যা: ফারিয়ার আত্মসমর্পণ

প্রতীকী ছবি

এ মামলায় ফারিয়া বিনতে মীমকে গত বছরের ১১ অক্টোবর জামিন দেয় হাইকোর্ট। এরপর কারাগার থেকে মুক্তি মিলে। তবে এ জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তার জামিন স্থগিত করে।

সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে পুলিশের ইন্সপেক্টর মামুন ইমরান খান হত্যা মামলার আসামি ফারিয়া বিনতে মিম ওরফে মাইশা আত্মসমর্পণ করেছেন।

বিচারিক আদালকে আসামি ফারিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে রোববার আপিল বিভাগে জানান তার আইনজীবী শেখ মুশফিক উদ্দিন বখতিয়ার।

পরে প্রধান বিচারপতিসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানির জন্য ২৬ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করে দেয়।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ জুলাই রাতে বনানীর একটি অ্যাপার্টমেন্টে ভিকটিম মামুন ইমরান খানকে ডেকে এনে মারধর করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ১০ জুলাই গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানাধীন উলখোলার বাইরদিয়া রাস্তার পাশের বাঁশের ঝোপে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

ওই ঘটনায় ১০ জুলাই নিহতের ভাই জাহাঙ্গীর আলম খান বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন। একই বছরের ১৮ জুলাই দিনগত রাতে রাজধানীর বাড্ডা ও হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগে রহমত উল্লাহ নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, মামুন ইমরান খান টেলিভিশনের বিভিন্ন ক্রাইম সিরিয়ালেও অভিনয় করতেন। রহমতউল্লাকে তার বাসায় জন্মদিনের দাওয়াত দেন আসামি আফরিন।

রহমতউল্লাহ ওই অনুষ্ঠানে পুলিশ বন্ধু মামুনকেও যাওয়ার অনুরোধ করেন। আর সেই জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়েই খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা মামুন।

এরপর তার মরদেহ গুম করতে বস্তায় ভরে রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কালীগঞ্জের জঙ্গলে পেট্রোল দিয়ে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

ওই বছরের ১০ জুলাই বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে রহমতউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তার দেয়া তথ্যানুযায়ী তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামুন ইমরান খানের গ্রামের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার কলাকুপা এলাকায়। তিনি ২০০৫ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন।

এ মামলায় ফারিয়া বিনতে মীমকে গত বছরের ১১ অক্টোবর জামিন দেয় হাইকোর্ট। এরপর কারাগার থেকে মুক্তি মিলে। তবে এ জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তার জামিন স্থগিত করে।

এই অবস্থায় ২৬ আগস্ট ফারিয়া নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে ওঠে।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে নির্মাণাধীন ওই ভবনে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করছিলেন আইয়ুব। এ সময় অসাবধানতাবশত ওয়েল্ডিং মেশিনের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। মুমূর্ষু অবস্থায় সাভারের সমাজভিত্তিক গণস্বাস্থ্য মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকার ধামরাইয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

সাভারের সমাজভিত্তিক গণস্বাস্থ্য মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে রোববার সকালে আইয়ুব আলীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার কুশুরা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত আইয়ুব আলীর বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার পলাশতলী গ্রামে। তিনি ধামরাই উপজেলার কুশুরা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে নির্মাণাধীন ওই ভবনে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করছিলেন আইয়ুব। এ সময় অসাবধানতাবশত ওয়েল্ডিং মেশিনের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। মুমূর্ষু অবস্থায় সাভারের সমাজভিত্তিক গণস্বাস্থ্য মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রশিদ উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, মরদেহ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃতের স্বজনদের খবর পাঠানো হয়েছে। তারা এলেই এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন