উইঘুরদের ওপর নজরদারি যন্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে চীন

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগর শহরের একটি মসজিদে নামাজ শেষে বেরিয়ে আসছেন উইঘুর মুসলমানরা। ছবি: এএফপি

উইঘুরদের ওপর নজরদারি যন্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে চীন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘চীন সরকার বিভিন্ন গবেষণার জন্য উইঘুরদের ব্যবহার করছে, ঠিক যেভাবে ল্যাবরেটরিতে ইঁদুরের ওপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়।’

ক্যামেরায় ধারণ করা ছবি দেখে মানসিক অবস্থা বোঝা যায় উইঘুর জনগোষ্ঠীর, এমন গণনজরদারি ব্যবস্থার পরীক্ষা চালাচ্ছে চীন। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও (এআই) ব্যবহার করা হচ্ছে।

বুধবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, শিনজিয়াং প্রদেশের থানাগুলোতে অনুভূতি বুঝতে পারা ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘চীন সরকার বিভিন্ন গবেষণার জন্য উইঘুরদের ব্যবহার করছে, ঠিক যেভাবে ল্যাবরেটরিতে ইঁদুরের ওপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়।’

থানাগুলোতে ক্যামেরা বসানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা উইঘুর বন্দিদের থেকে তিন মিটার দূরে এই ক্যামেরাগুলো বসিয়েছি। এটা অনেকটা লাই ডিটেক্টর (মিথ্যা শনাক্ত করা) যন্ত্রের মতো, তবে তার চেয়েও বেশি উন্নত।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই উইঘুরদের বিচারের জন্য এই ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছে।’

চীনে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) পরিচালক সোফি রি রিচার্ডসন বলেন, ‘এটি খুবই হতভম্ব করার মতো বিষয়। এটি মানুষকে শুধু নিছক কিছু ডাটায় পরিণত করছে। এই প্রযুক্তি এমন জনগোষ্ঠীর ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে, যারা এমনিতেই দমনমূলক পরিস্থিতে বাস করে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাপক চাপের মুখে উইঘুররা এমনিতেই নার্ভাস থাকে। নজরদারি প্রযুক্তিতে তাদের এই মানসিক অবস্থাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।’

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সরাসরি কোনো জবাব দিতে রাজি হয়নি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত চীনের দূতাবাস। তবে তাদের দাবি, চীনে সব জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে।

শিনজিয়াংয়ে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ উইঘুর জাতিগোষ্ঠীর অনেককে ক্যাম্পে বন্দি করে রেখেছে চীন। ক্যাম্পগুলোতে নির্যাতন, জোরপূর্বক কাজ করানো ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন উইঘুররা।

তবে নির্যাতনের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে চীন। দেশটির দাবি, ক্যাম্পগুলো মূলত পুনঃশিক্ষা কেন্দ্র, যেগুলোকে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শারদা-নারদা: কাশ্মীর সীমান্তে দুই অনাথ ভাল্লুকের বাচ্চা

শারদা-নারদা: কাশ্মীর সীমান্তে দুই অনাথ ভাল্লুকের বাচ্চা

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর অঞ্চলে বেড়ে উঠছে শারদা ও নারদা। ছবি: রয়টার্স

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বন্যপ্রাণী ও ফিশারিজ বিভাগের কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফ বলেন, কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমানা লাইন অব কন্ট্রোলের (এলওসি) কাছে শারদা ও নারদা নামের ভাল্লুকের বাচ্চা দুটিকে দেখতে পায় গ্রামবাসী।

পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান সীমান্তে সামরিক অভিযানে সবসময় কেবল মানুষই প্রাণ হারায় তা নয়। সংঘর্ষে অনেক সময় বন্যপ্রাণীও মারা যায়।

ভারত-পাকিস্তানের কয়েক দশকের পুরনো সংঘাতের সাম্প্রতিক শিকার এশীয় জাতের ভাল্লুকের দুই বাচ্চা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে মঙ্গলবার বলা হয়, গত বছর বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলের পাকিস্তান অংশে অনাথ বাচ্চা দুটির খোঁজ পাওয়া যায়।

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ জম্মু-কাশ্মীরের (এজেকে) বন্যপ্রাণী ও ফিশারিজ বিভাগের কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফ বলেন, কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমানা লাইন অব কন্ট্রোলের (এলওসি) কাছে শারদা ও নারদা নামের ভাল্লুকের বাচ্চা দুটিকে দেখতে পায় গ্রামবাসী। সে সময় বাচ্চা দুটি চোখ খুলতে পারছিল না।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রহরী ও স্বেচ্ছাসেবক প্রায় দুই মাস ধরে তাদের মাকে তন্নতন্ন করে খুঁজে বেড়ায়। অনেক সন্ধান করেও মা-ভাল্লুককে পাওয়া যায়নি।’

মুহাম্মদ আশরাফ বলেন, মা-ভাল্লুকটি হয়তো সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ বা বোমার আঘাতে মারা গেছে। তার বাচ্চা দুটি হামাগুড়ি দিতে দিতে এলওসির কাছে এলে একপর্যায়ে গ্রামবাসীর নজরে পড়ে।

শারদা-নারদা: কাশ্মীর সীমান্তে দুই অনাথ ভাল্লুকের বাচ্চা

শারদা ও নারদাকে দুমাস ধরে বোতলে করে দুধ খাওয়ানো হয়। পরে ধীরে ধীরে ফল ও সবজি থেকে শুরু করে গম, ভুট্টাসহ অন্যান্য খাবার খেতে দেয়া হয়।

আজাদ জম্মু কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফ্ফরাবাদ থেকে উত্তর-পূর্বে ৬৬ মাইল দূরে দাওয়ারিয়ান গ্রামে শারদা ও নারদাকে রাখা হয়েছে। তারা এখন তুঁত ও আখরোট গাছে উঠতে নামতেই ব্যস্ত থাকে। তাদের দেখতে মাঝেমধ্যে এলাকার শিশু ও বয়স্করা ভিড় জমায়।

কয়েক বছর আগের এক ঘটনা মনে করেন আশরাফ। সে সময় সীমান্ত থেকে দূরে গিরিখাদে মৃত এক ভাল্লুক দেখতে পায় বন্যপ্রাণী বিভাগের কর্মকর্তারা। কালো রঙা ভাল্লুকটির এক পা ছিল না। ধারণা করা হয়, স্থলমাইন বিস্ফোরণে পা উড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় অনেক বন্যপ্রাণী হয়তো এভাবেই প্রাণ হারায়, যার অল্প কয়েকটিই আমরা জানতে পারি।’

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

‘হীরার’ সন্ধানে চলছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি

‘হীরার’ সন্ধানে চলছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি

অজানা পাথর হীরা ভেবে মাটি খুঁড়ছে সাউথ আফ্রিকার মানুষ। ছবি: রয়টার্স

দুই সন্তানের বাবা ২৭ বছর বয়সী সাবেলো বলেন, ‘যোগ্যতা অনুযায়ী কারও হাতে কাজ নেই। আমাকে যেনতেন কাজ করতে হচ্ছে। পাথর হাতে যখন বাড়ি ফিরি, তখন পরিবারের সবাই খুশিতে আটখানা হয়ে পড়ে।’

সাউথ আফ্রিকার এক গ্রামে অজানা পাথরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব পাথরকে হীরা ভেবে সেখানে ভিড় জমিয়েছে অনেক দরিদ্র মানুষ। তাদের ধারণা, হীরা বেচে ভাগ্য পরিবর্তন হবে তাদের।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাউথ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাতাল প্রদেশের কোয়াহাথি গ্রামের এক মাঠে শনিবার নাম না জানা পাথরের খোঁজ পায় এক দল মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন মনে করে, পাথরগুলো কোয়ার্টজ ক্রিস্টালের।

দামী পাথর সন্ধানের খবর খুব দ্রুত রটে যায়।

কোয়াহাথি গ্রামবাসীর পাশাপাশি সোমবার সাউথ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকা থেকে এক হাজারের বেশি মানুষ মাঠটিতে জড়ো হয়। বয়স্ক, কমবয়সী, নারী-পুরুষ সবাই গাঁইতি ও বেলচা নিয়ে হীরার সন্ধানে মাটি খুঁড়তে থাকে।

ছোট ছোট পাথর হাতে নিয়ে মেনদো সাবেলো নামের এক গ্রামবাসী জানান, এই আবিষ্কার তাদের জীবন পাল্টে দেবে।

দুই সন্তানের বাবা ২৭ বছর বয়সী সাবেলো বলেন, ‘যোগ্যতা অনুযায়ী কারও হাতে কাজ নেই। আমাকে যেনতেন কাজ করতে হচ্ছে। পাথর হাতে যখন বাড়ি ফিরি, তখন পরিবারের সবাই খুশিতে আটখানা হয়ে পড়ে।’

বেকার খুমবুজো এমবেলে বলেন, ‘আমি জীবনেও কখনো হীরা দেখিনি। এই প্রথম হীরা স্পর্শ করলাম।’

পাথর সংগ্রহকারীদের মধ্যে কয়েকজন এরই মধ্যে পাথর বিক্রি শুরু করেছে। ৭.২৯ ডলার থেকে ২১.৮৮ ডলার মূল্যে পাথরগুলো বিক্রি হচ্ছে।

সোমবার সাউথ আফ্রিকার খনি বিভাগ জানায়, পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করতে ঘটনাস্থলে ভূতাত্ত্বিক ও খনি বিশেষজ্ঞের একটি দল পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন জমা দেবেন।

দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক হারে বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক বৈষম্যে ধুঁকছে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেশটির পরিস্থিতি আরও নাজুক করে তোলে।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী

উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস রোনাল্ড রিগ্যান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে চীন। বেইজিংয়ের অভিযোগ ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপ সেখানে শান্তি বা স্থিতিশীলতা অর্জনে কোন ধরনের সহায়তা করে না।

ওয়াশিংটন-বেইজিংয়ের সম্পর্কে চলমান বৈরিতার মধ্যেও বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে রণতরী পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস রোনাল্ড রিগ্যানের নেতৃত্বে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী নিয়মিত মহড়ায় অংশ নিতে দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার এমনটি নিশ্চিত করেছে ইউএস নৌবাহিনী।

রণতরীটির সঙ্গে অত্যাধুনিক ক্ষেপনাস্ত্র বহনকারী ইউএসএস সিলোহ ও ক্ষেপনাস্ত্র বিধ্বংসী ইউএসএস হ্যালসে নামের দুটি যুদ্ধজাহাজও রয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে চীন। বেইজিংয়ের অভিযোগ ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপ সেখানে শান্তি বা স্থিতিশীলতা অর্জনে কোন ধরনের সহায়তা করে না।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

চীনের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতে জি-সেভেনের বৈঠকে নিন্দা এবং পরে এ বিষয়ে বেইজিংয়ের প্রতিবাদের জবাব দিতে এই অভিযানটি শুরু হয়েছে বলে ধারনা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ এমন অনেকের।

চীন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ চীন সাগরে কৃত্রিম দ্বীপ এবং বিমানঘাঁটি নির্মাণসহ নিজেদের সামরিক উপস্থিতি জানান দিতে সেখানে তারা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সরঞ্জাম স্থাপন করেছে।

এর আগে অনেকবার দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের মহড়ার প্রতিবাদ করেছিল ওয়াশিংটন।

বিতর্কিত চীন সাগরে বেইজিংয়ের সামরিক বিমানের উপস্থিতি সেই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে বলে মন্তব্য করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

গত ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের সামরিক বিমানের উপস্থিতি দেশটির আক্রমণাত্মক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। তবে একে হুমকি মনে করে না ওয়াশিংটন।

‘চীনের নৌ ও বিমানবাহিনীর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে এগুলোকে কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের নৌজাহাজ, বিমান কিংবা নাবিকদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হয়নি।’

এর আগে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ সালভাটোর বেবোনেস মন্তব্য করেন, চীনের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির জবাবে সবচেয়ে কার্যকর হবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পরিকল্পিত নিষ্ক্রিয়তার নীতি’।

চীনের প্রভাব বলয় নিয়ন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরোধ, সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে জাপানের সঙ্গে চীনের সংকট, লাদাখ ইস্যুতে চীনের সঙ্গে ভারতের সংঘাত–এমন সব ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রভাব নেই।

একইভাবে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে চীনের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্তত পাঁচটি দেশের চলমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

প্রতিবেশী দেশের বাইরেও ইউরোপের একাধিক দেশের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইস্যুতে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে চীন। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে সমুদ্রে মাছ ধরা ইস্যুতে ও আফ্রিকার একাধিক দেশের সঙ্গে উন্নয়ন সম্পর্কিত ঋণের বিষয়ে সংঘাত চরমে উঠেছে চীনের।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

টিকা নিয়ে শরীর চুম্বক হওয়ার রহস্য ফাঁস

টিকা নিয়ে শরীর চুম্বক হওয়ার রহস্য ফাঁস

করোনা টিকা নেয়ার পর শরীর চুম্বকক্ষেত্র হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ভারতের বেশ কয়েকজন।

পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের অমিত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘শরীরে ধাতব বস্তু আটকে থাকা অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। বস্তুর আসঞ্জন বল এবং ঘামের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। ঘাম না থাকলে কিন্তু ধাতব বস্তু আর আটকে থাকে না।’

করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে শরীর চুম্বক হয়ে গেছে দাবি করা ব্যক্তির গায়ে সামান্য পাউডার লাগিয়ে দিতেই শরীর থেকে উধাও চুম্বকশক্তি। গায়ে লেগে থাকছে না হাতা, খুন্তি, চামচ, খুচরো পয়সা। ফলে টিকার সঙ্গে এর যে কোনো সম্পর্ক নেই সেটি প্রমাণিত ।

বিশেষজ্ঞরা আগেই জানিয়েছিলেন, টিকা নিয়ে শরীর চুম্বক হয়ে যাওয়া ভুয়া, ভিত্তিহীন খবর।

সম্প্রতি শিলিগুড়ির নেপাল চক্রবর্তী, তেহট্টের প্রবীর মণ্ডল, বসিরহাটের শংকর প্রামাণিক টিকা নেয়ার পর শরীরে ধাতব জিনিস আটকে যাচ্ছে, শরীর হয়ে উঠেছে চুম্বক ক্ষেত্র বলে দাবি করে যে খবর হয়ে ছিল সেটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ।

বিজ্ঞান মঞ্চের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, বর্ষার সময় হওয়ায় আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকায় শরীরে ঘাম বেশি হয়। এ কারণে এসব জিনিস আটকে যাচ্ছে শরীরে।

শরীর ও ধাতব বস্তুর মধ্যে থাকা পৃষ্ঠটান সেই কাজে খানিকটা সাহায্য করছে। এর সঙ্গে টিকার কোনো সম্পর্ক নাই। ম্যাগনেটম্যানরা শুধু বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে ।

ম্যাগনেট ম্যানদের দাবি উড়িয়ে দিয়ে, ভারত সরকারের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনও জানিয়ে দিয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের টিকা নিয়ে কোনো ব্যক্তির শরীরে চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হওয়া অসম্ভব ।

কেন্দ্রীয় সরকারের নোডাল এজেন্সি প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো জানিয়েছে, টিকা নিয়ে মানুষ চুম্বক হয়ে উঠেছে বলে যে দাবি নেট মাধ্যমে ছড়িয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের অমিত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘শরীরে ধাতব বস্তু আটকে থাকা অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। বস্তুর আসঞ্জন বল এবং ঘামের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। ঘাম না থাকলে কিন্তু ধাতব বস্তু আর আটকে থাকে না।’

বিজ্ঞান মঞ্চের আরেক সদস্য সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, ‘অতিমারি পরিস্থিতিতে কিছু মানুষ এ ধরনের খবর রটিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ নেয়া উচিত।’

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

ইতালির ২ নাবিকের মামলা বন্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট

ইতালির ২ নাবিকের মামলা বন্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জি ও বিচারপতি এম আর শাহর বেঞ্চে শুনানি শুরু হওয়ার পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয় ইতালি সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ক্ষতিপূরণের টাকা জমা দেয়া হয়েছে। এর পরই আদালত মামলা বন্ধের নির্দেশ দেয়।

কেরালার দুই মৎস্যজীবী হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ইতালীয় নাবিকদের মামলা বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ওই ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। ইতালির সরকার ওই ক্ষতিপূরণ দেয়ায় মামলা তুলে নেয়া হয়েছে।

২০১২ সালে ঘটেছিল এই হত্যার ঘটনা।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জি ও বিচারপতি এম আর শাহর বেঞ্চে শুনানি শুরু হওয়ার পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয় ইতালি সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ক্ষতিপূরণের টাকা জমা দেয়া হয়েছে। এর পরই আদালত মামলা বন্ধের নির্দেশ দেয়।

কেরালার উপকূলে দুই মৎস্যজীবীর মৃত্যুতে অভিযোগ ওঠে ইতালির নাবিকদের বিরুদ্ধে।

সালভাতোর গিরোন ও ম্যাসিমিলিয়ানো লেটোরে নামের দুই নাবিকের গুলিতেই নিহত হন ভারতের দুই মৎস্যজীবী।

ওই ঘটনায় মৎস্যজীবীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের অর্থ আগেই জমা করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই ক্ষতিপূরণ জমা পড়তে মামলা বন্ধ করল দেশের শীর্ষ আদালত।

ইতালির নাবিকদের বিরুদ্ধে করা মামলা বন্ধ করার আর্জি আগেই জানিয়েছিল ভারত সরকার।

সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে বোবদে, বিচারপতি এ এস বোপান্না ও বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণ্যমের বেঞ্চ আগেই জানিয়েছিল কেরালার ওই নিহত মৎস্যজীবীদের অ্যাকাউন্টে ক্ষতিপূরণের টাকা না আসা পর্যন্ত এই বিষয়ে কেন্দ্রের আর্জি শোনা হবে না।

জানা গেছে, প্রত্যেক মৎস্যজীবীর পরিবারকে ৪ কোটি টাকা করে দেয়া হবে। বাকি ২ কোটি টাকা দেয়া হবে নৌকার মালিককে।

মূলত ২০১২ সালে স্পেশাল ইকোনমিক জোনের মধ্যে মাছ ধরছিলেন ওই দুই মৎস্যজীবী। সে সময় তাদের আচমকাই গুলি করা হয় বলে অভিযোগ।

ইতালির তেলের ট্যাংকার এমভি এনরিকে লেক্সি থেকে এই গুলি চালানো হয়। এরপরই দুই ইতালীয় নাবিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইতালির দাবি ছিল, কিছু বুঝতে না পেরে এই গুলি চালানো হয়েছে। এই ঘটনা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

ভারতে করোনার নতুন ধরন ‘ডেল্টা প্লাস’ শনাক্ত

ভারতে করোনার নতুন ধরন ‘ডেল্টা প্লাস’ শনাক্ত

ভারতে করোনার নতুন ধরন ‘ডেল্টা প্লাস’ শনাক্ত হয়েছে।

করোনার এই নতুন ধরন অধিক সংক্রামক কি না, তা এখনও জানা যায়নি। তবে আপাতত উদ্বেগজনক কিছু দেখছেন না সিএসআইয়ের ইনস্টিটিউট অব জিনোমিকস অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ বায়োলজির পরিচালক অনুরাগ আগরওয়াল।

ভারতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কায় বড় প্রভাব ছিল অতি সংক্রামক বি.১.৬১৭ ধরনের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এ ধরনের নাম দিয়েছিল 'ডেল্টা'।

এবার সেই ধরনেরই ফের রূপবদল। রূপ বদলেছে ডবল মিউট্যান্ট স্ট্রেইন। স্পাইক প্রোটিনে পরিবর্তন করে সেই স্ট্রেইনই এখন ‘ডেল্টা প্লাস’।

জিনোম সিকোয়েন্সিতে দেখা গেছে, কে৪১৭এন মিউটেশন হয়েছে ডাবল মিউট্যান্ট স্ট্রেইনের। তবে এ স্ট্রেইনকে এখনও উদ্বেগজনক বলছেন না বিজ্ঞানীরা।

দিল্লির সিএসআইআর ইনস্টিটিউট অব জিনোমিকস অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ বায়োলজির বিজ্ঞানী বিনোদ স্কারিয়া টুইটবার্তায় বলেন, নয়া এই স্ট্রেইনে বি.১.৬১৭.২.১ পরিলক্ষিত হয়েছে।

বিনোদের দাবি, মিউটেশনের ফলে মানবদেহে প্রবেশের পথ আরও সুগম করেছে এই ডবল মিউট্যান্ট স্ট্রেইন।

সংস্থা জানিয়েছে, ৭ জুন পর্যন্ত ৬ জিনোমে এই স্ট্রেইন দেখা গেছে।

ইংল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আপাতত ৬৩ জিনোমে ডেল্টার এই নয়া মিউটেশন ধরা পড়েছে।

বিনোদ জানান, ইউরোপ ও আমেরিকায় প্রভাব বিস্তার করলেও আপাতত ভারতে দ্রুত ছড়াতে শুরু করেনি এই স্ট্রেইন।

তবে চিন্তার বিষয়, এই স্ট্রেইনের কাছে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি রুখে দেয়ার ক্ষমতা থাকতে পারে। অর্থাৎ অ্যান্টিবডি ককটেলকে আটকে দিতে পারে এই নয়া স্ট্রেইন।

কয়েক দিন আগেই অনুমোদন পেয়েছে অ্যান্টিবডি ককটেল। এবার সেই ককটেলের কার্যকারিতা রুখে দিতে পারলে চিন্তা আরও বাড়বে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

এই নয়া স্ট্রেইন অধিক সংক্রামক কি না, তা এখনও জানা যায়নি। তবে আপাতত উদ্বেগজনক কিছু দেখছেন না সিএসআইয়ের ইনস্টিটিউট অব জিনোমিকস অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ বায়োলজির পরিচালক অনুরাগ আগরওয়াল।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন

করোনা টিকা নেয়ার পর ভারতে প্রথম মৃত্যু

করোনা টিকা নেয়ার পর ভারতে প্রথম মৃত্যু

ভারতের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা নিচ্ছেন এক নারী। ছবি: এএফপি

অ্যানাফিল্যাক্সিস হল অ্যালার্জির এক ধরনের মারাত্মক রূপ। এএফএফআইয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, মোট ৩১ জনের শরীরে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতে করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার পর অ্যানাফিল্যাক্সিসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন হয়েছে ৬৮ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ। এমন প্রতিবেদন উঠে এসেছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি সরকারি প্যানেলের হাতে।

দেশজুড়ে যখন পুরোদমে টিকা প্রয়োগ চলছে, তখন টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কি না, হলে কী ধরনের, সেটি নিয়ে বিশ্লেষণ করছিল ওই প্যানেল। তারাই এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। ভারতে টিকা নেয়ার পর মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথম।

অ্যানাফিল্যাক্সিস হল অ্যালার্জির এক ধরনের মারাত্মক রূপ। ৬৮ বছরের ওই বৃদ্ধ ছাড়াও এই অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী এক মহিলা এবং ২২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তাদের যথাক্রমে ১৯ ও ১৬ জানুয়ারি টিকা দেয়া হয়েছিল। দুজনই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ও চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

অ্যাডভার্স ইভেন্টস ফলোয়িং ইমিউনাইজেশনের (এএফএফআই) প্রতিবেদনে দেখা যায়, মোট ৩১ জনের শরীরে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে।

জানা গেছে, ওই ব্যক্তি ৮ মার্চ টিকা নিয়েছিলেন। এরপরই অ্যানাফিল্যাক্সিসে মৃত্যু হয়েছে তার।

এ বিষয়ে এএফএফআই কমিটির পরামর্শদাতা ড. এন কে অরোরা বলেন, ‘টিকা নেয়ার পর অ্যানাফিল্যাক্সিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথম।’

সংশ্লিষ্ট ওই প্যানেলের প্রতিবেদন জানাচ্ছে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে যারা টিকা নিয়েছেন এদের মধ্যে অনেকেই অ্যানাফিল্যাক্সিসে আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে এ ধরনের ঘটনা বিরল বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। এই সময়সীমার মধ্যে প্রায় ৬ কোটি ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে গোটা দেশে।

এর মধ্যে টিকা নেয়ার পর ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে মৃত্যুর সঙ্গে টিকার কোনো সম্পর্ক নেই। নয় জনের ক্ষেত্রে এখনও কারণ জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:
উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’
উইঘুর: চীনা কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ
উইঘুরদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ অযৌক্তিক: চীন
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যার শামিল: কানাডা
স্কুলশিক্ষকের বর্ণনায় উইঘুর বন্দিশিবিরে নির্যাতন

শেয়ার করুন