এটি বিজয়ের উচ্ছ্বাস: হামাস

এটি বিজয়ের উচ্ছ্বাস: হামাস

রকেট লঞ্চার হতে হামাস যোদ্ধারা। ছবি: সংগৃহীত

গত ১০ মে থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে রক্তপাত বন্ধে ব্যাপক আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিসরের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই পক্ষ। হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সঙ্গে ইসরায়েলের এ অস্ত্রবিরতি কার্যকর হয় শুক্রবার থেকে।

ইসরায়েলের সঙ্গে টানা ১১ দিনের যুদ্ধের পর অস্ত্রবিরতিকে বিজয় হিসেবে দেখছে গাজা উপত্যকার শাসকদল হামাস।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর শুক্রবার গাজা শহরে উদযাপনরত হাজার হাজার মানুষের উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতায় এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন হামাসের জ্যেষ্ঠ এক নেতা।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, সমবেত জনতার উদ্দেশে গাজা উপত্যকা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা খলিল আল-হাইয়া বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘এটি বিজয়ের উচ্ছ্বাস।’

ওই সময় তিনি ইসরায়েলের বিমান হামলায় বিধ্বস্ত বাড়িঘর পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দেন।

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ মে থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে রক্তপাত বন্ধে ব্যাপক আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিসরের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই পক্ষ।

হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সঙ্গে ইসরায়েলের এ অস্ত্রবিরতি কার্যকর হয় শুক্রবার থেকে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় উপত্যকায় ২৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়, যাদের মধ্যে ৬৫ শিশু ও হামাস যোদ্ধা রয়েছে। হামলায় আহত হয়েছে এক হাজার ৯০০ মানুষ।

হামাসের হিসাব অনুযায়ী, বিমান হামলায় বিপুল জায়গা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার মানুষ।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামাস ও সশস্ত্র অন্য সংগঠনগুলো ইসরায়েলের দিকে চার হাজার ৩০০-এর বেশি রকেট ছুড়েছে। এর বেশির ভাগই আটকে দিয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম।

ইসরায়েলের পুলিশ জানিয়েছে, গাজা থেকে ছোড়া রকেটে ইহুদি রাষ্ট্রটিতে ১২ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। এ ছাড়া এক ভারতীয় ও থাইল্যান্ডের দুই নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধবিরতিতে গাজায় উল্লাস
হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল
যুদ্ধবিরতির পথে ইসরায়েল ও হামাস
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত থামাতেই হবে: জাতিসংঘ
জরুরি চিকিৎসা দিতে গাজায় প্রবেশে ডব্লিউএইচওর আবেদন

শেয়ার করুন

মন্তব্য