ছোট্ট পিপাকে মরতে হবে হাসপাতালেই

হাসপাতালের বারান্দার ভেন্টিলেটরসহ পিপা। ছবি: বিবিসি

ছোট্ট পিপাকে মরতে হবে হাসপাতালেই

এক পর্যায়ে চিকিৎসকেরা জানায়, পিপার বাঁচার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। তাই তারা পিপাকে লাইফ সাপোর্ট দেয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন।

পিপা নাইট। বয়স পাঁচ বছর। ২০ মাস বয়সে জটিল এক রোগে আক্রান্ত হয় শিশুটি। এতে ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে তার মস্তিষ্ক।

দুরারোগ্য এনক্রোটাইজিং এনসেফেলোপ্যাথিতে আক্রান্ত পিপার চিকিৎসা শুরু হয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ইভেলিনা চিলড্রেনস হাসপাতালে। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় শিশুটিকে। এভাবে প্রায় দুই বছর ধরে চলে চিকিৎসা।

একপর্যায়ে চিকিৎসকেরা জানান, পিপার বাঁচার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। তাই তাকে লাইফ সাপোর্ট দেয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে পিপার মা চাইছিলেন চিকিৎসকরা যাতে তার মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যান। ৪১ বছর বয়সী মা পাওলা পারফিট বহনযোগ্য ভেন্টিলেটর বাড়িতে এনে মেয়েকে বাঁচিয়ে রাখতেও চেয়েছিলেন। গত মাসেও তাকে দেখা গেছে বহনযোগ্য ভেন্টিলেটরের সাহায্যে পিপাকে হাসপাতালের বারান্দায় নিয়ে ঘুরে বেড়াতে।

গত বছরের ডিসেম্বরে বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। জানুয়ারিতে এক শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালত জানায়, আইনসম্মতভাবেই পিপার চিকিৎসা বন্ধ করা হবে।

তবে পিপার মা রায় মানতে নারাজ। তিনি আপিল করেন সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে। আপিলে তিন বিচারকের বেঞ্চ জানায়, বাড়িতে নয়, হাসপাতালেই মরতে হবে পিপাকে।

চলতি বছর মার্চে বিচারক কিং, বেকার ও এলিজাবেথের বেঞ্চে হওয়া শুনানিতে বলা হয়, একজন অভিভাবকের কাছে সন্তানের নিশ্চিত মৃত্যু কষ্টের।

পিপার মায়ের আইনি লড়াইয়ে সহায়তা করেছে সোসাইটি ফর দ্য প্রটেকশন অফ আনবোর্ন চিলড্রেন নামের একটি সংগঠন।

শুনানির দিন সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী জন দিঘান বলেন, ‘আজ অত্যন্ত দুঃখের দিন। আশার বাতিকে নিভিয়ে দিয়েছে আদালতের সিদ্ধান্ত।

‘মেয়েটি প্রতিটা নিঃশ্বাসে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছে। আদালতের সিদ্ধান্তে আজ লড়াই শেষ হওয়ায় পথে।’

পিপার মায়ের আশা, সুপ্রিম কোর্টের আপিল আবার পুনর্বিবেচনা করবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টিকা নিয়ে বিজেপি-কংগ্রেস টুইট লড়াই

টিকা নিয়ে বিজেপি-কংগ্রেস টুইট লড়াই

যোগ দিবসের দিন টিকা দেয় প্রায় ৮৮ লাখ মানুষ। সেই রেকর্ডের পর টুইট করে সাধুবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু পরের দিনই টিকা দেয়ার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রেকর্ড টিকা কি শুধুই চমক? প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

করোনা টিকাকরণ নিয়ে ফের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে ভারতে।

সোমবার ৮৮ লাখ মানুষের টিকা দেয়ার পর মঙ্গলবার তা এক ধাক্কায় ৫৩ লাখে নেমে আসে।

যোগ দিবসের দিন টিকা দেয় প্রায় ৮৮ লাখ মানুষ। সেই রেকর্ডের পর টুইট করে সাধুবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

কিন্তু পরের দিনই টিকা দেয়ার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রেকর্ড টিকা কি শুধুই চমক? প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

টিকার এই নিম্নগতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করেছেন সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম। টুইটে পি চিদাম্বরম জানিয়েছেন, একদিনে টিকার ‘বিশ্ব রেকর্ডের’ রহস্য ধরে ফেলেছেন তিনি।

টুইটে সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী লিখেছেন, ‘রোববারে জমা করো, সোমবারে টিকা দাও। এরপর মঙ্গলবারে ফের খোঁড়াতে শুরু করো। এটাই একদিনে টিকার বিশ্ব রেকর্ডের গোপন রহস্য।’

এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রকে খোঁচা দিয়ে পি চিদাম্বরম আশা প্রকাশ করেন, ‘আমি নিশ্চিত এই বিষয়টি গিনিস বুক অফ রেকর্ডসে জায়গা করে নেবে।’ এমনকী মোদি সরকার মেডিসিনে নোবেল পুরস্কারও পেতে পারে বলে মনে করেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

অন্য একটি টুইটে চিদাম্বরম লিখেছেন, ‘কে জানে, হয়তো মেডিসিনের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়ে যেতে পারে মোদি সরকার। আগে বলা হত মোদি হ্যায়, মুমকিন হ্যায়। এখন মোদি হ্যায়, মিরাকল হ্যায় হয়ে গিয়েছে।’

চিদাম্বরমের খোঁচার পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের অভিযোগ, কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলোতে টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। এই রাজ্যগুলোই ভারতকে টেনে পিছিয়ে দিচ্ছে।

টুইটে মালব্য লিখেছেন, ‘সোমবার টিকা দেয়ার রেকর্ড গড়ার পর মঙ্গলবার ভারতে ৫৪ লাখ লোক টিকা দিয়েছে। কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিতেই টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া খোঁড়াচ্ছে। দেশকে পিছনে টানছে। চিদাম্বরম বরং কংগ্রেস ও তাদের জোট সরকার শাসিত পাঞ্জাব, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড় ও মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলির টিকাকরণ নিয়ে মাথা ঘামাক। আমাদের রেহাই দিন।’

শেয়ার করুন

সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে

সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে

বার্ষিক অর্থনৈতিক নীতিমালা নির্দেশিকা প্রকাশের সময় এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জাপান সরকার। এতে সব প্রতিষ্ঠানকে কর্মীদের সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি দেয়ার সুপারিশ করা হয়, যা আগে ছিল ২ দিন।

জাপানে নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় সাপ্তাহিক কর্মদিবস পাঁচ দিন থেকে কমিয়ে ৪ দিনে আনার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির সরকার।

এটি কার্যকর হলে টানা ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটির সুবিধা পাবেন জাপানের মানুষ।

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বার্ষিক অর্থনৈতিক নীতিমালা নির্দেশিকা প্রকাশের সময় এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জাপান সরকার। এতে সব প্রতিষ্ঠানকে কর্মীদের সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি দেয়ার সুপারিশ করা হয়, যা আগে ছিল ২ দিন।

জাপানে বেতনভুক্ত নারী ও পুরুষ কর্মীরা ভীষণ পরিশ্রমী হিসেবে সারা বিশ্বে সুপরিচিত। এ অবস্থায় জাতীয় জীবনে ভারসাম্য আনতে কাজের সময় কমানোর ওপর জোর দিচ্ছে দেশটির সরকার।

পরিকল্পনায় বলা হয়, কর্মঘণ্টা কমলে একই সঙ্গে স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের বাড়তি সময় দিতে পারেন কর্মীরা। এতে মানসিকভাবে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকেন তারা।

এতে আরও বলা হয়, বাড়তি অবসর সময় পাওয়ায় শিক্ষা ও অন্যান্য দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন তারা। সব মিলিয়ে সপ্তাহে ৪ দিনের কর্মদিবসের ফলে কর্মীদের উৎপাদনশীলতাও বাড়ে।

বাড়তি ছুটির ফলে প্রতি সপ্তাহে লোকজন বাইরে বেড়াতে যাওয়ার বিষয়ে উৎসাহ পেলে সরকারের পর্যটনকেন্দ্রিক আয় বাড়বে বলেও আশাবাদী টোকিও।

এর মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের একে অপরকে জানার সময় পাওয়ার পাশাপাশি বিয়ে, সন্তান নিয়েও আগ্রহ পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

জাপানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে কর্মীদের অতিরিক্ত কাজের ফলে অসুস্থতা ও মানসিক অবসাদের কারণে আত্মহত্যার খবর প্রায় নিয়মিত।

অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যুর ঘটনা অনুসন্ধান করে দেখা যায়, বেশিরভাগ কর্মীই মাসের পর মাস নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে অফিসে কাজ করেছেন।

এ ধরনের ঘটনাও কমিয়ে আনতে চায় টোকিও।

শেয়ার করুন

প্রবাসীদের জন্য ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ৪০তম ঢাকা

প্রবাসীদের জন্য ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ৪০তম ঢাকা

মার্কার জানিয়েছে, আবাসন, পরিবহন ও খাদ্যসহ দুই শতাধিক পণ্য ও সেবার খরচের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর মধ্য এশিয়ার দেশ তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদ।

২০৯টি শহরের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান ৪০তম।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মার্কারের জীবনযাত্রার খরচবিষয়ক বার্ষিক জরিপে উঠে এসেছে এ তথ্য।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত বছর এ তালিকায় থাকা হংকংকে এ বছর পেছনে ফেলেছে ১০ লাখ বাসিন্দার শহর আশখাবাদ।

আশখাবাদের পর চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং দ্বিতীয়, লেবাননের রাজধানী বৈরুত তৃতীয় আর জাপানের রাজধানী টোকিও তৃতীয় ব্যয়বহুল শহর।

মার্কার জানিয়েছে, আবাসন, পরিবহন ও খাদ্যসহ দুই শতাধিক পণ্য ও সেবার খরচের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাকে প্রবাসী শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নির্ধারণে সহযোগিতার লক্ষ্যে তৈরি করা হয় এ প্রতিবেদন।

মার্কারের তালিকায় শীর্ষ ১০ ব্যয়বহুল শহরের বেশিরভাগই বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এসব শহরকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের অর্থনীতি।

তবে এদিক থেকে ভিন্ন আশখাবাদ। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নয়, বরং ভঙ্গুর অর্থনীতির কারণে ব্যয়বহুল এ শহরটি।

গবেষকরা জানিয়েছেন, মুদ্রাস্ফীতির কারণে এ অবস্থা আশখাবাদের।

প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ তুর্কমেনিস্তানের শাসনব্যবস্থা স্বৈরতান্ত্রিক। দীর্ঘ অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত দেশটিতে দিনে দিনে বিপুলসংখ্যক মানুষ দারিদ্র্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ এখনকার তুর্কমেনিস্তানের অর্থনীতি রাশিয়ায় গ্যাস রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকটের বড় কারণ হিসেবে দায়ী করা হয় গ্যাসের কম দামকে।

২০১৪ সালে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানির দামে ধসের ফলে তুর্কমেনিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি ও খাদ্যপণ্যের দাম ব্যাপক বেড়ে যায়।

করোনাভাইরাস মহামারি ও লকডাউনের প্রভাবে দেশটিতে খাবারের সংকট আরও তীব্র রূপ নিয়েছে বলে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

শেয়ার করুন

উইঘুর ইস্যুতে ৪০ দেশের উদ্বেগ, ক্ষুব্ধ চীন

উইঘুর ইস্যুতে ৪০ দেশের উদ্বেগ, ক্ষুব্ধ চীন

চীনের শিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের একটি বন্দিশিবির। ছবি: এএফপি

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের চীনা মিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জিয়াং দুয়ান একটি বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি কানাডায় সম্প্রতি ২১৫ আদিবাসী শিশুর গণকবর শনাক্তের বিষয়টি তুলে ধরেন।

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কানাডার নেতৃত্বে একযোগে নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে ৪০টির বেশি দেশ। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুধু শিনজিয়াংই নয়, চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং আর তিব্বতের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে প্রায় ৫০টি দেশ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ ইউএনএইচআরসিতে মঙ্গলবার চীনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আওয়াজ তোলে কানাডা। এতে সমর্থন দেয় আরও অনেক দেশ।

জবাবে কানাডার ঔপনিবেশিক শাসনের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয় চীন।

মানবাধিকার, বাণিজ্য ইস্যু আর উসকানিমূলক কূটনীতির অভিযোগে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত চীন-কানাডা সম্পর্ক।

কানাডার দূত লেসলি নর্টন বলেন, ‘উইঘুরদের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আমরা ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন।’

নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলকে শিনজিয়াংয়ে প্রবেশাধিকার দিতে চীনের প্রতি আহ্বানও জানায় কানাডা। অঞ্চলটিতে ১০ লাখ মুসলিমকে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে জাতিসংঘের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয় এ আহ্বান।

এ বিষয়ে যৌথ বিবৃতিতে সমর্থন দেয় অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, উইঘুরদের সঙ্গে নির্মম, অমানবিক আচরণ করছে বেইজিং। সন্তান জন্মদান নিয়ন্ত্রণ, যৌন সহিংসতা, সন্তানদের কাছ থেকে মা-বাবাদের জোরপূর্বক আলাদা করে দেয়ার অভিযোগও করা হয়।

জবাবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের চীনা মিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জিয়াং দুয়ান একটি বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি কানাডায় সম্প্রতি ২১৫ আদিবাসী শিশুর গণকবর শনাক্তের বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আগে এ বিষয়ে নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত করুক কানাডা। এর ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করুক।

চীনের এ বক্তব্যে সমর্থন দিয়েছে রাশিয়া, বেলারুশ, ইরান, উত্তর কোরিয়া, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলা।

চীনকে সমর্থন দেয়া সবগুলো দেশের বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

করোনা টিকার তিন ডোজ দিতে চায় চিলি

করোনা টিকার তিন ডোজ দিতে চায় চিলি

চিলিতে করোনার টিকাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি বাস থেকে বেরিয়ে আসছেন এক ব্যক্তি। ছবি: এএফপি

বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে শতভাগ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে থাকা অন্যতম দেশ চিলি। টিকাদানে চিলি সরকারের লক্ষ্যের ৭৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী কমপক্ষে এক ডোজ নিয়েছে। দুই ডোজ নিয়েছে ৬১ শতাংশ মানুষ।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার দুই ডোজ দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। তবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি তিনটি ডোজ দেয়া নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে।

একমাত্র জনসন অ্যান্ড জনসন বাদ দিয়ে বিশ্বের সব দেশে করোনা প্রতিরোধী টিকার সবই দুই ডোজের।

এগুলোর মধ্যে আছে ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, চীনের সিনোভ্যাক, রাশিয়ার স্পুৎনিকসহ সব টিকা। এক ডোজের টিকা প্রস্তুত করেছে শুধু জনসন অ্যান্ড জনসন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, করোনার টিকার শেষ ডোজ হিসেবে তৃতীয় ইনজেকশনের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা করছে চিলি।

দেশটির প্রেসিডেন্ট সেবাস্টিয়ান পিনেরা মঙ্গলবার জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আরও ভালোভাবে রোধে তৃতীয় ডোজের প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখছেন গবেষকরা।

তিনি বলেন, ‘চলমান সমস্যা সমাধানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে কী ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে, সে বিষয়েও চিন্তাভাবনা ও প্রস্তুতির দরকার আছে আমাদের।’

চিলিতে সম্প্রতি নতুন করে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় রূপ পরিবর্তিত ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের করোনার ওপর টিকার ডোজ বাড়ানো কার্যকর কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এমন সময়ে দেশটিতে কিশোর বয়সীদেরও করোনার টিকা দিতে শুরু করেছে সরকার।

বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে শতভাগ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে থাকা অন্যতম দেশ চিলি।

টিকাদানে চিলি সরকারের লক্ষ্যের ৭৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী কমপক্ষে এক ডোজ নিয়েছে। দুই ডোজ নিয়েছে ৬১ শতাংশ মানুষ।

চিলিতে করোনা প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচির প্রায় পুরোটাই চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের গবেষণালব্ধ টিকা করোনাভ্যাকের ওপর নির্ভরশীল।

দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখ ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই চীনের করোনাভ্যাক।

৩৯ লাখ ডোজ ফাইজার-বায়োএনটেকের। আর খুব সামান্য অংশ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও চীনের ক্যানসিনো বায়োলজিকসের টিকা।

করোনা প্রতিরোধের বিষয়ে সিনোভ্যাকনির্ভর চিলিতে সম্প্রতি রূপ পরিবর্তিত অধিক সংক্রামক ভাইরাসের ওপর চীনা টিকার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েছে দেশটির সরকার।

ঘটনার সূত্রপাত চলতি সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়া থেকে। সম্প্রতি করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে দেশটিতে। এর মধ্যে আগে সিনোভ্যাকের টিকা নেয়া ৩৫০ জনের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী রোগাক্রান্ত হন।

এরপরই ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের করোনার ওপর সিনোভ্যাকের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ শুরু হয় চিলিতে।

ভারতে প্রথম শনাক্ত ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টটি এখন পর্যন্ত চিলিতে শনাক্ত হয়নি। তবে প্রতিবেশী পেরু ও আর্জেন্টিনায় পৌঁছে গেছে সেটি।

শেয়ার করুন

খাশোগজি হত্যা: সৌদি ঘাতকরা ‘প্রশিক্ষণ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে’

খাশোগজি হত্যা: সৌদি ঘাতকরা ‘প্রশিক্ষণ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে’

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় সাংবাদিক জামাল খাশোগজিকে। ছবি: এএফপি

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, খাশোগজি হত্যা অভিযানে অংশ নেয়া চার ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থা ‘টায়ার ওয়ান গ্রুপ’-এর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেয়। সৌদি মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে ২০১৪ সালে এ প্রশিক্ষণের অনুমতি পায় ওই ব্যক্তিরা। ওই প্রশিক্ষণ চলেছে ওবামার উত্তরসূরি আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আমলেও।

সাংবাদিক জামাল খাশোগজি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সৌদি ঘাতক দলের চার সদস্য যুক্তরাষ্ট্রে আধা-সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছিল বলে উঠে এসেছে নিউইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে

এতে জানানো হয়েছে, খোদ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে এ প্রশিক্ষণ পায় হত্যাকারীরা।

সৌদি রাজপরিবারের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ থেকে পরবর্তী সময়ে কট্টর সমালোচকে পরিণত হন সাংবাদিক খাশোগজি। সালমান প্রশাসনের বিরাগভাজন হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত জীবনযাপন করছিলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকালীন ওয়াশিংটন পোস্টে নিয়মিত কলাম লিখতেন খাশোগজি।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে নৃশংসভাবে খুন করা হয় তাকে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, খাশোগজি হত্যা অভিযানে অংশ নেয়া চার ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থা ‘টায়ার ওয়ান গ্রুপ’-এর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেয়।

সৌদি মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে ২০১৪ সালে এ প্রশিক্ষণের অনুমতি পায় ওই ব্যক্তিরা। ওই প্রশিক্ষণ চলেছে ওবামার উত্তরসূরি ডনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের শুরুর কিছুদিন পর্যন্ত।

খাশোগজিকে হত্যা করা হয় ট্রাম্পের শাসনামলেই।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, বেসরকারি ইক্যুইটি ফার্ম সারবেরাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের অঙ্গ সংগঠন টায়ার ওয়ান গ্রুপ। এই সারবেরাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের এক শীর্ষ কমকর্তা ল্যুই ব্রেমার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একটি জ্যেষ্ঠ পদে চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসনকে দেয়া তার লিখিত সাক্ষ্য থেকেই জানা গেছে খাশোগজির হত্যাকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নেয়ার বিষয়টি।

লিখিত সাক্ষ্যে ল্যুই ব্রেমার নিশ্চিত করেন, সৌদি গুপ্তচরদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল টায়ার ওয়ান গ্রুপ।

তার দাবি, প্রশিক্ষণের ধরন ছিল আত্মরক্ষামূলক এবং খাশোগজিকে হত্যার সঙ্গে ওই প্রশিক্ষণের কোনো সম্পর্ক ছিল না।

ব্রেমার লিখেন, খাশোগজি হত্যায় জড়িতদের চারজন ২০১৭ সালে প্রশিক্ষণ নেয়। এদের মধ্যে দুইজন আরও আগে, অর্থাৎ, ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণে অংশ নেয়।

বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি প্রশাসন। তারা জোর দিয়েছে ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণের ব্যবহার দায়িত্বশীল রাখার’ ওপর।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সুরক্ষায় নিয়োজিত অভিজাত নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্য খাশোগজি হত্যায় জড়িত ছিল।

এই সাতজনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নেয়া চার ব্যক্তির কেউ আছে কি না, তা নিশ্চিত করেনি নিউইয়র্ক টাইমস।

হত্যার পর টুকরো টুকরো করে ফেলা হয় খাশোগজির মরদেহ, যার কোনো খোঁজ পরবর্তী সময়ে আর পাওয়া যায়নি।

হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে সৌদি রাজপরিবারের দাবি, স্বপ্রণোদিত হয়ে এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে সৌদি ঘাতকরা। এর সঙ্গে দেশটির শাসকগোষ্ঠীর কোনো সম্পর্ক নেই।

রিয়াদের আদালতে খাশোগজি হত্যায় জড়িতদের বিচারে পাঁচ সৌদি নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে; তিনজনকে দেয়া হয়েছে কারাদণ্ড।

সে বিচার বা বিচার প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে সাজা কমিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

করোনার চিকিৎসায় আইভারমেকটিনের ট্রায়াল

করোনার চিকিৎসায় আইভারমেকটিনের ট্রায়াল

করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় আইভারমেকটিনের কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা করছেন গবেষকরা। ছবি: এএফপি

গবেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত অ্যাজিথ্রোমাইসিন ও ডক্সিসাইক্লিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর। ফলে এমন ক্ষেত্রে আইভারমেকটিনের ব্যবহার কিছুটা আশা দেখিয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় জীবাণুবিরোধী ওষুধ আইভারমেকটিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখছেন ব্রিটিশ গবেষকরা।

করোনার সম্ভাব্য ওষুধ হিসেবে আইভারমেকটিনের উপযোগিতা নিয়ে এ গবেষণার কথা বুধবার জানায় অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি।

যুক্তরাজ্যে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় হয়েছে এ গবেষণা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ছাড়াই করোনা রোগীদের সুস্থ করে তোলার পথ খুঁজতে ওষুধটি নিয়ে গবেষণা করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, আইভারমেকটিনের মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাসের বিস্তারের গতি কমানো সম্ভব হয়েছে।

ছোট একটি দলের ওপর পরীক্ষায় দেখা যায়, আক্রান্ত হওয়ার শুরুতেই এ ওষুধটি প্রয়োগ করা হলে মানবদেহে এটি ভাইরাস বাড়তে এবং মৃদু উপসর্গ বেশি দিন স্থায়ী হতে দেয় না।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পরিচালিত এ গবেষণার নাম দেয়া হয়েছে ‘প্রিন্সিপ্যাল’।

গবেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত অ্যাজিথ্রোমাইসিন ও ডক্সিসাইক্লিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর। ফলে এমন ক্ষেত্রে আইভারমেকটিনের ব্যবহার কিছুটা আশা দেখিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেক দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা করোনার চিকিৎসায় আইভারমেকটিন ব্যবহারের বিরোধী।

করোনায় আক্রান্তদের ওপর শুধু পরীক্ষামূলকভাবে ওষুধটি প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

তবে ভারত, কলম্বিয়াসহ অনেক দেশেই করোনায় আক্রান্তদের সুস্থ করে তুলতে ওষুধটি ব্যবহার করছেন চিকিৎসকরা।

ব্রিটিশ গবেষক দলের সহ-প্রধান ক্রিস বাটলার বলেন, ‘প্রিন্সিপ্যালের মতো বড় পরিসরের পরীক্ষায় আইভারমেকটিন অন্তুর্ভুক্ত করার মাধ্যমে করোনার চিকিৎসায় এটির কার্যকারিতা প্রমাণের চেষ্টা করেছি আমরা। একই সঙ্গে এটি ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধাও খতিয়ে দেখেছি।’

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিভারের অসুখে ভুগছেন এবং রক্তের ঘনত্ব কমানো ওষুধ নিচ্ছেন এমন ব্যক্তিদের ওপর এ পরীক্ষা করা হয়নি। আইভারমেকটিনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অন্যান্য চিকিৎসা নেয়া ব্যক্তিদেরও এ পরীক্ষার বাইরে রাখা হয়েছে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের দেড় বছর পার হলেও ভাইরাসটির নতুন ধরন থেকে রেহাই পেত সুনির্দিষ্ট ওষুধ উদ্ভাবন হয়নি।

করোনার চিকিৎসায় পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহৃত সপ্তম ওষুধ আইভারমেকটিন।

এর আগে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় রেমডেসিভির, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, লোপিনাভির বা রিটোনাভির, কর্টিকোস্টেরয়েড, অ্যান্টিকোয়াগুলেন্টস, ফ্যাভিপিরেভির জরুরি ব্যবহারে অনুমোদন দেয় ডব্লিউএইচও।

বর্তমানে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ফ্যাভিপিরেভিরের সঙ্গে আইভারমেকটিনের কার্যকারিতা তুলনা করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা।

শেয়ার করুন