দুতের্তের নির্দেশ: ফিলিপাইনে অভিযানে নিহত ৯

দুতের্তের নির্দেশ: ফিলিপাইনে অভিযানে নিহত ৯

ফিলিপাইনে কমিউনিস্টবিরোধী অভিযানের বিপক্ষে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। ছবি: এএফপি

পুলিশ জানায়, বিদ্রোহের অভিযোগে অন্তত ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন রোববারের অভিযানে নিহত হয়।

কমিউনিস্ট বিদ্রোহীদের খুন করতে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তের নির্দেশের ৭২ ঘণ্টা পার না হতেই দেশটিতে পুলিশের অভিযানে ৯ জন নিহত হয়েছে।

রোববারের এই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছয়জনকে। পালিয়ে গেছে আরও ছয় বিদ্রোহী।

ফিলিপাইন পুলিশের বরাত দিয়ে সোমবার এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার উত্তরের তিন প্রদেশে কমিউনিস্ট নিধন অভিযানে নামে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য, বিদ্রোহের অভিযোগে অন্তত ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন রোববারের অভিযানে নিহত হয়।

তবে এসব ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্যাভিট প্রদেশের শ্রমিক নেতা এমানুয়েল অ্যাসানসিওনও আছেন বলে বিবৃতিতে দাবি করেছে মৎস্যজীবীদের সংগঠন ‘পামালাকায়া’।

ইউনিভার্সিটি অব দ্য ফিলিপিনসের শিক্ষার্থীদের প্রকাশনী ‘ইউপিএলবি পারসপেক্টিভ’ জানিয়েছে, বাটাঙ্গাস প্রদেশে এক শ্রমিক সংগঠক দম্পতিকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে ১০ বছর বয়সী সন্তানসহ তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সরকারি বাহিনী তাদের তুলে নিয়ে গেলেও এ ঘটনায় দায় স্বীকার করেনি কেউ।

রোববার রিজাল প্রদেশেও দুই অধিকারকর্মীকে গুলি করে হত্যার কথা জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন কারাপাতান। সংগঠনটির মহাসচিব ক্রিস্টিনা পালাবের অভিযোগ, ‘প্রেসিডেন্ট দুতের্তের দেয়া হত্যার নির্দেশ আবশ্যিক হিসেবে নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।’

ফিলিপাইনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। এসব ঘটনাকে কর্তৃপক্ষের ‘সাজানো পরিকল্পনা’ বলে বর্ণনা করেছে সংস্থাটি।

ফিলিপাইনে কমিউনিস্ট বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারের দ্বন্দ্ব পাঁচ দশকের বেশি সময়ের। দেশটির সেনাবাহিনীর হিসাব অনুযায়ী, কমিউনিস্টদের সঙ্গে লড়াইয়ে গত ৫৩ বছরে প্রাণ গেছে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের।

কমিউনিস্টদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় সরকারপ্রধানরা শান্তি আলোচনায় বসলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। ফিলিপাইনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হোসে মারিয়া সিসন নেদারল্যান্ডসে স্বেচ্ছা-নির্বাসনে আছেন।

মিন্দানাওয়ে শুক্রবার কমিউনিস্টবিরোধী এক আলোচনা সভায় প্রেসিডেন্ট দুতের্তে বলেন, ‘পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি, তারা যখনই বন্দুকযুদ্ধে কোনো কমিউনিস্ট বিদ্রোহীকে পাবে, তাদের মৃত্যু হয়েছে এটা যেন তারা নিশ্চিত করে।’

আরও পড়ুন: কমিউনিস্টদের খুনের নির্দেশ দুতের্তের

এ সময় কমিউনিস্টরা অস্ত্র ফেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলে তাদের চাকরি ও বাসস্থান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট।

২০১৬ সালে ক্ষমতায় এসেই দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু করেন দুতের্তে। বিতর্কিত এ অভিযানে নিহত হন আট হাজারের বেশি মানুষ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মুন্সীগঞ্জে আগুন: দুই সন্তানের পর চলে গেলেন বাবাও

মুন্সীগঞ্জে আগুন: দুই সন্তানের পর চলে গেলেন বাবাও

মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে একটি ভবনে লাগা আগুনে দগ্ধ কাওসারের মৃত্যু হয় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। ছবি: নিউজবাংলা

আগুনে ৩০ বছর বয়সী কাওসারের শরীরের ৫৪ শতাংশ, তার স্ত্রী ২৮ বছর বয়সী শান্তা বেগমের ৪৮ শতাংশ, তাদের ৬ বছরের ছেলে ইয়াসিনের ৪৪ শতাংশ এবং ৩ বছরের মেয়ে নুহা আক্তারের দেহের ৩২ শতাংশ পুড়ে যায়।

মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে একটি ভবনে লাগা আগুনে দগ্ধ মো. কাওসারের (৩০) মৃত্যু হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ নিয়ে আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিনজন।

কাওসারের শ্যালক মাসুদ মিয়া জানান, গত বৃহস্পতিবার মুক্তারপুরের বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভোরের দিকে আগুন লাগে। এ ঘটনায় তার বোন, ভগ্নিপতি ও দুই ভাগ্নে-ভাগ্নি দগ্ধ হয়।

তিনি জানান, আগুনে ৩০ বছর বয়সী কাওসারের শরীরের ৫৪ শতাংশ, তার স্ত্রী ২৮ বছর বয়সী শান্তা বেগমের ৪৮ শতাংশ, তাদের ৬ বছরের ছেলে ইয়াসিনের ৪৪ শতাংশ এবং ৩ বছরের মেয়ে নুহা আক্তারের দেহের ৩২ শতাংশ পুড়ে যায়।

‘আজ সকালে আমার বোনজামাইও মারা গেলেন। পুরা সংসারটা শেষ হয়ে গেল। শুধু আমার বোন বাঁইচা আছে। তার অবস্থাও মুমূর্ষু’, বলেন কাওসার।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন আইয়ুব হোসেন বলেন, আজ সকালে কাওসারের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তিনজন প্রাণ হারালেন। কাওসারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ইনস্টিটিউটের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালে থাকা শান্তা বেগমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চীনা নাগরিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামে চীনা নাগরিকের মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

পাচঁলাইশ থানা পুলিশের পরিদর্শক সাদিকুর রহমান বলেন, ওই ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। তার স্বাভাবিক নাকি অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে জানা যাবে।

চট্টগ্রাম নগরের কর্ণফুলীর থানা এলাকায় চায়না পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন (সিপিপি) ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিতে কর্মরত এক চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে তার মৃত্যু হলেও বিষয়টি শনিবার সকালে সংবাদ মাধ্যমকে জানায় পুলিশ।

ওই চীনা নাগরিকের নাম থিয়াং ইউ। তিনি চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের লিওনিং এলাকার বাসিন্দা। সিপিপি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিতে ফোরম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাচঁলাইশ থানা পুলিশের পরিদর্শক সাদিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, শুক্রবার রাতে কর্ণফুলী এলাকায় বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাকে রাত ১২টার দিকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ওই ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। তার স্বাভাবিক নাকি অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে জানা যাবে।

শেয়ার করুন

‘রংপুর অঞ্চলে বোমা তৈরি করত ওয়াহেদ’

‘রংপুর অঞ্চলে বোমা তৈরি করত ওয়াহেদ’

র‍্যাব কর্মকর্তা শেখ আল মঈন বলেন, ‘ওয়াহেদ আলীর নেতৃত্বে এই বাড়িতে বোমা তৈরি করা হতো বলে আমরা জেনেছি। রংপুর অঞ্চলে সে-ই এই কাজ করত।’

নীলফামারী সদরের সোনারায়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় ওহিদুল ইসলাম, ওয়াহেদ আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাহিদুল ইসলাম ও নুরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করার কথাও জানায় র‌্যাবের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান র‌্যাবের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটসহ র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক শেখ আল মঈন।

সাংবাদিকদের তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে নীলফামারীর বিভিন্ন জায়গা থেকে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ সকাল থেকে সোনারায় ইউনিয়নের পুটিহারীর শরিফুল ইসলামের বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়। পরে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট অভিযান চালিয়ে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে।

‘রংপুর অঞ্চলে বোমা তৈরি করত ওয়াহেদ’

র‌্যাব কর্মকর্তা শেখ আল মঈন বলেন, ‘ওয়াহেদ আলীর নেতৃত্বে এই বাড়িতে বোমা তৈরি করা হতো বলে আমরা জেনেছি। রংপুর অঞ্চলে সে-ই এই কাজ করত।’

আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব-১৩ রংপুর কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। বিকেলে রংপুরে অভিযানের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে সব জানানো হবে বলে জানান তিনি।

অভিযানের সময় র‍্যাব একটি আইইডি-সদৃশ বিস্ফোরক শনাক্ত করে। বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এটি নিষ্ক্রিয় করেছে।

জঙ্গিদের কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, তা জানাননি এই কর্মকর্তা। অভিযানের সময় ঘিরে রাখা বাড়ির আশপাশে হাজারও মানুষ ভিড় করেন।

শেয়ার করুন

ভেঙে ফেলা হলো মেয়র আব্বাসের অবৈধ মার্কেট

ভেঙে ফেলা হলো মেয়র আব্বাসের অবৈধ মার্কেট

কাটাখালী বাজারের বাসস্ট্যান্ডের পাশে সরকারি খালের ওপর নির্মাণাধীন দোতলা মার্কেটে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা

পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন জানান, সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার জন্য এই অভিযান। খালের ওপর নির্মাণাধীন ভবনটি উচ্ছেদের জন্য ২৫ আগস্ট নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

সরকারি খালের ওপর নির্মিত কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর মার্কেট ভেঙে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন কাটাখালী বাজারের বাসস্ট্যান্ডের পাশে সরকারি খালের ওপর নির্মাণাধীন দোতলা মার্কেটে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার জন্য এই অভিযান। খালের ওপর নির্মাণাধীন ভবনটি উচ্ছেদের জন্য ২৫ আগস্ট নোটিশ দেয়া হয়েছিল।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্বিতীয়বার নৌকার মনোনয়ন নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর আব্বাস আলী কাটাখালী বাজারের পানি নিষ্কাশনের প্রধান খালটি দখল করে তার ওপর দোতলা মার্কেটের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল বসানো নিয়ে আপত্তি তোলা মেয়র আব্বাসের একটি অডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের ওই অডিওতে তিনি বলেন, ‘সিটি গেট আমার অংশে। ... ফার্মকে দিয়েছে তারা বিদেশি স্টাইলে সাজিয়ে দিবে; ফুটপাত, সাইকেল লেন টোটাল আমার অংশটা। কিন্তু একটু থেমে গেছি, গেটটা নিয়ে। একটু চেঞ্জ করতে হচ্ছে যে ম্যুরালটা দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর, সেটা ইসলামি শরিয়ত মতে সঠিক নয়। এ জন্য আমি ওটা থুব না (রাখব না), সব করব তবে শেষ মাথাতে যেটা ওটা (ম্যুরাল)।’

তিনি বলেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি, ম্যুরালটা ঠিক হবে না দিলে। আমার পাপ হবে; তো কেন দিব, দিব না। আমি তো কানা না, যেভাবে বুঝাইছে তাতে আমার মনে হয়েছে, ম্যুরালটা হলে আমার ভুল করা হবে।

‘এ খবরটা যদি যায় তাহলে আমার রাজনীতির বারোটা বাজবে যে এই ম্যুরাল দিছে না। তাহলে বঙ্গবন্ধুকে খুশি করতে গিয়ে আল্লাহকে নারাজ করব নাকি। এ জন্য কিছু করার নাই। মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করা যাবে না।’

এ ঘটনায় ২৪ নভেম্বর আব্বাসের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। ১ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানীর হোটেল রাজমনি ইশা খাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে। আগামী রোববার রিমান্ডের শুনানি হবে।

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর সহচর গোলাম হাসনায়েন আর নেই

বঙ্গবন্ধুর সহচর গোলাম হাসনায়েন আর নেই

একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হাসনায়েন।

গোলাম হাসনায়েন উল্লাপাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। আইন বিষয়ে লেখাপড়া শেষে তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর গোলাম হাসনায়েন আজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক গণপরিষদ সদস্য, ৭২ এর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য পাবনার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী গোলাম হাসনায়েন মারা গেছেন।

শনিবার ভোরে শহরের পৌর এলাকার নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। গোলাম হাসনায়েন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল তার মৃত্যুর তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিকেলে ভোকেশনাল স্কুল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

গোলাম হাসনায়েন উল্লাপাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। আইন বিষয়ে লেখাপড়া শেষে তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর গোলাম হাসনায়েন আজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

ভাষা আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে উল্লাপাড়া আসন থেকে সদস্য (এমসিএ) নির্বাচিত হন।

তিনি ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করা, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সংগ্রহসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে ১৯৭২ সালের দেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি।

আজীবন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২১ সাল তাকে একুশে পদক দেয়া হয়।

গোলাম হাসনায়েনের মৃত্যুতে পাবনার মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শেয়ার করুন

রোস্তম আলীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রোস্তম আলীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রোস্তম আলী মিয়া

রোস্তম আলী মিয়া ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক। তার সন্তানদের মধ্যে একজন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। একজন জেলা ও দায়রা জজ এবং আরেকজন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে কর্মরত।

বাংলাদেশ সরকারের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক রোস্তম আলী মিয়ার একাদশ মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

এ উপলক্ষে তার নামে প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজে স্মরণ সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

রোস্তম আলীর সন্তানদের মধ্যে ড. সেলিম মাহমুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। তিনি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন ট্রাইব্যুনানের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।

এক ছেলে আ ন ম জাহাঙ্গীর আলম দায়িত্ব পালন করছেন জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে। আরেক ছেলে সালাউদ্দিন মাহমুদ বিসিএস তথ্য ক্যাডারে কর্মকর্তা। বাংলাদেশ বেতারের উপ-নিয়ন্ত্রক (বার্তা) সালাউদ্দিন বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে কর্মরত।

রোস্তম আলীর জন্য তার পরিবারের সদস্যরা শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও আত্নীয়স্বজনের কাছে তাঁর জন্য দোয়া কামনা করছেন।

শেয়ার করুন

শান্তি প্রতিষ্ঠার দায় সবার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শান্তি প্রতিষ্ঠার দায় সবার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশে ও বিদেশে শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করছেন। এই যে শান্তির প্রতি তারও অগাধ বিশ্বাস, এটি আমরা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হয়। শান্তি সরকারের একার পক্ষে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

শনিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলন’ প্যানেল আলোচনা শুরুর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এর উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সম্মেলনে ৫০টি দেশের ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের ৬০ জন প্রতিনিধি ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন। আর বাকি ৪০ জন সশরীরে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রোববার বিকেলে এ সম্মেলন শেষ হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশে ও বিদেশে শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করছেন। এই যে শান্তির প্রতি তারও অগাধ বিশ্বাস, এটি আমরা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই।

‘জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী যে শান্তির সংস্কৃতির ধারণা দিয়েছেন, সম্মেলন থেকে আমরা পৃথিবীতে শান্তির বার্তা দিতে চাই। আমরা চাই, এই বার্তা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ুক। পৃথিবীতে টেকসই শান্তির জন্য প্রয়োজন একে-অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা, সহনশীলতা- এগুলো আমরা তুলে ধরব।’

শেয়ার করুন