× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
ভারতের কৃষি আইনের পক্ষে আইএমএফ
google_news print-icon

ভারতের কৃষি আইনের সাফাই আইএমএফের

ভারতের-কৃষি-আইনের-সাফাই-আইএমএফের
শুক্রবার দুপুরে নবম বারের মতো ভারতের তিন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নতুন তিন আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকরা। এর আগের দিন আন্তর্জাতিক সংস্থাটি নতুন কৃষি আইনের পক্ষে মত জানাল।

ভারতের নতুন তিনটি কৃষি সংস্কার আইন নিয়ে দিল্লিতে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে কৃষকরা আন্দোলনে থাকলেও আইনের পক্ষে সাফাই গাইলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

তারা বলছে, নতুন কৃষি আইন দেশটির কৃষিখাত সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আইএমএফের কমিউনিকেশন্সবিষয়ক পরিচালক গেরি রাইস যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদেরকে সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।

নতুন আইনের ফলে ভারতের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। নতুন এ ব্যবস্থায় রূপান্তরের সময় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পর্যাপ্ত সহায়তা দেয়া উচিত বলে মনে করে আইএমএফ।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মাসখানেক ধরে চলমান অচলাবস্থা নিরসনে শুক্রবার দুপুরে নবম বারের মতো ভারতের তিন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নতুন তিন আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকরা। এর আগের দিন আন্তর্জাতিক সংস্থাটি নতুন কৃষি আইনের পক্ষে মত জানাল।

রাইস বলেন, ‘আমরা মনে করি, নতুন কৃষি আইন ভারতের কৃষি সংস্কারে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ রাখতে সম্ভাব্য ভূমিকা রাখবে। এ আইনের মাধ্যমে বিক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন কৃষকরা। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমে উদ্বৃত্তের একটা বড় অংশ তারা পাবেন। পাশাপাশি এটি কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও গ্রামীণ উন্নয়নে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।’

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী যেন রূপান্তরকালে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্তদের রক্ষা করে সে কথাও জানান সংস্থাটির ওই মুখপাত্র।

তিনটি কৃষি আইন বাতিল ও উৎপাদিত শস্যের সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণের দাবিতে গত বছরের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান করছেন হাজার হাজার কৃষক। আন্দোলনরত কৃষকদের একটি বড় অংশ পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের।

নতুন আইনের ফলে কৃষকদের শঙ্কা তাদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে ফসল কিনতে সরকার যেমন বাধ্য থাকবে না, তেমনি বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণও থাকবে না।

দাম-দর নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা চলে যাবে কোম্পানিগুলোর হাতে। এতে কোম্পানিগুলোর দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে যেতে পারে তাদের জীবন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Memorandum to make a permanent campus of Subiprabi next to the district headquarters

জেলা সদরের পাশে সুবিপ্রবির স্থায়ী ক্যাম্পাস করার দাবিতে স্মারকলিপি

জেলা সদরের পাশে সুবিপ্রবির স্থায়ী ক্যাম্পাস করার দাবিতে স্মারকলিপি ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সুবিপ্রবি) স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরের আশপাশে সকল উপজেলার জন্য সুবিধাজনক স্থানে নির্মাণের দাবিতে সুনামগঞ্জ শহরে সমাবেশ, গণমিছিল এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। কর্মসূচিতে সদর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। রোববার (২৮ জুন) শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা শহরের ঐতিহ্য জাদুঘর প্রাঙ্গণে সমবেত হন। পরে সেখানে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা সিপিবির সাবেক সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং ‘সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে বাস্তবায়ন আন্দোলন’-এর সদস্য সচিব মুহাম্মদ মুনাজ্জির হোসেন সুজন ও যুগ্ম সদস্য সচিব রাজু আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মহিবুল ইসলাম, হাওর বাঁচাও আন্দোলন সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ইয়াকুব বখত বহলুল, সহসভাপতি লেখক সুখেন্দু সেন, শিক্ষাবিদ যোগেশ্বর দাস, জেলা সুজনের সভাপতি নুরুল হক আফিন্দি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের জেলা সভাপতি আবু নাছার আহমদ এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তারেক মিয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা সদর উপজেলার যুগীরগাঁও মৌজার জে.এল. নং-১১৩-এর সরকারি খাসজমিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের প্রস্তাব তুলে ধরেন। তাদের দাবি, সেখানে প্রায় ২১৮ দশমিক ৫৯ একর সরকারি খাসজমি রয়েছে। ওই স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হলে জমি অধিগ্রহণে সরকারের বিপুল অর্থ সাশ্রয় হবে এবং জেলার সব উপজেলার শিক্ষার্থীদের জন্যও এটি হবে অধিকতর সুবিধাজনক।

সমাবেশ শেষে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে একটি গণমিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। আন্দোলনকারীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা সদরের নিকটবর্তী উপযুক্ত স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবি জানান।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Samir Chandra sold sweets made by himself in villages for 30 years

৩০ বছর গ্রামে ঘুরে নিজের তৈরি মিষ্টি বিক্রি করেন সমীর চন্দ্র

৩০ বছর গ্রামে ঘুরে নিজের তৈরি মিষ্টি বিক্রি করেন সমীর চন্দ্র ছবি: সংগৃহীত

ভোরের আলো ফুটতেই দুধ জ্বাল দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন সমীর চন্দ্র ঘোষ। খাঁটি দুধে তৈরি করেন ক্ষীরসা, প্যারা সন্দেশ ও রসমালাই। এরপর কাঁধে ভার মিষ্টি ভর্তি পাত্র নিয়ে বেরিয়ে পড়েন গ্রামের পথে। দিনভর ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে জয়পুরহাট, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে নিজের হাতে তৈরি মিষ্টি বিক্রি করেন। এভাবেই কেটে গেছে তার জীবনের তিন দশক। রসমালাইয়ের অনন্য স্বাদ আর মানুষের ভালোবাসা তাকে দিয়েছে আলাদা পরিচিতি।

‎আক্কেলপুর পৌরশহরের হাস্তাবসন্তপুর ঘোষপাড়া মহল্লার বাসিন্দা সমীর চন্দ্র ঘোষের এই পেশা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। তার বাবা-দাদাও একইভাবে গ্রামে গ্রামে ঘুরে মিষ্টি বিক্রি করতেন। তবে মিষ্টান্ন জগতে তাদের তেমন পরিচিতি না থাকলেও নিজের পরিশ্রম, সততা ও স্বাদের গুণে সমীর চন্দ্র অর্জন করেছেন বিশেষ সুনাম।

‎প্রতিদিন ভোরে মিষ্টি তৈরির কাজ শেষ করে তিনি বের হন। জয়পুরহাট নিজ জেলার পাশাপাশি বগুড়ার ও নওগাঁ জেলার বিভিন্ন গ্রামে নিয়মিত যান। সারাদিন হাঁটাহাঁটি শেষে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার মিষ্টি বিক্রি হয়। এই আয়েই চলে তার সংসার।

‎সমীর চন্দ্র ঘোষ বলেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে এই কাজ করছি। এটি আমাদের বাপ-দাদার পেশা। অনেকেই অন্য কাজ করতে বলেন। কিন্তু এই পেশার প্রতি আমার ভালোবাসা আছে। সবচেয়ে বড় আনন্দ হলো, মানুষ আমার হাতে তৈরি মিষ্টি খুঁজে বেড়ায়। অনেকেই আমার রসমালাইয়ের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, এখন বড় বড় মিষ্টির দোকান হয়েছে। তারপরও গ্রামের মানুষ আমার ওপর আস্থা রাখেন। খাঁটি দুধ দিয়ে নিজের হাতে মিষ্টি তৈরি করি বলেই হয়তো তারা এত ভালোবাসেন।

আক্কেলপুর উপজেলার ‎রুকিন্দীপুর গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল রানা বলেন, সমীর বাবুর রসমালাইয়ের স্বাদ ছোটবেলা থেকেই খেয়ে আসছি। এখনো সেই আগের স্বাদ আছে। তিনি আমাদের গ্রামে আসার দিন অনেকেই অপেক্ষা করে থাকেন।

‎নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বাসিন্দা সাথী রানী বলেন, বাজারের অনেক মিষ্টি খেয়েছি, কিন্তু সমীর দাদার রসমালাইয়ের মতো স্বাদ পাই না। তিনি এলে পরিবারের সবার জন্য মিষ্টি কিনি। আত্মীয়দের বাড়িতেও নিয়ে যাই।

‎বগুড়ার দুঁপচাচিয়া উপজেলা সদরের বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বলেন, সমীর চন্দ্র বহু বছর ধরে আমাদের এলাকায় আসছেন। তার মিষ্টির মান ভালো, দামও সবার নাগালের মধ্যে। তাই তিনি এলে আমরা মিষ্টি কিনতে ভিড় করি।

‎গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ফেরিওয়ালাদের সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। আধুনিক বিপণিব্যবস্থা ও বড় বড় মিষ্টির দোকানের ভিড়েও সমীর চন্দ্র ঘোষ এখনো কাঁধে মিষ্টির পাত্র তুলে হাঁটছেন গ্রাম থেকে গ্রামে। তার এই পথচলা শুধু জীবিকার সংগ্রাম নয়, বরং একটি পারিবারিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার নিরলস প্রচেষ্টা। তার হাতে তৈরি ক্ষীরসার মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে মিশে আছে তিন দশকের পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Comillas first woman Deputy Commissioner Rozi Akhtar has been appointed

কুমিল্লার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন রোজী আক্তার

কুমিল্লার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন রোজী আক্তার ছবি: সংগৃহীত

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিজ রোজী আক্তার কুমিল্লার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। রোববার (২৮ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়।

একই প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লার বর্তমান জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান-কে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রোজী আক্তারের এ নিয়োগের মাধ্যমে তিনি কুমিল্লা জেলার ইতিহাসে প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। তাঁর নিয়োগকে ঘিরে প্রশাসনিক অঙ্গনসহ জেলার বিভিন্ন মহলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর তিনি কুমিল্লা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

অন্যদিকে, বিদায়ী জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানকে সিলেটে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায় থেকে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Tipperary patients angry at doctors negligence at community clinic

কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় ক্ষুব্ধ টিপনার রোগীরা

কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় ক্ষুব্ধ টিপনার রোগীরা ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিক । ছবি: সংগৃহীত

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বরত চিকিৎসক সুকান্তর বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দায়িত্ব অবহেলা এবং রোগীদের সাথে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি নিয়মিত না খোলায় স্থানীয় দরিদ্র রোগীরা দিনের পর দিন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

​দেখা যায়, ক্লিনিকের চারপাশ ও সামনের অংশ বন-জঙ্গলে ভরে গেছে। ক্লিনিকের পরিবেশ দেখে মনে হয় দীর্ঘদিন ধরে এখানে কোনো দাপ্তরিক কাজ বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বালাই নেই। এমনকি নিয়মিত অফিস যে হয় না, তার স্পষ্ট ছাপ রয়েছে পুরো ভবন জুড়ে।

​ক্লিনিকে ওষুধ নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা ও টিপনা পশ্চিমপাড়া মসজিদের ইমাম শহিদুল সর্দার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​"আমরা এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছি না। সরকারিভাবে যে সমস্ত ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা, তা আমাদের না দিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বলা হয়। এছাড়া চিকিৎসকের আচরণও সন্তোষজনক নয়। আমরা এর সঠিক প্রতিকার চাই।

​ক্লিনিকের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানান স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ এরশাদ সরদার। তিনি বলেন, "সুকান্ত ডাক্তার ক্লিনিক ঠিকমতন খোলেন না। ক্লিনিকের সামনে বন-জঙ্গলে ভরে গেছে, দেখে মনে হয় গতকালও কোনো অফিস হয় নাই। সরকারি একটা প্রতিষ্ঠান এভাবে অবহেলায় পড়ে থাকতে পারে না।

​চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাওয়া ফারুক সরদার নামের আরেক রোগী সরাসরি চিকিৎসকের ফাঁকিবাজির চিত্র তুলে ধরে বলেন, উনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। ক্লিনিকে রোগী বসিয়ে রেখে উনি পাশের চায়ের দোকানে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করেন। আমরা দূর-দূরান্ত থেকে এসে ডাক্তার না পেয়ে ফিরে যাই। এমন চিকিৎসকের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।

​অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক সুকান্তর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে তিনি নিজের গাফিলতি আড়াল করতে অজুহাত দেখিয়ে বলেন, ​"ক্লিনিক বন্ধ রাখার বিষয়টি সঠিক নয়। ডুমুরিয়ায় সরকারি বিভিন্ন মিটিং ও জরুরি দাপ্তরিক কাজের চাপ থাকার কারণে মাঝে মাঝে ক্লিনিকে বসতে একটু দেরি হয়।" তবে স্থানীয়রা তাঁর এই বক্তব্যকে স্রেফ 'তালবাহানা' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

​এই চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা কাজল মল্লিক বলেন, ​ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের"টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। সরকারি চিকিৎসায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

​খুলনা সিভিল সার্জন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সরকারি নির্দেশনায় কোনো প্রকার শিথিলতা বরদাশত করা হবে না। টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিকের সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলা ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ মিললে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​স্থানীয় সাধারণ মানুষ এ ক্লিনিকের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা ও দায়িত্ববান চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Two dead bodies of a young man and a woman with their hands and feet tied were recovered from Feni

ফেনীতে যুবকের গলাকাটা ও নারীর হাত-পা বাঁধা দুই মরদেহ উদ্ধার

ফেনীতে যুবকের গলাকাটা ও নারীর হাত-পা বাঁধা দুই মরদেহ উদ্ধার ফাইল ছবি

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় নিজ বাড়ির সামনে যোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবকের গলা ও হাতকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে ফুলগাজীতে এক কুয়েতপ্রবাসীর স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (২৭ জুন) ছাগলনাইয়ায় ঘোপাল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজকুঞ্জরা গ্রামে যোবায়ের হোসেন পারভেজকে হত্যা করা হয়। এ বিষয়ে নিহতের বাবা আবু তাহের বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত পারভেজ ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী ছিলেন। অনেকেই বলছেন তিনি ঘোপাল ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

পারভেজের বাবা আবু তাহের দাবি করেন, প্রতিবেশী সাদেক মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন ও মামুনুর রশিদ মামুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পারভেজের বিরোধ চলছিল। শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় একটি দোকানে মোবাইল ফোন নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই বিরোধের জেরেই পারভেজকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের এশিয়া পোস্টকে বলেন, নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পারভেজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২৫টি মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি যুবলীগের সমর্থক ছিলেন বলে জানতে পেরেছি।

ওসি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নিহতের স্বজনদের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে, ফেনীর ফুলগাজীতে এক কুয়েতপ্রবাসীর স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এই নৃশংস ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল মাস্টার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম কাজল (৩৫)। তিনি তিন সন্তানের জননী এবং ওই বাড়ির কুয়েতপ্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী।

জানা গেছে, নিহত কাজলের তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে সিলোনীয়া মাদরাসা এবং মেজো ছেলে তালবাড়িয়া মাদরাসার বোর্ডিংয়ে থেকে পড়াশোনা করে। গত শুক্রবার রাতে কাজল তার মাত্র দুই বছর বয়সী ছোট সন্তানকে নিয়ে ঘরে একাই ছিলেন। গভীর রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা ঘরের উপরের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে কাজলের হাত-পা বেঁধে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে ফুলগাজী থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শত শত মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমান।

এ বিষয়ে ফুলগাজী থানার ওসি এম এম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সাথে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The family of Banlata Halder who has been chained for 18 years wants medical help

১৮ বছর শিকলবন্দি বনলতা হালদারের জীবন, চিকিৎসা সহায়তার আকুতি পরিবারের

১৮ বছর শিকলবন্দি বনলতা হালদারের জীবন, চিকিৎসা সহায়তার আকুতি পরিবারের ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুর ডাসার উপজেলার নবগ্রাম এলাকায় বিচিত্রা হালদারের কন্যা পিতৃহীবনলতা হালদার মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে ১৮ বছর ধরে গাছের সাথে শিকলবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা ও নবগ্রামের শশিকর ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল তালুকদারে কাছ থেকে আলাদাভাবে জানা যায়, তার মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে যাবার বিষয়টি তাদের নজরে এলে যথাক্রমে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও ইউনিয়ন কার্যালয় দপ্তর হতে তার জন্য প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড চালু করা হয়েছে।

তারা আরও জানান, সরকারিভাবে তার সুচিকিৎসা সহায়তার জন্য উক্ত পরিবারের অভিভাবকদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে আরও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঘটনার বিবরণে মানসিক প্রতিবন্ধী বনলতার বৃদ্ধা মা বিচিত্রা হালদার, তার দুই ভাই ও দুই বৌদি জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে বনলতা সম্পূর্ণ সুস্থ্য ছিল, স্কুলে যেত, লেখাপড়া করত কিন্তু হঠাৎ করে পেটে প্রচণ্ড ব্যাথার জন্য ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হলে তার পেটে অস্ত্রোপচার করা হয় এবং এতে সে অনেকটা সুস্থ্য হয়েও উঠলেও তার মধ্যে ক্রমান্বয়ে অস্বাভাবিক আচরণ পরিলক্ষিত হয়।

পরবর্তীতে সে মানসিক বিকারগ্রস্থ হয়ে পড়ে। প্রথম-প্রথম তাকে খোলামেলা রাখা হলেও পাগলামি বেড়ে যাওয়ায় পরে তাকে গাছের সাথে শিকলে আবদ্ধ করা হয়। সেই থেকে বনলতা হালদার দেড় যুগ তথা ১৮ বছর যাবৎ খোলা আকাশের নিচে রোদ-ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও শিকলবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। অসহায় ও গরিব পরিবারটির আশা সরকারিভাবে তাকে উন্নত চিকিৎসা করা হলে পিতৃহারা বনলতা সুস্থ্য হয়ে

আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হবে এবং পরিবারের সবার সীমাহীন কষ্ট, দুঃখ-দুর্দশা ঘুচে যাবে। এছাড়াও তারা সমাজের বিত্তবান সহ সবাইকে তার সুচিকিৎসায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবার অনুরোধ করেছেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Job aspirants complain of nepotism in outsourcing recruitment at Bagerhat Hospital

বাগেরহাট হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ চাকরি প্রত্যাশীদের

বাগেরহাট হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ চাকরি প্রত্যাশীদের ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং ভিত্তিতে জনবল নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও তদবির বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও চূড়ান্ত নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে সুপারিশ এবং প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন চাকরি প্রত্যাশী ও সংশ্লিষ্টরা।

‎জানা যায়, হাসপাতালের ৯৪ জন কর্মী সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ঢাকাভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচআরডি অ্যান্ড ই এজেন্সি। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব সক্ষমতার চেয়ে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কাজটি লাভ করেছে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাবেক এক প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

‎অভিযোগকারীদের দাবি, আবেদন গ্রহণ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার মতো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও চূড়ান্ত তালিকা তৈরিতে পরীক্ষার ফলাফলের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। বরং ব্যক্তিগত সুপারিশ ও তদবিরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

‎এ ছাড়া নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি পূর্ববর্তী সরকারের আমলে আউটসোর্সিং ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ৬৬ জন কর্মীকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত কর্মীদের মধ্যে চাকরি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

‎হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে অভিযোগমুক্ত কর্মীদের বহাল রাখার পক্ষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একটি অংশ মত দিলেও এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতপার্থক্য রয়েছে।

‎চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও পরবর্তীতে জীবনবৃত্তান্ত (বায়োডাটা) জমা দিয়ে নিয়োগ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। অভিযোগটি সত্য হলে পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎‎নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের কয়েকজন আউটসোর্সিং কর্মী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমাদের পরিবার এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল। হঠাৎ করে চাকরি হারালে পরিবার নিয়ে সংকটে পড়তে হবে।’

‎তারা যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বিদ্যমান কর্মীদের বহাল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

‎এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, ‘আউটসোর্সিং নিয়োগ পরীক্ষায় যারা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে নিয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। একই সঙ্গে পূর্বে কর্মরত যেসব কর্মীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই এবং যারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের যেন অযৌক্তিকভাবে বাদ না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।’

‎তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে এইচআরডি অ্যান্ড ই এজেন্সির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের মতে, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

মন্তব্য

p
উপরে