শেষ সময়ে চীনের ওপর ট্রাম্পের আরও নিষেধাজ্ঞা

শেষ সময়ে চীনের ওপর ট্রাম্পের আরও নিষেধাজ্ঞা

নয়টি কোম্পানির মধ্যে চীনের অন্যতম বৃহত্তম জাতীয় তেল কোম্পানি ‘চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল করপোরেশন (সিএনওওসি)’ ও মোবাইল কোম্পানি শাওমিও রয়েছে।

বিদায়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে চীনের আরও নয়টি বড় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

চীনের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে ওই কোম্পানিগুলোকে বৃহস্পতিবার পেন্টাগনের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।

নয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চীনের অন্যতম বৃহত্তম জাতীয় তেল কোম্পানি ‘চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল করপোরেশন (সিএনওওসি)’ ও মোবাইল কোম্পানি শাওমিও রয়েছে।

গত কয়েক মাসে নিরাপত্তা হুমকির শঙ্কায় চীনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটক, উইচ্যাট ও প্রযুক্তি কোম্পানি হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন।

গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপলকে ছাড়িয়ে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান হয় শাওমি।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অভিযোগ, দক্ষিণ চীন সাগরে অফশোর তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে হয়রানি ও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে সিএনওওসি।

দেশটির কমার্স সেক্রেটারি উইলবার রোজ বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোকে ভয়ভীতি দেখাতে চীনের সশস্ত্র বাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মির ভাড়াটে হিসেবে কাজ করছে সিএনওওসি।

নিষেধাজ্ঞার ফলে উচ্চ প্রযুক্তির সামগ্রী রপ্তানির আগে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকারীদের কাছ থেকে বিশেষ লাইসেন্স নেয়া লাগবে সিএনওওসির।

নিষেধাজ্ঞার পর বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে শাওমির শেয়ার ১৪ শতাংশ পড়ে যায়। অন্যদিকে শুক্রবার হংকংয়ে এর শেয়ার পড়ে ১১ শতাংশেরও বেশি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্যামনের জিনগত বৈচিত্র্য হুমকিতে ফেলে মাছ চাষ: গবেষণা

স্যামনের জিনগত বৈচিত্র্য হুমকিতে ফেলে মাছ চাষ: গবেষণা

গবেষণা প্রতিবেদনের মূল লেখক সুইডিশ ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালচারাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. জোহান অস্টারগ্রেন বলেন, ‘১৯২০ ও ১৯৩০ দশকের দিকে এ এলাকায় শিল্প প্রায় ছিল না বললেই চলে। কিন্তু পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে হাইড্রোপাওয়ার সেক্টরের যাত্রা শুরু হয়। ওই সময়ই ব্যাপক পর্যায়ে মাছ চাষ শুরু হয়। এটি স্পষ্ট, মাছের জিনগত পরিবর্তনের শুরু সে সময় থেকেই।’ 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ না হওয়ায় একসময় মাছ মজুত করা যেত না, পচে যেত। পরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নত হলো। মানুষ জানতে পারল, মাছ চাষ করার মধ্য দিয়ে এটি মজুত করা সম্ভব। কিন্তু এর ফলে মাছের জিনগত বৈচিত্র্য ব্যাহত হলো।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান

গবেষণায় দেখা যায়, ১০০ বছর আগের আটলান্টিক মহাসাগরের স্যামন মাছ ও সাম্প্রতিক সময়ে সুইডেনের ১৩টি নদীর স্যামন মাছের জিনগতভাবে বৈচিত্র্য স্বতন্ত্র না হয়ে প্রায় একই। গবেষকেরা মনে করছেন, এতে জলবায়ু পরিবর্তনে মাছের অভিযোজন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

জীববিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী প্রসিডিংস অফ দ্য রয়েল সোসাইটিতে বিজ্ঞানীরা বলেন, ‘গবেষণায় ১৯২০ সালে বাল্টিক সাগর থেকে সুইডেনের জেলে ও ফিশারি বায়োলজিস্টদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা আর্কাইভকৃত ৮৯৩টি স্যামন মাছের ডিএনএর সঙ্গে এখনকার ৭৮৭টি একই মাছের ডিএনএর তুলনা করা হয়। মূলত ১৩টি নদী থেকে এখনকার মাছগুলো নেয়া হয়। এদের মধ্যে পাঁচটি নদীতে মাছ চাষ করা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনের মূল লেখক সুইডিশ ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালচারাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. জোহান অস্টারগ্রেন বলেন, ‘১৯২০ ও ১৯৩০ দশকের দিকে এ এলাকায় শিল্প প্রায় ছিল না বললেই চলে। কিন্তু পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে হাইড্রোপাওয়ার সেক্টরের উন্মেষ ঘটে। ওই সময়ই ব্যাপক পর্যায়ে মাছ চাষ শুরু হয়। এটি স্পষ্ট, মাছের জিনগত পরিবর্তনের শুরু সে সময় থেকেই।’

গবেষণায় দেখা যায়, হ্যাচারিতে লালন-পালন করা স্যামনের জিন একই ধরনের। তাদের বৃদ্ধি দ্রুত হয় কিন্তু হ্যাচারির বাইরে নদী বা সাগরে ভেসে বেড়ানো স্যামন মাছের বেঁচে থাকার বিশেষ ক্ষমতা থাকে, যা হ্যাচারির স্যামনের নেই। হ্যাচারি থেকে সরিয়ে ওইসব মাছগুলোকে নদী বা সাগরে ছেড়ে দেয়া হলে তাদের ডিমগুলোর জিন দুর্বল হয়।

উদাহরণস্বরূপ, নদীতে লালন-পালন করা স্যামন মাছ অন্য নদীতে (যেখানে স্যামন রয়েছে) ছেড়ে দেয়া হলো। দুই ভিন্ন পরিবেশে বেড়ে ওঠা মাছের মধ্যে প্রজননের ফলে ওই অন্য নদীতে তাদের ডিমের জিনগত বৈচিত্র্যের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুই নদীর মাছ জিনগতভাবে একই থাকবে। এর ফলে পরিবেশগত পরিবর্তনের সঙ্গে মাছগুলোর টিকে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হবে। ওইসব মাছের ডিমগুলোর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও তুলনামূলকভাবে কম। স্যামন মাছের প্রজাতি বিলুপ্তির হাত থেকে ঠেকাতে মাছ চাষ কার্যকর পন্থা হিসেবে শেষমেষ দেখা নাও দিতে পারে।

অস্টারগ্রেন বলেন, ‘পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের দিকে মাছ চাষের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এরপর ওই সিদ্ধান্ত বৈজ্ঞানিকভাবে কখনো পর্যালোচনা করা হয়নি। এ বিষয়ে আরও গবেষণার মনে হয় এখনই সময়।’

শেয়ার করুন

পাকিস্তানে চীনা রাষ্ট্রদূতই কি হামলার লক্ষ্য

পাকিস্তানে চীনা রাষ্ট্রদূতই কি হামলার লক্ষ্য

পাকিস্তানে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত নং রং। ছবি: সংগৃহীত

চীনা রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদলটিকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অতীতে বেশ কয়েকবার অঞ্চলটিতে পাকিস্তান তালেবান ও বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর আক্রোশের শিকার হয়েছেন চীনা নাগরিকরা।

পাকিস্তানের কোয়েটায় অল্পের জন্য শক্তিশালী বোমা হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত নং রং।

বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী নগরীর একমাত্র অভিজাত হোটেলটিতে বুধবার রাতে হামলার কিছু আগেই চেক-ইন করেন তিনি।

একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নং রং হোটেলের বাইরে থাকা অবস্থায় হামলাটি হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজকে জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ।

স্থানীয় সময় বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে বহুজাতিক হোটেল চেইন সেরেনার গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় হয় এ হামলা। নিহত হন পুলিশ কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে চারজন। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন।

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন পাকিস্তান তালেবান হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, এটি আত্মঘাতী হামলা ছিল। যদিও হামলার কারণ জানায়নি।

চীনের রাষ্ট্রদূতসহ হোটেলটির সব অতিথিই নিরাপদে আছেন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

কুয়েটায় চার সদস্যের একটি চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আছেন নং রং। হামলার আগে তিনি প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী জাম কামালের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল্লাহ লাঙ্গো সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর নং রং-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার কোয়েটা সফর শেষ করে পূর্বনির্ধারিত সময়েই ইসলামাবাদে ফিরবেন রাষ্ট্রদূত।

প্রশ্ন উঠেছে, নং রংকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা হয়েছে কি না।

সন্ত্রাসী হামলা ধরে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। জানিয়েছে, গাড়িবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলাটি হয়েছে। আত্মঘাতী হামলা হয়েছে কি না, নিজস্ব তদন্তে তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা।

চীনা রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদলটিকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অতীতে বেশ কয়েকবার অঞ্চলটিতে পাকিস্তান তালেবান ও বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর আক্রোশের শিকার হয়েছেন চীনা নাগরিকরা।

গ্যাসসহ নানা খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধ বেলুচিস্তান পাকিস্তানের অন্যতম দরিদ্র অঞ্চল। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। অঞ্চলটিতে সক্রিয় সশস্ত্র বেশ কিছু সংগঠন।

বিশেষ করে সম্প্রতি চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের (সিপিইসি) মাধ্যমে অঞ্চলটিতে চীনের বিনিয়োগ ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ আরও দানা বাঁধে। এতে বেলুচিস্তানের মানুষ কোনোভাবে উপকৃত হচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের। সিপিইসির নানান প্রকল্পে নিয়োগ পাওয়া বেশির ভাগ মানুষই ভিন্ন অঞ্চল বা দেশের বাসিন্দা।

সাড়ে ছয় হাজার কোটি ডলারের কর্মসূচি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প, যার অন্যতম অংশ এই সিপিইসি।

২০১৯ সালে সিপিইসির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে আরেকটি বিলাসবহুল হোটেলে হামলা চালিয়ে আটজনকে হত্যা করে বন্দুকধারীরা। আরব সাগরে চীনের সহজ প্রবেশ নিশ্চিতে বেলুচিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে নির্মিত গভীর সমুদ্রবন্দরের শহর গদরে হয় ওই হামলা।

গত বছরের জুনে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আংশিক মালিকানার অন্তর্ভুক্ত পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জেও হামলা চালায় বেলুচ স্বাধীনতাকামীরা।

এ ছাড়া স্বাধীনতার দাবিতে বেলুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট নামে আরও একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীও দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে অঞ্চলটিতে। আছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের তৎপরতাও।

শেয়ার করুন

পাকিস্তানি গুপ্তচর কবুতর ভারতে আটক  

পাকিস্তানি গুপ্তচর কবুতর ভারতে আটক  

ভারতে আটকের পর পাকিস্তানি গুপ্তচর কবুতরের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে পুলিশ। ছবি: ইন্ডিয়া টুডে

কবুতরটি ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত থেকে ৫০০ মিটার দূরে ভারতের ক্যাম্পে দায়িত্বরত এক কনস্টেবলের ঘাড়ে বসে। এরপর তকে আটক করা হয়। কবুতরটির বিরুদ্ধে অমৃতসরের কাহাগড় থানায় একটি এফআইআর করেছে পুলিশ।

সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন একটুকরা কাগজসহ একটি ‘পাকিস্তানি গুপ্তচর’ কবুতরকে আটক করেছে ভারত।

প্রতিবেশী দেশটির দিকে ইঙ্গিত করে ভারত অভিযোগ করেছে, কবুতরটিকে দিয়ে পাকিস্তান গুপ্তচরবৃত্তির কাজ করাচ্ছে।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন বলছে, ভারত কবুতরটিকে অমৃতসর থেকে ১৭ এপ্রিল আটক করেছে। সেদিন কবুতরটি ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত থেকে ৫০০ মিটার দূরে ভারতের ক্যাম্পে দায়িত্বরত এক কনস্টেবলের ঘাড়ে বসে। এরপর তকে আটক করা হয়।

কবুতরটির বিরুদ্ধে অমৃতসরের কাহাগড় থানায় একটি এফআইআর করেছে পুলিশ।

অভিযোগকারীর দাবি, যখন কবুতরটিকে আটক করা হয় তখন তার পায়ে আঠালো টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি সাদা কাগজ ছিল। সেই কাগজে লেখা ছিল কিছু সংখ্যা।

একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায় গত বছরের মার্চে। তখন একটি ‘পাকিস্তানি গুপ্তচর কবুতর’ আটকের পর তাকে হেফাজতে নেয় ভারত। সে সময় ওই কবুতরের পায়ে একটি রিং বাঁধা ছিল, আর রিংয়ে লেখা ছিল ফোন নম্বর।

২০১৬ সালেও ভারতের পাঠানকোটে একটি কবুতর ধরা পড়ে। কবুতরটির কাছে উর্দুতে লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়।

একই মতো লেখাসহ পরের বছরও পাঠানকোটের বামিয়াল গ্রামে পুলিশ কর্মকর্তারা একটি কবুতর আটক করেন। যাতে তদন্তের আগেই পালাতে না পারে সে জন্য কবুতরটির পাখনা কেটে দিয়েছিলেন কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

মেক্সিকো, পোল্যান্ডে ফাইজারের নকল টিকা বিক্রি

মেক্সিকো, পোল্যান্ডে ফাইজারের নকল টিকা বিক্রি

মেক্সিকোতে ফাইজারের টিকা হিসেবে নকল ডোজ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ডলার দামেও। ছবি: এএফপি

মেক্সিকান প্রশাসন জানিয়েছে, টিকার শিশিগুলোতে ভুয়া লট নাম্বার ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ছিল। পোল্যান্ডে টিকার শিশিতে যে উপাদান পাওয়া গেছে, তা প্রসাধনী পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত এক ধরনের তরল। এই উপাদান ত্বকে বলিরেখা ঠেকানোর ক্রিমে ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

মেক্সিকো ও পোল্যান্ডে জব্দ করা ফাইজারের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার সবগুলোই নকল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বায়োটেক প্রতিষ্ঠানটি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এসব টিকার একেকটি ডোজ এক হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।

ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে বলা হয়, মেক্সিকোর একটি ক্লিনিকে নকল টিকা নিয়েছেন প্রায় ৮০ জন।

আপাতত এ টিকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই বলে মনে করা হলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এটি কোনোরকম সুরক্ষাও দেবে না।

মেক্সিকান প্রশাসন জানিয়েছে, টিকার শিশিগুলোতে ভুয়া লট নাম্বার ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ ছিল।

পোল্যান্ডে টিকার শিশিতে যে উপাদান পাওয়া গেছে, তা প্রসাধনী পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত এক ধরনের তরল। এই উপাদান ত্বকের বলিরেখা ঠেকানোর ক্রিমে ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

এবিসি নিউজকে ফাইজারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘নকল টিকার বিষয়ে আমরা অবগত। ই-কমার্স ও পরিচয় ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব কাজ করছে। মহামারির বিপর্যয়ের মধ্যে কোভিড নাইনটিনের টিকা ও ওষুধ নিয়ে এ ধরনের প্রতারণা, জালিয়াতি ও অন্যান্য অবৈধ কার্যকলাপ দিন দিন বাড়ছে, হয়তো আরও বাড়বে।’

গত ফেব্রুয়ারিতে মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ নুয়েভো লিয়নের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জনসচেতনতামূলক প্রচারে গোপনে বিক্রি করা কোভিড টিকা কিনতে জনগণকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিল।

গত মার্চ মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও মেক্সিকোতে ফাইজারের টিকার নকল ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছিল।

জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় উদ্ভাবিত টিকার কোনো উপাদানই নকল টিকায় নেই বলে জানিয়েছে ফাইজার।

রাশিয়ার উদ্ভাবিত করোনা প্রতিরোধী টিকা স্পুটনিকের ছয় হাজার ডোজের একটি চালান বর্তমানে পরীক্ষা করছে মেক্সিকো। গত মাসে হন্ডুরাসগামী একটি ব্যক্তিগত বিমান থেকে চালানটি জব্দ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিলের পর করোনায় তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানি হয়েছে মধ্য আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে। মহামারিতে এ পর্যন্ত দুই ১৩ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন দেশটিতে।

শেয়ার করুন

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত ৩ লক্ষাধিক

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত ৩ লক্ষাধিক

ভারতের অনেক হাসপাতালে আইসিইউতে অক্সিজেনের অপেক্ষায় সংকটাপন্ন রোগীরা। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার। ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এক কোটি ৫৯ লাখ ৩১ হাজারের বেশি মানুষের দেহে।

করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হয়েছে ভারতে।

মহামারির এক বছরে দেশটিতে প্রথমবারের মতো এক দিনে আক্রান্ত হয়েছে তিন লাখের বেশি মানুষ। একই সময়ে মারা গেছে দুই হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ।

ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার সকালে জানায়, বুধবার নতুন করে তিন লাখ ১৬ হাজার মানুষের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন দুই হাজার ১০৪ জন।

এ নিয়ে দেশটিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার। ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এক কোটি ৫৯ লাখ ৩১ হাজারের বেশি মানুষের দেহে।

করোনাভাইরাসে সংক্রমণের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরের অবস্থানে ভারত। প্রাণহানিতে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও মেক্সিকোর পরই অবস্থান দেশটির।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে ভারত সরকার। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছে দিল্লির উচ্চ আদালত।

দিল্লিতে মেডিক্যাল অক্সিজেনের তীব্র সংকট নিয়ে বুধবার প্রশ্ন তোলে আদালত।

এক বিচারক বলেন, ‘চরম বাস্তবতার মুখে দাঁড়িয়েও কীভাবে পরিস্থিতি এড়িয়ে যাচ্ছে এই সরকার? আপনারা অক্সিজেনের সংকটের কারণে মানুষের মৃত্যু হতে দিতে পারেন না।’

নিজেদের দুটি হাসপাতালে অক্সিজেন সংকট নিয়ে ম্যাক্স গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অভিযোগের শুনানিতে এসব কথা বলেন বিচারক।

মহামারির চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও শিল্পকারখানায় অক্সিজেন সরবরাহ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা।

বিচারক বলেন, ‘মানুষ মরছে আর আপনারা শিল্পকারখানা নিয়ে আছেন? মানে মানুষের জীবনের কোনো দামই নেই এই সরকারের কাছে?’

এক দিন আগেই আলাদা শুনানিতে পরিস্থিতি বিবেচনায় শিল্পকারখানার জন্য বরাদ্দ অক্সিজেন হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরবরাহে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয় আদালত। মানুষের জীবনের চেয়ে অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিলে বিপর্যয় চরমে পৌঁছাবে বলেও হুঁশিয়ারিও দেন বিচারকরা।

কিন্তু এ রায়ের পরেও টনক নড়েনি নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় তীব্র অক্সিজেন সংকট থাকা হাসপাতালের সংখ্যা বেড়ে ছয় হয়েছে। বুধবার মহারাষ্ট্রের নাসিক শহরের একটি হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় একসঙ্গে প্রাণ যায় কমপক্ষে ২২ রোগীর।

বুধবারের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগের ব্যাপারে বিস্ময় জানান আইনজীবীরা।

জবাবে বিচারক বলেন, ‘অভিযোগ শুনে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। পরিস্থিতি কেমন, তা আপনারা জানেন। গতকাল পেট্রোলিয়াম ও ইস্পাত শিল্পকারখানার অক্সিজেন হাসপাতালে পাঠানোর যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, তা কি আপনারা শুনেছেন?’

এ প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া শুরু হয়েছে। কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হচ্ছে।

পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিচারক প্রশ্ন করেন, ‘এর বাস্তব ফল কী হয়েছে? আপনাদের কাগজপত্র নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।’

গত এক সপ্তাহে ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ১৮ লাখের বেশি মানুষ। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৫২০ জনের।

শেয়ার করুন

আমেরিকানদের বাংলাদেশসহ ১১৬টি দেশে না যাওয়ার পরামর্শ

আমেরিকানদের বাংলাদেশসহ ১১৬টি দেশে না যাওয়ার পরামর্শ

১১৬টি দেশে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের পরামর্শ। ছবি: সংগৃহীত

সবশেষ এই তালিকায় যুক্ত করা হয় বাংলাদেশ, ভারত, ডিআর কঙ্গো, গিনি ও লাউসের নাম। দেশটির ভ্রমণবিষয়ক গাইডলাইনে বলা হয়েছে, মহামারিকালীন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য এসব তালিকাভুক্ত দেশে ভ্রমণ নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১১৬টি দেশে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে স্থানীয় সময় বুধবার বিকেল ৩টায় প্রকাশিত তালিকায় সবশেষ যুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, ডিআর কঙ্গো, গিনি ও লাউসের নাম। এই তালিকায় আরও যুক্ত করা হয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ইসরায়েল, মেক্সিকো, জার্মানিসহ অন্যান্য দেশের নাম।

দেশটির ভ্রমণবিষয়ক গাইডলাইনে বলা হয়েছে, মহামারির এ সময়ে আমেরিকানদের জন্য এসব তালিকাভুক্ত দেশে ভ্রমণ নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে ভ্রমণ না করার এই পরামর্শ নাগরিকদের মেনে চলা বাধ্যতামূলক নয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি সপ্তায় এসব দেশের নাম ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হয়। তবে এখনও তালিকা চূড়ান্ত করেনি ফেডারেল সরকার।

গত সোমবার মহামারির কারণে বিশ্বের প্রায় ৮০ ভাগ দেশে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে মার্কিন নাগরিকদের পরামর্শ দেয় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব দেশকে ‘লেভেল-৪: ডু নট ট্রাভেল’–এর তালিকাভুক্ত করা হয়।

এর আগে ‘লেভেল-৩: ডু নট ট্রাভেল’–এর তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম, তুরস্ক, ইতালি, সুইজারল্যান্ড এবং স্পেনসহ ৩৪টি দেশকে।

শেয়ার করুন

ইন্দোনেশিয়ায় ৫৩ ক্রুসহ সাবমেরিন নিখোঁজ

ইন্দোনেশিয়ায় ৫৩ ক্রুসহ সাবমেরিন নিখোঁজ

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর সাবমেরিন কেআরআই নাঙ্গালা ৪০২। ফাইল ছবি

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পানির ৬০০ থেকে ৭০০ মিটার গভীরে রয়েছে সাবমেরিনটি। কারিগরি বা বৈদ্যুতিক কোনো ত্রুটির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় হয়তো ভেসে উঠতে পারছে না সেটি।

ইন্দোনেশিয়ায় ৫৩ ক্রুসহ নিখোঁজ হয়েছে নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন।

প্রশিক্ষণমূলক মহড়ার সময় নিখোঁজ হয় কেআরআই নাঙ্গালা ৪০২ নামের নৌযানটি।

সাবমেরিনটি কখন নিখোঁজ হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ইন্দোনেশিয়া। বুধবার দেশটির সেনাপ্রধান হাদি জাজান্তো জানান, নির্ধারিত সময়ে রিপোর্টিং কলের জবাব দেয়নি সাবমেরিনটি। এরপর থেকেই সেটির সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, পর্যটন দ্বীপ বালির ৬০ মাইল উত্তরের কোনো এলাকায় নিখোঁজ হয়েছে সাবমেরিনটি।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবমেরিনের সন্ধান পেতে একটি হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে জাহাজসহ সমুদ্রের ওই এলাকায় কাজ করছে বেশ কয়েকটি জাহাজ। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরের কাছেও সাহায্য চেয়েছে ইন্দোনেশিয়া।

ওই দুই দেশের সাবমেরিন সন্ধানের উপযোগী সামুদ্রিক যান রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পানির ৬০০ থেকে ৭০০ মিটার গভীরে রয়েছে সাবমেরিনটি। কারিগরি বা বৈদ্যুতিক কোনো ত্রুটির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় হয়তো ভেসে উঠতে পারছে না সেটি।

ফ্রান্সের নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল অ্যান্তোনি ব্যুসান্ত বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, জরুরি অবস্থায় ভেসে ওঠার জন্য সাবমেরিনটিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের ২৫০ মিটারের মধ্যে থাকতে হবে। এর বেশি গভীরে গেলে সেটি পুরোপুরি বিকল হয়ে যাওয়ার শঙ্কাই বেশি।

১৯৮১ সালে জার্মানির কাছ থেকে সাবমেরিনটি কেনে ইন্দোনেশিয়া। ১৯৮৯ সালে জার্মানিতে এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় এটির আধুনিকায়ন করা হয়।

মহড়ায় অংশ নেয়ার আগে সবশেষ ফিটনেস পরীক্ষাতেও মানোত্তীর্ণ হয় এক হাজার ৩০০ টনের নৌযানটি। বৃহস্পতিবার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ মহড়ায় অংশ নেয়ার কথা ছিল এটির।

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেখান থেকে যাত্রা শুরু করেছিল সাবমেরিনটি, সেখানকার পানিতে ভাসমান তেল শনাক্ত করেছে একটি হেলিকপ্টার।

পাঁচটি সাবমেরিন সংবলিত নৌবহর রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার। সাম্প্রতিক সময়ে সমুদ্রসীমা প্রশ্নে প্রতিবেশী চীনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব বেড়েছে দেশটির। এমন বাস্তবতায় ২০২৪ সালের মধ্যে নৌবহরে কমপক্ষে আরও তিনটি সাবমেরিন যোগ করার পরিকল্পনা রয়েছে জাকার্তার।

শেয়ার করুন