× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
প্রথম করোনা টিকার স্বীকৃতি দিল ডব্লিউএইচও
google_news print-icon

প্রথম করোনা টিকার স্বীকৃতি দিল ডব্লিউএইচও

প্রথম-করোনা-টিকার-স্বীকৃতি-দিল-ডব্লিউএইচও
এক বছর আগে চীনে করোনা মহামারি শুরুর পর এই প্রথম ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত টিকার স্বীকৃতি দিল ডব্লিউএইচও।

ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকার জরুরি ব্যবহারের স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সংস্থাটি এ স্বীকৃতি দেয় বলে এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

৮ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজার ও জার্মানির বায়োটেকনোলজি কোম্পানি বায়োএনটেক উদ্ভাবিত টিকা দেয়া শুরু করে যুক্তরাজ্য। পরে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।

ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে বলা হয়, এক বছর আগে চীনে করোনা মহামারি শুরুর পর এই প্রথম ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত টিকার স্বীকৃতি দেয়া হলো।

ইউনিসেফ, প্যান-আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশনসহ অন্য সংস্থাগুলোকে করোনায় নাজুক পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলোতে টিকা সরবরাহের আহ্বান জানায় ডব্লিউএইচও।

ডব্লিউএইচওর শীর্ষ কর্মকর্তা ম্যারিয়েনগেলা সিমাউ বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে করোনার টিকা ব্যবহার নিশ্চিতে এটি বেশ ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে বিশ্বের সব প্রান্তে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত টিকা সরবরাহে আরও বেশি বৈশ্বিক উদ্যোগে জোর দিতে চাই আমি।’

এর আগে নিজেদের ও বিশ্বের অন্য বিশেষজ্ঞদের ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার কার্যকারিতা ও গুণমান নিয়ে তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনার আহ্বান জানায় ডব্লিউএইচও।

পর্যালোচনায় টিকার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সংক্রান্ত ডব্লিউএইচওর মানদণ্ড ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা বজায় রেখেছে বলে ডব্লিউএইচও জানায়।

আরও পড়ুন:
আরও ভয়াবহ মহামারির শঙ্কা: ডব্লিউএইচও
অনলাইনে মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালন করবে ডব্লিউএইচও

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Anesthesia cannot be given in the chamber and diagnostic center

অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে

অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অ্যানেসথেসিয়া দিতে গিয়ে পরপর দুটি শিশুসহ তিন ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার পর বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

কোনো অবস্থাতেই নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না। বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ অবেদনবিদ (অ্যানেসথেটিস্ট) ছাড়া যেকোনো ধরনের অস্ত্রোপচার করা যাবে না।

অ্যানেসথেসিয়া দিতে গিয়ে পরপর দুটি শিশুসহ তিন ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার পর বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান সেই অফিস আদেশে সই করেন।

ওই অফিস আদেশে মোট ১০টি নির্দেশনা বা শর্ত জারি করা হয়েছে। এসব শর্ত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে প্রতিপালনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই অফিস আদেশে।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারে (জে এস হাসপাতাল) খতনা করার সময় আহনাফ তাহমিদ (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। স্বজন ও পুলিশ সূত্র বলছে, চিকিৎসকরা শিশুটিকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নিয়ে অবেদন (অ্যানেসথেসিয়া) করে তার খতনা করেন। কিন্তু শিশুটির আর জ্ঞান ফিরে আসেনি। রাত ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

এর আগে গত মাসে রাজধানীর বাড্ডার সাঁতারকুলের ইউনাইটেড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খতনার পর পাঁচ বছর বয়সি শিশু আয়ানের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া বুধবার চিকিৎসার জন্য গিয়ে মারা যান আরেক ব্যক্তি। এ পরিপ্রেক্ষিতে এমন নির্দেশনা জারি করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া ১০ দফা শর্ত

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে যে ১০টি শর্ত আবশ্যিকভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেগুলো হচ্ছে:

১. বেসরকারি ক্লিনিক/হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি ওই প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশপথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা বা কর্মচারী থাকতে হবে এবং তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ছাড়া কোনোভাবেই নামে উল্লেখিত সেবা দিতে পারবে না।

৪. ডায়াগনস্টিক সেন্টার/প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যতীত কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি/মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।

৫. বেসরকারি ক্লিনিক/হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী সব শর্ত বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬. হাসপাতাল/ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদগুলো, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

৭. হাসপাতাল/ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত/নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল) স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ অবেদনবিদ ছাড়া যেকোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউর করা যাবে না।

৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল/ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

১০. নিবন্ধিত/লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল/ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই অপারেশন থিয়েটার এটিকেট (শিষ্টাচার) মেনে চলতে হবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Corona took another life

করোনা নিল আরও এক প্রাণ

করোনা নিল আরও এক প্রাণ ফাইল ছবি
এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৭ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ১১৬ জনে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৭ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ১১৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৫টি পরীক্ষাগারে ৭১৭ টি নমুনা পরীক্ষায় ৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে ৬৬ জনই ঢাকার রোগী। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৫ হাজার ১৮০ জন। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
JS Diagnostic Center has been closed by the Health Department
খতনা করতে শিশুর মৃত্যু

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খতনা করাতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
খতনা করতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় ইতোমধ্যে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খতনা করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আহনাফ তাহমিন আয়মান নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মঈনুল আহসান (পরিচালক হাসপাতাল) মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসে হাসপাতালটির যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।

এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘কিছুদিন আগেও এমন একটি ঘটনা আমরা লক্ষ্য করেছি। সে ঘটনায় আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিয়েছি। তারপরও যারা সতর্ক হতে পারেনি, এরকম আর কারও কোনোরকম দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘দোষী প্রমাণিত হলে শুধু স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বিরুদ্ধে নয়, দায়িত্বে অবহেলাকারীদেরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। চিকিৎসায় অবহেলা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে ঘটে যাওয়া আরেক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেও একটি বিবৃতি দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি জানান, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে এন্ডোস্কপি করাতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল (২০ ফেব্রুয়ারি) সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরিদর্শন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট আগামীকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) হাতে আসবে। রিপোর্ট দেখে সে বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, খতনা করতে গিয়ে মারা যাওয়া শিশু আহনাফের বাবার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার থেকে একজন পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে রোববার মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে খতনা করাতে গিয়ে ফের শিশুর মৃত্যু, ২ চিকিৎসককে রিমান্ডে চায় পুলিশ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Nuha and Nava were separated in 15 hours of surgery

১৫ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারে আলাদা হলো নুহা ও নাভা

১৫ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারে আলাদা হলো নুহা ও নাভা ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের মতো এগিয়ে যাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, আমাদের চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিলে বাংলাদেশ থেকে এখন জটিল সব রোগেরই চিকিৎসা দেয়া সম্ভব।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ১৫ ঘণ্টা ধরে চলা জটিল অস্ত্রোপচারের পর আলাদা হয়েছে মাথা জোড়া লাগানো দুই শিশু নুহা ও নাভা। অস্ত্রোপচারের পর তারা দুজনই ভালো আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অস্ত্রোপচারে তাদের পৃথক করা হয়।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিএসএমএমইউতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের মতো এগিয়ে যাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, আমাদের চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিলে বাংলাদেশ থেকে এখন জটিল সব রোগেরই চিকিৎসা দেয়া সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘বিএসএমএমইউতে নুহা ও নাভা নামের দুটি শিশুর জোড়া মাথা আলাদা করার অপারেশন হলো। এটি সাধারণ কোনো অস্ত্রোপচার নয়। এখানে আমাদের অভিজ্ঞ চিকিৎসক টিম টানা ১৩ ঘণ্টার বেশি সময় অপারেশনের মাধ্যমে এই অসাধ্য সাধন করেছে।

‘এই অপারেশন বিনামূল্যে হয়েছে। দুই শিশুর চিকিৎসার ব্যয় প্রধানমন্ত্রী নিজে বহন করেছেন। অন্য দেশে করতে গেলে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ চিকিৎসা ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনার দেশ। এ দেশে অনেক শিক্ষার্থী প্রতি বছর মেডিক্যালে পড়ালেখা শেষ করে চিকিৎসক হচ্ছেন। তারা মেধাবী ও দক্ষ। তাদের জন্য একটু সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। তাহলে বাংলাদেশ থেকে কোনো রোগীকে আর বিদেশ যেতে হবে না।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Nipah virus is not the cause of death of two children in Rajshahi

রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়  

রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়   শিশু দুটির মৃত্যুর পর মা-বাবাকে রামেক হাসপাতালে নিপা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশু দুটির নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে আইইডিসিআর। এরপরই এই ভাইরাস সম্পর্কে জানা যাবে। তার আগে পর্যন্ত শিশু দুটির বাবা-মাকে হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হবে।’

রাজশাহীতে গাছতলায় কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে তিন দিনের ব্যবধানে মারা যাওয়া দুই বোনের মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়। নমুনা পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে যে, নিপাহ ভাইরাসে তাদের মৃত্যু হয়নি। তবে মৃত্যুর কারণ জানতে আরও সময় লাগবে।

মারা যাওয়া শিশু দুটি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানের সন্তান। ওদের মধ্যে মুনতাহা মারিশার বয়স দুই বছর। আর মুফতাউল মাশিয়ার বয়স পাঁচ বছর।

এদিকে শিশু দুটির মৃত্যুর পর ওদের বাবা-মাকেও হাসপাতালের বিশেষ ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

মনজুর রহমান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তার স্ত্রীর নাম পলি খাতুন। তারা রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে থাকেন।

এদিকে মৃত্যুর কারণ জানতে দুই শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় ঢাকায়। ওদের বাবা-মায়ের নমুনাও পাঠানো হয়।

নমূনা পরীক্ষার পর আইইডিসিআর যে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, রাজশাহীতে বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নিপাহ ভাইরাসে হয়নি। অন্য কোনো অজানা ভাইরাসের কারণে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে, ঠিক কী কারণে মারা গেছে সেটি জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস রোববার সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশু দুটির নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অজানা এই ভাইরাস নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে আইইডিসিআর। এরপরই এই ভাইরাস সম্পর্কে জানা যাবে।

‘ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী পরীক্ষা করতে সময় লাগে। এক্ষেত্রে ৭ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।’

ডা. শংকর বলেন, ‘শিশু দুটির বাবা-মা আইসোলেশনে থাকবেন। ভাইরাস নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আপাতত তারা হাসপাতালেই থাকবেন।’

রামেক হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার মো. মনিরুজ্জামান জানান, মারা যাওয়া শিশু দুটির বাবা-মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। কিন্তু মানসিকভাবে তারা খুব খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে আছেন।’

প্রসঙ্গত, গাছতলায় পড়ে থাকা বরই কুড়িয়ে খেয়েছিল এই দুই শিশু। রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার বিকেলে মারা যায় বড় বোন মাশিয়া। এর আগে বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় ছোট বোন মারিশা। পরে শিশু দুটির বাবা-মাকে হাসপাতালের নিপা আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এদিকে দ্বিতীয় মেয়ে মারা যাওয়ার পর আইসোলেশনে নিয়ে আসায় মেয়ের জানাজাতেও যেতে পারেননি তারা। বিকেলে স্বজনদের মাধ্যমে মাশিয়ার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে মরদেহ দাফন করা হয়। বুধবার মারিশার দাফনও সেখানেই হয়েছে।

মনজুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার কোয়ার্টারের পাশে কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল মারিশা আর মাশিয়া। বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। পরে রাজশাহী সিএমএইচে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

‘এরপর শুক্রবার মাশিয়ারও জ্বর এলে রাজশাহীতে সিএমএইচে নিয়ে আসি। মাশিয়ারও পুরো শরীরে ছোট কালো দাগ উঠতে থাকে। চিকিৎসকেরা সেখান থেকে আমার মেয়েকে রামেক হাসপাতালে পাঠান। রাতে রামেক হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে মাশিয়াও মারা যায়।’

আরও পড়ুন:
কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The British High Commissioner praised the development activities in the health sector of Bangladesh

স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার

স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) ম্যাট ক্যানেল। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের উদ্দেশে বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেক গভীর। বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতেও ব্যাপক উন্নতি শুরু হয়েছে। করোনাকালেও বাংলাদেশে হাজার হাজার চিকিৎসক, নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বে ৫ম স্থান এবং দক্ষিণ এশিয়ায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বাংলাদেশে এখন দরকার চিকিৎসক, নার্সদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়া।’

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) ম্যাট ক্যানেল। বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে সহায়তা করতে তার দেশের আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের সঙ্গে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ম্যাট ক্যানেল। স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার জানান, করোনা মহামারিতে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে সাত লাখ বাংলাদেশি রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। অনেক শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যে মেডিক্যাল বিষয়ে পড়ালেখা করতে যাচ্ছেন বলেও জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার।

এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে সহায়তা করতে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের উদ্দেশে বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেক গভীর। বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতেও ব্যাপক উন্নতি শুরু হয়েছে। করোনাকালেও বাংলাদেশে হাজার হাজার চিকিৎসক, নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বে ৫ম স্থান এবং দক্ষিণ এশিয়ায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বাংলাদেশে এখন দরকার চিকিৎসক, নার্সদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়া।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের কাছে চিকিৎসক নার্সদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট করার অনুরোধ জানালে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের পক্ষ থেকে এটিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন তার সরকার বলে জানান ম্যাট ক্যানেল।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার উভয় দেশের চিকিৎসক, নার্সদের অধিক হারে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কথা বলেন। একই সাথে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স পাঠানোর কথাও জানান তিনি।

আলোচনায় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ আরও টেকনোলজিক্যাল সহায়তা বৃদ্ধি ও ভকেশনাল ট্রেনিং এর ব্যাপারেও কথা হয়। বাংলাদেশে যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার হ্রাস করা নিয়ে আরও কাজ করতে হবে বলে জানান ব্রিটিশ হাই কমিশনার। এন্টিবায়োটিক ব্যবহার হ্রাস করতে বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাংলাদেশ হাতে নিয়েছে বলে এসময় ব্রিটিশ হাই কমিশনারকে আশ্বস্ত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।

আগামী ১০ বছরে বিশ্বে কোভিডের মত আবারও কোনো প্যান্ডামিক চলে আসতে পারে বলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গবেষণা আরও বাড়ানো যায় কি না সে ব্যাপারে ভাবার পরামর্শ দেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার। উভয় দেশে ভ্যাকসিন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা, স্বাস্থ্যসেবার হার বৃদ্ধি করা, চিকিৎসক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ বিনিময় করা নিয়েও কথা বলেন তারা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Two sisters died in two days of illness after eating plums

কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ শিশুদের মৃত্যুর পর তাদের মা-বাবাকে নিপা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
শিশুদের পরিবারের বরাত দিয়ে চিকিৎসক জানান, কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল দুই বোন। পরে গত বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। পরে রাজশাহীর সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। এরপর শুক্রবার মাশিয়ারও জ্বর আসলে একই হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পুরো শরীরে ছোট কালো দাগ উঠতে থাকে।

রাজশাহীতে গাছতলায় পড়ে থাকা বরই কুড়িয়ে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে তিন দিনের ব্যবধানে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।

চিকিৎসকরা ধারণা করছেন, বরই খেয়ে তারা নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। তবে এটা অজানা কোনো ভাইরাসও হতে পারে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার বিকেলে মারা যায় বড় বোন মাশিয়া। এর আগে গত বুধবার মারা যায় মারিশা।

প্রাণ হারানো দুই বছর বয়সী মুনতাহা মারিশা ও পাঁচ বছর বয়সী মুফতাউল মাশিয়া রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানে মেয়ে।

মনজুর রহমান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ারটারে থাকেন।

শিশুদের পরিবারের বরাত দিয়ে চিকিৎসক জানান, কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল দুই বোন। গত বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। পরে রাজশাহীর সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। এরপর শুক্রবার মাশিয়ারও জ্বর আসলে একই হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পুরো শরীরে ছোট কালো দাগ উঠতে থাকে। চিকিৎসকরা তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠালে শনিবার বিকালে মারা যায় মাশিয়া।

রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক মো. মনিরুজ্জামান জানান, দুই শিশু নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে, তবে অন্য কোনো ভাইরাসও হতে পারে। পুরো পরিবারের সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এদিকে শিশুদের মৃত্যুর পর তাদের মা-বাবাকেও হাসপাতালের নিপা ওয়ার্ড এ আইসোলেশনে রাখা হয়েছে বলে জানান ডা. মনিরুজ্জামান।

আরও পড়ুন:
তালাবদ্ধ ঘরে আগুনে পুড়ে শিশুর মৃত্যু
‘আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসে না’ লেখা ভবানীপ্রসাদ মারা গেছেন
সুবর্ণচরে ভোটের রাতে গৃহবধূকে ধর্ষণ: ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড
ফোনে কথা বলার সময় সাত তলা থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়: আইজিপি

মন্তব্য

p
উপরে