ফ্রান্সে কৃষ্ণাঙ্গকে মারধর: তিন পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

ফ্রান্সে কৃষ্ণাঙ্গকে মারধর: তিন পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

মিশেল বলেন, ‘যাদের কর্তব্য ছিল আমাকে রক্ষা করা, তারাই আমাকে মারধর করেছে। কোনো অপরাধ আমি করিনি। আইন অনুযায়ী ওই তিন পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তি চাই।’

ফ্রান্সে কৃষ্ণাঙ্গ এক সঙ্গীত প্রযোজককে মারধরের ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে কলঙ্কজনক উল্লেখ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শিগগির কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রবল সমালোচনার মুখে ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওই তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্তরা প্রজাতন্ত্রের অভিন্নতাকে কলঙ্কিত করেছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া কার্যকর করা হবে বলে আশা করছি।’

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার মিশেল নামের ওই কৃষ্ণাঙ্গকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনার ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, নিজের স্টুডিওতে ঢোকার পরপরই তিন পুলিশ কর্মকর্তা মিশেলকে লাথি, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করছে।

বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় ঘটনাটির নিন্দা জানান ফ্রান্সের কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে। তিনি বলেন, ‘অসহ্য ভিডিও, অগ্রহণযোগ্য সহিংসতা। বর্ণবাদকে না বলুন।’

মারধরের পর ওই তিন পুলিশ কর্মকর্তা মিশেলকে আটক করে তার বিরুদ্ধে সহিংসতা ও গ্রেফতার এড়ানোর মামলা করেন। তবে প্রসিকিউটররা ওইসব মামলা খারিজ করে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার অভিযোগ দায়ের করতে পুলিশের সদর দফতরে যান মিশেল। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘পাঁচ মিনিট ধরে আমাকে মারধর করা হয়। ওই সময় বর্ণবাদী গালিও দেয়া হয়।

‘যাদের কর্তব্য ছিল আমাকে রক্ষা করা, তারাই আমাকে মারধর করেছে। কোনো অপরাধই আমি করিনি। আইন অনুযায়ী ওই তিন পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তি চাই।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য