20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করতে আমিরাতে পম্পেও

বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করতে আমিরাতে পম্পেও

আমিরাত-ইসরায়েল চুক্তি নিয়ে ইউএইর কার্যত নেতা এমবিজেডের সঙ্গে বৈঠক করবেন পম্পেও। নিরাপত্তা সহযোগিতা, অঞ্চলটিতে ইরানের ‘ক্ষতিকর’ কর্তৃত্বের পাল্টা পদক্ষেপসহ দ্বিপক্ষীয় উদ্বেগজনক নানা বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে পূর্বপরিকল্পিত বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে দেশটিতে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

শনিবার এ নিয়ে আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের (এমবিজেড) সঙ্গে তার সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আমিরাত-ইসরায়েল চুক্তি নিয়ে ইউএইর কার্যত নেতা এমবিজেডের সঙ্গে বৈঠক করবেন পম্পেও। নিরাপত্তা সহযোগিতা, অঞ্চলটিতে ইরানের ‘ক্ষতিকর’ কর্তৃত্বের পাল্টা পদক্ষেপসহ দ্বিপক্ষীয় উদ্বেগজনক নানা বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী পম্পেও দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয় মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সম্প্রতি ফ্রান্স, তুরস্ক, জর্জিয়া ও ইসরায়েল সফর করেন তিনি। সেসব দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা এরই মধ্যে নির্বাচনে জয়ী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পম্পেও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউএইর সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত হয়েছে।’

এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান, আকাশযানসহ ২৩.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র আমিরাতের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের এই চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান পার্টির আইনপ্রণেতারা। তারা এই চুক্তি বন্ধের চেষ্টা করছেন।

নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকে সম্মত হয় আমিরাত। এর পরপরই দেশটির কাছে অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা করেন ট্রাম্প।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেটর ক্রিস মারফি ও বব মেনেনদেজ এবং রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর র‌্যান্ড পল আমিরাত সরকারের কাছে অস্ত্র বিক্রির সমালোচনা করেছেন।

তাদের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে অস্ত্রগুলো ব্যবহার করবে আমিরাত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য