20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
দর্শকশূন্য মণ্ডপেই হবে কলকাতার  পূজা

কলকাতার একটি পূজামণ্ডপ

দর্শকশূন্য মণ্ডপেই হবে কলকাতার পূজা

অবশ্য কলকাতা হাইকোর্ট পূজার উদ্যোক্তাদের কিছু ছাড় দিয়েছেন। ঢাকিরা মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন।  বড় মণ্ডপে দিনে সর্বোচ্চ ৬০ জন ঢুকতে পারবেন। তবে একসঙ্গে কখনওই ৪৫ জনের বেশি থাকতে পারবেন না।

কলকাতায় দর্শকশূন্য মণ্ডপেই হবে দুর্গা পূজা। বারোয়ারি পূজা কমিটিগুলির আর্জি খারিজ করে দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার জানিয়ে দিল মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। বহাল রাখল মণ্ডপে সাধারণ দর্শকদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা।

এর আগে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের মণ্ডপে প্রবেশ নিষেধ। অন্তত ১০ মিটার দূরে দর্শণার্থীদের জন্য নো এন্ট্রি বোর্ড ঝোলানোরও নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

এবার সকলকে বাড়িতে বসে ইন্টারনেট বা টেলিভিশনে পুজো দেখারও পরামর্শ ছিল।

হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে পূজা কমিটিগুলির তরফে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব রিভিউ পিটিশন করেন। কিন্তু বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিত বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পিটিশন খারিজ করে দেন।

অবশ্য হাইকোর্ট পূজার উদ্যোক্তাদের কিছু ছাড় দিয়েছে। ঢাকিরা মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন। বড় মণ্ডপে দিনে সর্বোচ্চ ৬০ জন ঢুকতে পারবেন। তবে একসঙ্গে কখনওই ৪৫ জনের বেশি থাকতে পারবেন না।

ছোট মণ্ডপের ক্ষেত্রে দিনে ২৫ জনের প্রবেশে অনুমতি মিলেছে। তবে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি থাকার অনুমতি নেই। অঞ্জলি, সিঁদুর খেলা বা শোভাযাত্রাতেও নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে।

বুধবারের রায়ে 'ছোট পূজা' ও 'বড় পূজার'র ব্যাখ্যাও আদালত দিয়েছেন। ৩০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের মণ্ডপ হলে ছোট পূজা। আর ৩০০ বর্গমিটারের চেয়ে বড় মন্ডপ হলে সেটি বড় পূজা।

হাইকোর্টের এই রায়ের ফলে অনেকটাই বিবর্ণ হয়ে গেল কলকাতার পূজার রং। বিশেষজ্ঞরা অবশ্য স্বাগত জানিয়েছেন হাইকোর্টের রায়কে। করোনা প্রতিরোধে ভিড় নিয়ন্ত্রণ জরুরি বলে মনে করেন চিকিৎসকরাও।

পঞ্চমীর দিনই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় অনেকেই হাল ছেড়ে দিয়েছেন। তবে কেউ কেউ কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পক্ষে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য