20201002104319.jpg
আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রে নিহত ১২ আজারি

আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রে নিহত ১২ আজারি

‘গানজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আর্মেনিয়ার বিশ্বাসঘাতকাসুলভ ও নিষ্ঠুর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশটির রাজনৈতিক-সামরিক নেতৃত্বের দুর্বলতা ও বেপরোয়া মনোভাবকে তুলে ধরে।’

আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আজারবাইজানের দুই শিশুসহ ১২ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার আজারবাইজানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর গানজায় এ হামলা হয়।

আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে আজারবাইজান।

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই হামলায় ৪০ জনেরও বেশি মানুষ আহত ও ২০টিরও বেশি ঘর বিধ্বস্ত হয়।

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সহকারী হিকমেত হাজিয়েভ এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নাগরিকদের উদ্ধার করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গানজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আর্মেনিয়ার বিশ্বাসঘাতকাসুলভ ও নিষ্ঠুর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশটির রাজনৈতিক-সামরিক নেতৃত্বের দুর্বলতা ও বেপরোয়া মনোভাবকে তুলে ধরে।’

তিনি বলেন, ‘আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই জঘন্য যুদ্ধাপরাধের দায় নিতে রাজি নয়।’

বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘মানবতার দোহাই দিয়ে যারা যুদ্ধবিরতির কথা বলেছেন, তাদের আর্মেনিয়ার এই যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখা উচিত।’

আর্মেনিয়ায় নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ হওয়ার পরপরই দেশটি আজারবাইজানের নিরপরাধ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই পক্ষ। কিন্তু বিরতি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই আবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা।

নাগোরনো-কারাবাখকে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে কয়েক দশক ধরে যুদ্ধ চলছে। ২৭ সেপ্টেম্বর নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০০ জন নিহত হয়।

 

শেয়ার করুন