20201002104319.jpg
আবারও কঠোর বিধিনিষেধে ইউরোপ

আবারও কঠোর বিধিনিষেধে ইউরোপ

লকডাউনসহ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপে বাধ্য হয়েছে কয়েকটি দেশ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ইউরোপ। এরই মধ্যে লকডাউনসহ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপে বাধ্য হয়েছে কয়েকটি দেশ।

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় চেক প্রজাতন্ত্র তিন সপ্তাহের আংশিক লকডাউন আারোপ করতে যাচ্ছে। সেখানে স্কুল, বার ও ক্লাব ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। রাত ৮টা পর্যন্ত রেস্তোরাঁগুলো খাবার ডেলিভারি করতে পারবে।

এ সময়ে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো অস্থায়ীভাবে বন্ধ থাকবে। স্কুলের পড়াশোনা অনলাইনে চলবে। তবে কিন্ডারগার্টেন খোলা থাকবে; সম্মুখসারির কর্মীদের শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দোকান ও গণপরিবহন ছাড়াও ট্রাম স্টপ ও ট্রেনের প্ল্যাটফর্মে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে চেক প্রজাতন্ত্রে। ঘরের ভেতর ও বাইরে সর্বোচ্চ ছয় জন ব্যক্তি একসঙ্গে জড়ো হতে পারবেন।

নেদারল্যান্ডসে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এক মাসের আংশিক লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার রাত থেকে তা কার্যকর হবে।

এ সময়ে বার, রেস্তোরাঁ, ছাদ ও গাঁজার ক্যাফে বন্ধ থাকবে। শুধু ডেলিভারি সার্ভিস চালু থাকবে। মুদির দোকানগুলো রাত ৮টার পর মদ বিক্রি করতে পারবে না। জনসমাগম আছে এমন অভ্যন্তরীণ স্থানেও মাস্ক পরতে হবে।

ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা আবার বেড়েছে।

প্যারিসের সরকারি হাসপাতাল গ্রুপের (এপিএইচপি) প্রধান মার্টিন ইয়াশ আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, সামনের সপ্তাহের শেষের দিকে প্যারিসের হাসপাতালগুলোর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের ৯০ শতাংশ শয্যা পূর্ণ হয়ে যেতে পারে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বুধবার আরও কড়া বিধিনিষেধের ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানী প্যারিসসহ ঝুঁকিপূর্ণ শহরে সান্ধ্যকালীন কারফিউ জারি হতে পারে।

এর আগে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল জানান, ইউরোপে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন তিনি।

মেরকেল বলেন, ‘পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করেছে, তা বলতেই হবে।’

সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন