20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
বাইডেনের বক্তব্য ‘কঠোর রাশিয়াবিরোধী’: পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: এপি

বাইডেনের বক্তব্য ‘কঠোর রাশিয়াবিরোধী’: পুতিন

৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এমন মন্তব্য করলেন বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্ট।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেনের বক্তব্যকে ‘কঠোর রাশিয়াবিরোধী’ বলে মন্তব্য করেছেন ।

স্থানীয় সময় বুধবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভিতে পুতিন এ মন্তব্য করেন।

৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এমন মন্তব্য করলেন বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্ট।

পুতিন বলেন, ‘বাইডেনের কঠোর রাশিয়াবিরোধী বক্তব্য আমরা লক্ষ্য করেছি। বিষয়টি দুঃখজনক হলেও আমরা এতে অভ্যস্ত।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করে পুতিন বলেন, ‘ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ইচ্ছুক। তবে দেশটির যে কোনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করতে আমরা আগ্রহী।’

অবশ্য পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি নিয়ে বাইডেনের মন্তব্যের প্রশংসা করেন পুতিন।

রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তির মেয়াদ সামনের বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হচ্ছে ।

পুতিন বলেন, ‘পারমাণবিক চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে রাজি বলে জানিয়েছেন বাইডেন। একইসঙ্গে কৌশলগত অস্ত্র সীমিত করতে নতুন চুক্তির কথাও বলেছেন তিনি। ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে এসব উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

বেশ কিছুদিন ধরে পারমাণবিক চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে বা নতুন চুক্তি করতে রাষ্ট্র দুইটি ঐক্যমতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছিল। অবশ্য গত মঙ্গলবার অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক ট্রাম্পের দূত জানান, পারমাণবিক চুক্তি সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হয়েছে।

গত মাসে পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে সাইবার সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের প্রস্তাব দেন যাতে দুই রাষ্ট্রের নির্বাচনে কেউ হস্তক্ষেপ করতে না পারে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি এড়িয়ে গেছে জানিয়ে পুতিন বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাইনি। অথচ ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত দেশটির নির্বাচনে আমরা হস্তক্ষেপ করেছি বলে অভিযোগ তোলা হয়; যা একেবারেই ভিত্তিহীন।’

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়, চার বছর আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে জেতাতে কাজ করেছে রাশিয়া। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল হ্যাক করে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

সূত্র: আল জাজিরা

শেয়ার করুন