20201002104319.jpg
হাসপাতাল ছাড়ছেন ট্রাম্প

হাসপাতাল ছাড়ছেন ট্রাম্প

করোনা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনরাত থাকার পর হাসপাতাল ছাড়ছেন তিনি।

সোমবার এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমি আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টার ছাড়ব। সত্যিই খুব ভালো বোধ করছি।’

করোনা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘করোনা নিয়ে ভয় পাবেন না। করোনা যেন আপনার জীবন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।’

নিজ প্রশাসনের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে আমরা সত্যিই অসাধারণ কিছু ওষুধ ও জ্ঞানের জোগান পেয়েছি। ২০ বছর আগের চেয়েও তাই এখন বেশ ভালো বোধ করছি।’

ট্রাম্প,টুইট,করোনা

রোববার গাড়িতে চড়ে হাসপাতালের বাইরে বের হন মাস্ক পরা ট্রাম্প। ওই সময় গাড়ির ভেতর থেকে সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন তিনি।

হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার আগে টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আকস্মিক সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছি।’  

রোববারই ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে জানিয়ে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক শন কনলে বলেছিলেন, সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন তিনি।

শুক্রবার ট্রাম্পকে ওয়াশিংটন ডিসির কাছে দেশটির অন্যতম সামরিক হাসপাতাল ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

রোববার সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে কনলে বলেন, শনিবার ট্রাম্পের অক্সিজেনের লেভেল দ্বিতীয়বারের মতো কমে গিয়েছিল। তাকে এখন ডেক্সামেথাসন নামের একটি স্টেরয়েড দেয়া হচ্ছে।

ট্রাম্পকে বাড়তি অক্সিজেন দেয়া হয়েছে কি না তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

কনলে জানান, করোনা শনাক্ত হওয়ার পরে ট্রাম্পের অক্সিজেনের মাত্রা দুই বার নিচে নেমে গিয়েছিল। প্রথমবার অক্সিজেন নামার ঘটনা ঘটে শুক্রবার সকালে। তখন আধঘণ্টা ধরে ট্রাম্পকে অক্সিজেন দেয়া হয়।

শনিবার  কনলে জানিয়েছিলেন, ট্রাম্পকে তখন পর্যন্ত অতিরিক্ত অক্সিজেন দিতে হয়নি।  প্রায় ২৪ ঘণ্টা তার জ্বর নেই।

রোববারের সংবাদ সম্মেলনে কনলে স্বীকার করেন তার এই বক্তব্য অতিরঞ্জিত ছিল।

ডনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার সকালে এক টুইটবার্তায় তার নিজের ও স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, ট্রাম্পের বয়স ৭৪ বছর। এ ছাড়া তিনি স্থুল এবং পুরুষ। এই তিনটি বিষয়ই তাকে গুরুতর সংক্রমণের ঝুঁকিতে ফেলেছে।

সূত্র: বিবিসি ও সিএনএন

শেয়ার করুন