× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
If the density of mosquitoes is not controlled there is fear of dengue situation again
google_news print-icon

‘মশার ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ না হলে এবারও ডেঙ্গু নিয়ে শঙ্কা’

মশার-ঘনত্ব-নিয়ন্ত্রণ-না-হলে-এবারও-ডেঙ্গু-নিয়ে-শঙ্কা
রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা। ফাইল ছবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘গত বছর বর্ষা পরবর্তী সময়ে মশার ঘনত্ব বেশি পাওয়া গেছে। তাই পরবর্তী বছর অর্থাৎ এ বছরেও একই প্রভাব ফেলবে। সে কারণে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে সব জায়গায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য এ বছর ডেঙ্গু যেন বড় আকারে প্রভাব ফেলতে না পারে, সেজন্য এখনই একটি টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়ন করে সেটি বাস্তবায়নের জোর দিতে হবে।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১২ দশমিক ৩ শতাংশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১১ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ি ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকার দুই সিটিতে বর্ষা-পরবর্তী এডিস মশার লার্ভা বা শূককীট জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত ঢাকার দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডে বর্ষা পরবর্তী লার্ভা জরিপ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। উত্তর সিটির ৪০টি ও দক্ষিণের ৫৯টি ওয়ার্ডে মোট ৩ হাজার ২৮৩টি বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানটি।

রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ২০২২ সালের বর্ষা-পরবর্তী জরিপে উত্তরে শতকরা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় হার ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা বা শূককীটের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল। সে হিসাবে গত বছরের বর্ষা পরবর্তী সময়ের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

মশার লার্ভার উপস্থিতি হিসাব করা হয় ব্রুটো ইনডেক্স বা বিআই সূচকের মাধ্যমে। বিআই প্রতি এক শ প্রজনন উৎসের মধ্যে ২০টি বা তার বেশিতে যদি এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তাহলে সেটাকে ঝুঁকিপূর্ণ উপস্থিতি বলা যায়। আর হাউজ ইনডেক্স যদি প্রতি এক শ প্রজনন উৎসের ১০টি হয় তাহলে ঝুঁকিপূর্ণ উপস্থিতি বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্ষা-পরবর্তী এ জরিপে উত্তর সিটির ১৩ দশমিক ৪ ও দক্ষিণের ১৪ দশমিক ৬ বিআই পাওয়া গেছে। উত্তরে সবোর্চ্চ বিআই ছিল ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ ও দক্ষিণে ৪৬ দশমিক ৬ শতাংশ বিআই পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৬ থেকে ৪০ বছর। এ বয়সে ডেঙ্গুতে মারা গেছে মোট মৃত্যুর ৪১ শতাংশ। যাদের বেশিরভাগই কর্মজীবী ছিলেন।

এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশ নারী ও ৬০ শতাংশ পুরুষ ছিল। আর মৃতদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ নারী, ৪৩ শতাংশ পুরুষ ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তদের ৩৪ শতাংশ ঢাকায় চিকিৎসা নিয়েছে, ৬৬ শতাংশ চিকিৎসা নিয়েছে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা হাসপাতালে। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম, মানিকগঞ্জ ও বরিশাল জেলায়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘গত বছর বর্ষা পরবর্তী সময়ে মশার ঘনত্ব বেশি পাওয়া গেছে। তাই পরবর্তী বছর অর্থাৎ এ বছরেও একই প্রভাব ফেলবে। সে কারণে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে সব জায়গায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য এ বছর ডেঙ্গু যেন বড় আকারে প্রভাব ফেলতে না পারে, সেজন্য এখনই একটি টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়ন করে সেটি বাস্তবায়নের জোর দিতে হবে।

‘সেখানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগিয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

ডেঙ্গু বিস্তারের সাধারণ সময় তো আগস্ট এর শুরুর দিকে। কিন্তু গত বছর প্রায় সারা মাসই এর প্রকোপ ছিল। এবারও সেই সম্ভাবনা আছে কি না, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সাধারণত আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এই তিনমাস ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে, তবে এবছরও খারাপ পরিস্থিতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ মশার যে ঘনত্ব আমরা দেখছি, যদি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি। তাহলে ২০২৪ সালও আমাদের জন্য শঙ্কার কারণ।’

গত শতাব্দীর ৬০ দশকে এই ভূখণ্ডে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। সে সময় একে ‘ঢাকা ফিভার’ নাম দেয়া হয়েছিল। ২০০০ সালে ডেঙ্গুর বড় ধরনের প্রকোপ দেখা দেয়। এরপর থেকে এ পর্যন্ত সবোর্চ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে ২০২৩ সালে। এর আগে, সবোর্চ্চ মৃত্যু হয় ২০২২ সালে ২৮১ জন, আর ২০১৯ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রথমবার এক লাখ ছাড়ায়। সে বছর ভর্তি হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন। মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের।

মাসের হিসেবে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে মৃত্যু হয়েছে ৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন, মার্চে কোনো মৃত্যু হয়নি, এপ্রিলে ২ জন, মে মাসে ২ জন, জুনে ৩৪ জন, জুলাইয়ে ২০৪ জন, অগাস্টে ৩৪২ জন, সেপ্টেম্বরে ৩৯৬ জন, অক্টোবরে ৩৫৯ জন , নভেম্বরের ২৭৪ জন ও ডিসেম্বরে এ পর্যন্ত ৮৩ মৃত্যু হয়েছে।

একই বছরের জানুয়ারিতে ৫৬৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৬৬ জন, মার্চে ১১১ জন, এপ্রিলে ১৪৩ জন, মে মাসে এক হাজার ৩৬ জন, জুনে ৫ হাজার ৯৫৬ জন, জুলাইয়ে ৪৩ হাজার ৮৭৬ জন, আগস্টে ৭১ হাজার ৯৭৬ জন, সেপ্টেম্বরে ৭৯ হাজার ৫৯৮ জন, অক্টোবরে ৬৭ হাজার ৭৬৯ জন, নভেম্বর মাসে ৪০ হাজার ৭১৬ জন ও ডিসেম্বরের ৯ হাজার ২৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও ৪ প্রাণহানি
ডেঙ্গু নিল আরও ৯ প্রাণ
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ প্রাণহানি
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৭ মৃত্যু
ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Safe Motherhood Day is Tuesday

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস মঙ্গলবার

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস মঙ্গলবার
গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস ২৮ মে, মঙ্গলবার। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব।

দেশব্যাপী নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর থেকে নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার কমানো ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ২৮ মে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এ বিষয়ে অনুমোদন দিলে পরের বছর থেকে দেশব্যাপী দিবসটি পালন শুরু হয়। পরে ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Complaint of demanding money from patients sitting in government hospitals

সরকারি হাসপাতালে বসে রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ

সরকারি হাসপাতালে বসে রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ হাসপাতালে দালাল পোষার অভিযোগও রয়েছে ডা. মামুনুর রশীদ মৃধার বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে টাকা চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। বলেন, ‘হাসপাতালের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টাকা চেয়েছি।’ এ ধরনের চিকিৎসার জন্য তিনি এক লাখ টাকাও নিয়ে থাকেন বলে জানান।

সরকারি হাসপাতালে বসে চিকিৎসাবাবদ রোগীদের কাছে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চিকিৎসকের দাবি করা ১৫ হাজার টাকা না দেয়ায় চিকিৎসা মেলেনি তার।

মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম মামুনুর রশীদ মৃধা। তিনি কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত।

মজিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের ঝাওগারচর গ্রামের বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে।

মজিবুর জানান, মারামারি সংক্রান্ত ঘটনায় রক্তাক্ত হয়ে ছোট ভাই হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান তিনি। তখন জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ডাক্তার মামুনুর রশিদ মৃধা। এ সময় চিকিৎসাবাবদ তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন ডা. মামুনুর। অনেক অনুরোধের পর শেষ পর্যন্ত ১৫ হাজার টাকায় রাজি হন তিনি, কিন্তু সঙ্গে নগদ টাকা না থাকায় বাঁধে বিপত্তি। চিকিৎসক তার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ধমক দিয়ে বলেন- ‘এটা মাছের বাজার পেয়েছ?’ টাকা দিতে না পারায় চিকিৎসা করাতে পারেননি তিনি।

তিনি বলেন, ‘তখনও আমার হাতের কাটা অংশ থেকে রক্ত ঝরছিল। এ অবস্থায় আগে চিকিৎসা নিয়ে, পরে বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দেয়ার কথা বললে ডাক্তার ধমক দেন।’

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কয়েকজন সংবাদকর্মী গেলে ওই চিকিৎসকের অনুগত কয়েকজন দালাল তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং ভেতর থেকে গেট লাগিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের মারধরের হুমকি দেন। পরে হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গেট খুলে দিলে দালালরা চলে যান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে টাকা চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টাকা চেয়েছি।’

এ ধরনের চিকিৎসার জন্য বাইরে তিনি এক লাখ টাকাও নিয়ে থাকেন বলে জানান।

হাসপাতালে কেন এ ধরনের চিকিৎসা করেন না?- জবাবে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে কোনো ফ্যাসিলিটি (সুযোগ-সুবিধা) নেই। খোঁজ নিয়ে দেখেন।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের আরএমও ডা. দেবাশীষ ভৌমিক দালালদের উৎপাতের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ডা. মামুনুর রশিদ মৃধার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা হাসপাতালে চলতে পারে না। ঘটনাটি শুনে তাৎক্ষণিক হাসপাতালের পরিচালক ও আরএমওকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছি।’

আরও পড়ুন:
ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ভাঙচুর
চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
For the third time in a month and a half there has been a fire at Bangabandhu Hospital in Faridpur

দেড় মাসে তৃতীয়বারের মতো আগুন ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে

দেড় মাসে তৃতীয়বারের মতো আগুন ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্টোর রুমে বৃহস্পতিবার সকালে ধরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: নিউজবাংলা
ডিসি কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘গত দেড় মাসে হাসপাতালে তিনবার অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। আমরা আতঙ্কিত ও শঙ্কিত। এটি এক হাজার বেডের হাসপাতাল। এসব স্থানে আগুন লাগলে বিপুলসংখ্যক প্রাণহানির শঙ্কা থাকে।’

ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্টোর রুমে আগুন লেগে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি পুড়ে গেছে।

এ নিয়ে গত দেড় মাসে তিনবার আগুনের ঘটনা ঘটল হাসপাতালটিতে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে হাসপাতালটির দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস আধা ঘণ্টার মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।

আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

এদিকে বারবার আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ভেতরে অনেক ওষুধ ও যন্ত্রপাতি রয়েছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি।’

হাসপাতালের উপপরিচালক দীপক কুমার বলেন, ‘হঠাৎ করে হাসপাতালটির দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে আগুন লাগে। তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ধোঁয়ায় অন্ধকার সৃষ্টি হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্টোর রুমটিতে হাসপাতালের ওষুধপত্র, যন্ত্রপাতি, ফ্রিজসহ নানা সরঞ্জাম রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি টিম এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি।’

ডিসি কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘গত দেড় মাসে হাসপাতালে তিনবার অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। আমরা আতঙ্কিত ও শঙ্কিত। এটি এক হাজার বেডের হাসপাতাল। এসব স্থানে আগুন লাগলে বিপুলসংখ্যক প্রাণহানির শঙ্কা থাকে।’

তিনি বলেন, ‘কেন বারবার আগুন লাগছে, তার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

‘স্টোর রুমটিতে ওষুধ ও নতুন নতুন যন্ত্রপাতি রয়েছে। তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

ডিসি আরও বলেন, ‘হাসপাতালের স্ট্রাকচারাল (কাঠামোগত) কিছু ত্রুটি রয়েছে। আগুন নির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা সৃষ্টি করতে আমরা ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলব।’

আরও পড়ুন:
ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ভাঙচুর
পুড়ছে সুন্দরবন
সুন্দরবনের আগুন ছড়িয়েছে ২ কিলোমিটারে
সুন্দরবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে বনরক্ষীরা, যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস
১০ একরের চারাগাছ পুড়ে যাওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে শাল-গজারির আগুন

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Sleiman who transplanted pig kidneys has died

শূকরের কিডনি নেয়া স্লেম্যান মারা গেছেন

শূকরের কিডনি নেয়া স্লেম্যান মারা গেছেন বিশ্বে প্রথমবারের মতো শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপনকারী রিচার্ড স্লেম্যান। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে গত মার্চে রিচার্ড স্লেম্যানের দেহে শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, তার মৃত্যুর সঙ্গে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের কোনো সম্পর্ক নেই।

বিশ্বে প্রথমবারের মতো শূকরের কিডনি নেয়া ৬২ বছর বয়সী রিচার্ড স্লেম্যান মারা গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার এ খবর জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে গত মার্চ মাসে চার ঘণ্টার অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে রিচার্ড স্লেম্যানের দেহে শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। অস্ত্রপাচারের দুই সপ্তাহ পর ২ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, স্লেম্যানের আকস্মিকভাবে চলে যাওয়ার সঙ্গে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের কোনো সম্পর্ক নেই।

ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ম্যাস জেনারেল ট্রান্সপ্লান্ট দল স্লেম্যানের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। সাম্প্রতিক ট্রান্সপ্লান্টের ফল তার মৃত্যুর জন্য দায়ী এমন কোনো প্রমাণ আমাদের কাছে নেই।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্লেম্যানকে বিশ্বব্যাপী অগণিত কিডনি প্রতিস্থাপন রোগীদের জন্য আশার আলোকবর্তিকা হিসেবে দেখা হবে। জেনোট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য তার আস্থা ও ইচ্ছার প্রতি আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আমরা স্লেম্যানের পরিবার ও তাদের প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। আমরা একজন অসাধারণ ব্যক্তিকে স্মরণ করছি যার উদারতা সবাইকে স্পর্শ করেছে।’

স্লেম্যানের পরিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের পরিবার আমাদের প্রিয় রিক-এর আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। কিন্তু তিনি অনেককে অনুপ্রাণিত করেছেন ভেবে আমরা সান্ত্বনা পাই। বিশ্বব্যাপী কয়েক মিলিয়ন মানুষ রিক-এর গল্প জানতে পেরেছে। রিক কিডনি প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা রোগীদের আশাবাদী করে তুলেছেন।’

ম্যাস জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও তার পরিচর্যা দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল ও তার পরিচর্যাকারী দলের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। চিকিৎসক দল রিককে দ্বিতীয় সুযোগ দেয়ার জন্য যথাসাধ্য সাহায্য করেছেন। ‘জেনোট্রান্সপ্ল্যান্ট আমাদের পরিবারকে রিকের সঙ্গে আরও সাত সপ্তাহ থাকার সুযোগ দিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তার সঙ্গে তৈরি হওয়া স্মৃতিগুলো আমাদের হৃদয়ে থাকবে।’

বোস্টনের ওয়েইমাউথের বাসিন্দা স্লেম্যান অনেক বছর ধরে টাইপ টু ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছিলেন। এছাড়া তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে ডায়ালাইসিসে ছিলেন। ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একজন মৃত ব্যক্তির কিডনি স্লেম্যানের দেহে প্রতিস্থাপন করেন।

তবে প্রায় পাঁচ বছর পর সেই কিডনি অকার্যকর হতে শুরু করে এবং স্লেম্যান ২০২৩ সালের মে মাস থেকে পুনরায় ডায়ালাইসিস শুরু করেন।

পরবর্তীতে বিশ্বের প্রথম মানব হিসেবে তিনি নিজ দেহে শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করেন। শূকরের কিডনি সরবরাহ করে কেমব্রিজের ইজেনেসিস ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। সিআরআইএসপিআর-সিএএসনাইন প্রযুক্তির সহায়তায় জিনগত সম্পাদনার মাধ্যমে শূকরের কিডনিটি সরবরাহ করা হয়। হাসপাতালের দেয়া তথ্যমতে, স্লেম্যানের দেহে প্রতিস্থাপনের আগে শূকরের ক্ষতিকারক জিনগুলো সরিয়ে মানুষের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য করার জন্য কিছু মানব জিন যুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
দেড় হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন, বাংলাদেশি চিকিৎসকের রেকর্ড
‘৬৫ ভাগ রোগী জানেন না তাদের কিডনি বিকল’ 
দেশে প্রথমবারের মতো ‘ব্রেন ডেড’ রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন
‘ঋণ শোধে ব্যর্থ হলেই’ কিডনি বিক্রি, ৭ দালাল গ্রেপ্তার
কলকাতায় কিডনি প্রতিস্থাপন করছে রোবট

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Eight college girls in DMK hospital after eating Chinese food

‘চাইনিজ’ খেয়ে আট কলেজছাত্রী হাসপাতালে

‘চাইনিজ’ খেয়ে আট কলেজছাত্রী হাসপাতালে অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ঢামেক হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা জানান, কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তবে বর্তমানে তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো কারণে প্রথমে এক ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর তার অবস্থা দেখে ভয়ে অন্য অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

রাজধানীর দনিয়ায় একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়ে আট তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দনিয়া কলেজের এই ছাত্রীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনা হয়েছে।

অসুস্থ হয়ে পড়া ছাত্রীরা বুধবার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধা পর্যন্ত একে একে ঢাকা মেডিক‍্যালে আসেন। তারা হলেন- জুঁই আক্তার মিম, মারিয়া, বুশরা, ফারিয়া, সানজিদা, সাদিয়া আফরিন, ফারজানা ও রোজিনা। তাদের বয়স ১৮ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে।

অসুস্থদের সঙ্গে ঢামেক হাসপাতালে আসা শিক্ষার্থী আসমা বলেন, ‘আমরা সবাই দনিয়া কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আজ (বুধবার) আমাদের কলেজে র‍্যাগ-ডে ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমরা প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী ধনিয়া ট্রাকস্ট্যান্ডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে খেতে যাই।

‘রেস্টুরেন্টে প্রথমে কেক কাটা হয়। এক পর্যায়ে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। এ সময় রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ একটা স্প্রে ব্যবহার করে। এরপর সবাই ফ্রাইড রাইস, চিকেন ও সবজি খাই। খাওয়ার কিছুক্ষণ পরে একে একে আমাদের কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে।’

ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়। এরপর জানতে পারি যে আরও অনেক ছাত্রী অসুস্থ হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।’

ঢামেক হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা জানান, কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তবে বর্তমানে তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো কারণে প্রথমে এক ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর তার অবস্থা দেখে ভয়ে অন্য অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘যাত্রাবাড়ীর দনিয়া এলাকা থেকে আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে (ঢামেক) হাসপাতালে এসেছে। তাদেরকে ভর্তি দেয়া হয়নি, মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাতের খাবার খাওয়ার পর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি মাদ্রাসার ১৬ ছাত্র
কোকাকোলা পান করার পর ৬ জন হাসপাতালে
চা পাতার বদলে কীটনাশক, ১২ জন হাসপাতালে
স্কুলে পানি খেয়ে ৬০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে
ইফতারি খেয়ে বিচারকসহ অসুস্থ ৩০, কারাগারে ৩

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Zahid Malek in Times 100 most influential list

টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় জাহিদ মালেক

টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় জাহিদ মালেক সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: সংগৃহীত
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে জাহিদ মালেক পাঁচ বছর বিতর্কমুক্ত ছিলেন না। তবে তিনি কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি সম্পাদন করেন, যার ফলে বাংলাদেশে মাথাপিছু মৃত্যু প্রতিবেশী ভারতের তুলনায় অর্ধেকেরও কম ছিল।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ অবদান রাখা ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় পত্রিকা টাইম ম্যাগাজিন।

২ মে এই প্রকাশ করা এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বর্তমানে তিনি মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য।

প্রতিবেদনে জাহিদ মালেককে নিয়ে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সোচ্চার সমর্থক হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে জাহিদ মালেক পাঁচ বছর বিতর্কমুক্ত ছিলেন না। তিনি দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং তার প্রারম্ভিক মহামারি প্রতিক্রিয়ার জন্য তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হন।

‘তবে এরপর তিনি একটি কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি সম্পাদন করেন, যার ফলে ঘনবসতিপূর্ণ দক্ষিণ এশীয় দেশটিতে মাথাপিছু মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিবেশী দেশ ভারতের তুলনায় অর্ধেকেরও কম ছিল। জানুয়ারিতে পদত্যাগ করা সত্ত্বেও মালেক তার সাড়ে ১৭ কোটি দেশবাসীর উন্নতির জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন।’

কালাজ্বর (ভিসারাল লেশম্যানিয়াসিস) নির্মূলের জন্য বাংলাদেশ ২০২৩ সালে ইতিহাস তৈরি করেছিল। এটি মাছি দ্বারা সংক্রমিত একটি রোগ যার চিকিৎসা না করা হলে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া গত বছর বাংলাদেশ (লিম্ফ্যাটিক ফাইলেরিয়াসিস) মশা দ্বারা সংক্রমিত একটি দুর্বল পরজীবী রোগ নির্মূল করতে সফল হয়েছে। এই জোড়া সাফল্যের মাধ্যমে ইতিহাসের প্রথম জাতি হিসেবে বাংলাদেশ এক বছরে দুটি অসংক্রামক রোগ নির্মূল করেছে।

শিশুমৃত্যুর হার ব্যাপকভাবে কমানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর আগে জাহিদ মালেককে সম্মানিত করে। মালেক বাংলাদেশে হলুদের মধ্যে সীসার উপাদান কমিয়ে আনার উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের মন্ত্রিপরিষদে নেই।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
16 people lost their lives due to heat stroke in 15 days Department of Health

হিট স্ট্রোকে ১৫ দিনে প্রাণ হারিয়েছে ১৬ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

হিট স্ট্রোকে ১৫ দিনে প্রাণ হারিয়েছে ১৬ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতীকী ছবি।
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রায় এক মাস ধরে দেশে মৃদু থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন স্থানে গরমে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২২ এপ্রিল থেকে হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর রেকর্ড রাখা শুরু করেছে।

দেশজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলাকালে হিট স্ট্রোকে ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে রোববার পর্যন্ত ১৪ দিনে হিট স্ট্রোকে মারা গেছেন কমপক্ষে ১৫ জন। সোমবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও একজন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম (এইচইওসি/সিআর) সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রায় এক মাস ধরে দেশে মৃদু থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টি হওয়ায় সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। তাপপ্রবাহের এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন স্থানে গরমে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২২ এপ্রিল থেকে হিট স্ট্রোকের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড রাখা শুরু করেছে।

তাপপ্রবাহের কারণে ২ মে পর্যন্ত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। রোববার থেকে তা পুনরায় শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তিন জেলায় ‘হিট স্ট্রোকে’ ৯ জনের মৃত্যুর খবর
হিটস্ট্রোকে মাদারীপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী ও কৃষকের মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল প্রাণ-আরএফএলের মাঠকর্মীর

মন্তব্য

p
উপরে