× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Dengue 2 more deaths in 24 hours
google_news print-icon

ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ মৃত্যু

ডেঙ্গু-২৪-ঘণ্টায়-আরও-২-মৃত্যু
হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মশারি। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে বৃহস্পতিবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয় ৫৩৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ১০৮ এবং ঢাকার বাইরের ৪২৯ জন।

সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় ৫৩৭ জন।

এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানি হয়েছে এক হাজার ৬৪৩ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে বৃহস্পতিবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয় ৫৩৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ১০৮ এবং ঢাকার বাইরের ৪২৯ জন।

চলতি বছরের ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন লাখ ১৬ হাজার ১৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক লাখ আট হাজার ৭৫৪ জন। ঢাকার বাইরে আরও দুই লাখ ৭ হাজার ৪০৬ জন আক্রান্ত হন।

এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন তিন লাখ ১১ হাজার ৯৪৬ জন। এর মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক লাখ ৭ হাজার ১৩০ আর ঢাকার বাইরের দুই লাখ ৪ হাজার ৮১৬ জন রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৬৮
ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৯
ডেঙ্গুতে প্রাণহানি ১৬০০ ছাড়াল
ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৭১
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একদিনে ১২ জনের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
11 people are under treatment at Bern University and 3 at DMK Hospital
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে বৃহস্পতিবার র রাতে অগ্নিকাণ্ডে ভবনে অনেকে আটকা পড়েন। ছবি: নিউজবাংলা
বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১১ জন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তিনজন।

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন- মোহাম্মদ জুয়েল, জোবায়ের ও হালিম। ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই তিনজনের কারও মেরুদণ্ড, কারও পা আবার কারও হাত ও পা ভেঙেছে। তাদেরকে অর্থোপেডিক ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জন হলেন- ফয়সাল আহমেদ, সুজন মণ্ডল, পুরোহিত, আবিনা, রাকিব, কাজী নওশাদ, আজাদ আবরার, মেহেদী হাসান, শাদ মাহমুদ, রাকিব হাসান ও সুমাইয়া। তাদের বয়স ২৩ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জনকে পোস্ট অপারেটিভে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাদের সবারই কার্বন-মনোক্সাইড (পয়জনিং) জনিত শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত।’

আরও পড়ুন:
আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
None of those injured in the Bailey Road fire are safe

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতে আগুন লাগার পর ভবনে আটকা পড়াদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের তৎপরতা। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আগুন লাগার পর ভবনের বদ্ধ জায়গায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকে মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। তাদের সবারই শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ২২ জন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এই তথ্য জানিয়ে বলেছেন, আগুনের এই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনদের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। কেউই আশঙ্কামুক্ত নন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শুক্রবার সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগুন লাগার পর ভবনের বদ্ধ জায়গায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকে মারা গেছেন। আর যারা আহত হয়েছেন তারা কেউই শঙ্কামুক্ত নন। তাদের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, যারা মারা গেছে তারা কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছে। একটা বদ্ধ ঘরে যখন বের হতে পারে না, তখন ধোঁয়াটা শ্বাসনালীতে চলে যায়। প্রত্যেকেরই তা হয়েছে এবং যাদের খুব বেশি হয়েছে, তারা বাঁচতে পারেনি। দুঃখজনকভাবে তারা মারা গেছেন।’

বার্ন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও ইউনিটপ্রধান প্রবীর চন্দ্র দাস বলেন, ‘বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতের অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর কারণ কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিং। সহজ ভাষায় যাকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া বলা যায়।’

এই চিকিৎসক বলেন, ‘আগুনের ঘটনায় যে কয়জন মারা গেছেন তাদের সবার মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার রাতে যে ১০ জনকে আহত ভেবে বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছিল তাদের মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে সেগুলো কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিং।

আহত ব্যক্তিরা আধ ঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট বদ্ধ ঘরে কালো ধোঁয়ার মধ্যে আটকে ছিলেন বলেও জানান ডা. প্রবীর চন্দ্র দাস।

আরও পড়ুন:
‘আমার ছেলেটারে একবার দেখতে দাও, ওরে বাসায় নিয়ে যাব’
বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৬
সাংবাদিক অভিশ্রুতির প্রাণ গেল বেইলি রোডের আগুনে
বেইলি রোডে আগুন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
আইনের শাসন না থাকলে বিপর্যয় ঘটতেই থাকে: ফখরুল

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The operation of the child abandoned by the parents is completed

‘মা-বাবার’ ফেলে যাওয়া শিশুর অপারেশন সম্পন্ন

‘মা-বাবার’ ফেলে যাওয়া শিশুর অপারেশন সম্পন্ন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার শেষে ভালো আছে শিশুটি। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নবজাতকটিকে চিকিৎসাধীন রেখে ইমার্জেন্সি থেকে ভর্তির কাগজ আনার কথা বলে বাবা-মা পরিচয় দেয়া দুজন আর ফিরে আসেননি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে শিশুটিকে চিকিৎসা দিচ্ছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অসুস্থ নবজাতককে ফেলে পালিয়ে যান মা-বাবা। শিশুটির একটি জন্মগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। সোমবার রাতে শিশুটির অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ভালো আছে। শিশুটিকে সমাজসেবার অধীনে হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএমএ শামীম আহমেদ বলেন, ‘শনিবার আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী দুজন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাচ্চাটিকে ওয়ার্ডে নিয়ে আসেন। চিকিৎসা চলা অবস্থায় গেট থেকে ভর্তির কাগজ নিয়ে আসার নাম করে তারা চলে যান।

‘সদ্য ভূমিষ্ঠ ছেলে বাচ্চাকে শ্বাসকষ্টের কথা বলে ভর্তি করাতে নিয়ে আসা হয়। নার্সরা নবজাতককে ভর্তির কাগজ আনতে বললে কাগজ আনার কথা বলে শিশুটিকে রেখে চলে যান বাবা-মা পরিচয় দেয়া দু’জন। এরপর আমরা থানায় জানিয়ে আদালতের মাধ্যমে সমাজসেবায় শিশুটিকে হস্তান্তর করেছি।’

তিনি বলেন, ‘শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও নার্সদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাসপাতাল ও সমাজসেবা কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনাও দিয়েছি। হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয় থেকে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ, পোশাক, বেড, কোলবালিশ দেয়া হয়।

‘পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শিশুটির একটি জন্মগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। সেই ত্রুটি সারাতে শিশুটির অপারেশনও ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটি হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর শিশুটিকে ছোটমনি নিবাসে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রাজশাহী ছোটমনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক রোকসানা খাতুন বলেন, ‘আমাদের সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসারের মাধ্যমে শিশুটির খোঁজ জানতে পারি। আমরা ওর খাবার ও কাপড়ের ব্যবস্থা করেছি। দেখভালও করছি। অপারেশন শেষে শিশুটি এখন ভালো আছে। সুস্থ হলে আমার শিশুটিকে শিশুমনি নিবাসে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
খাদ্যে ‘বিষক্রিয়া’: শিশু মৃত্যুর ঘটনায় চারজন আটক
রাজধানীতে খতনা করাতে গিয়ে ফের শিশুর মৃত্যু, ২ চিকিৎসককে রিমান্ডে চায় পুলিশ
দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে রামেক হাসপাতালে আইইডিসিআর
রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়  
কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Four children died in hospital due to food poisoning in Sirajganj

সিরাজগঞ্জে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুর মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে

সিরাজগঞ্জে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুর মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে
চিকিৎসক জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে এক শিশু হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। বাকি চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা পারভিন ও মেয়ে রিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের আরও চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম জিমহা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটির মা পারভিন, শিশু কন্যা রিয়া, নূরী ও ভাগ্নি মিথিলা। তাদের বাড়ি বেলকুচি উপজেলার বৈলগাছি গ্রামে।

স্বজনরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ইফতার করার সময় মহল্লার দোকান থেকে স্যালাইন কিনে সরবত তৈরি করের পারভিন। ইফতারের সময় সবাই মিলে তা পান করে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ক্রমেই অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সবাইকে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে চিকিৎসক শিশু জিমহাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যার পর খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী খাবার স্যালাইন খেয়েই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে এক শিশু হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। বাকি চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা পারভিন ও মেয়ে রিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন:
ছাড়পোকার ওষুধের বিষক্রিয়ায় ২ বোনের মৃত্যুর অভিযোগ
নাশতা খেয়ে হাসপাতালে বিচারক দম্পতি, ভাতিজি ‘পলাতক’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Started working on decentralization of healthcare Health Minister

স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ছবি: নিউজবাংলা
পিএইচএর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণে দেশে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে।’

স্বাস্থ্যসেবা শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়, এর পরিধি গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেটাই চান।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমাদের স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে কাজ করতে হলে চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধাগুলোও ভাবতে হবে। নার্সদের নিয়ে আমাদের আরো পরিকল্পনা করতে হবে।

‘আজকের এই আয়োজন প্ল্যানেটারি হেলথ অ্যাকাডেমিয়া সরকারের কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। এই প্রগ্রাম শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘চিকিৎসা প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলি শুধু আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করবে না, বরং আমাদের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সম্মিলিত অভিজ্ঞতাকেও সমৃদ্ধ করবে। দেশে এবং দেশের বাইরে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’

পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪-এ দুই হাজারের বেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এতে স্পিকার হিসেবে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৫০ জন চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং দেশের ১০০ জনেরও অধিক খ্যাতিমান চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ।

নয় দিনের এ সম্মেলনে থাকছে ৩০টির বেশি কোর্স এবং সাইন্টিফিক সেশন। দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন শুধু বাংলাদেশে নয়, দক্ষিণ এশিয়ায়ই প্রথম।

পিএইচএ গ্লোবাল প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়ার (পিএইচএ) চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের সিইও ডা. মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিএইচএর ট্রাস্টি ডা. নাসির খান।

সভাপতির বক্তব্যে পিএইচএর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণে দেশে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে।

‘আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে মিলে কারিকুলাম উন্নয়নের চেষ্টা করছি। আশা করি, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে একটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’

সম্মেলনে রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস লন্ডন, রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এডিনবার্গ, রয়েল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্ট, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন, ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন, আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজির প্রেসিডেন্টগণও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কৃতরা হলেন- রংপুর মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ বায়েজিদ সরকার ও সজিব মিয়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের পলাশ হোসেন, পাবনা মেডিক্যাল কলেজের তাহসিন আহমেদ আলভী ও রংপুরের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের মাহবুব আলম।

এছাড়া, ২০২৩ সালে শিক্ষা, চিকিৎসা শাস্ত্রে, স্বাস্থ্য সেবা তথা জনস্বার্থে বিশেষ অবদানের জন্য ৮ জন চিকিৎসককে সম্মানসূচক ফেলোশিপ দিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস।

ফেলোশিপ পাওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকগণ হলেন- ডা. সারাহ ক্যাথরিন ক্লার্ক, অধ্যাপক টিমোথি গ্রাহাম, ডা. রানী ঠাকুর, ডা. ফ্রাজ মীর, ডা. রোয়ান বার্নস্টেইন, অধ্যাপক ডেভিড ট্যাগার্ট, ডা. জগৎ নরুলা এবং ডা. সার্জিও লারাচ।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার
অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ না করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদেশিরাও শিগগিরই দলে দলে চিকিৎসা নিতে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Road blockade in protest against Swachips attempt to form a pocket committee in Barisal

বরিশালে স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ গঠন চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

বরিশালে স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ গঠন চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ


বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘২৬ বছর পর বরিশালে স্বাচিপের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তবে সেই ২৬ বছর আগে যারা কমিটিতে ছিল, তারাই জামায়াত-বিএনপির লোকজন নিয়ে ছাত্রলীগের সহযোদ্ধাদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা কঠোরতর আন্দোলনে যাব।’

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন এবং ‘পকেট কমিটি’ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছেন শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

হাসপাতালের সামনে বৃহস্পতিবার রাতে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক‌্যাল কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ মিছিল করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ মানি না স্লোগান দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ইন্টার্ন হল থেকে মিছিল শুরু করে। বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আসে। পরে তারা হাসপাতালের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে স্বাচিপের সম্মেলন ও কমিটি নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সড়কে ২০ মিনিট অবস্থান করে কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে এসে বিক্ষোভ মিছিল শেষ করেন।

মিছিলে ৫০ থেকে ৬০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং মেডিক‌্যালের ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ইমরান হোসাইন বলেন, ‘১৯৯৮ সালে স্বাচিপের বরিশালের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপর থেকে কোনো কমিটি হয়নি। কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে।

‘এ উদ্যোগের খবর জানতে পেরে আমরা উজ্জীবিত হয়েছি, কিন্তু শুনতে পাচ্ছি সম্মেলনের নামে পকেট কমিটি গঠন করা হবে। এতে বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকেও রাখা হবে।’

ডা. ইমরান বলেন, ‘আমরা চাই ছাত্রলীগের সাবেক নেতা-কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হোক। যারা দুর্দিনে সংগঠনের হাল ধরেছিল।’

ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘২৬ বছর পর বরিশালে স্বাচিপের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তবে সেই ২৬ বছর আগে যারা কমিটিতে ছিল, তারাই জামায়াত-বিএনপির লোকজন নিয়ে ছাত্রলীগের সহযোদ্ধাদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা কঠোরতর আন্দোলনে যাব।’

স্বাচিপের বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি ডা. কামরুল হাসান সেলিম সাংবাদিকদের জানান, বরিশাল ক্লাব মিলনায়তনে ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বাচিপের বিভাগীয় সম্মেলন হবে। এতে স্বাচিপের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

তিনি জানান, সম্মেলনে বিভাগের ছয় জেলা ও বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ ইউনিট কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা হবে। কমিটি গঠন হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নেতারা নেবেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
JS Diagnostic Center has been closed by the Health Department
খতনা করতে শিশুর মৃত্যু

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খতনা করাতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
খতনা করতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় ইতোমধ্যে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খতনা করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আহনাফ তাহমিন আয়মান নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মঈনুল আহসান (পরিচালক হাসপাতাল) মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসে হাসপাতালটির যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।

এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘কিছুদিন আগেও এমন একটি ঘটনা আমরা লক্ষ্য করেছি। সে ঘটনায় আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিয়েছি। তারপরও যারা সতর্ক হতে পারেনি, এরকম আর কারও কোনোরকম দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘দোষী প্রমাণিত হলে শুধু স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বিরুদ্ধে নয়, দায়িত্বে অবহেলাকারীদেরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। চিকিৎসায় অবহেলা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে ঘটে যাওয়া আরেক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেও একটি বিবৃতি দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি জানান, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে এন্ডোস্কপি করাতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল (২০ ফেব্রুয়ারি) সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরিদর্শন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট আগামীকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) হাতে আসবে। রিপোর্ট দেখে সে বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, খতনা করতে গিয়ে মারা যাওয়া শিশু আহনাফের বাবার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার থেকে একজন পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে রোববার মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে খতনা করাতে গিয়ে ফের শিশুর মৃত্যু, ২ চিকিৎসককে রিমান্ডে চায় পুলিশ

মন্তব্য

p
উপরে