× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Recommendation of special provision for children below 5 years
hear-news
player
google_news print-icon

৫ বছরের নিচের শিশুদের জন্য বিশেষ বরাদ্দের সুপারিশ

৫-বছরের-নিচের-শিশুদের-জন্য-বিশেষ-বরাদ্দের-সুপারিশ
৫ বছরের নিচের শিশুদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে বিশেষ বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতি বছর বিশ্বে ২৫ হাজার শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। ১০ হাজারের বেশি শিশু খেতে না পেয়ে মারা যায়, যার বেশিরভাগই প্রান্তিক শিশু। কিন্তু এ অবস্থা পরিবর্তনে সচেতনতা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের কাছে ৫ বছরের নিচের শিশুদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার সুপারিশ করেছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদে ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা নির্মাণের জন্য বরাদ্দ থাকলেও শিশুদের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। অথচ প্রান্তিক শিশুদের অপুষ্টির হার অনেক বেশি।

শিশুর পুষ্টি বিষয়ক কনসোর্টিয়ামটির অ্যাডভোকেসি কৌশল সংক্রান্ত ব্রিজ ফর ভয়েচ অ্যাডভোকেসি ফ্রেমওয়ার্ক অ্যান্ড গাইডলাইন বইটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বুধবার এসব কথা বলেন তারা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতি বছর বিশ্বে ২৫ হাজার শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। ১০ হাজারের বেশি শিশু খেতে না পেয়ে মারা যায়, যার বেশিরভাগই প্রান্তিক শিশু। কিন্তু এ অবস্থা পরিবর্তনে সচেতনতা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

সিরডাপ মিলনায়তনের এই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রাইট টু গ্রো প্রজেক্ট কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশ শিশু অপুষ্টি দূরীকরণের জন্য উপকূলীয় অঞ্চলে কাজ করছে। রাইট টু গ্রো প্রজেক্টটি কার্যক্রমের কৌশল হিসেবে স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে বাজেট বাড়ানোর অ্যাডভোকেসি করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার বিভাগ অতিরিক্ত সচিব ড. মো. শের আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তুষার মোহন সাধু খান, জাতীয় পুষ্টি সেবা বিভাগের লাইন ডিরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. এম. ইসলাম বুলবুল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাইট টু গ্রো কান্ট্রি স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারপারসন এবং ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইমাম মাহমুদ রিয়াদ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
No cure for Nipah virus Health Minister

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

বাদুড় থেকে সংক্রমিত নিপাহ ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমনটি জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

জাহিদ মালেক জানান, চলতি শীত মৌসুমে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত আটজনের মধ্যে পাঁচজনই মারা গেছেন। এরইমধ্যে আক্রান্তদের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হাসপাতালে ২০টি এবং মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ৫টি বেড চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে ও অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন থমকে যাবে, গরীব মানুষের ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। কারন ইতিপূর্বে বিএনপির আমলে আমরা তা দেখেছি।’

বিএনপি করোনাভাইরাসের টিকাবিরোধী প্রচারণা চলিয়েছিল উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছে। কাজেই আমরা নিরাপদে আছি। বিএনপি ভ্যাকসিনকে গঙ্গার জল বলেছিল।’

অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব কুমার সাহাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যতদিন, উন্নয়নও ততদিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে শাস্তি
চলতি শীতে নিপা ভাইরাসে ৮ জনের মধ্যে ৫ জনই মারা গেছেন
হাসপাতালেই চেম্বার করতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অন্তর্দ্বন্দ্ব নির্বাচনে হারার কারণ হতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
What is cancer and how to prevent it

ক্যানসার কী, কেন হয়, প্রতিরোধ কীভাবে

ক্যানসার কী, কেন হয়, প্রতিরোধ কীভাবে মানবদেহের কোষের কিছু কিছু অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে দেহের অন্য স্থানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে যে রোগ হয়, সেটিই ক্যানসার হিসেবে পরিচিত। ছবি: হার্ভার্ড গেজেট
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় বড় কারণ ক্যানসার, যে রোগে ২০১৮ সালে ৯৬ লাখের মতো প্রাণহানি হয়। অর্থাৎ সে বছর প্রতি ছয়জনের একজনের মৃত্যু হয় ক্যানসারে।

কোটি কোটি কোষ দিয়ে গঠিত মানবদেহ। এসব কোষের কিছু কিছু অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে দেহের অন্য স্থানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে যে রোগ হয়, সেটিই ক্যানসার হিসেবে পরিচিত। এ রোগের শুরু হতে পারে দেহের প্রায় সব প্রান্তে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় বড় কারণ ক্যানসার, যে রোগে ২০১৮ সালে ৯৬ লাখের মতো প্রাণহানি হয়। অর্থাৎ সে বছর প্রতি ছয়জনের একজনের মৃত্যু হয় ক্যানসারে।

এ ব্যাধি নিয়ে সচেতনতা তৈরির অংশ হিসেবে প্রতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন দেশে পালন হয় ‘বিশ্ব ক্যানসার দিবস’। গত বছরের মতো এবারও দিবসটির প্রতিপাদ্য ধরা হয় ‘ক্লোজ দ্য গ্যাপ’, যার সম্প্রসারিত অর্থ হলো ক্যানসার চিকিৎসায় ত্রুটি রাখা যাবে না।

এ দিবস শুরুর আলোচনা হয় ফ্রান্সের প্যারিসে ২০০০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত বিশ্ব ক্যানসার সম্মেলনে। সেদিনই প্রতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারিকে বিশ্ব ক্যানসার দিবস বা বিশ্ব ক্যানসার সচেতনতা দিবস বা বিশ্ব ক্যানসার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য নিয়ে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মাহফুজুল আহমেদ রিয়াদ নিউজবাংলাকে বলেন, “এবারের প্রতিপাদ্য যে বিষয়গুলোকে নিয়ে করা হয়েছে সেগুলো হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ শনাক্ত করা, চিকিৎসা শুরুর পর কোনো ত্রুটি না রাখা এবং ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশ্বের সবার জন্য একই ধরনের ব্যবস্থাপনা রাখা। সমষ্টিগতভাবে এগুলোর মূল ভাব হলো ‘ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ’।”

ক্যানসারকে মরণব্যাধি বলা হয়। সেটি কতটুকু সত্য, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে সব রোগই মরণব্যাধি যদি না সঠিক সময়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। ক্যানসারের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আছে। সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে সঠিক সময়ে চিকিৎসা দিলে এই রোগ নিরাময় সম্ভব।

‘শুধু ব্রেইন ক্যানসারের একটি বৈশিষ্ট্য আছে যেটি হলে রোগী দুই বছরের বেশি বাঁচে না। সেটার নাম গ্লিওব্লাস্টোমা। তা ছাড়া অন্য সব সঠিক সময়ে চিকিৎসা দিলে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘লাইফস্টাইলের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক খুব। যেমন: ধূমপানে ফুসফুস ক্যানসার, কিডনি, শ্বাসনালির ক্যানসার হতে পারে। আবার স্থুলতার জন্য ব্রেস্ট ক্যানসার হয়ে থাকে।

‘বাংলাদেশে সে রকম সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও গ্লোবোক্যান বৈশ্বিক অবস্থা নিয়ে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। সেই অনুযায়ী ২০২০ সালে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৭৫ জন রোগী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। আর ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯০ জন মারা যান।

‘২০২২ সালের আরেকটি পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ১০ শতাংশের জন্য দায়ী ক্যানসার। ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি ১৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।’

ক্যানসারের কারণ

বিভিন্ন কারণে ক্যানসার হতে পারে।

১. জেনেটিক বা বংশগত কারণ।

২. ধূমপানের কারণে বিভিন্ন ধরনের ধরনের ক্যানসার হতে পারে। এর মধ্যে ফুসফুস ক্যানসার অন্যতম।

৩. তেজস্ক্রিয়তা ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। যেমন: চেরনোবিল ও জাপানের নাগাসাকির পারমাণবিক বিস্ফোরণের অনেক বছর পরও সেখানে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

৪. কিডনি, পিত্তথলির পাথর ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী হতে পারে।

৫. জরায়ুর সার্ভিক্স বা বোনের দীর্ঘ সংক্রমণ থেকে জরায়ু ও বোনের ক্যানসার হতে পারে।

৬. রাসায়নিক বা কেমিক্যাল এজেন্ট। যেমন: এনিলিন ডাই মূত্রথলির ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে।

৭. খাদ্যে ব্যবহৃত ফরমালিন পাকস্থলির ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। একইভাবে চুলের কলব ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী হতে পারে।

উপসর্গ

একেক ধরনের ক্যানসারের একেক উপসর্গ থাকে, তবে কিছু সাধারণ উপসর্গ রয়েছে।

১. দীর্ঘদিন ধরে শরীরের কোনো অংশের ছোট একটি টিউমারের হঠাৎ পরিবর্তন।

২. শরীরে কোনো চাকা হঠাৎ বড় হচ্ছে দেখলে সতর্ক হতে হবে। সেটি ক্যানসার কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।

৩. কাশি ভালো হতে না চাইলে এবং ৪ সপ্তাহের বেশি হয়ে গেলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. হঠাৎ করে খাবারে অরুচি।

৫. মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ।

৬. শরীরে ব্যথা ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়া।

৭. মলত্যাগের অভ্যাসের হঠাৎ পরিবর্তন।

৮. নারীদের মেনোপোজের পর নতুন করে রক্তক্ষরণ।

প্রতিরোধ

এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মাহফুজুল আহমেদ রিয়াদ বলেন, ‘অনেক ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধযোগ্য নয়, তবুও নিয়ন্ত্রিত জীবনধারা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। যেমন: তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার থেকে বিরত থাকা, অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকা, অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে সতর্কতা গ্রহণ (যার মধ্যে রয়েছে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এবং সুরক্ষামূলক পোশাক পরা)। নিয়মিতভাবে সুপারিশকৃত ক্যানসার শনাক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং এইচপিভির টিকা গ্রহণ।’

চিকিৎসা

মাহফুজুল আহমেদ রিয়াদের ভাষ্য, যেকোনো ধরনের টিউমার হলেই সেটি অপসারণ করতে হবে। টিউমারটি মৃদু এবং সম্পূর্ণভাবে ফেলে দেয়া হলে ভয় নেই। এ ক্ষেত্রে সেটি আবার হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না।

তিনি আরও বলেন, ‘বায়োপসিতে ক্যানসার ধরা পড়লে প্রথম কাজ রোগীর স্টেজিং করা ও সেই অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি নির্বাচন করা। অনেক ক্ষেত্রেই সার্জারি করবার আগে কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই ক্যানসার শনাক্ত হলেই সর্বপ্রথম একজন ক্যানসার বিশেষজ্ঞের স্মরণাপন্ন হোন ও সঠিক চিকিৎসা নিন। মনে রাখবেন, ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও পড়ুন:
ক্যানসার চিকিৎসায় মেডিক্যাল ফিজিসিস্টদের কাজে লাগানোর আহ্বান
বিশ্ব ওভারিয়ান ক্যানসার দিবস: লজ্জা যেন না হয় ক্ষতির কারণ
ক্যানসারের ঝুঁকি থাকা ওষুধ সরাচ্ছে ফাইজার
কম বয়সী ফুসফুস ক্যানসার রোগী বাড়ছে
জেলা-উপজেলায় বিনা মূল্যে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের সুযোগ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Request to prepare Nipah virus ICU in 28 districts

২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাস, আইসিইউ প্রস্তুত রাখার অনুরোধ

২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাস, আইসিইউ প্রস্তুত রাখার অনুরোধ প্রতীকী ছবি
সম্প্রতি সচিবালয়ে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত আটজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর হার শতকরা ৭০ শতাংশ।

নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে দেশের ২৮টি জেলায়। এ পরিস্থিতিতে রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে ১০ বেডের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শেখ দাউদ আদনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ নির্দেশ দেয়া হয়।।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের ২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়ায় ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড এবং ১০ বেডের আইসিইউ প্রস্তুত রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।

২০০১ সালে দেশে প্রথম নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়। ২০২২ সাল পর্যন্ত সরকারিভাবে ৩২৫ জনের দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৩০ জনের। গত বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজই মারা গেছেন।

সম্প্রতি সচিবালয়ে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত আটজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর হার শতকরা ৭০ শতাংশ।

১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় প্রথম নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। সংক্রমণের উৎস ছিল নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত অসুস্থ শূকর। নিপাহ ভাইরাস প্রাণী থেকে বিশেষ করে বাদুড় ও শূকর থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়ে থাকে।

আক্রান্ত বাদুড় কোনো ফল খেলে বা খেজুরের রস পান করলে এটির লালা, প্রস্রাব বা অন্যান্য বর্জ্য দিয়ে সরাসরি সেই ফল বা খেজুরের রস দূষিত হয়ে যায়। কেউ সেই ফল বা কাঁচা খেজুরের রস পান করলে তিনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। এ ছাড়া আক্রান্তের সরাসরি সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিও এতে আক্রান্ত হতে পারেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Jamals posthumous organ donation after Sarah Nandita

সারাহ, নন্দিতার পর মরণোত্তর অঙ্গদান জামালের

সারাহ, নন্দিতার পর মরণোত্তর অঙ্গদান জামালের
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের কাছে ম্যাজাদাহোন্দায় পুয়ের্তা দি হিয়েরো ইউনিভার্সিটি হসপিটালে দাতার কাছ থেকে সংগৃহীত হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের আগে রোগীকে প্রস্তুত করছেন দুই কার্ভিওভাসকুলার সার্জন। ছবি: এএফপি
জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিন জামাল বলেন, তার বাবা রোটারী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। ডায়াবেটিসজনিত নানা জটিল রোগে ভুগে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

রাজধানীতে সারাহ ইসলাম ও নন্দিতা বড়ুয়ার মরণোত্তর দেহদান নিয়ে আলোচনার মধ্যে জামাল উদ্দিন নামের আরেকজনের অঙ্গদানের খবর পাওয়া গেল, যিনি থাকতেন মিরপুরে।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ৬২ বছর বয়সে প্রাণ হারানো জামালের দুটি কর্নিয়া সংগ্রহ করে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিন জামাল বলেন, তার বাবা রোটারী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। ডায়াবেটিসজনিত নানা জটিল রোগে ভুগে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

জাহিন আরও জানান, এক মাস আগে অসুস্থ অবস্থায় পরিবারকে মরণোত্তর দেহদানের কথা জানিয়েছিলেন তার বাবা। তার দুটি কর্নিয়া কারা পাবেন, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জামালের কর্নিয়া সংগ্রহের আগের দিন বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অ্যানাটমি বিভাগের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ ঢাকার বাসাবোর বাসিন্দা নন্দিতা বড়ুয়ার মরণোত্তর দেহ গ্রহণ করেন।

বিএসএমএমইউর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নন্দিতা বড়ুয়ার মৃত্যু হয় ৩০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত জটিল রোগে ভুগছিলেন। কিডনি রোগের পাশাপাশি এসএলই ও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত ছিলেন। মরণোত্তর দেহদানের বিষয়ে সন্তানদের বলে গিয়েছিলেন তিনি।

গত ৩১ জানুয়ারি আবদুল আজিজের চোখে বিএসএমএমইউর চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শীষ রহমান নন্দিতার একটি কর্নিয়া সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেন। একই দিনে প্রতিষ্ঠানের অপথালমোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাজশ্রী দাস আরেকটি কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করেন জান্নাতুল ফেরদৌসির চোখে।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি মরণোত্তর অঙ্গদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন ২০ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী সারাহ ইসলাম।

তার দুটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় দুই নারীর শরীরে। আর কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয় আরও দুজনের চোখে।

আরও পড়ুন:
সারার পর মরণোত্তর দেহদান নন্দিতার, কর্নিয়া পেল আরও দুজন
মেডিক্যালের শিক্ষার্থীদের জন্য মরণোত্তর দেহদান স্কুলশিক্ষকের

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
After Sara two others received Nanditas corneas after posthumous donation

সারার পর মরণোত্তর দেহদান নন্দিতার, কর্নিয়া পেল আরও দুজন

সারার পর মরণোত্তর দেহদান নন্দিতার, কর্নিয়া পেল আরও দুজন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অ্যানাটমি বিভাগের পক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ নন্দিতা বড়ুয়ার মরণোত্তর দেহ গ্রহণ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নন্দিতা বড়ুয়ার মৃত্যু হয় ৩০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত জটিল রোগে ভুগছিলেন। কিডনি রোগের পাশাপাশি এসএলই ও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত ছিলেন। মরণোত্তর দেহদানের বিষয়ে সন্তানদের বলে গিয়েছিলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সারা ইসলামের পর মরণোত্তর দেহ দান করেছেন ৬৯ বছর বয়সী নন্দিতা বড়ুয়া, যার কর্নিয়ায় চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন দুজন।

তারা হলেন পিরোজপুরের কাউখালী কলেজের ব্যবস্থাপনার বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ২৩ বছর বয়সী ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ও পটুয়াখালীর ৫০ বছর বয়সী দলিল লেখক আবদুল আজিজ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অ্যানাটমি বিভাগের পক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ নন্দিতা বড়ুয়ার মরণোত্তর দেহ গ্রহণ করেন। ওই সময় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঢাকার বাসাবোর বাসিন্দা নন্দিতা বড়ুয়ার দেহ গ্রহণের সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ হোসেন, অ্যানাটমি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক লায়লা আনজুমান বানু, ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহ আলম, হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার (টিটো), কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শীষ রহমান, কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক রাজশ্রী দাস, অ্যানাটমি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন আক্তার সুমি, নন্দিতা বড়ুয়ার দুই মেয়ে শাপলা বড়ুয়া ও সেঁজুতি বড়ুয়া. নন্দিতা বড়ুয়ার কর্নিয়াগ্রহীতা জান্নাতুল ফেরদৌস ও আবদুল আজিজসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে নন্দিতা বড়ুয়ার দুই মেয়ে শাপলা বড়ুয়া ও সেঁজুতি বড়ুয়াও মরণোত্তর দেহদানের ইচ্ছা কথা জানান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নন্দিতা বড়ুয়ার মৃত্যু হয় ৩০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত জটিল রোগে ভুগছিলেন। কিডনি রোগের পাশাপাশি এসএলই ও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত ছিলেন। মরণোত্তর দেহদানের বিষয়ে সন্তানদের বলে গিয়েছিলেন তিনি।

গত ৩১ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শীষ রহমান আবদুল আজিজের চোখে ও অপথালমোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাজশ্রী দাস জান্নাতুল ফেরদৌসির চোখে নন্দিতা বড়ুয়ার একটি করে কর্নিয়া সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেন।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি মরণোত্তর অঙ্গদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন ২০ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী সারা ইসলাম।

তার দুটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় দুই নারীর শরীরে। আর কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয় আরও দুজনের চোখে।

আরও পড়ুন:
মেডিক্যালের শিক্ষার্থীদের জন্য মরণোত্তর দেহদান স্কুলশিক্ষকের

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The disabled child was abandoned by relatives

প্রতিবন্ধী শিশুকে ঢামেকে ফেলে গেল স্বজন

প্রতিবন্ধী শিশুকে ঢামেকে ফেলে গেল স্বজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে যাওয়া হয় শিশুটিকে। ছবি: নিউজবাংলা
আনসার সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, ‘দুপুর থেকে শিশুটি ওখানে ট্রলিতে পড়ে থাকার দৃশ্য আমাদের নজরে আসে। পরে বুঝতে পারি প্রতিবন্ধী শিশুটিকে কেউ এখানে ফেলে চলে গেছে। পরে ঢামেক পরিচালকের নির্দেশে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে নেয়া হয়।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে শারীরিক প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ফেলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর থেকে শিশুটি হাসপাতালের পুরনো ভবনের ১১০ নম্বর ওয়ার্ড নার্সিং স্টেশনের পাশে বাথরুমের বারান্দায় ট্রলিতে পড়ে ছিল।

রাতে শিশুটিকে সেখান থেকে নিয়ে আসেন হাসপাতাল ক্যাম্প পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। শিশুটির বয়স আনুমানিক ১০ বছর।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করার পর ঢামেক হাসপাতালের পরিচালকের নির্দেশে ওয়ার্ড মাস্টার জিল্লুর রহমান ২০৮ নম্বর শিশু ওয়ার্ডে তার রেফারেন্সে ভর্তির ব্যবস্থা করেন।

ঢামেকে ডিউটিরত আনসার সদস্য (এপিসি) জামাল উদ্দিন বলেন, ‘দুপুর থেকে শিশুটি ওখানে ট্রলিতে পড়ে থাকার দৃশ্য আমাদের নজরে আসে। বার বার ঘুরে গিয়ে দেখি শিশুটির জন্য কেউ আসছে কী না।

পরে বুঝতে পারি প্রতিবন্ধী শিশুটিকে কেউ এখানে ফেলে চলে গেছে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিষয়টি ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়াকে জানাই। ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হকের নির্দেশে পরে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে দুজন হাসপাতালে
হালুয়া খাইয়ে ব্যবসায়ীর আড়াই লাখ টাকা নিয়ে উধাও
দুই ভবনের মাঝে ব্যক্তির মরদেহ
খিলক্ষেতে গাড়ির ধাক্কায় বাবা নিহত, শিশুসহ মা গুরুতর আহত
ইলেকট্রিক মিস্ত্রিকে মৃত ঘোষণা, ঢামেকে লেগুনা ফেলে পালান চালক

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
12 percent of corona sufferers are suffering from depression

করোনা আক্রান্তদের ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভুগছেন

করোনা আক্রান্তদের ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভুগছেন সোমবার বিএসএমএমইউ-তে ‘কিডনি ডিজিজ রিসার্চ গ্রুপ’-্এর উদ্যোগে সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সিম্পোজিয়ামে বলা হয়, ক্রনিক কিডনি ডিজিজের রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি সাধারণ মানুষের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসের রোগীদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট রোগীদের করোনায় মৃত্যু ঝুঁকি ৫০ ভাগ। আবার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট রোগীদের ক্ষেত্রে করোনা টিকার কার্যকারিতা অনেক কম।

‘করোনা বিশ্বকেই পাল্টে দিয়েছে। কিডনি রোগীদের করোনা হলে ফল খুব খারাপ হয়। ডায়ালাইসিসের রোগীদের করোনা হলে ৫০ শতাংশই মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর যারা সুস্থ হয়ে ওঠেন তাদেরও নানা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় ভুগতে হচ্ছে। করোনায় আক্রান্তদের ১২ শতাংশ ডিপ্রেশনে ভুগছেন।’

সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শহীদ ডা. মিলন হলে ‘কিডনি ডিজিজ রিসার্চ গ্রুপ’ আয়োজিত সিম্পোজিয়ামে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

বিএসএমএমইউ-তে করোনার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে ‘মাল্টিটিউড অফ ইস্যুস ইন রেনাল, কার্ডিয়াক অ্যান্ড মেটাবলিক ইনফ্লুয়েন্স’ ও ‘লং টার্ম হেলথ কনসিকোয়েন্সেস অ্যাজ এ পোস্ট কোভিড-১৯ সিকোয়াল ইন হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার্স’ শীর্ষক এই সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়।

সিম্পোজিয়ামে বলা হয়, ক্রনিক কিডনি ডিজিজের রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি সাধারণ মানুষের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসের রোগীদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট রোগীদের করোনায় মৃত্যু ঝুঁকি ৫০ ভাগ।

আবার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট রোগীদের ক্ষেত্রে করোনা টিকার কার্যকারিতা অনেক কম। করোনার টিকা ডায়ালাইসিস রোগীদের কার্যকারিতা শতকরা ৮৭ ভাগ। করোনার এই টিকা আবার নেফ্রাইটিস রোগের পুনরাগমন ঘটাতে পারে।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘করোনায় আক্রান্তদের ১২ শতাংশ ডিপ্রেশনে ভুগছেন। এ অবস্থা থেকে চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।

‘করোনায় বাংলাদেশে পেশাজীবীদের মধ্যে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা বেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়াও কোভিড আক্রান্ত চিকিৎসকদের ৪০ ভাগ চিকিৎসক এবং ৩৪ ভাগ নার্স লং কোভিডে ভুগছেন। করোনায় যাদের ডায়াবেটিস ছিল না তাদের ডায়াবেটিস হয়েছে। করোনায় অনেকের মায়োপ্যাথি হয়েছে।’

বিএসএমএমইউ-এর অর্থায়নে ২০২২ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় স্বাস্থ্যসেবাদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৮০৪ জন চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর একটি প্রাথমিক গবেষণা করা হয়।

বিষয়টির উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব চিকিৎসককে গবেষণার কাজ করতে হবে। একবার গবেষণার কাজ করলেই হবে না। ধারাবাহিকভাবে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জী বলেন, ‘কোভিড শেষ হয়ে যায়নি। বিশ্বের অনেক দেশেই কোভিড রয়েছে। কোভিডের সংক্রমণের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে।’

সিম্পোজিয়ামে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সালেহ আহমেদ, বারডেমের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারিয়া আফসানা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের কানসালট্যান্ট মীর ইসারাকুজ্জামান একটি করে গবেষণা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে গবেষণা ফল প্রকাশ করেন অধ্যাপক মাসুদ ইকবাল।

আরও পড়ুন:
বিএসএমএমইউ গবেষণা দিবসে নানা আয়োজন
বিএসএমএমইউতে ভাঙারির নামে ‘পুকুরচুরি’
বিএসএমএমইউ-তে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফল এখন অনলাইনে
‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁচবে প্রাণ’
দেশে বছরে ছানি রোগী বাড়ছে ১ লাখের বেশি

মন্তব্য

p
উপরে