× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
3 deaths in dengue 523 people
google_news print-icon

ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন

ডেঙ্গুতে-৩-মৃত্যু-আক্রান্ত-৫২৩-জন
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৭৭ ও ঢাকার বাইরে ২৪৬ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫২৩ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব জানানো হয়।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৭৭ ও ঢাকার বাইরে ২৪৬ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১২৯ ও ঢাকার বাইরে ৮০০ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬ হাজার ১৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ৮০৫ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশের হাসপাতালে ২০ হাজার ৩২৫ জন রোগী ভর্তি হন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ। আর নভেম্বরের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ৩৭৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ২০৮ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ১৬৭ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Hospitals can no longer be opened due to irregularities Health Minister

অনিয়ম করে আর হাসপাতাল খোলা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনিয়ম করে আর হাসপাতাল খোলা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত
বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সাধারণ একটা ভুলের জন্য এতগুলো মানুষের প্রাণ চলে গেল। আমার মনে হয় গণপূর্ত এবং রাজউকের আরও সজাগ হওয়া উচিত। এসবের বিরুদ্ধে অভিযান চলা উচিত।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘অতীতে কী হয়েছে, সেগুলো মনে রাখা যাবে না। ইচ্ছা করলেই অনিয়ম করে আর হাসপাতাল খোলা যাবে না। অভিযান চলবে। হাসপাতাল থাকবে, সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালও থাকবে। কিন্তু হাসপাতালগুলোকে নিয়ম মেনে চলতে হবে।’

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির ‘২৩তম আন্তর্জাতিক সায়েন্টিফিক সেমিনার’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাসপাতালে অভিযান চালানো প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বক্তব্য খুব স্পষ্ট, আমি বাংলাদেশের সব হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে নই।’

বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এতগুলো মানুষের প্রাণ চলে গেল। এটা তো আমার বিষয় না। আমার মনে হয় গণপূর্ত এবং রাজউকের আরও সজাগ হওয়া উচিত। সাধারণ একটা ভুলের জন্য ৪৫টি (মোট ৪৬ মৃত্যু) প্রাণ চলে গেল।

‘এর থেকে মর্মান্তিক আর কিছু হতে পারে না। আমি মনে করি এসবের বিরুদ্ধে অভিযান চলা উচিত।’

আরও পড়ুন:
চমেক হাসপাতালে চালু হলো ৫০ শয্যার আইসিইউ ওয়ার্ড
হাসপাতালের মেঝেতে আর যাতে চিকিৎসা নিতে না হয়, ব্যবস্থা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি করলে কেউ রেহাই পাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সব জেলায় বার্ন ইউনিটের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নামে খোলা সব ফেসবুক অ্যাকাউন্টই ভুয়া

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Five critically injured in Bailey Road fire
সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রাজধানীর বেইলি রোডে পুড়ে যাওয়া ভবনের সামনে পুলিশ সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে ছয়জনকে ছেড়ে দেব, তারা মোটামুটি ভালো আছে। তাদের মধ্যে আবার পরীক্ষার্থীও আছে। আর পাঁচজন যে থাকবে, তারা এখনও কেউ শঙ্কামুক্ত না।’

রাজধানীর বেইলি রোডে ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর ভবনে ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ধরা আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধ রোগীদের পরিদর্শন শেষে শনিবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

বেইলি রোডের বহুতল ভবনটির আগুনে প্রাণ গেছে ৪৬ জনের। এ আগুনে দগ্ধ হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে ছাড়পত্র দেয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

দগ্ধদের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেইলি রোডের একটা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, যেখানে প্রায় ৪৫ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, সেই দুর্ঘটনায় আমাদের এখানে এখন ১১ জন রোগী আজকে সকালে ছিল। কিছুক্ষণ আগে আমরা রাউন্ড দিয়েছি। আমার সাথে এখানকার সমস্ত যারা সিনিয়র প্রফেসর ছিলেন, ডিজি সাহেব (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক) আমাদের ভাইস চ্যান্সেলর (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি)…তারপর আমাদের একটা মেডিক্যাল বোর্ড বসাই।

‘সেই মেডিক্যাল বোর্ডে সদস্য হচ্ছে আমাদের এখানে যে মেডিক্যাল বোর্ডটা করি আমরা, ১৭ জন সদস্য, যার প্রধান হিসেবে আমি কাজ করি। আমরা এই রোগীগুলা দেখি। ১১ জনের মধ্যে আমরা এখন ডিসিশন নিয়েছি যে, ছয়জনকে আমরা ছেড়ে দেব। আর পাঁচজন থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে ছয়জনকে ছেড়ে দেব, তারা মোটামুটি ভালো আছে। তাদের মধ্যে আবার পরীক্ষার্থীও আছে। আর পাঁচজন যে থাকবে, তারা এখনও কেউ শঙ্কামুক্ত না।’

আগুনে দগ্ধদের খরচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহন করবেন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কালকে (শুক্রবার) রাত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে এই বঙ্গভবনে এটাকে নিযে এই সমস্ত রোগীদের জন্য বলছেন যে, যতটুকু কেয়ার নেয়া দরকার, সেই কেয়ার নেয়ার কথা এবং সমস্ত চিকিৎসার খরচ বাংলাদেশ সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে বহন করবে এবং সেই অনুযায়ী আজকে উনি আমাদের এখানে একটা ‍উনার ফান্ড আছে, সেই ফান্ডে বেশ কিছু টাকাও পাঠিয়ে দিয়েছেন আজকে সকালে।’

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন
বেইলি রোডের আগুন কেড়ে নিল দুই বুয়েট শিক্ষার্থীর প্রাণ
বেইলি রোডের আগুনে প্রাণ গেল ২ ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীর
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে কর্তৃপক্ষের অবশ্যই দায় আছে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
11 people are under treatment at Bern University and 3 at DMK Hospital
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে বৃহস্পতিবার র রাতে অগ্নিকাণ্ডে ভবনে অনেকে আটকা পড়েন। ছবি: নিউজবাংলা
বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১১ জন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তিনজন।

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন- মোহাম্মদ জুয়েল, জোবায়ের ও হালিম। ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই তিনজনের কারও মেরুদণ্ড, কারও পা আবার কারও হাত ও পা ভেঙেছে। তাদেরকে অর্থোপেডিক ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জন হলেন- ফয়সাল আহমেদ, সুজন মণ্ডল, পুরোহিত, আবিনা, রাকিব, কাজী নওশাদ, আজাদ আবরার, মেহেদী হাসান, শাদ মাহমুদ, রাকিব হাসান ও সুমাইয়া। তাদের বয়স ২৩ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জনকে পোস্ট অপারেটিভে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাদের সবারই কার্বন-মনোক্সাইড (পয়জনিং) জনিত শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত।’

আরও পড়ুন:
আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
None of those injured in the Bailey Road fire are safe

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতে আগুন লাগার পর ভবনে আটকা পড়াদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের তৎপরতা। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আগুন লাগার পর ভবনের বদ্ধ জায়গায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকে মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। তাদের সবারই শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ২২ জন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এই তথ্য জানিয়ে বলেছেন, আগুনের এই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনদের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। কেউই আশঙ্কামুক্ত নন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শুক্রবার সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগুন লাগার পর ভবনের বদ্ধ জায়গায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকে মারা গেছেন। আর যারা আহত হয়েছেন তারা কেউই শঙ্কামুক্ত নন। তাদের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, যারা মারা গেছে তারা কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছে। একটা বদ্ধ ঘরে যখন বের হতে পারে না, তখন ধোঁয়াটা শ্বাসনালীতে চলে যায়। প্রত্যেকেরই তা হয়েছে এবং যাদের খুব বেশি হয়েছে, তারা বাঁচতে পারেনি। দুঃখজনকভাবে তারা মারা গেছেন।’

বার্ন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও ইউনিটপ্রধান প্রবীর চন্দ্র দাস বলেন, ‘বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতের অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর কারণ কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিং। সহজ ভাষায় যাকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া বলা যায়।’

এই চিকিৎসক বলেন, ‘আগুনের ঘটনায় যে কয়জন মারা গেছেন তাদের সবার মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার রাতে যে ১০ জনকে আহত ভেবে বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছিল তাদের মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে সেগুলো কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিং।

আহত ব্যক্তিরা আধ ঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট বদ্ধ ঘরে কালো ধোঁয়ার মধ্যে আটকে ছিলেন বলেও জানান ডা. প্রবীর চন্দ্র দাস।

আরও পড়ুন:
‘আমার ছেলেটারে একবার দেখতে দাও, ওরে বাসায় নিয়ে যাব’
বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৬
সাংবাদিক অভিশ্রুতির প্রাণ গেল বেইলি রোডের আগুনে
বেইলি রোডে আগুন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
আইনের শাসন না থাকলে বিপর্যয় ঘটতেই থাকে: ফখরুল

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The operation of the child abandoned by the parents is completed

‘মা-বাবার’ ফেলে যাওয়া শিশুর অপারেশন সম্পন্ন

‘মা-বাবার’ ফেলে যাওয়া শিশুর অপারেশন সম্পন্ন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার শেষে ভালো আছে শিশুটি। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নবজাতকটিকে চিকিৎসাধীন রেখে ইমার্জেন্সি থেকে ভর্তির কাগজ আনার কথা বলে বাবা-মা পরিচয় দেয়া দুজন আর ফিরে আসেননি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে শিশুটিকে চিকিৎসা দিচ্ছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অসুস্থ নবজাতককে ফেলে পালিয়ে যান মা-বাবা। শিশুটির একটি জন্মগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। সোমবার রাতে শিশুটির অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ভালো আছে। শিশুটিকে সমাজসেবার অধীনে হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএমএ শামীম আহমেদ বলেন, ‘শনিবার আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী দুজন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাচ্চাটিকে ওয়ার্ডে নিয়ে আসেন। চিকিৎসা চলা অবস্থায় গেট থেকে ভর্তির কাগজ নিয়ে আসার নাম করে তারা চলে যান।

‘সদ্য ভূমিষ্ঠ ছেলে বাচ্চাকে শ্বাসকষ্টের কথা বলে ভর্তি করাতে নিয়ে আসা হয়। নার্সরা নবজাতককে ভর্তির কাগজ আনতে বললে কাগজ আনার কথা বলে শিশুটিকে রেখে চলে যান বাবা-মা পরিচয় দেয়া দু’জন। এরপর আমরা থানায় জানিয়ে আদালতের মাধ্যমে সমাজসেবায় শিশুটিকে হস্তান্তর করেছি।’

তিনি বলেন, ‘শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও নার্সদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাসপাতাল ও সমাজসেবা কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনাও দিয়েছি। হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয় থেকে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ, পোশাক, বেড, কোলবালিশ দেয়া হয়।

‘পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শিশুটির একটি জন্মগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। সেই ত্রুটি সারাতে শিশুটির অপারেশনও ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটি হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর শিশুটিকে ছোটমনি নিবাসে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রাজশাহী ছোটমনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক রোকসানা খাতুন বলেন, ‘আমাদের সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসারের মাধ্যমে শিশুটির খোঁজ জানতে পারি। আমরা ওর খাবার ও কাপড়ের ব্যবস্থা করেছি। দেখভালও করছি। অপারেশন শেষে শিশুটি এখন ভালো আছে। সুস্থ হলে আমার শিশুটিকে শিশুমনি নিবাসে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
খাদ্যে ‘বিষক্রিয়া’: শিশু মৃত্যুর ঘটনায় চারজন আটক
রাজধানীতে খতনা করাতে গিয়ে ফের শিশুর মৃত্যু, ২ চিকিৎসককে রিমান্ডে চায় পুলিশ
দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে রামেক হাসপাতালে আইইডিসিআর
রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়  
কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Four children died in hospital due to food poisoning in Sirajganj

সিরাজগঞ্জে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুর মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে

সিরাজগঞ্জে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুর মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে
চিকিৎসক জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে এক শিশু হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। বাকি চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা পারভিন ও মেয়ে রিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের আরও চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম জিমহা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটির মা পারভিন, শিশু কন্যা রিয়া, নূরী ও ভাগ্নি মিথিলা। তাদের বাড়ি বেলকুচি উপজেলার বৈলগাছি গ্রামে।

স্বজনরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ইফতার করার সময় মহল্লার দোকান থেকে স্যালাইন কিনে সরবত তৈরি করের পারভিন। ইফতারের সময় সবাই মিলে তা পান করে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ক্রমেই অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সবাইকে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে চিকিৎসক শিশু জিমহাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যার পর খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী খাবার স্যালাইন খেয়েই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে এক শিশু হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। বাকি চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা পারভিন ও মেয়ে রিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন:
ছাড়পোকার ওষুধের বিষক্রিয়ায় ২ বোনের মৃত্যুর অভিযোগ
নাশতা খেয়ে হাসপাতালে বিচারক দম্পতি, ভাতিজি ‘পলাতক’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Started working on decentralization of healthcare Health Minister

স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ছবি: নিউজবাংলা
পিএইচএর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণে দেশে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে।’

স্বাস্থ্যসেবা শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়, এর পরিধি গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেটাই চান।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমাদের স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে কাজ করতে হলে চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধাগুলোও ভাবতে হবে। নার্সদের নিয়ে আমাদের আরো পরিকল্পনা করতে হবে।

‘আজকের এই আয়োজন প্ল্যানেটারি হেলথ অ্যাকাডেমিয়া সরকারের কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। এই প্রগ্রাম শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘চিকিৎসা প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলি শুধু আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করবে না, বরং আমাদের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সম্মিলিত অভিজ্ঞতাকেও সমৃদ্ধ করবে। দেশে এবং দেশের বাইরে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’

পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪-এ দুই হাজারের বেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এতে স্পিকার হিসেবে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৫০ জন চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং দেশের ১০০ জনেরও অধিক খ্যাতিমান চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ।

নয় দিনের এ সম্মেলনে থাকছে ৩০টির বেশি কোর্স এবং সাইন্টিফিক সেশন। দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন শুধু বাংলাদেশে নয়, দক্ষিণ এশিয়ায়ই প্রথম।

পিএইচএ গ্লোবাল প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়ার (পিএইচএ) চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের সিইও ডা. মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিএইচএর ট্রাস্টি ডা. নাসির খান।

সভাপতির বক্তব্যে পিএইচএর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণে দেশে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে।

‘আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে মিলে কারিকুলাম উন্নয়নের চেষ্টা করছি। আশা করি, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে একটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’

সম্মেলনে রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস লন্ডন, রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এডিনবার্গ, রয়েল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্ট, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন, ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন, আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজির প্রেসিডেন্টগণও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কৃতরা হলেন- রংপুর মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ বায়েজিদ সরকার ও সজিব মিয়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের পলাশ হোসেন, পাবনা মেডিক্যাল কলেজের তাহসিন আহমেদ আলভী ও রংপুরের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের মাহবুব আলম।

এছাড়া, ২০২৩ সালে শিক্ষা, চিকিৎসা শাস্ত্রে, স্বাস্থ্য সেবা তথা জনস্বার্থে বিশেষ অবদানের জন্য ৮ জন চিকিৎসককে সম্মানসূচক ফেলোশিপ দিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস।

ফেলোশিপ পাওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকগণ হলেন- ডা. সারাহ ক্যাথরিন ক্লার্ক, অধ্যাপক টিমোথি গ্রাহাম, ডা. রানী ঠাকুর, ডা. ফ্রাজ মীর, ডা. রোয়ান বার্নস্টেইন, অধ্যাপক ডেভিড ট্যাগার্ট, ডা. জগৎ নরুলা এবং ডা. সার্জিও লারাচ।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার
অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ না করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদেশিরাও শিগগিরই দলে দলে চিকিৎসা নিতে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে