× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
2 more deaths detected in dengue 462
google_news print-icon

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২

ডেঙ্গুতে-আরও-২-মৃত্যু-শনাক্ত-৪৬২
প্রতীকী ছবি
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৪১ ও ঢাকার বাইরে ২৪৯ জন রোগী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১৭১ ও ঢাকার বাইরে ৮১৭ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬২ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব জানানো হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৪১ ও ঢাকার বাইরে ২৪৯ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১৭১ ও ঢাকার বাইরে ৮১৭ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৫ হাজার ৬০৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ৫২৮ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশের হাসপাতালে ২০ হাজার ৮৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ। আর নভেম্বরের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ৩৭৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ২০৮ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ১৬৭ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫
ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
4 year old child infected with bird flu in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত ৪ বছরের শিশু

পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত ৪ বছরের শিশু বার্ড ফ্লুর নমুনা সংগ্রহের টিউব ও ভারতের পতাকা। গ্রাফিক্স: রয়টার্স
ডব্লিউএইচওর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত শিশুটির মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, উচ্চ জ্বর ও পেটে ব্যথা ছিল। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হয় ফেব্রুয়ারি এবং ছাড়পত্র পায় তিন মাস পর।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চার বছরের এক শিশুর দেহে এইচ৯এন২ ভাইরাসবাহিত ব্লার্ড ফ্লুর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ডব্লিউএইচওর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত শিশুটির মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, উচ্চ জ্বর ও পেটে ব্যথা ছিল। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হয় ফেব্রুয়ারি এবং ছাড়পত্র পায় তিন মাস পর।

ডব্লিউএইচও জানায়, বাড়ি ও আশপাশে গৃহপালিত পাখির (হাঁস-মুরগি) সংস্পর্শে এসেছিল শিশুটি। তার পরিবার কিংবা সংস্পর্শে আসা কারও মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত কোনো অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়নি।

সংস্থাটি আরও জানায়, ভারতে ২০১৯ সালে মানবদেহে প্রথম ব্লার্ড ফ্লু সংক্রমণের ঘটনা ঘটে। এরপর চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গের শিশুটি আক্রান্ত হয়।

ব্লার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত সামান্য অসুস্থতায় ভোগেন জানিয়ে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে বলা হয়, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে বিক্ষিপ্তভাবে সংক্রমণের ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন:
লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন রাহুল গান্ধী
মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতল ভারত
ভারতীয় বোলিং তোপে অল্পতেই গুটিয়ে গেল আয়ারল্যান্ড
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ভারত

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
One of the newborn twins was stolen from Dhaka Medical

ঢাকা মেডিক্যালে যমজ নবজাতকের একটিকে চুরি

ঢাকা মেডিক্যালে যমজ নবজাতকের একটিকে চুরি মঙ্গলবার চুরির ঘটনার পর শিশুটির দাদীর সঙ্গে কথা বলেন ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
নবজাতক কন্যার দাদি হাসিনা বেগম বলেন, ‘সকাল ৮টার দিকে আমার যমজ নাতনীর জন্ম হয়। চিকিৎসকের কথামতো দুই নাতনীসহ আমরা হাসপাতালের বারান্দায় বসে ছিলাম। পরে আমার ছেলে শহিদুলের সঙ্গে এক মহিলা এসে এক নাতনীকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ওই মহিলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে জন্ম নিয়েছে দুই যমজ (মেয়ে)। এই দুই নবজাতকের মধ্যে একটি শিশুকে চুরি করে নিয়ে গেছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। অজ্ঞাত কেউ

মঙ্গলবার দুপুর ১২ থেকে ১টার মধ্যে কৌশলে শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে যায়।

নবজাতক কন্যার দাদি হাসিনা বেগম বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৮টার দিকে আমার যমজ নাতনীর জন্ম হয়। চিকিৎসক দুই নাতনীসহ আমাদেরকে হাসপাতালের বারান্দায় বসতে বলেন। চিকিৎসকের কথামতো আমরা বারান্দায় বসে ছিলাম। পরে আমার ছেলে শহিদুলের সঙ্গে এক মহিলা এসে এক নাতনীকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ওই মহিলাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

‘আমার ছেলে দুই বিয়ে করেছে। ওর আগের ঘরে এক ছেলে আছে। আর এই ঘরে দুই কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। আর এখন একটা কন‍্যাকে চোরা মহিলা নিয়ে গেল।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গতকাল সোমবার রাতে অন্তঃসত্ত্বা নারী সুখী হাসপাতালের ২১২ নম্বর গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। আজ (মঙ্গলবার) সকালে দুই নবজাতক কন্যা শিশুকে দাদী ও তার বাবার কাছে দিয়ে বারান্দায় বসতে বলা হয়। তখন তার স্বামীর পরিচিত এক নারী কৌশলে এক নবজাতক কন্যাকে নিয়ে যায়।

‘নবজাতকের বাবা শহিদুল ইসলাম খাতায় সিগনেচার দিয়ে এবং ওই মহিলাকে আত্মীয় বলে তার কাছে নবজাতক কন্যাকে তুলে দেন। এখন বলছেন যে তিনি ওই মহিলাকে চেনেন না। হাসপাতালের প্রতিটি গেট ও ওয়ার্ডের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হচ্ছে। শাহবাগ থানাকে জানানো হয়েছে। তারাও খোঁজখবর নিচ্ছে।’

নবজাতকের বাবার বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাঁশগ্রামে। ট্রাকের হেলপার শরিফুলের দ্বিতীয় স্ত্রী সুখী বেগম। বর্তমানে ধামরাইয়ের কালামপুরে পরিবারের সঙ্গে থাকেন তিনি।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Osmani Hospital in Sylhet suffered due to water entering

সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ

সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ টানা বৃষ্টিতে সোমবার সকালে ডুবে যায় সিলেট এমএজি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিচতলা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় হাসপাতালের নিচতলার বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যায়। এতে ২৬, ২৭ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের রোগীদের সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়। দুই শতাধিক রোগীকে স্থানান্তর করতে হয়। আর কলেজে পানি প্রবেশ করায় তিনটি ক্লাস-পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

অতিবৃষ্টিতে সোমবার ভোরের দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিচতলা তলিয়ে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন হাসপাতালের রোগী, চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা। ব্যাহত হয় সেবা কার্যক্রম।

এদিকে ওসমানী মেডিক‍্যাল কলেজেরও নিচতলায়ও ঢুকে পড়ে পানি। ফলে কলেজের সোমবারের সব পরীক্ষা ও ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার মধ্যরাত থেকে সিলেটে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ভোরের দিকে ওসমানী হাসপাতাল ও কলেজের নিচতলায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। পানি ঢুকে পড়ায় সকালে ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দুই শতাধিক রোগীকে স্থানান্তর করা হয়।

এছাড়া বন্ধ হয়ে পড়ে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা কার্যক্রম। ফলে বিঘ্নিত হয় চিকিৎসা সেবা। সকালে হাসপাতাল চত্বরের কোথাও হাঁটু পানি, কোথাও বা কোমর সমান পানি জমে যায়। কর্মকর্তাদের কক্ষেও পানি ঢুকে পড়ে।

তবে বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখার সময় হাসপাতাল চত্বর থেকে পানি নেমে গেছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সেবা কার্যক্রম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হাসপাতালের নিচতলা ও রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রে ভোর থেকে পানি ঢুকতে শুরু করে। এতে ঘুমন্ত রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ফ্লোর, বারান্দা ও প্রবেশপথ তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন রোগী ও তাদের স্বজনরা। তাই কর্তৃপক্ষ জরুরিভিত্তিতে এখানকার রোগীদের অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে।

এছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রসহ প্যাথলজি বিভাগে পানি প্রবেশ করায় এর কার্যক্রম সকালে বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী। তিনি জানান, বানের পানি প্রবেশ করায় চিকিৎসা সেবা কিছুটা সময় ব্যাহত হয়। দুই শতাধিক রোগীকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এছাড়া রক্ত সঞ্চালন বিভাগ এবং প্যাথলজি বিভাগে পানি প্রবেশ করায় এখানকার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পানি নামার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা সেবা দ্রুত স্বাভাবিক করে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া জানান, প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় হাসপাতালের নিচতলার বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যায়। এতে ২৬, ২৭ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের রোগীদের সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

আর কলেজে পানির কারণে তিনটি ক্লাস-পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হুসাইন জানান, রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ২২৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া সোমবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সোমবার দুপুর ১২টার তথ্যমতে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি রোববার কমলেও সোমবার বেড়েছে। সুরমা নদী সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে ও কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে, কুশিয়ারার অমলসিদ পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীর তীর উপচে পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে। শহরের পাশাপাশি সোমবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায়ও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। রোববার অনেক উপজেলায় পানি কমে বিভিন্ন সড়কে যোগাযোগ শুরু হলেও সোমবার সকাল থেকে আবার বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
ভারি বৃষ্টিতে ডুবল সিলেট নগর
সিলেটে গ্রামাঞ্চলে কমছে পানি, বাড়ছে নগরে
মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও
সিলেটের আরও দুই উপজেলা প্লাবিত, নগরেও ঢুকছে পানি
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
A quarter of six lakh children will eat vitamin A plus capsules of DNCC

ডিএনসিসির ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাবে পৌনে ছয় লাখ শিশু

ডিএনসিসির ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাবে পৌনে ছয় লাখ শিশু বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশান-২ নগরভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডের এক হাজার ৯০৪টি কেন্দ্র এই ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

৫ লাখ ৭৯ হাজার ২৫৮ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

শনিবার ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডের এক হাজার ৯০৪টি কেন্দ্র এই ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশান-২ নগরভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

তিনি জানান, শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও দৃষ্টিশক্তির জন্য ভিটামিন ‘এ’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অনুপুষ্টি। ভিটামিন ‘এ’ চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ও শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখে এবং বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে থাকে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, বছরে দুবার ভিটামিন ‘এ’র অভাব পূরণে সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

তিনি বলেন, ‘আগামী শনিবার (১ জুন) সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সকল শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিনামূল্যে খাওয়াতে পারবেন। এছাড়া শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমত ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বার্তা প্রচার করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের আওতাধীন ৫৪টি ওয়ার্ডে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে। ক্যাম্পেইনটি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য এ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।’

সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ভিজিলেন্স টিম নিয়োজিত থাকবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে মোট ৫ লাখ ৭৯ হাজার ২৫৮ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু ১ লাখ ৩ হাজার ৮৮৮টি এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু রয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৭৯টি।

আরও পড়ুন:
৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি
খালের পাড়ে বসবে ক্যামেরা, ময়লা ফেললে ব্যবস্থা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
DSCC will feed vitamin A capsules to 6 lakh 70 thousand children

৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি

৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি বুধবার ডিএসসিসির নগর ভবনের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪” উপলক্ষে আয়োজিত অ্যাডভোকেসি সভা। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী শনিবার নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যেতে বাবা-মা ও অভিভাবকদের অনুরোধ করেছেন ডিএসসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্তকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির।

৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার ১ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আগামী শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১ লাখ ১০ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বুধবার ডিএসসিসির নগর ভবনের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪” উপলক্ষে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অ্যাডভোকেসি ও সাংবাদিক ওরিয়েন্টশন সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্তকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবিরের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ডা. ফজলে শামসুল কবির বলেন, “ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকায় ১ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১৫০ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধায়নে ৩ হাজার ৬৫৪ জন স্বেচ্ছাসেবকের সহযোগিতায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হবে।”

তিনি বলেন, “এবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী ১ লাখ ১০ হাজার শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ (১ লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৫ লাখ শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ (২ লাখ আইইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

সেদিন নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যেতে বাবা-মা ও অভিভাবকদের অনুরোধ করেন তিনি।

সভায় জাতীয় পুষ্টি সেবার (এনএনএস) লাইন ডাইরেক্টরের প্রতিনিধি, বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকের প্রতিনিধি, করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাগণ, গালর্স গাইড, রোভার স্কাউট, রোটারী ক্লাব, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প (ইউপিএইচসিএসডিপি), আবু মিয়া ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, মা ও শিশু উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও এনজিও হেলথ সার্ভিস ডেলিভারি প্রোগ্রাম (এনএইচএসডিপি) এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Suturing the abdomen with gauze the death of that delivery

পেটে গজ রেখেই সেলাই: সেই প্রসূতির মৃত্যু

পেটে গজ রেখেই সেলাই: সেই প্রসূতির মৃত্যু সুমির মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাড়িতে ভীড় করছেন প্রতিবেশীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সুমির খাতুনের মা রহিমা বেগম বলেন, ‘অভিযুক্তরা লোকজনের মাধ্যমে টাকা দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল। আমরা তাতে রাজি হইনি।’

নওগাঁয় এক প্রসূতিকে সিজারের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পেটে গজ রেখেই সেলাই করে দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে দুবার আইসিইউতে নীবিড় পর্যক্ষেণে থাকার পর মৃত্যু হয়েছে তার।

মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সুমি খাতুন নামের ওই নারীর।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের বিচার দাবি করেছেন সুমির প্রতিবেশী ও স্বজনরা।

এ বিষয়ে গত ২০ মে নিউজবাংলায় ‘পেটে গজ রেখেই সেলাই, গুরুতর অসুস্থ প্রসূতি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়ে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের। তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখনও প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এর মাঝেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন সুমি।

সুমির পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মে প্রসবব্যথা শুরু হলে শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় অবস্থিত একতা ক্লিনিকে নেয়া হয় ওই প্রসূতি নারীকে। সেখানে ওই দিনই সিজার করান প্রসূতি বিদ্যা ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ সার্জন ডাক্তার তানিয়া রহমান তনি।

সিজারের জন্য জেনারেল অ্যানেস্থেশিয়া প্রয়োগ করেন ডাক্তার তানিয়ার স্বামী নওগাঁ সদর হাসপাতালের অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ডাক্তার আদনান ফারুক।

পরিবার জানায়, সিজারের পরই ওই সুমি তার পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন এবং প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ডাক্তার তানিয়া ক্লিনিকের মার্কেটিং অফিসার আব্দুর রউফকে দিয়ে দ্রুত রোগীর পেটে সেলাই করিয়ে নেয়। তার পর বুধবার রাত ১০টার দিকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয় সুমিকে।

রামেক সূত্র জানায়, হাসপাতালে নেয়ার পর রাতেই আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে জানা যায় সুমির পেটে বাড়তি কিছু একটা জিনিস রয়েছে। আর সেটার জন্য তাকে বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সম্মতিতে ফের অপারেশন করার পর পেট থেকে গজ পাওয়া যায়।

এর ১৩দিন পর মঙ্গলবার সকালে মারা যায় সুমি। সুমির এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তার প্রতিবেশিরারও।

প্রতিবেশী ফারজানা খাতুন ও খালেদ বিন ফিরোজ বলেন, পেটে ব্যাথা উঠল, ভর্তি করা হলো সিজারের জন্য। আস্থা ও ভরসা নিয়েই তো ক্লিনিকে ডাক্তারের কাছে যায় রোগী, কিন্তু একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেল। সিজার করার কারণে কীভাবে প্রসূতি মারা যায়? অবশ্যই ভুল অপারেশন বা ভুল চিকিৎসা হয়েছে। নইলে কেন উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ থেকে রাজশাহীতে রেফার করা হলো? আর কত মানুষ অপচিকিৎসার কারণে মারা যাবে?

তারা বলেন, মাঝে মাঝেই শুনতে পাই, নওগাঁয় ভুল চিকিৎসার কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এসব ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হোক।

সুমি খাতুনের খালা ফাহিমা বেগম বলেন, ‘আমার ভাগ্নীকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তার তিনটি বাচ্চার এখন কী হবে? সদ্যজাত সন্তান তো পৃথিবীর আলো দেখার পরই মাকে হারিয়ে ফেলল। ভুল সিজারিয়ানের কারণেই সুমির মৃত্যু হয়েছে। জড়িত সবার কঠিন শাস্তি চাই আমরা।’

সুমির খাতুনের মা রহিমা বেগম বলেন, ‘অভিযুক্তরা লোকজনের মাধ্যমে টাকা দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল। আমরা তাতে রাজি হইনি।

‘রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তাররা যখন প্রথমে সুমিকে দেখেছিল, তখনই বলেছিল- এই রোগীর অবস্থা খুব খারাপ, নওগাঁতে প্রোপারভাবে (ঠিকঠাক) সিজারিয়ান করা হয়নি। তারপর যখন সেখানে অপারেশন করল তখন ডাক্তাররা জানায়, সুমির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পেটে সামান্য গজ ছিল। যে কারণে শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘দুইবার আইসিইউতে নেয়ার পরও আমার মেয়েটাকে বাঁচানো গেল না। আমার মেয়েটাকে নওগাঁর একতা ক্লিনিকে গরুকে সেলাই করার মতো হাঁটুর ওপর উঠে সেলাই করেছিল। সবকিছুই তাদের ভুল চিকিৎসা ছিল। ওই ডাক্তার তানিয়াকে কাছে পেলে তার হাটুর ওপর উঠে ওভাবেই সেলাই করে দিতাম।

‘অভিযুক্ত ডাক্তার, ক্লিনিক মালিক ও এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করছি। আর যেন আমার সুমির মতো কারও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু না হয়।’

অভিযুক্ত ডা. তানিয়া রহমান তনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাইনা। প্রয়োজনে ডাক্তারদের সংগঠন বা সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। আমার যা বলার, তা কিছুদিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছি। আর রাজশাহীতে সুমিকে নিয়ে যাওয়ার পর কী হয়েছে সে বিষয়ে আমি অবগত নই।’

এ বিষয়ে কথা হলে সিভিল সার্জন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। রামেক হাসপাতালের পরিচালককে বিষয়টি নিয়ে চিঠিও দিয়েছি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
পেটে গজ রেখেই সেলাই, গুরুতর অসুস্থ প্রসূতি

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Safe Motherhood Day is Tuesday

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ
গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ মঙ্গলবার। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব।

দেশব্যাপী নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর থেকে নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার কমানো ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ২৮ মে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এ বিষয়ে অনুমোদন দিলে পরের বছর থেকে দেশব্যাপী দিবসটি পালন শুরু হয়। পরে ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করে।

মন্তব্য

p
উপরে