× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Children should not be given mobile phones
hear-news
player
google_news print-icon

‘শিশুদের হাতে মোবাইল দেয়া যাবে না’

শিশুদের-হাতে-মোবাইল-দেয়া-যাবে-না-
বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে বিএসএমএমইউতে ‘শিশু স্বাস্থ্য, বিকাশ ও সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের বোঝার ক্ষমতা থাকে না কোনটি ভালো, কোনটি খারাপ। তাই যেসব শিশু মোবাইলে আসক্ত, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে।’

বিশ্ব শিশু দিবস, ২০২২ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ‘শিশু স্বাস্থ্য, বিকাশ ও সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় বি-ব্লক শহীদ ডা. শহীদ মিলন হলে পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে শিশুদের নিয়ে বিভাগটির গত পাঁচ বছরের বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে মোবাইল দেয়া ঠিক না। শিশুরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে অজান্তেই অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

‘এ বয়সী ছেলে-মেয়েদের বোঝার ক্ষমতা থাকে না কোনটি ভালো, কোনটি খারাপ। তাই যেসব শিশু মোবাইলে আসক্ত, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। তারা হঠাৎ মোবাইল ফোন আসক্তি কমাতে পারবে না। এ জন্য তাদেরকে দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা এটি ব্যবহার করতে দেয়া যায়, তবে একটানা আধা ঘণ্টার বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বেশি বেশি প্রচার করতে হবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক কোনো অ্যাবিউজ করলে তা ধরা যায়, ধরা পড়লে বিচার হবে। এটি প্রচার করতে পারলে শিশুদের ইন্টারনেট তথা সাইবার অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে সাবেক তথ্য কমিশনার ও দৈনিক আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম রহমান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কোনটিতে লাইক, কমেন্ট দেয়া যাবে, তার জন্য সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সাইবার অপরাধ দমনে সচেতনতার বিকল্প নেই।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন অনুষদের ডিন ও পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ শরিফুল ইসলাম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক শবনম আযীম ও সহকারি অধ্যাপক ডা. মো. মারুফ হক খান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শিশু ও সমন্বয় উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিবুজ্জামান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির।

অনুষ্ঠানে দেশের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা এনজিও কর্মকর্তা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শিশুস্বাস্থ্য, বিকাশ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রকল্প এবং একাডেমিক গবেষণা উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন:
বিএসএমএমইউতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি দল
বিএসএমএমইউ গবেষণা দিবসে নানা আয়োজন
বিএসএমএমইউতে ভাঙারির নামে ‘পুকুরচুরি’
বিএসএমএমইউ-তে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফল এখন অনলাইনে
অনেক মেয়েই আজ ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে: গুতেরেস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Corona detection reduced to 16

করোনা: শনাক্ত কমে ১৬

করোনা: শনাক্ত কমে ১৬ কমছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৩৯৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময় ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকালের পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৩৯৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময় ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫২৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৭৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৮ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সারা দেশে এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪৩১ জন মারা গেছেন। বর্তমানে শনাক্ত কমে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনায় শনাক্ত ২৩
করোনা: শনাক্ত কমে ২০
করোনা শনাক্ত শূন্যের কোঠায়

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
3 deaths in dengue 523 people

ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন

ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৭৭ ও ঢাকার বাইরে ২৪৬ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫২৩ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব জানানো হয়।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৭৭ ও ঢাকার বাইরে ২৪৬ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১২৯ ও ঢাকার বাইরে ৮০০ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬ হাজার ১৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ৮০৫ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশের হাসপাতালে ২০ হাজার ৩২৫ জন রোগী ভর্তি হন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ। আর নভেম্বরের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ৩৭৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ২০৮ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ১৬৭ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona detected 23

করোনায় শনাক্ত ২৩

করোনায় শনাক্ত ২৩ করোনা শনাক্ত কমেছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে শনিবার সকাল ৮টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১ দশমিক ০১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২০ জন ঢাকার বাসিন্দা।

সারাদেশে নতুন করে ২৩ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এ সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে শনিবার সকাল ৮টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১ দশমিক ০১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২০ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫১১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩১ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৮২ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৪৯৯ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা: শনাক্ত কমে ২০
করোনা শনাক্ত শূন্যের কোঠায়
করোনা: শনাক্ত কমে ১৮
করোনা শনাক্ত ঘুরছে শূন্যের কোঠায়

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
2 more deaths detected in dengue 462

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২ প্রতীকী ছবি
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৪১ ও ঢাকার বাইরে ২৪৯ জন রোগী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১৭১ ও ঢাকার বাইরে ৮১৭ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬২ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব জানানো হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৪১ ও ঢাকার বাইরে ২৪৯ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১৭১ ও ঢাকার বাইরে ৮১৭ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৫ হাজার ৬০৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ৫২৮ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশের হাসপাতালে ২০ হাজার ৮৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ। আর নভেম্বরের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ৩৭৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ২০৮ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ১৬৭ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫
ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Special discount in Bangkok Hospital for Bangladeshis

বাংলাদেশিদের জন্য ব্যাংকক হসপিটালে বিশেষ ছাড়

বাংলাদেশিদের জন্য ব্যাংকক হসপিটালে বিশেষ ছাড় শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেটে দ্য ডেইলি স্টার ভবনের মাহমুদ সেমিনার হলে আয়োজিত ‘মর্ডান মেডিক্যাল টেকনলোজি অফ ব্যাংকক হসপিটালবিষয়ক প্রেস ব্রিফিং। ছবি: নিউজবাংলা
ব্যাংকক হসপিটালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শক্তিরঞ্জন পাল বলেন, ‘আমাদের হসপিটালে রেডিয়েশনের মাধ্যমে টিউমার ধ্বংস করা হয়, যেখানে অপারেশন লাগে না। তিন দিন পর রোগী বাড়ি যেতে পারেন। তাছাড়া উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে যেকোনো রোগ চিহ্নিত করা হয়।’

থাইল্যান্ডের ব্যাংকক হসপিটালে বিশেষ ছাড়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের উন্নত চিকিৎসা দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে অস্ত্রোপচার ছাড়াই টিউমারের চিকিৎসা, ক্যানসার ও হৃদরোগ সারানোর কথাও বলা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেটে দ্য ডেইলি স্টার ভবনের মাহমুদ সেমিনার হলে আয়োজিত ‘মর্ডান মেডিক্যাল টেকনলোজি অফ ব্যাংকক হসপিটালবিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন ব্যাংকক হসপিটালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শক্তিরঞ্জন পাল।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হসপিটালে রেডিয়েশনের মাধ্যমে টিউমার ধ্বংস করা হয়, যেখানে অপারেশন লাগে না। তিন দিন পর রোগী বাড়ি যেতে পারেন। তাছাড়া উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে যেকোনো রোগ চিহ্নিত করা হয়।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে থাই অ্যাম্বাসেডর মাখওয়াদি সুমিতমোর বলেন, ‘ব্যাংকক হসপিটাল কোভিড মহামারির মধ্যেও চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছে। বাংলাদেশসহ সব দেশের জন্য, যারা ব্যাংকক হসপিটালে চিকিৎসা নিতে আসবেন সবাইকে আমরা উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে তাদের সেবাদান করব। এর প্রসার আরও বাড়াতে চাই। মেডিক্যাল সার্ভিসসংক্রান্ত যেকোনো সহযোগিতা করতে ব্যাংকক হসপিটাল প্রস্তুত।’

বিশেষজ্ঞ শক্তিরঞ্জন পাল আরও বলেন, ‘ব্যাংকক হসপিটাল ৫০ বছর ধরে সেবাদান করে আসছে। থাইল্যান্ডের বাইরেও আমাদের হসপিটাল আছে। মেডিক্যাল সংক্রান্ত যেকোনো চেকআপ এবং চিকিৎসায় অত্যাধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার করা হয় যেগুলো অনেক ব্যবয়বহুল। তবে ব্যাংকক হসপিটাল উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে এই সেবাগুলো কম খরচে দিচ্ছে।’

‘এখন খাবারের অনিয়ম, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের জন্য হার্টের রোগ, ক্যানসার এই রোগগুলো বাড়ছে। টেকনোলজি ব্যবহার করে আমরা খুব সহজেই এগুলো চিহ্নিত করতে পারি। ডাক্তার এবং স্পেশালিষ্ট অ্যাডভান্স হচ্ছে। একটা সময় বলা হতো ‘ক্যানসার হ্যাজ নো অ্যান্সার। কিন্তু এখন আমরা বলি, ক্যানসার হ্যাজ সাম অ্যান্সার।

তিনি বলেন, ‘আমরা হার্ট ডিজিস এবং ক্যানসারের জন্য উন্নত টেকনলোজি ব্যবহার করছি।

‘করোনারি হার্ট ডিজিজ যেটা পুরুষদের বেশি হলেও এখন নারীদেরও হচ্ছে। এর সঙ্গে ব্রেন স্ট্রোকও সম্পর্কিত বিষয়ে উন্নত চিকিৎসা দেয়া। ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার এগুলোর কারণে হার্ট ডিজিজ বাড়ে। আমরা এগুলোর জন্য তিনটি মাধ্যমে – টেকনলোজি, দক্ষ টেকনেশিয়ান ও মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিমওয়ার্ক- কাজ করছি।

প্রতিটি রোগের জন্যই এই তিনটার প্রয়োগ সঠিকভাবে করে আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি। এছাড়া থাইল্যান্ডে নার্সিং কেয়ার খুবই উন্নত এবং আন্তরিক। তারা তাদের টিমওয়ার্কের মাধ্যমে উন্নত সেবা দিয়ে আসছে।

গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে শক্তিরঞ্জন বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য স্পেশাল ডিসকাউন্ট রয়েছে। সেটা কোন ধরনের কেস সেটার ওপর ভিত্তি করে ছাড় দেয়া হয়। আমাদের স্পেশাল এক্সরে রয়েছে। এবং সব কিছুই উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. নীলাঞ্জন সেন, ব্যাংকক হার্ট হসপিটালের ক্রিয়াংকাই হেংগুসামি, ডিরেক্টর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর রাফ ক্রিউয়ার এবং আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
বিনা মূল্যে ২২ কোটি টাকার চিকিৎসা পেল রাইয়ান
‘নার্সের ভুলে’ রোগীর মৃত্যু
ভুল অপারেশনে বিউটির দুঃসহ এক বছর
ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর-সংঘর্ষ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The dengue outbreak is decreasing the death toll was 100 in November

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছেই। ফাইল ছবি
সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গেলেও চলতি বছর সেপ্টেম্বর থেকেই এই রোগ বাড়তে থাকে। শীতের আগে আগে বছরের যে সময়ে রোগী দেখা যায় না, সেই সময়েই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখছে মানুষ। অক্টোবর মাসও ছিল ভয়ঙ্কর, সে মাসে মৃত্যু হয় ৮৬ জনের। নভেম্বরের ২৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭ হাজার ২১২ জন।

প্রাণঘাতি দুটি মাস পেরিয়ে নভেম্বরের শেষে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসার ইঙ্গিত মিলেছে। রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসছে। সেই সঙ্গে কমছে মৃত্যু।

এই জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজন মিলিয়ে নভেম্বরে মৃত্যু দাঁড়াল এই ১০১ জনে। সব মিলিয়ে চলতি বছর মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২৪২ জন।

এ নিয়ে টানা দুই দিন একজন করে মৃত্যু হলো। এর আগে ১ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩ থেকে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে এই সময়ে ভর্তি হয় ২২১ জন, যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ৫১৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তার মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছেন ১৪১ জন আর ঢাকার বাইরে ৮০ জন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৬৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যা আগের দিন ছিল ২ হাজার ২২ জন।

এই রোগীদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আছেন ১ হাজার ১৩৫ জন, যা আগের দিন ছিল ১ হাজার ১৪২। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে এখন ভর্তি আছেন ৮৩৪ জন, যা আগের দিন ছিল ৮৮০ জন।

সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গেলেও চলতি বছর সেপ্টেম্বর থেকেই এই রোগ বাড়তে থাকে।

শীতের আগে আগে বছরের যে সময়ে রোগী দেখা যায় না, সেই সময়েই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখছে মানুষ। অক্টোবর মাসও ছিল ভয়ঙ্কর, সে মাসে মৃত্যু হয় ৮৬ জনের।

নভেম্বরের ২৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭ হাজার ২১২ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৫ হাজার ১৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ২৮৭ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৫৮ জন।

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠেছেন ৫২ হাজার ৯৩৪ জন। ঢাকা ৩৪ হাজার ৫ জন এবং ঢাকার বাইরে সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৯২৯ জন।

আরও পড়ুন:
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona detection reduced by 20

করোনা: শনাক্ত কমে ২০

করোনা: শনাক্ত কমে ২০ করোনাভাইরাস সংক্রমণ এখন তুলনামূলক কম। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ সময়ে ২০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জন ঢাকার বাসিন্দা।

সারাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ কমে ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত নেমেছে ২০ জনে। আক্রান্ত কেউ এ সময়ে মারা যায়নি।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ সময়ে ২০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩১ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১৭৭ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩০ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা শনাক্ত শূন্যের কোঠায়
করোনা শনাক্ত ঘুরছে শূন্যের কোঠায়
করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৮
করোনা: শনাক্ত কমে ২২
করোনায় শনাক্ত ৬৯, ঢাকায় ৪৫

মন্তব্য

p
উপরে