× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Another persons death rate in Corona is 105
hear-news
player
google_news print-icon

করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত হার ১.০৫

করোনায়-আরও-একজনের-মৃত্যু-শনাক্ত-হার-১০৫
ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩২৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৫টিতে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্ত হার ১ দশমিক ০৫ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৬ জনই ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমছে। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জনের দেহে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। এর আগে মঙ্গলবার ২৯ ও সোমবার ৩৮ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩২৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৫টিতে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্ত হার ১ দশমিক ০৫ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৬ জনই ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একজন। তিনি ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে করোনায় সারা দেশে মোট ২৯ হাজার ৪৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ২৬৮জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৮৬ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ১২৪ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবেলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
১০ দিন পর করোনায় আবার মৃত্যু
করোনা শনাক্ত কমে ৪৮
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৫৪
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত ৮৮
করোনার টিকা আছে, নেয়ার লোক নেই

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Strict action if cleanliness is neglected Mayor Atiqul

পরিচ্ছন্নতায় অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা: মেয়র আতিকুল

পরিচ্ছন্নতায় অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা: মেয়র আতিকুল রোববার গুলশান-২ এ নগর ভবনে শুষ্ক মৌসুমে মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ক সমন্বয় সভায় কথা বলেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে কোন কোন ড্রেনে ময়লা বেশি তার তালিকা করতে হবে। কোন কোন ড্রেনে ও নালায় কচুরিপানা ও অন্যান্য ময়লা বেশি সেগুলোও চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রোববার গুলশান-২ এ নগর ভবনের হল রুমে শুষ্ক মৌসুমে মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় মেয়র এ হুঁশিয়ারি দেন।

মেয়র বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও তৎপর হতে হবে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে কোন কোন ড্রেনে ময়লা বেশি তার তালিকা তৈরি করতে হবে। কোন কোন ড্রেনে ও নালায় কচুরিপানা ও অন্যান্য ময়লা বেশি সেগুলোও চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। মাঠে কাজের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দশটি অঞ্চলে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে কাউন্সিলরদের অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা কমিটি গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাঁচটি ওয়ার্ডে প্রাথমিকভাবে ক্র‍্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে পুরো এলাকায় এই সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

কর্মীদের প্রতি ডিএনসিসি মেয়র নির্দেশনা দেন- ‘বর্জ্য বিভাগ প্রতিটি এলাকার ড্রেন, খাল, নালা ও জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার করবে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। কোনো খাল, নালা ও জলাশয়ে কচুরিপানা জমতে দেয়া যাবে না। প্রতিদিন পরিষ্কার করে ছবি তুলে সেগুলোর প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।’

এ ছাড়া ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ডোবা ও জলাশয়ের মালিকদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে চিঠি দেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সমন্বয় সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় মশার বর্তমান পরিস্থিতি এবং মশা নিধনে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ডিএনসিসি মেয়র বুধবার থেকে ১৫ দিনের জন্য পাঁচটি ওয়ার্ডে (ওয়ার্ড নম্বর- ১, ১৭, ৪৯, ৫০ ও ৫২) মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সব বিভাগের সমন্বিত ক্র‍্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনার নির্দেশ দেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জে. মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রি. জে. মুহ. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, পরিছন্নতা পরিদর্শক ও মশক সুপারভাইজারসহ অন্যরা।

আরও পড়ুন:
জন্মনিবন্ধন সহজ করছে ডিএনসিসি
বিশ্বকাপের খেলা দেখাচ্ছে ডিএনসিসি
শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করল ডিএনসিসি
এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা ডিএনসিসির
দ্বিতীয়বার লার্ভা, দুটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
3 more deaths in dengue after a day without death

মৃত্যুশূন্য এক দিন পর ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু

মৃত্যুশূন্য এক দিন পর ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্তদের অনেকে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
রোববার সকাল পর্যন্ত সারা দেশে ৪১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজন মারা গেছেন। এতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৫৭ জন।

ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন পার করার পরদিনই তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার সকাল পর্যন্ত সারা দেশে ৪১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তাতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ২০৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০২ জন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৪৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৪১ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৬২২ জন রোগী রয়েছেন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন মৃত্যু নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৫৭ জন মারা গেলেন।

অধিদপ্তরের তথ্যমতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ৬১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭ হাজার ২১৮ জন ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ২১ হাজার ৪০১ জন রোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এছাড়া এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠেছেন ৫৬ হাজার ৮৯৯ জন। ঢাকায় ৩৬ হাজার ২২০ জন এবং ঢাকার বাইরে সুস্থ হয়েছেন ২০ হাজার ৬৭৯ জন।

আরও পড়ুন:
মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি!
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Dont act in a way that compromises your own safety Health Minister to doctors

চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অর্জন করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অর্জন করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার সচিবালয়ে বিসিএসের মাধ্যমে সদ্য নিয়োগ পাওয়া ১০৬জন চিকিৎসকের কর্মক্ষেত্রে যোগদান অনুষ্ঠানে কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, হাসপাতালের যন্ত্রপাতি যাতে কার্যকর থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের জনবল যে পরিপূর্ণ তা বলব না। আপনি ইউরোপ-আমেরিকার মতো প্রত্যাশা করতে পারেন না, কারণ এটা বাংলাদেশ।

রোগীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার ও তাদের সেবা নিশ্চিতে আন্তরিকভাবে কাজ করতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানোর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়টি অর্জন করতে হবে। চিকিৎসকদের কাজ খুবই স্পর্শকাতর। নিরাপত্তা অবশ্যই দরকার, কিন্তু আমরা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারি না, যেখানে আমাদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।’

সচিবালয়ে রোববার ৪০তম বিসিএসের মাধ্যম সদ্য নিয়োগ পাওয়া ১০৬জন চিকিৎসকের কর্মক্ষেত্রে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে। হাসপাতালে যন্ত্রপাতি আছে, অক্সিজেন আছে। পাশাপাশি হাসপাতালের অবকাঠামোও সুন্দর হয়েছে।

‘এখন কেবল চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। ধরেন, এক ব্যক্তি তার মুমূর্ষু বাবা কিংবা মাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন, কিন্তু গিয়ে দেখেন চিকিৎসক নেই। তখন তার মনের অবস্থা কী হবে? আর যাওয়ার পর যদি ওই মুমূর্ষু বাবা কিংবা মা মারা যান, তাহলে তার মনের অবস্থাই বা কী হবে। তখন আপনাদের (চিকিৎসকদের) আমরা কীভাবে নিরাপত্তা দেব?’

রোগীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে চিকিৎসকদের প্রতি নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে। চিকিৎসকরা ভুল করলে রোগী মারা যান। অর্থাৎ চিকিৎসকরা ভুল করলে তা সংশোধনের সুযোগ নেই।’

চিকিৎসকদের হাসপাতাল পরিচালনা ও রোগী ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর হওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের ভালো প্রশাসক হতে হবে। হাসপাতালের যন্ত্রপাতি যাতে কার্যকর থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের জনবল যে পরিপূর্ণ তা বলব না। আপনি ইউরোপ-আমেরিকার মতো প্রত্যাশা করতে পারেন না, কারণ এটা বাংলাদেশ।’

সদ্য নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মস্থলে গেলে সবকিছু মনমতো হবে না। নিজের অবস্থান নিজেকেই তৈরি করতে হবে। আমরা চাই দরিদ্র মানুষ যারা আছেন, তাদের আপনারা একটু ভালো সেবা দেবেন। এর চেয়ে ভালো সেবা দেয়ার সুযোগ আর নেই। সবচেয়ে উত্তম ধর্ম, উত্তম ইবাদত হচ্ছে মানুষের সেবা। সবাই মানুষের সেবা করেন, কিন্তু চিকিৎসকদের মতো কেউ পারেন না।

‘দুই জায়গায় শপথ নিতে হয়- একটি চিকিৎসকদের, আরেকটি আইনপ্রণেতাদের। আমরা শপথ ভাঙতে চাই না।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আপনারা খুবই ব্যয়বহুল শিক্ষা নিয়েছেন। পাশের দেশে একজনকে চিকিৎসক হতে হলে এক কোটির বেশি রুপি খরচ হয়। আপনারা যারা সরকারি কলেজে লেখাপড়া করেছেন, কত টাকা ব্যয় করেছেন? এ বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। জনগণের টাকায় লেখাপড়া করেছেন। এখন আপনাদের তা পরিশোধের সময়। এখন আপনাদের তা বাংলাদেশকে দেয়ার সময় হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি ১০০, বেসরকারিতে ৩০০
আ.লীগের লাঠি উঠলে বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে প্রতি দিন যক্ষ্মায় ১১০ জনের মৃত্যু
চিকিৎসায় বিদেশ যেতে হবে না, আসা লাগবে না ঢাকাতেও: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Patients in indescribable suffering due to doctor strike

চিকিৎসক ধর্মঘটে অবর্ণনীয় কষ্টে রোগীরা

চিকিৎসক ধর্মঘটে অবর্ণনীয় কষ্টে রোগীরা করিমগঞ্জ হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেবা বন্ধ করে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার রাতে এক রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন করিমগঞ্জ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক। এ সময় তার ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে দুজনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় সেবা বন্ধ রেখে রোগী ভোগান্তির কারণ হয়েছেন চিকিৎসকরা।

এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ এনে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ হাসপাতাল অনির্দিষ্টকালের জন্য সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সীমিত পরিসরে জরুরি বিভাগ খোলা থাকলেও সেটি রোগী চাহিদা পূরণের মতো যথেষ্ট নয়।

এই ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারপরও কেন হাসপাতালে সেবা বন্ধ রাখতে হবে, সে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার সকাল থেকে এই কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়ে হাসপাতালের কার্যক্রম। কিন্তু রোগীদের সে কথা জানা ছিল না। তারা দূর থেকে এসে হাসপাতালে চিকিৎসা হবে না শুনে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন।

করিমগঞ্জ নয়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা রাজিবুল হাসান জানান, তার এক আত্মীয় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাকে দেখতে এসেছিলেন তিনি। গিয়ে দেখেন ডাক্তারদের কেউ নেই। শুধু জরুরি বিভাগে একজন বসে আছেন। ভেতরে দুজন নার্স ছাড়া আর কেউ নেই।

কেন রোগীদের কষ্ট দিয়ে এভাবে সেবা বন্ধ রাখছেন, এমন প্রশ্নে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রিয়াদ শাহেদ রনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য এক বয়স্ক নারীকে নিয়ে জরুরি বিভাগে আসেন স্বজনরা। তবে সেখানে পৌঁছার আগেই মারা যান তিনি।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুল হাসান ওয়াসিম ওই নারীকে দেখে মৃত ঘোষণা করেন এবং জানান তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে। তখন রোগীর স্বজনরা ওই চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে চলে যান।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে চিকিৎসক কামরুল হাসান দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করছে।’

মামলা করেছেন, পুলিশ গ্রেপ্তার করবে, বিচার হবে। এর মধ্যে সেবা বন্ধ করে চিকিৎসকরা রেখে রোগীদের দুর্দশায় ফেলতে পারে কি না, এমন প্রশ্নে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দাবি করেন, আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় সব চিকিৎসক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই তারা কর্মবিরতি পালন করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি তাদের সাথে আলোচনা করে দ্রুতই এই বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করি, আগামীকালই সেবা চালু করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগী দেখছেন অ্যাম্বুলেন্সচালক!
সিজারের পর মৃত সন্তান, পর্দা করা চিকিৎসক তথ্য দিতে নারাজ
নিজ হাসপাতালে চিকিৎসকের হয়রানিতে ১৬ কর্মচারীকে বদলি
জেলে যাওয়ার সময় পিয়ন, ছাড়া পেয়ে ‘ডাক্তার’
রোগীর পেটে কাঁচি ফেলে আসায় চিকিৎসক জেলে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
25 children died in Mymensingh Medical in two days

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে দুই দিনে ২৫ শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে দুই দিনে ২৫ শিশুর মৃত্যু ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা। ছবি: নিউজবাংলা
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজি বলেন, হাসপাতালের শিশু ও নবজাতক ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১১ নবজাতক এবং পরের ২৪ ঘণ্টায় ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। সব শিশুই শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।

শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দুইদিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত শিশু ওয়ার্ডে মারা যাওয়া শিশুগুলোর বয়স ১ থেকে ২৮ দিন।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজি নিউজবাংলাকে বলেন, হাসপাতালের শিশু ও নবজাতক ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১১ নবজাতক এবং পরের ২৪ ঘণ্টায় ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। সব শিশুই শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন হাসপাতালের ওয়ার্ডে শীতজনিত শ্বাসকষ্ট এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে ওয়ার্ডটিতে ৬২৩ নবজাতক ও শিশু ভর্তি আছে। বেশিরভাগই শীতজনিত সমস্যায় ভুগছে। নবজাতক ও শিশুর সুচিকিৎসায় চিকিৎসক-নার্স এবং অন্য কর্মচারীরা তৎপর রয়েছেন।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, এ সময়টাতে প্রতিবছরই শিশু ও নবজাতকরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। প্রতিদিনই ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আমরাও যথাসম্ভব সেবা দিচ্ছি।

শীতকালে বাড়িতে শিশুদের বাড়তি যত্ন নেয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
নিউমোনিয়া: শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি
বায়ুদূষণে বাড়ছে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি
নিউমোনিয়া: এক সপ্তাহে রোগী সহস্রাধিক শিশু
বাগেরহাটে এক মাসে হাসপাতালে ১০ হাজার শিশু
শীতের বিদায়বেলায় শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Secretaries should step down from BATB board Planning Minister

বিএটিবি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সচিবদের সরে আসা উচিত: পরিকল্পনামন্ত্রী

বিএটিবি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সচিবদের সরে আসা উচিত: পরিকল্পনামন্ত্রী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বুধবার সেমিনারে বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা
এম এ মান্নান বলেন, ‘সরকারপ্রধান দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাই আমি মনে করি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের (বিএটিবি) পরিচালনা পর্ষদে যেসব সচিব আছেন তাদের সরে আসা উচিত। এই কোম্পানিতে সরকারের যে বিনিয়োগ আছে সেখান থেকেও বের হয়ে আসা দরকার।’

বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের (বিএটিবি) পরিচালনা পর্ষদ থেকে সচিবদের বেরিয়ে আসা উচিত। তামাক নিয়ন্ত্রণ ও সরকারের নীতিতে যাতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না হয় সেজন্যই এমন পদক্ষেপ থাকা উচিত।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি কনফারেন্স রুমে বুধবার এক সেমিনারে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এসব কথা বলেন।

এম এ মান্নান বলেন, ‘সরকারপ্রধান দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্ট মানে আমাদের সবার কমিটমেন্ট। তাই আমি মনে করি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর পরিচালনা পর্ষদে যেসব সচিব আছেন তাদের বের হয়ে আসা উচিত। সময়-সুযোগ হলে বিষয়টি আমি তুলব।’

এছাড়া ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোতে সরকারের যে বিনিয়োগ আছে সেখান থেকেও বের হয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিএটিবিতে সরকারের একেবারেই সামান্য শেয়ার আছে। আমি এটা প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশে মানি ট্রান্সফারের বিষয়ে শুধু তামাক খাত নয়, অন্য খাতগুলোকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। নবম পঞ্চবার্ষিকীতে কীভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা যায় তা নিয়ে সবাইকে ভাবতে হবে।’

‘তামাক কোম্পানির সিএসআর: মিথ ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এই সেমিনার যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট ও ইনিশিয়েটিভ ফর পাবলিক হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন (আইপিএইচআরসি)।

সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক ও একাত্তর টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি সুশান্ত সিনহা। তিনি ‘তামাক কোম্পানির সিএসআর, মিথ ও বাস্তবতা: বিএটিবি-র ১০ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ’ শীর্ষক গবেষণার ফল উপস্থাপন করেন।

সুশান্ত সিনহা বলেন, ‘বছরে মাত্র ৬ কোটি টাকা সিএসআর ব্যয় করে ফলাও করে প্রচার করে বিএটিবি। সরকার যখন তামাক নিয়ন্ত্রণে কোনো পদক্ষেপ নেয় তখন সিএসআরে ব্যয় বৃদ্ধি করে বিএটিবি। ইতোমধ্যে বিশ্বের ৬২টি দেশ সিএসআর নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে তামাক কোম্পানি নামে-বেনামে কৌশলে তাদের সিএসআর কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘আমি যেসব পলিসি নিয়ে কাজ করছি সেগুলো সরকারের জন্য খুবই দরকারি হলেও এসব খাতে তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। এনবিআরের কোনো কর্মকর্তা ট্যাক্স নিয়ে কথা শুনতে চান না।’

জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল (এনটিসিসি)-এর সমন্বয়কারী (অতিরিক্ত সচিব) হোসেন আলী খোন্দকার বলেন, ‘যখন সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণে কোনো পদক্ষেপ নেয় তখন তামাক কোম্পানি সিএসআর বাড়িয়ে দেয়- এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ফাইন্ডিংস। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে এনটিসিসি ইতোমধ্যে রোডম্যাপ প্রণয়নে কাজ শুরু করেছে। সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের উচিত প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের তামাকমুক্ত দেশ গড়ায় সহায়তা করা।’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘তামাক কোম্পানির রাজস্ব দেয়া নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি হয়। এ খাত থেকে টাকা এলেও জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তামাকের বিকল্প খাত থেকে রাজস্ব আয় করতে সরকারকে নতুন খাতের খোঁজ করতে হবে।’

আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্য ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম তাহিন বলেন, ‘আমরা ট্যাক্স বাড়ানোর কথা বললে তামাক কোম্পানি নানা ধরনের তথ্য প্রচার করে। তারা সিএসআর নিয়ে প্রচার বাড়ায়। তাদের ব্যবসা প্রতিবছর বহু গুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
বিএটিবিসির ইপিএস ২১ নয়, ৭.১৭ টাকা
ব্যাপক মুনাফা দিল বিএটিবিসির শেয়ার
বিএটিসিবির ফ্লোর প্রাইস সমন্বয় যেভাবে
৮০০ শতাংশ লভ্যাংশেও বিএটিবিসির এমন পতন!
বিএটিবিসির শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস কত হবে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The super specialized hospital is starting in December

ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বুধবার বিএসএমএমইউ-তে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
পর্যালোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনে দেশের প্রথম এই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রুত চালু করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করতে হবে।’

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বিশ্বমানের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। এটি যাতে বিশ্বমানের আদলে চালু করা যায় সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ভারতের এমইএস ও সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনে দেশের প্রথম এই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রুত চালু করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করতে হবে।’

উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দেশের রোগীদের স্বার্থে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রত চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সব কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। হাসপাতালটি যাতে বিশ্বমানের আদলে চালু করা যায় সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ভারতের এমইএস ও সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।’

উপাচার্য জানান, করোনা মহামারির কারণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে যথাসময়ে না আসায় হাসপাতালে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। তবে আশা করছি, যেভাবে কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে এই বিজয়ের মাসেই দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হবে।

সভায় জানানো হয়, শুরুতে দিকে ওপিডি ও ল্যাব সার্ভিস চালু করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে হাসপাতালের কার্ডিওভাসকুলার ও স্ট্রোক সেন্টার, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ সেন্টার, কিইন ডিজিজেস ও ইউরোলজি সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি, প্যানক্রিয়েটিক, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল কেয়ার ট্রমা সেন্টারসহ বিভিন্ন সেন্টার চালু করা হবে।

আরও পড়ুন:
‘শিশুদের হাতে মোবাইল দেয়া যাবে না’
বিএসএমএমইউতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি দল
বিএসএমএমইউ গবেষণা দিবসে নানা আয়োজন
বিএসএমএমইউতে ভাঙারির নামে ‘পুকুরচুরি’
বিএসএমএমইউ-তে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফল এখন অনলাইনে

মন্তব্য

p
উপরে