× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Dengue 2 deaths new admissions 1020
hear-news
player
google_news print-icon

ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১০২০

ডেঙ্গুতে-২-মৃত্যু-নতুন-ভর্তি-১০২০
হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানের সেবায় মা ও পরিবারের সদস্যরা। ফাইল ছবি
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১০২০ জন। এদের মধ্যে ঢাকায় ৬১৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪০২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

শীতের আগে আগে ডেঙ্গুর যে বিস্তার তাতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ১৩৬ জনের মৃত্যু হলো।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১০২০ জন। এদের মধ্যে ঢাকায় ৬১৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪০২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বর্তমানে সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ২ হাজার ৩৫০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ২৮০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭ হাজার ১৫১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫ হাজার ৪৭১ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৬৮০ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৩৮৫ জন। ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৩ হাজার ৪১ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১০ হাজার ৩৪৪ জন।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুশূন্য দিনে ৭৫০ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি
ডেঙ্গুর মৃত্যুতে কি রেকর্ড হতে যাচ্ছে?
ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৯০৩
এক দিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী
বরিশাল বিভাগে আরও ৮২ ডেঙ্গু রোগী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
1 death detected in Corona 32

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২ করোনা আক্রান্ত এক নারীকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৭০৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এই হার শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৪ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩২ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এ সময় করোনা শনাক্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এসব জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৭০৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এই হার শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৪ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৭১৭জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৬ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৭১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৮০ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
2 more deaths detected in dengue 253

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন রোগীরা। ফাইল ছবি
বছরের শুরু থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৯ হাজার ৪৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৫৪ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৭৯৫ জন।

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বুধবার বিকেলে গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবের এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫৩ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২৬০ জনের মৃত্যু হলো।

নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ১৩০ ও ঢাকার বাইরে ১২৩ জন রোগী আছেন। এ নিয়ে সারা দেশে ১ হাজার ১৭১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ৬৮৩ জন ও ঢাকার বাইরে ৪৮৮ জন।

বছরের শুরু থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৯ হাজার ৪৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৫৪ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৭৯৫ জন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা বছরের মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ।

নভেম্বরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯ হাজার ৩৩৪ জন। আর ডিসেম্বরের প্রথম সাত দিনে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৯১ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৮ হাজার ১৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৬ হাজার ৮১১ ও ঢাকার বাইরে ২১ হাজার ২০৭ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ৩০৮
রোগী হাসপাতালে দেরিতে আসায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেশি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
1 death detected in dengue 269

ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯

ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯ হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্তদের অনেকে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী।

সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ২৬৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

তাতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী।

বর্তমানে সারাদেশে ১ হাজার ২২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৭১৯ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৫০৮ জন।

এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৫৮ জনের।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৯ হাজার ১৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭ হাজার ৫২৪ জন ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৬৭২ জন।

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠেছেন ৫৭ হাজার ৭১১ জন। ঢাকা ৩৬ হাজার ৬৪৭ জন এবং ঢাকার বাইরে সুস্থ হয়েছেন ২১ হাজার ৬৪জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ৩০৮
মৃত্যুশূন্য এক দিন পর ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু
মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১
ডেঙ্গুতে আরও চার মৃত্যু
মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Action against doctors for providing services in unregistered hospitals

নিবন্ধনহীন হাসপাতালে সেবা দিলে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নিবন্ধনহীন হাসপাতালে সেবা দিলে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ঢাকার অনুমোদনহীন আলম মেমোরিয়াল হাসপাতালে (ডানে) শিশু মাইশার মৃত্যুর পর চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সম্প্রতি ঢাকার রূপনগরের আলম মেমোরিয়াল হাসপাতালে হাতের আঙুলে অস্ত্রোপচারের সময় মারা যায় কুড়িগ্রামের ছয় বছর বয়সী শিশু মারুফা জাহান মাইশা। এরপর বেরিয়ে আসে হাসপাতালটি অনুমোদন ছাড়াই চলছিল। বিষয়টি নিয়ে সোমবার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজবাংলা। এর এক দিন পরেই চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নিবন্ধনহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেবা দেয়ার বিষয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়েছে, নিবন্ধনহীন এসব প্রতিষ্ঠানে সেবা দিলে দায়ভার সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে বহন করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিষয়টি জানতে পারলে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মাজহারুল হক তপনের সই করা নোটিশে মঙ্গলবার এ কথা জানানো হয়। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন, অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল) মাহমুদুর রহমান।

সম্প্রতি ঢাকার রূপনগরের আলম মেমোরিয়াল হাসপাতালে হাতের আঙুলে অস্ত্রোপচারের সময় মারা যায় কুড়িগ্রামের ছয় বছর বয়সী শিশু মারুফা জাহান মাইশা। এরপর বেরিয়ে আসে হাসপাতালটি অনুমোদন ছাড়াই চলছিল।

বিষয়টি নিয়ে সোমবার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজবাংলা। এর এক দিন পরেই চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন: শিশু মাইশার মৃত্যু: অনুমোদন ছাড়াই চলছিল ঢাকার সেই হাসপাতাল

মাইশার মৃত্যুর পর থেকে রাজধানীর রূপনগরের আলম মেমোরিয়াল হাসপাতালটির সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। মাইশাকে ওই হাসপাতালে পাঠানো এবং অস্ত্রোপচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মাইশার বাবা।

অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয় দেশের সব বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অনলাইন নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় আনার চেষ্টা চলছে। বেশির ভাগ ক্লিনিক, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেটাবেসে অন্তর্ভুক্ত। সবগুলোর সেন্টারের ডিসপ্লেতে তাদের লাইসেন্স নম্বর দেখানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, এখনও কিছু বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত না হয়ে অবৈধভাবে চলছে। তাই সব চিকিৎসককে কোনো হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে সেবাদানের নির্দেশ দেয়া হলো।

‘এরপরও নিবন্ধনহীন এসব প্রতিষ্ঠানে সেবা দিলে তার দায়ভার সেই চিকিৎসক বহন করবেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ বিষয়ে জানতে পারলে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোনো চিকিৎসক অনিবন্ধিত জানার পরেও কোনো প্রতিষ্ঠানে সেবাদান করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমরা বিএমডিসিকে সুপারিশ করব। আমরা কখনোই সেই চিকিৎসকের হয়ে কথা বলব না। কারণ তাদের বলাই হয়েছে নিবন্ধন আছে কি না, দেখে নিতে।

‘তাদের তো চোখ আছে। এরপরও সেটা না মানলে তার রেজিস্ট্রেশন পর্যন্ত বাতিল হয়ে যেতে পারে। আর এ ব্যাপারটি দেখভাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সচেষ্ট থাকবে।’

আলম মেমোরিয়াল হাসপাতালের ঘটনা জানার পর নির্দেশনা দেয়ার বিষয়টি জোরদার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই প্রক্রিয়া প্রায় ৭-৮ মাস ধরে চলমান ছিল। এই ঘটনাটা বিষয়টিকে আরও বেশি নজরে এনেছে। মাইশার অস্ত্রোপচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনজন চিকিৎসকের ব্যাপারেও বিএমডিসি সিদ্ধান্ত নেবে।’

আরও পড়ুন:
এক দিন রোগী ভুগিয়ে কাজে ফিরলেন চিকিৎসকরা
চিকিৎসক ধর্মঘটে অবর্ণনীয় কষ্টে রোগীরা
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য পেছাল
৬২৭ ফার্মাসিস্ট নিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
কাশিয়ানী হাসপাতালে অতিপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Rule to increase the punishment of fake doctors

ভুয়া চিকিৎসকদের সাজা বাড়াতে রুল

ভুয়া চিকিৎসকদের সাজা বাড়াতে রুল এমবিবিএস পাসের ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চিকিৎসক হিসেবে নিবন্ধন নেয়া সাতজনকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ফাইল ছবি
আইনজীবী জে আর খান রবিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘রুল জারি করে আদালত আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, বিএমডিসির মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য মহাপরিদর্শক, পুলিশ মহাপরিদর্শক ও বিএমডিসির রেজিস্ট্রারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর দুটি ধারা সংশোধন করে দেশের ভুয়া চিকিৎসকদের সাজা বাড়াতে বিবাদীদের ব্যর্থতাকে কেন আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ভুয়া চিকিৎসকদের সাজা বাড়াতে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারি আইনজীবী জে আর খান রবিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী জে আর খান রবিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘রুল জারি করে আদালত চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, বিএমডিসির মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য মহাপরিদর্শক, পুলিশ মহাপরিদর্শক ও বিএমডিসির রেজিস্ট্রারকে রুলের জবাব দিতে বলেছে।’

ভুয়া চিকিৎসক নিয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে গত ২৯ নভেম্বর রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জে আর খান রবিন।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০-এর ২২(২) ও ২৮(১ ও ৩) ধারায় ভুয়া চিকিৎকদের সাজা তিন বছরের বিধান রয়েছে। এই সাজার পরিমাণ বাড়ানোর দাবি জানানো হয় রিটে।

আইনজীবী জে আর খান রবিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংবিধানের ১৫(ক) ও ১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ থাকলেও অনুচ্ছেদ ৩১ ও ৩২ অনুযায়ী মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যসেবা একটি মৌলিক অধিকার।’

মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তারদের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু বর্তমানে অনেক ভুয়া ডাক্তার নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতিনিয়ত প্রতারণা করছে। শুধু তা-ই নয়, দেশের সাধারণ মানুষ এসব ভুয়া ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
‘দাঙ্গা’ প্রশ্নে পশ্চিমা আচরণ দ্বিচারিতা: ইরান
চাকরিতে মূল সনদ জমা রাখা নিয়ে রিট
আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ল এক মাস
কাটাবনে পশু-পাখিদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ বন্ধে হাইকোর্টে রিট
পুলিশের মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধের ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
308 detected on days without dengue deaths

ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ৩০৮

ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ৩০৮ এডিস মশার বিস্তারে বাড়ছে ডেঙ্গু। ছবি: সংগৃহীত
বছরের শুরু থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ৯২৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৯০ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫৩৭ জন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০৮ জন। এসময় ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ১৭২ ও ঢাকার বাইরে ১৩৬ জন রোগী আছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৩৩২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ৭৭৭ জন ও ঢাকার বাইরে ৫৫৫ জন।

বছরের শুরু থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ৯২৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৯০ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫৩৭ জন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা বছরের মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ।

এদিকে নভেম্বরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯ হাজার ৩৩৪ জন। আর ডিসেম্বরের প্রথম পাঁচ দিনে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৬৯ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৩৩৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৬ হাজার ৪৫৬ ও ঢাকার বাইরে ২০ হাজার ৮৮২জন।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুশূন্য এক দিন পর ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু
মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১
মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Dengue deaths are high due to late arrival of patients to hospital Health Minister

রোগী হাসপাতালে দেরিতে আসায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেশি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রোগী হাসপাতালে দেরিতে আসায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেশি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু দেশে অনেক বেড়ে গিয়েছিল। মৃত্যুর হারও বেড়ে গিয়েছিল। আশেপাশের দেশেও বেড়ে গিয়েছিল। এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার রোগী আমরা পেয়েছি৷ এরমধ্যে ৩৬ হাজার ঢাকার, সিটি করপোরেশনের মধ্যে। এখানে ড্রেনেজ সিস্টেম বেশি, পানিও জমে থাকে বেশি। এসব জায়গায় স্প্রে করা প্রয়োজন।’

মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং দেরিতে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা শুরু করায় এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেশি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সচিবালয়ে সোমবার নেপাল এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্টাডিতে দেখেছি, যারা ডেঙ্গুতে মারা গেছেন তাদের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে আসার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে। তারা চিকিৎসা শুরু করতে দেরি করেছেন। যারা বেশি সময় হাসপাতাল থাকার সুযোগ পেয়েছেন তাদের মৃত্যুহার কম।’

দেশের অন্য এলাকার তুলনায় ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মশার উৎপাত বেশি বলেও মন্তব্য করেন জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ‘বারিধারায় থাকি, এখানেও অনেক মশা। আমাদের সচেতন হতে হবে। নিজের বাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। গ্রামে কিন্তু এত মশা নেই। সেখানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কম। এটা ঢাকা শহরেই বেশি।

‘সিটি করপোরেশন থেকে বেশি নজরদারি করলে আশা করি কমে আসবে। যদিও তারা চেষ্টা করছে, স্প্রে করছে। তবে যে পরিমাণে দেয়ার কথা সে পরিমাণ হয়তো দেয়া সম্ভব হয়নি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু দেশে অনেক বেড়ে গিয়েছিল। মৃত্যুর হারও বেড়ে গিয়েছিল। আশেপাশের দেশেও বেড়ে গিয়েছিল। এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার রোগী আমরা পেয়েছি৷ এরমধ্যে ৩৬ হাজার ঢাকার, সিটি করপোরেশনের মধ্যে। এখানে ড্রেনেজ সিস্টেম বেশি, পানিও জমে থাকে বেশি। এসব জায়গায় স্প্রে করা প্রয়োজন।

‘আগে ১ হাজার রোগী প্রতিদিন আসতো। এখন ৪০০ করে ভর্তি হচ্ছে। মৃত্যুর হারও কমেছে। যে ট্রেন্ডটা দেখছি কমে আসবে।’

শীতের আগে আগে বছরের যে সময়ে দেশে ডেঙ্গুরোগী দেখা যায় না, সেই সময়েই এবার সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে মানুষ। অক্টোবর মাসও ছিল ভয়ঙ্কর, সে মাসে মৃত্যু হয় ৮৬ জনের।

সর্বশেষ রোববার তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তারা জানায়, এদিন সকাল পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ২০৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০২ জন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৪৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৪১ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৬২২ জন রোগী রয়েছেন। সবমিলিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৫৭ জন মারা গেছেন।

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ৬১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭ হাজার ২১৮ জন ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ২১ হাজার ৪০১ জন রোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অর্জন করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মৃত্যুশূন্য এক দিন পর ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু
মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১

মন্তব্য

p
উপরে