× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
5 deaths in dengue 440 patients admitted
hear-news
player
google_news print-icon

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, ৪৪০ রোগী ভর্তি

ডেঙ্গুতে-৫-মৃত্যু-৪৪০-রোগী-ভর্তি
ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বর্তমানে সারা দেশে ৩ হাজার ৫৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ২ হাজার ২৮০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ২৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ৪৪০ জন রোগী ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আগের দিন ডেঙ্গুতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ছিলেন ৮৯৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার হাসপাতালগুলোয় নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ২৭৯। আর ঢাকার বাইরে ১৬১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ৩ হাজার ৫৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ২ হাজার ২৮০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ২৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ২৬২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪ হাজার ৩৭২ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৮৯০ জন।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১২৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে মারা গেছেন ৭৩ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় মারা গেছেন ৫৫ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৩১ হাজার ৫৯৫ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২২ হাজার ১৯ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৫৭৬ জন।

আরও পড়ুন:
এক দিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী
বরিশাল বিভাগে আরও ৮২ ডেঙ্গু রোগী
হাসপাতালে রেকর্ড ৯২২ ডেঙ্গু রোগী
ব‌রিশালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে
একজনের বিপরীতে দেড় লাখ মশা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
The super specialized hospital is starting in December

ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বুধবার বিএসএমএমইউ-তে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
পর্যালোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনে দেশের প্রথম এই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রুত চালু করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করতে হবে।’

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বিশ্বমানের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। এটি যাতে বিশ্বমানের আদলে চালু করা যায় সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ভারতের এমইএস ও সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনে দেশের প্রথম এই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রুত চালু করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করতে হবে।’

উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দেশের রোগীদের স্বার্থে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রত চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সব কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। হাসপাতালটি যাতে বিশ্বমানের আদলে চালু করা যায় সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ভারতের এমইএস ও সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।’

উপাচার্য জানান, করোনা মহামারির কারণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে যথাসময়ে না আসায় হাসপাতালে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। তবে আশা করছি, যেভাবে কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে এই বিজয়ের মাসেই দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হবে।

সভায় জানানো হয়, শুরুতে দিকে ওপিডি ও ল্যাব সার্ভিস চালু করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে হাসপাতালের কার্ডিওভাসকুলার ও স্ট্রোক সেন্টার, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ সেন্টার, কিইন ডিজিজেস ও ইউরোলজি সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি, প্যানক্রিয়েটিক, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল কেয়ার ট্রমা সেন্টারসহ বিভিন্ন সেন্টার চালু করা হবে।

আরও পড়ুন:
‘শিশুদের হাতে মোবাইল দেয়া যাবে না’
বিএসএমএমইউতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি দল
বিএসএমএমইউ গবেষণা দিবসে নানা আয়োজন
বিএসএমএমইউতে ভাঙারির নামে ‘পুকুরচুরি’
বিএসএমএমইউ-তে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফল এখন অনলাইনে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona infection decreased by 12 in 24 hours

করোনা সংক্রমণ কমেছে, ২৪ ঘণ্টায় ১২ শনাক্ত  

করোনা সংক্রমণ কমেছে, ২৪ ঘণ্টায় ১২ শনাক্ত   ২৪ ঘন্টায় ১২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই হার শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৭ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ১২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই হার শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৭ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৩ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৯ জন।

২০২০ সালের মার্চে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা শনাক্ত শূন্যের কোটায়
করোনার বুস্টার ডোজ ক্যাম্পেইন শুরু শুক্রবার
করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১
করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona detection is near zero

করোনা শনাক্ত শূন্যের কোটায়

করোনা শনাক্ত শূন্যের কোটায় করোনার সংক্রমণ কমে আসছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ঘুরছে শূন্যের কোটায়। কার্যত পঞ্চম ঢেউয়ে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এ সময় করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৩ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছে ৬৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩০ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১
করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩
করোনায় ফের মৃত্যু, শনাক্ত তলানিতে
করোনায় শনাক্ত ১৯, মৃত্যু নেই

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona booster dose campaign started on Friday

করোনার বুস্টার ডোজ ক্যাম্পেইন শুরু শুক্রবার

করোনার বুস্টার ডোজ ক্যাম্পেইন শুরু শুক্রবার ফাইল ছবি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চতুর্থ ডোজের একটি গাইডলাইন দিয়েছে। চতুর্থ ডোজও পাইপলাইনে আছে। জাতীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা সেটা সবার সামনে তুলে ধরব।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাত দিনব্যাপী দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে শুক্রবার। ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে শরিক হয়ে টিকা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় টিকা সংক্রান্ত কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি।

রাজধানীর মহাখালীতে ইপিআই কার্যালয়ে বুধবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন ছিল ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে হবে। আমরা পাঁচ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকে টিকা দিচ্ছি। এ পর্যন্ত দেশের মোট জনসংখ্যার ৮৭ ভাগ প্রথম ডোজ ‌ও ৭৩ ভাগ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছে।

‘যারা প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন তাদেরকে সাত দিনব্যাপী ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকা দেয়া হবে। বিজয়ের মাসকে সামনে রেখে আমরা ১ থেকে ৭ ডিসেম্বর এই টিকাদান কর্মসূচির আয়োজন করেছি।

‘সারাদেশের প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, জেলা হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজে ক্যম্পেইন চলবে। ক্যাম্পেইনে শুধু দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ দেয়া হবে।’

ডা. শামসুল হক বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৯০ লাখ মানুষকে টিকা দেয়ার। কেন্দ্র থাকবে ১৫ হাজার ৯৮৪টি। টিম থাকবে ১৭ হাজার। ভ্যাক্সিনেটর থাকবে ৩৪ হাজার।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চতুর্থ ডোজের একটি গাইডলাইন দিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেটা কিভাবে দেয়া তা জানিয়ে দেয়া হবে। তবে আমরা জোর গলায় বলতে পারি, চতুর্থ ডোজও পাইপলাইনে আছে। জাতীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা সেটা সবার সামনে তুলে ধরব।’

আরও পড়ুন:
করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১
করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩
করোনায় ফের মৃত্যু, শনাক্ত তলানিতে
করোনায় শনাক্ত ১৯, মৃত্যু নেই

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Four more deaths due to dengue

ডেঙ্গুতে আরও চার মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও চার মৃত্যু ফাইল ছবি
বুধবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২৬ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ঢাকায় ২৩৯ ও ঢাকার বাইরে ১৮৭ জন। সবশেষ মারা যাওয়া চারজনসহ চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৫৪ জন।

ডেঙ্গুর প্রকোপ থামছেই না। এডিস মশাবাহিত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২৬ জন ডেঙ্গু রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বুধবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চারজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৪।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকায় ২৩৯ ও ঢাকার বাইরে ১৮৭ জন রয়েছেন। এ নিয়ে সারা দেশে এক হাজার ৮০৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে এক হাজার ৪৮ ও ঢাকার বাইরে ৭৫৫ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৭ হাজার ৩৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৬ হাজার ৫০৭ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ২০ হাজার ৮৫১ জন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা এ বছর মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ। আর চলতি নভেম্বর মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯ হাজার ৩৩৪ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৫ হাজার ৩০১ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৫ হাজার ৩০৪ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ৯৯৭ জন।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু
মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি!
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬
ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Got a new taste of motherhood after winning Corona Health Minister

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। ছবি: সংগৃহীত
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন বলেন, ‘অনেক কষ্টের পর সন্তান জন্ম দিয়ে মা যে আনন্দ পান, করোনার মোকাবিলায় আমাদের জয়লাভ সেরকমই আনন্দের।’

কষ্টের পর সন্তান জন্মদানের পর মায়ের যে আনন্দ, করোনা জয়ের আনন্দ ঠিক তেমন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।

রাজধানীর হোটেল রেডিসনে কোভিড যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘কোভিডের সময় অনেক ডাক্তার, নার্স নিয়োগ দিতে হয়েছে। সেন্ট্রাল আইসিইউ-র ব্যবস্থা করতে হয়েছে। শুরুতে শুধু একটা ল্যাব ছিল। এখন সরকারি ও বেসরকারিভাবে ৮০০টি ল্যাব রয়েছে। সমালোচনা সহ্য করে কোভিড যোদ্ধারা নিরলস কাজ করে গেছেন। এ জন্যই আমরা জয় পেয়েছি।

‘অনেক কষ্টের পর সন্তান জন্ম দিয়ে মা যে আনন্দ পান, করোনার মোকাবিলায় আমাদের জয়লাভ সে রকমই আনন্দের।’

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় নয় বছর কাজ করছেন জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের কোভিড যুদ্ধের মোকাবিলা করতে হয়েছে। সে সময় অনেক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অথচ আমরা তখন জানতামই না কীভাবে এর চিকিৎসা করতে হয়।

‘একটা সময় এমন গেছে যে আমরা ভ্যাকসিন পাইনি। তখন প্রধানমন্ত্রীকে বললাম আমাদের সিরিঞ্জ নেই। সেগুলো আনতে প্লেন লাগবে। তিনি সেটার ব্যবস্থা করে দিলেন। কোনো কোনো জায়গায় নৌকায় করে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। পাহাড়ি রাস্তায় পায়ে হেঁটেও পৌঁছে দেয়া হয়েছে ভ্যাকসিন। তারপরও কার্যক্রম বন্ধ ছিল না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিভিন্ন অংশীদার, আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশ আমাদের ভ্যাকসিন দিয়েছে। জাতিসংঘ আমাদের সহায়তা করেছে। অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। সবার সহযোগিতায় আমরা কাজ করেছি।’

করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যের অন্যান্য কাজ চলমান রাখা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। আমরা এই খাতকে আরও উন্নত করতে চাই।’

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমেরিটাস অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘কোভিডে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়েছি। অনেকের অনেক ত্যাগের পর আমরা কোভিড মোকাবিলায় আজ সফল। আমেরিকার ফ্লোরিডাতে এক ডাক্তার আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, বাংলাদেশে এত সুন্দরভাবে কীভাবে মোকাবিলা করলো। আমার উত্তর ছিল মহান আল্লাহই বাঁচিয়েছেন। আর সায়েন্টিফিক্যালি বলতে গেলে প্রত্যেক কাজের ক্ষেত্রে সৈন্যদের গাইড করার জন্য একজন প্রধান থাকেন। তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তার নির্দেশনা এবং পরিকল্পনায় আমরা সফল হতে পেরেছি।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খুরশিদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধিনতা চিকিৎসা পরিষদের (স্বাচিপ) সদস্যারা, (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

আরও পড়ুন:
১০ দিন পর করোনায় আবার মৃত্যু
করোনা শনাক্ত কমে ৪৮
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৫৪
সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি ১০০, বেসরকারিতে ৩০০
আ.লীগের লাঠি উঠলে বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
1 death detected in Corona 11

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১ কমেছে করোনা শনাক্তের হার। ফাইল ছবি
গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬২ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ১১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫২১টি নমুনা পরীক্ষায় ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এই হার শূন্য দশমিক ৭২ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের একজন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৬৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৩ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬২ জন।

২০২০ সালের মার্চে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মন্তব্য

p
উপরে