× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Awareness of the main herbs of high blood pressure
google_news print-icon

উচ্চ রক্তচাপের মূল বটিকা সচেতনতা

উচ্চ-রক্তচাপের-মূল-বটিকা-সচেতনতা
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। কিন্তু এসব রোগের অন্যতম কারণ যে উচ্চ রক্তচাপ, এদিকেই আমাদের নজর কম। শুধু বড় বড় হাসপাতাল দিয়ে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিস সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রতিরোধই এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকার উপযুক্ত উপায়।

বিশ্বে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা অসংক্রামক রোগ বাড়ছে। বাংলাদেশও উচ্চ রক্তচাপের নীরব মহামারির মধ্যে রয়েছে। এ রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে। আর এ জন্য প্রয়োজন নগর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত জনসচেতনতা।

রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্ল্যানার্স কনফারেন্স রুমে বুধবার শেষ হওয়া দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় এমন তথ্য জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর সহায়তায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় আলোচকরা বলেছেন, উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে জনসচেতনতা ও চিকিৎসাসেবা বৃদ্ধির জন্য দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিকে রক্তচাপ পরীক্ষা ও উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উচ্চ রক্তচাপ কী
রক্তচাপ যদি স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক বেড়ে যায় তাহলেই তা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন। একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০ মি.মি. পারদচাপ। রক্তচাপের মাত্রা দুটি ভিন্ন দিনে ১৪০/৯০ মি.মি. পারদচাপ বা তার বেশি হলে বুঝতে হবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। তবে বয়সভেদে রক্তচাপ কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে।

নীরব ঘাতক
বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টিকারী উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। অথচ তারা জানেন না যে এই নীরব ঘাতক দেহে বাসা বেঁধেছে। উচ্চ রক্তচাপ অগোচরেই শরীরের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

অধিকাংশ সময় উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে না। উচ্চ রক্তচাপের কারণে বুকে ব্যথা বা অ্যানজাইনা, হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইল এবং হার্ট বিট অনিয়মিত হওয়ার পাশাপাশি স্ট্রোক হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপের মূল বটিকা সচেতনতা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্ল্যানার্স কনফারেন্স রুমে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

গবেষণা কী বলছে
বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে ২০১৮-এর তথ্য বলছে, দেশে প্রাপ্তবয়স্ক প্রতি পাঁচজনের একজন উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জনগোষ্ঠীর ২১ শতাংশই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এদের মধ্যে ওষুধ খেয়ে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছেন প্রতি সাতজনে একজনেরও কম।

গ্লোবাল বারডেন অফ ডিজিজ স্টাডি ২০১৯-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের প্রধান তিনটি কারণের একটি উচ্চ রক্তচাপ। এখানে বছরে ২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষ হৃদরোগজনিত সমস্যায় মারা যান, যার অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ অসংক্রামক রোগে মারা যায়, যার অর্ধেক হৃদরোগজনিত।

সবার আগে চাই সচেতনতা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, বিশ্বে প্রতি বছর এক কোটির বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপের কারণে মারা যায়। এই সংখ্যা সব সংক্রামক রোগে মোট মৃত্যুর চেয়েও বেশি।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। কিন্তু এসব রোগের অন্যতম কারণ যে উচ্চ রক্তচাপ, এদিকেই আমাদের নজর কম। শুধু বড় বড় হাসপাতাল দিয়ে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিস সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রতিরোধই এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকার উপযুক্ত উপায়।

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞরা স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তারা বলছেন- অতিরিক্ত লবণ না খাওয়া, ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, তামাক ও মদ না খাওয়া, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত ব্যায়াম ও শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়ে সবাইকে সচেতন করতে হবে।

সরকারের পদক্ষেপ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সরকার বেশ কিছু নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে দেশব্যাপী উল্লেখযোগ্য কোনো কর্মসূচি নেই বলে উল্লেখ করেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলেন, বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অনুসরণ করে সরকার দেশে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ২০২৫ সালের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রাদুর্ভাব তুলনামূলকভাবে ২৫ শতাংশ কমানোর জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে সঠিক নিয়মে উচ্চ রক্তচাপ পরীক্ষা, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ এবং উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ও অন্যান্য অসংক্রামক রোগের ঝুঁকির বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।

সব হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসা এবং ওষুধ প্রদান নিশ্চিত করতে এই খাতে সরকারের বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে বলেও জানান তারা।

কর্মশালায় আলোচক ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার (এনসিডি) ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান, ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্টস স্কুল অফ পাবলিক হেলথের সেন্টার ফর নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজ অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মলয় কান্তি মৃধা, জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মো. রূহুল কুদ্দুস, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের।

আরও পড়ুন:
দেশে ৫ জনের ১ জন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত
‘জনসংখ্যার ২১ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে’
ওষুধ বন্ধ করে ঝুঁকিতে উচ্চ রক্তচাপের রোগী
লবণ কম খেলে ‘অর্ধেকে নামবে’ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গাজর খান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Three of the 11 admitted have received clearance from the Burn Institute
বেইলি রোডের আগুন

বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন

বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন বেইলি রোডে গত বৃহস্পতিবার আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনের সামনে উৎসুক লোকজনের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের ঘটনায় আমাদের হাসপাতালে যে ১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, তার মধ্যে আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত আমরা ১১ জনকে ছুটি দিতে পেরেছি। তাদের অবস্থা এই মুহূর্তে ভালো আছে। স্টেবল আছেন তারা এবং ভালো ফিল করছেন। সুস্থ থাকায় তাদের ১১ জনকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।’

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ধরা আগুনে দগ্ধ হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া ১১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালটিতে এখনও চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনজন, যাদের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি রোগীদের অবস্থা জানাতে রোববার প্রতিষ্ঠানটিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম।

বেইলি রোডের ভবনটিতে আগুনে প্রাণহানি হয় ৪৬ জনের। এ ঘটনায় দগ্ধ ১৪ জনকে ভর্তি করা হয় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের ঘটনায় আমাদের হাসপাতালে যে ১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, তার মধ্যে আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত আমরা ১১ জনকে ছুটি দিতে পেরেছি। তাদের অবস্থা এই মুহূর্তে ভালো আছে। স্টেবল আছেন তারা এবং ভালো ফিল করছেন। সুস্থ থাকায় তাদের ১১ জনকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।

‘হাসপাতালে এই মুহূর্তে ভর্তি আছেন তিনজন। এই তিনজনও ইমপ্রুভমেন্টের (উন্নতি) দিকেই আছেন। তাদের আগের শ্বাসককষ্ট, কাশি অপেক্ষাকৃত কম, তবে তারা এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ নন। এদের মধ্যে দুজনের আগে থেকে শ্বাসকষ্ট ছিল এবং আরেকজনের শরীরে কিছু ব্যথা-বেদনা রয়েছে। তো সবকিছু মিলিয়ে তারা পরিপূর্ণ সুস্থ নন বলে এই তিনজনকে এখন পর্যন্ত ভর্তি রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Writ seeking closure of restaurants in residential areas of the capital

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

রাজধানীর বেইলি রোডসহ আবাসিক এলাকাগুলোতে রেস্তোরাঁর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ রোববার রিটটি করেন।

রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ঢাকার আবাসিক এলাকায় বেইলি রোডসহ কোনো রকমের রেস্টুরেন্টসহ বাণিজ্যিক কোনো কর্মকাণ্ড যাতে না করে, তাহা বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা চেয়ে আমি রিট করেছি এবং এই রিটটি আজকে শুনানি করব।’

আরও পড়ুন:
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
After collecting DNA samples the post mortems of the three bodies were completed
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
রমনা থানার এসআই হাবিবুর রহমান শনিবার বিকেলে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক জাকিয়া তাসনিম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। যাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে তারা হলেন- বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী, মিনহাজ উদ্দিন ও অজ্ঞাত যুবক।

রাজধানী বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো নারী সাংবাদিকসহ তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান শনিবার বিকেল ৫টার দিকে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক জাকিয়া তাসনিম (লেকচারার) ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।

যাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে তাদের একজন হলেন বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। ২৬ বছর বয়সী এই তরুণীর পিতা সাহাবুল আলম ওরফে সবুজ শেখ, বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকশা উপজেলার বনগ্রাম গ্রামে। তার মাতা বিউটি বেগম।

তিন বোনের মধ্যে বৃষ্টি ছিলেন সবার বড়। তিনি কুষ্টিয়া মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকায় এসে ইডেনে মহিলা কলেজে দর্শন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। পাশাপাশি ‘দ্য রিপোর্ট’ নামে একটি নিউজ পোর্টালে সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে নারী সাংবাদিক বৃষ্টি খাতুনের বাবা সাহাবুল আলম মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন- এটা আমার মেয়ের মরদেহ। এর পাশাপাশি সনাতন ধর্মের কয়েকজন দাবি করেন যে নিহত ওই সাংবাদিকের নাম বৃষ্টি খাতুন নয়, তার নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী।

‘নাম-পরিচয় নিয়ে বিতর্কের এক পর্যায়ে রমনা কালী মন্দিরের সভাপতি শুক্রবার রাতে রমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মেয়েটি সনাতন ধর্মের। তার নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। সে প্রায় সময় রমনা কালীমন্দিরে পূজো দিত। তার বাড়ি ভারতে।’

এসআই হাবিবুর আরও বলেন, ‘বৃষ্টির কপাল ঝলসানো ছিল। গলায় তুলসির মালা ও বাম হাতে লাল সুতা বাঁধা ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে। মরদেহ নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখন আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।’

হাবিবুর রহমান জানান, এছাড়া আগুনের ওই ঘটনায় প্রাণ হারানো কে এম মিনহাজ উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার পিতা মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ খান মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদরের গাছতলা গ্রামে দাফন করার জন্য নিয়ে যান। ২৬ বছর বয়সী মিনহাজ রাজধানীর বাসাবো খেলার মাঠ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি কম্পিউটার সফটওয়্যারের কাজ করতেন।

ময়নাতদন্ত শেষে অজ্ঞতনামা অপর যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী এই তরুণের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পরিচয় খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
নীলক্ষেতে গাউসুল আজম মার্কেটে আগুন

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Letter to mark and seal dangerous buildings

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সিলগালা করতে চিঠি

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সিলগালা করতে চিঠি রাজউক ভবন। ফাইল ছবি
রাজধানীতে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন কতগুলো রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে সিলগালা করে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় কারা দায়ী তা জানতে চেয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

শনিবার আইনজীবী এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া এ চিঠি দেন।

চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কেজি কটেজ ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন, ভবনটি যে ধরনের বাণ্যিজিকভাবে জন্য ব্যবহার হয়েছে তার অনুমোদন ছিল না এবং ভবনের সিঁড়ি নিয়ম অনুযায়ী তৈরি হয়নি। ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে বারবার ভবনের এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও কেন কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

চিঠিতে তিনি বলেন, এ বিষয়গুলোর ব্যাপারে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল সেটির সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। ঘটনায় যাদের দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে তাদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া, রাজধানীতে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন কতগুলো রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে সিলগালা করে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এই চিঠির একটি অনুলিপি গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সচিব, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Remand 4 along with Kacchi Bhais manager and owner of Tea Chumuk
বেইলি রোড ট্রাজেডি

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪ আগুনে পুড়েছে ভবনটি, প্রাণ গেছে বহু মানুষের। ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় কাচ্চি ভাইয়ের ব্যবস্থাপক ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

শনিবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছার মিলটন তাদের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড প্রাপ্তরা হলেন- কাচ্চি ভাইয়ের ব্যবস্থাপক জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ মহিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভবনটিতে থাকা চুমুক নামের একটি খাবার দোকানের দুই মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই নামের পর একটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক জয়নুদ্দিন জিসানকে আটক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও একজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ভয়াবহ ওই আগুনের ঘটনায় প্রাণ হারানো ৪৬ জনের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮টি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
কক্সবাজারের পথে কাস্টমস কর্মকর্তা, স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ
বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Bailey Road fire case

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা আগুনে পুড়েছে ভবনটি, প্রাণ গেছে বহু মানুষের। ফাইল ছবি
ডিএমপি রমনা জোনের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ সালমান ফার্সী জানান, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে জড়িতদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পুলিশ বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ সালমান ফার্সী শনিবার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে আগুনের ঘটনায় জড়িতদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

এর আগে শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ মহিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভবনটিতে থাকা চুমুক নামের একটি খাবার দোকানের দুই মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই নামের পর একটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক জয়নুদ্দিন জিসানকে আটক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও একজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ভয়াবহ ওই আগুনের ঘটনায় প্রাণ হারানো ৪৬ জনের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮টি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
বেইলি রোডে আগুন: আরও তিনজনের মরদেহ হস্তান্তর

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Abhishruti or rain bodies are taken from the burn for DNA test
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে

ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
রমনা থানার ওসি বলেন, ‘রমনা কালীমন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিসেবে মেয়েটির মরদেহের সৎকার করার জন্য। তবে মেয়েটির দুটি নাম নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাই ডিএনএ টেস্টের পরই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’

নাম-পরিচয় জটিলতায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মর্গে পড়ে আছে রাজধানীর বেইলী রোডের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নারী সাংবাদিকের মরদেহ। বৃষ্টি খাতুন নাকি অভিশ্রুতি শাস্ত্রী- এ নিয়ে ধোঁয়াশা না কাটায় শনিবার বিকেল পর্যন্ত তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়নি।

ডিএনএ পরীক্ষার পর অভিভাবকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ অবস্থায় মরদেহ নিতে এসে বিপাকে পড়েছেন তার বাবা সাবুরুর আলম সবুজ।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ওই নারী সাংবাদিকের আসল নাম বৃষ্টি খাতুন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম পশ্চিমপাড়ায়।

এদিকে অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইডেন কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং চাকরির জন্মবৃত্তান্তে বাবা-মা সম্পর্কে নানা তথ্য দেয়া থাকলেও স্থায়ী ঠিকানা সব জায়গায় একই উল্লেখ করা আছে।

সবুজ বলেন, ‘আমার মেয়ের আসল নাম মোছা. বৃষ্টি খাতুন। সে লেখালেখিতে অভিশ্রুতি নাম ব্যবহার করতে চেয়েছিলো। কিন্তু সে আমারই মেয়ে।’

বার্ন ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ নিউজবাংলাকে জানায়, ‘বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে একটি মরদেহই এখানে মর্গে ছিল। সেটি পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া মেয়েটির। মরদেহ ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকা মেডিক্যালের ফরেনসিক বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

এদিকে রমনা কালীমন্দিরের পক্ষ থেকে রমনা থানায় মেয়েটিকে সনাতন ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী সৎকার করার আবেদন করা হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন রমনা থানার ওসি।

তিনি বলেন ‘রমনা কালীমন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিসেবে মেয়েটির মরদেহের সৎকার করার জন্য। কারণ তারা তাকে অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামেই চেনেন।

‘কিন্তু মেয়েটির দুটি নাম নিয়ে জটিলতা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাই আমরা ডিএনএ টেস্ট করবো। পরিচয় মিললে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’

ওসি বলেন, ‘মন্দির কর্তৃপক্ষের কেউ ডিএনএ টেস্ট করার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এটা আমরা করবো।’

প্রসঙ্গত, নিহত নারী সাংবাদিকের নাম-পরিচয় নিয়ে বিভ্রাট সৃষ্টির বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার নিউজবাংলায় ‘অভিশ্রুতি নাকি বৃষ্টি, মারা যাওয়া মেয়েটি আসলে কে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।

আরও পড়ুন:
বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন
আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে

মন্তব্য

p
উপরে