× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
The countrys first super specialized hospital started its journey
google_news print-icon

সব চিকিৎসাসেবা নিয়ে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু

সব-চিকিৎসাসেবা-নিয়ে-সুপার-স্পেশালাইজড-হাসপাতাল-চালু
দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল ভবন। ছবি: ফোকাস বাংলা
অত্যাধুনিক চিকিৎসেবা দিতে হাসপাতালটিকে ৫টি স্পেশালাইজড সেন্টারে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো ইমার্জেন্সি ও ট্রমা সেন্টার, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি অ্যান্ড প্যানক্রিয়েটিক ডিজিজ, হেপাটোলজি অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার, কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এতে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে পারবে তিন হাজার রোগী।

সব জটিল রোগের চিকিৎসা এক ছাদের নিচ থেকে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করল দেশের প্রথম বিশ্বমানের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

এর মধ্য দিয়ে চিকিৎসাসেবায় ভোগান্তি কমার পাশাপাশি বিদেশমুখী রোগীর সংখ্যা কমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজধানীর শাহবাগে বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান।

দক্ষিণ কোরিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় নির্মিত হাসপাতালটির শয্যাসংখ্যা ৭৫০। এর মধ্যে আছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ ১০০টি আইসিইউ ও ১০০টি ইমার্জেন্সি বেড।

হাসপাতালটিতে রয়েছে ৯টি ফ্লোর ও তিনটি বেজমেন্ট। হাসপাতালে থাকছে আইটি বেইজড, মাল্টিডিসিপ্লিনারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস।

অত্যাধুনিক চিকিৎসেবা দিতে এই হাসপাতালকে ৫টি স্পেশালাইজড সেন্টারে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো ইমার্জেন্সি ও ট্রমা সেন্টার, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি অ্যান্ড প্যানক্রিয়েটিক ডিজিজ, হেপাটোলজি অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার, কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এতে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে পারবে তিন হাজার রোগী।

এই হাসপাতালে আন্তর্জাতিক মানের মডিউলার অপারেশন থিয়েটার রয়েছে ১১টি। সেখানে উন্নত মানের সার্জারিসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হবে। সুবিস্তৃত লবি, রিসেপশনের সঙ্গে আরও রয়েছে সম্মেলন কক্ষ।

এই হাসপাতালের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে কোনো রোগী চিকিৎসা নিতে এলে তাকে অন্য কোথাও যেতে হবে না। কারণ হাসপাতালের ভেতরে রয়েছে একটি কনভেনিয়েন্স শপ, ব্যাংকিং সুবিধা, ফার্মেসি, ৩৫০ সিটের উন্নত কিচেনের আওতায় তিনটি ক্যাফেটেরিয়া।

উন্নত লন্ড্রি হাউসসহ কার পার্কিংয়ের সুবিধাও রাখা হয়েছে। এতে একটি ভিআইপিসহ ১৬টি এলিভেটর, একটি এস্কেলেটর, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাপনা, হিটিং, ভ্যান্টিলেশন, এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম, সিসিটিভি ক্যামেরাও রয়েছে, যা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

হাসপাতালটিতে আরও রাখা হচ্ছে ‘মেগা হসপিটাল ইনফরমেশন সিস্টেম’, যার আওতায় রোগীদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

বিশ্বমানের এই হাসপাতালটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই অর্থের এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। সরকার দিয়েছে ৩৩০ কোটি টাকা। আর অবশিষ্ট ১৭০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে বিএসএমএমইউ।’

তিনি জানান, এই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটিতে ভিভিআইপি ও ভিআইপি কেবিনসহ রাখা হয়েছে অন্যান্য আইসোলেটেড কেবিন। আছে সব ধরনের আইসিইউ ও সিসিইউ। হাসপাতালটি চালু হলে রোগীরা দেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসেবা পাবেন। ফলে চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীদের দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।

তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষ দেশের বাইরে চিকিৎসা করাতে যান। এতে ব্যয় প্রায় ৪০০ কোটি ডলার। এই হাসপাতালটির মধ্য দিয়ে ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি সাশ্রয় হবে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় আরেকটি মাইলফলক অর্জিত হলো। এই হাসপাতালটির মাধ্যমে দেশে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত হবে। সব ধরনের জটিল চিকিৎসার ব্যবস্থা এই হাসপাতালে রয়েছে। বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Started working on decentralization of healthcare Health Minister

স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ছবি: নিউজবাংলা
পিএইচএর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণে দেশে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে।’

স্বাস্থ্যসেবা শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়, এর পরিধি গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেটাই চান।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমাদের স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে কাজ করতে হলে চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধাগুলোও ভাবতে হবে। নার্সদের নিয়ে আমাদের আরো পরিকল্পনা করতে হবে।

‘আজকের এই আয়োজন প্ল্যানেটারি হেলথ অ্যাকাডেমিয়া সরকারের কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। এই প্রগ্রাম শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘চিকিৎসা প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলি শুধু আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করবে না, বরং আমাদের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সম্মিলিত অভিজ্ঞতাকেও সমৃদ্ধ করবে। দেশে এবং দেশের বাইরে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’

পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪-এ দুই হাজারের বেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এতে স্পিকার হিসেবে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৫০ জন চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং দেশের ১০০ জনেরও অধিক খ্যাতিমান চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ।

নয় দিনের এ সম্মেলনে থাকছে ৩০টির বেশি কোর্স এবং সাইন্টিফিক সেশন। দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন শুধু বাংলাদেশে নয়, দক্ষিণ এশিয়ায়ই প্রথম।

পিএইচএ গ্লোবাল প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়ার (পিএইচএ) চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের সিইও ডা. মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিএইচএর ট্রাস্টি ডা. নাসির খান।

সভাপতির বক্তব্যে পিএইচএর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণে দেশে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে।

‘আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে মিলে কারিকুলাম উন্নয়নের চেষ্টা করছি। আশা করি, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে একটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’

সম্মেলনে রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস লন্ডন, রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এডিনবার্গ, রয়েল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্ট, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন, ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন, আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজির প্রেসিডেন্টগণও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কৃতরা হলেন- রংপুর মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ বায়েজিদ সরকার ও সজিব মিয়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের পলাশ হোসেন, পাবনা মেডিক্যাল কলেজের তাহসিন আহমেদ আলভী ও রংপুরের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের মাহবুব আলম।

এছাড়া, ২০২৩ সালে শিক্ষা, চিকিৎসা শাস্ত্রে, স্বাস্থ্য সেবা তথা জনস্বার্থে বিশেষ অবদানের জন্য ৮ জন চিকিৎসককে সম্মানসূচক ফেলোশিপ দিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস।

ফেলোশিপ পাওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকগণ হলেন- ডা. সারাহ ক্যাথরিন ক্লার্ক, অধ্যাপক টিমোথি গ্রাহাম, ডা. রানী ঠাকুর, ডা. ফ্রাজ মীর, ডা. রোয়ান বার্নস্টেইন, অধ্যাপক ডেভিড ট্যাগার্ট, ডা. জগৎ নরুলা এবং ডা. সার্জিও লারাচ।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার
অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ না করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদেশিরাও শিগগিরই দলে দলে চিকিৎসা নিতে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Road blockade in protest against Swachips attempt to form a pocket committee in Barisal

বরিশালে স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ গঠন চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

বরিশালে স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ গঠন চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ


বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘২৬ বছর পর বরিশালে স্বাচিপের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তবে সেই ২৬ বছর আগে যারা কমিটিতে ছিল, তারাই জামায়াত-বিএনপির লোকজন নিয়ে ছাত্রলীগের সহযোদ্ধাদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা কঠোরতর আন্দোলনে যাব।’

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন এবং ‘পকেট কমিটি’ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছেন শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

হাসপাতালের সামনে বৃহস্পতিবার রাতে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক‌্যাল কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ মিছিল করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ মানি না স্লোগান দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ইন্টার্ন হল থেকে মিছিল শুরু করে। বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আসে। পরে তারা হাসপাতালের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে স্বাচিপের সম্মেলন ও কমিটি নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সড়কে ২০ মিনিট অবস্থান করে কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে এসে বিক্ষোভ মিছিল শেষ করেন।

মিছিলে ৫০ থেকে ৬০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং মেডিক‌্যালের ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ইমরান হোসাইন বলেন, ‘১৯৯৮ সালে স্বাচিপের বরিশালের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপর থেকে কোনো কমিটি হয়নি। কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে।

‘এ উদ্যোগের খবর জানতে পেরে আমরা উজ্জীবিত হয়েছি, কিন্তু শুনতে পাচ্ছি সম্মেলনের নামে পকেট কমিটি গঠন করা হবে। এতে বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকেও রাখা হবে।’

ডা. ইমরান বলেন, ‘আমরা চাই ছাত্রলীগের সাবেক নেতা-কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হোক। যারা দুর্দিনে সংগঠনের হাল ধরেছিল।’

ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘২৬ বছর পর বরিশালে স্বাচিপের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তবে সেই ২৬ বছর আগে যারা কমিটিতে ছিল, তারাই জামায়াত-বিএনপির লোকজন নিয়ে ছাত্রলীগের সহযোদ্ধাদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা কঠোরতর আন্দোলনে যাব।’

স্বাচিপের বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি ডা. কামরুল হাসান সেলিম সাংবাদিকদের জানান, বরিশাল ক্লাব মিলনায়তনে ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বাচিপের বিভাগীয় সম্মেলন হবে। এতে স্বাচিপের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

তিনি জানান, সম্মেলনে বিভাগের ছয় জেলা ও বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ ইউনিট কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা হবে। কমিটি গঠন হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নেতারা নেবেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
JS Diagnostic Center has been closed by the Health Department
খতনা করতে শিশুর মৃত্যু

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খতনা করাতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
খতনা করতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় ইতোমধ্যে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খতনা করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আহনাফ তাহমিন আয়মান নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মঈনুল আহসান (পরিচালক হাসপাতাল) মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসে হাসপাতালটির যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।

এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘কিছুদিন আগেও এমন একটি ঘটনা আমরা লক্ষ্য করেছি। সে ঘটনায় আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিয়েছি। তারপরও যারা সতর্ক হতে পারেনি, এরকম আর কারও কোনোরকম দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘দোষী প্রমাণিত হলে শুধু স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বিরুদ্ধে নয়, দায়িত্বে অবহেলাকারীদেরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। চিকিৎসায় অবহেলা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে ঘটে যাওয়া আরেক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেও একটি বিবৃতি দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি জানান, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে এন্ডোস্কপি করাতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল (২০ ফেব্রুয়ারি) সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরিদর্শন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট আগামীকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) হাতে আসবে। রিপোর্ট দেখে সে বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, খতনা করতে গিয়ে মারা যাওয়া শিশু আহনাফের বাবার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার থেকে একজন পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে রোববার মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে খতনা করাতে গিয়ে ফের শিশুর মৃত্যু, ২ চিকিৎসককে রিমান্ডে চায় পুলিশ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Khandaker Musharraf returned home after treatment

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন খন্দকার মোশাররফ

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন খন্দকার মোশাররফ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ফাইল ছবি
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ব্রেইনে অপারেশন হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক তাকে আগামী ছয় মাস কোনো ধরনের জনসমাগম ও কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মঙ্গলবার রাত ১টায় ঢাকায় পৌঁছান তিনি।

সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে গুলশানের বাসায় ৬ মাস বিশ্রামে থাকবেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মোশাররফ স্যারের ব্রেইনে অপারেশন হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক তাকে আগামী ছয় মাস কোনো ধরনের জনসমাগম ও কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১৬ জুন দলীয় পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন ড. মোশাররফ। প্রথমে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর ২৭ জুন সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি।

দু’মাসের বেশি সময় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন খন্দকার মোশাররফ। এরপর আবার অসুস্থ হলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতাকে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি তাকে আবারও সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ আইসিইউতে
সরকারের বিদায় সময়ের ব্যাপার মাত্র: মোশাররফ
দেশ সংকটকাল অতিক্রম করছে: মোশাররফ
সরকারের পতন ঘটানো হবে: মোশাররফ
কর্মসূচি পেছানো নমনীয়তা নয়, গণতান্ত্রিক চরিত্র: বিএনপি

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Red Alert will be unveiled at the book fair

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে সোমবার ‘রেড এলার্ট’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও সিইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাতসহ অন্যরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি) এবং ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবার যৌথ গবেষণার ফল হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে ‘রেড এলার্ট’। স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য লেখা নন-কমিউনিকেবল ডিজিস-এর ওপর রচিত এমন বই বাংলাদেশে এটিই প্রথম।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নন-কমিউনিকেবল ডিজিস (অসংক্রামক ব্যাধি) নিয়ে লেখা বই ‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে অমর একুশে বইমেলায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর ৮৯৫ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি।

রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলের বলরুমে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় নন-কমিউনিকেবল ডিজিস, ডায়েটারি হেবিটস ও লাইফস্টাইল ইন বাংলাদেশ-এর ওপর লিখিত ‘রেড এলার্ট’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ- এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি) এবং ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা-এর যৌথ গবেষণার ফল হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে বইটি। স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য লেখা নন-কমিউনিকেবল ডিজিস-এর ওপর রচিত বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রথম বই এটি।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত তার বক্তব্যের শুরুতেই ‘রেড এলার্ট’ গ্রন্থ প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি এই বই থেকে তথ্য নিয়ে কিভাবে নীতি-নির্ধারণ পর্যায়ে প্রয়োগ করা যায় সে বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা খতিয়ে দেখবেন।’

প্রতিমন্ত্রী বইয়ের প্রচ্ছদ ও গুণগতমান নিয়ে প্রশংসা করে বলেন, ‘এরকম আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কাজ আমাদের আরও বেশি করে করতে হবে, যাতে গবেষণায় আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারি।’

ভবিষ্যতে এ ধরনের গবেষণামূলক কাজে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানেরও আশ্বাস দেন তিনি।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

প্রতিমন্ত্রী আরাফাত বলেন, ‘এই প্রকাশনাটি কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর গবেষণার ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী শিক্ষা গবেষণায় সেতুবন্ধন তৈরিতে বিশ্বাসী। এই উদ্দেশ্যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এ বছরের শেষের দিকে কানাডার অন্টারিও ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. রিতা কলওয়েল অনুষ্ঠানে গেস্ট অফ অনার হিসেবে বক্তব্য দেন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে কানাডিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র ট্রেড কমিশনার মিসেস দেবরা বয়েছ ও বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল-এর চেয়ারম্যান ড. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

বইটি সম্পাদনার মূল ভূমিকায় রয়েছেন সিইউবি’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক গিয়াস ইউ আহসান। সম্পাদক হিসেবে তার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা, কানাডা-এর অধ্যাপক ড. সি এমদাদ হক এবং নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম আনিসুল ইসলাম।

বইটির সম্পাদক কী-নোট স্পিকার সিইউবি উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. গিয়াস ইউ আহসান তার বক্তব্যে বলেন, ‘স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে বইটি সহসাই ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পাবে। আশা করি গুরুত্বপূর্ণ বই হিসেবে অভাবনীয় জনপ্রিয় হয়ে এটি।’

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

প্রসঙ্গত, বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা এবং সিএনআরএস।

‘রেড এলার্ট’ বইটি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলমান অমর একুশে বইমেলায় মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর ৮৯৫ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
বসন্ত আর ভালোবাসার দিনের অপেক্ষায় বইমেলা
মেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বইয়ের কাটতি বেশি
মেলায় দর্শনার্থীরা খুঁজছেন মুক্তিযুদ্ধের বইও
শুক্রবারের বইমেলায় জনসমুদ্র
বইমেলায় শুক্র-শনির অপেক্ষা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
IEDCR at Ramek Hospital to find out the cause of death of two children

দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে রামেক হাসপাতালে আইইডিসিআর

দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে রামেক হাসপাতালে আইইডিসিআর আইইডিসিআরের একটি প্রতিনিধি দল সোমবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করে। ছবি: নিউজবাংলা
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহমেদ বলেন, ‘মৃত দুই শিশু ও তারা বাবা মা কী রোগে আক্রান্ত, তার সঠিক কারণ বের করতে আইইডিসিআর অধিকতর তদন্তের জন্য এখানে এসেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করতে তারা কাজ করছে। ঢাকায় পাঠানো আগের নমুনা পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।’

রাজশাহীতে বরই খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে তিন দিনের ব্যবধানে দুই বোনের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

প্রতিষ্ঠানটির একটি প্রতিনিধি দল সোমবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

এদিকে প্রাণ হারানো দুই শিশুর মা ও বাবাকে রামেক হাসপাতাল থেকে ছুটি দেয়া হয়েছে। তারা বাড়িতে আইসোলেশনে থাকবেন।

অসুস্থতার লক্ষণ দেখে দুই শিশুর মারা যাওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল নিপাহ ভাইরাসের কারণে তারা প্রাণ হারাতে পারে, তবে নমুনা পরীক্ষার পর আইইডিসিআর জানিয়েছে, নিপাহ ভাইরাসে নয়, অন্য কোনো কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

বরই খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে মারিশা ও মাশিয়ার মৃত্যুর পর তাদের নমুনা পাঠানো হয় ঢাকায় আইইডিসিআরে। দুই শিশুর মৃত্যুর পরে তাদের বাবা-মাকে হাসপাতালের নিপা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়।

আইইডিসিআর থেকে রোববার সন্ধ্যায় জানানো হয়, এ দুই শিশু নিপাহ ভাইরাসে মারা যায়নি। অন্য কোনো কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

অন্য কোন কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, এটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য কাজ শুরু করেছে সংস্থাটি। সোমবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আসা আইইডিসিআরের তিন সদস্যের তদন্ত দল শিশুদের বাবা মিজানুর রহমান ও মা পলি খাতুনের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই শিশু ও তাদের বাবা-মায়ের রোগের কেস হিস্ট্রির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন তারা। এ ছাড়া মৃত দুই শিশুর নমুনাও সংগ্রহ করে প্রতিনিধি দল।

পরে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহমেদ বলেন, ‘মৃত দুই শিশু ও তারা বাবা মা কী রোগে আক্রান্ত, তার সঠিক কারণ বের করতে আইইডিসিআর অধিকতর তদন্তের জন্য এখানে এসেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করতে তারা কাজ করছে। ঢাকায় পাঠানো আগের নমুনা পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

‘এ ছাড়া মৃত শিশুদের পাকস্থলির খাবারের নমুনা হাসপাতালে সংরক্ষণ করে রাখা আছে। পাকস্থলি ঢাকায় পাঠিয়ে বিষক্রিয়া ছিল কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।’

এদিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ওই দুই সন্তানের বাবা-মায়ের গতকাল জ্বর ছিল। আল্লাহর রহমতে আজকে আর জ্বর নেই।

‘যেহেতু কোনো ভাইরাস এখনও শনাক্ত করা যায়নি, সেহেতু তাদের নিজ বাসাতেই আইসোলেশনে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও আজকেই রিলিজ দেয়ার জন্য বলেছি।’

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার বিকেলে মারা যায় মাশিয়া। গত বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় তার ছোট বোন মারিশা। পরে শিশুদের বাবা-মাকে হাসপাতালের নিপাহ আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

প্রাণ হারানো দুই শিশুর মধ্যে মুনতাহা মারিশার বয়স ২ ও মুফতাউল মাশিয়ার বয়স ৫ বছর। তারা রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানের সন্তান।

মনজুর রহমান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। স্ত্রী পলি খাতুন ও সন্তানদের নিয়ে রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে থাকতেন তিনি।

আরও পড়ুন:
সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যা: পুত্র ও পুত্রবধূর মৃত্যুদণ্ড
জন্মের দুই ঘণ্টায় নিবন্ধন সনদ পেল শিশু
কুড়িগ্রামে বিয়ের দাওয়াতে এসে ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু
তালাবদ্ধ ঘরে আগুনে পুড়ে শিশুর মৃত্যু
রাজশাহীতে রেলওয়ে স্টেশনে মারধরে আনসার সদস্যের মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Nipah virus is not the cause of death of two children in Rajshahi

রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়  

রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়   শিশু দুটির মৃত্যুর পর মা-বাবাকে রামেক হাসপাতালে নিপা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশু দুটির নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে আইইডিসিআর। এরপরই এই ভাইরাস সম্পর্কে জানা যাবে। তার আগে পর্যন্ত শিশু দুটির বাবা-মাকে হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হবে।’

রাজশাহীতে গাছতলায় কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে তিন দিনের ব্যবধানে মারা যাওয়া দুই বোনের মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়। নমুনা পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে যে, নিপাহ ভাইরাসে তাদের মৃত্যু হয়নি। তবে মৃত্যুর কারণ জানতে আরও সময় লাগবে।

মারা যাওয়া শিশু দুটি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানের সন্তান। ওদের মধ্যে মুনতাহা মারিশার বয়স দুই বছর। আর মুফতাউল মাশিয়ার বয়স পাঁচ বছর।

এদিকে শিশু দুটির মৃত্যুর পর ওদের বাবা-মাকেও হাসপাতালের বিশেষ ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

মনজুর রহমান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তার স্ত্রীর নাম পলি খাতুন। তারা রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে থাকেন।

এদিকে মৃত্যুর কারণ জানতে দুই শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় ঢাকায়। ওদের বাবা-মায়ের নমুনাও পাঠানো হয়।

নমূনা পরীক্ষার পর আইইডিসিআর যে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, রাজশাহীতে বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নিপাহ ভাইরাসে হয়নি। অন্য কোনো অজানা ভাইরাসের কারণে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে, ঠিক কী কারণে মারা গেছে সেটি জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস রোববার সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশু দুটির নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অজানা এই ভাইরাস নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে আইইডিসিআর। এরপরই এই ভাইরাস সম্পর্কে জানা যাবে।

‘ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী পরীক্ষা করতে সময় লাগে। এক্ষেত্রে ৭ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।’

ডা. শংকর বলেন, ‘শিশু দুটির বাবা-মা আইসোলেশনে থাকবেন। ভাইরাস নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আপাতত তারা হাসপাতালেই থাকবেন।’

রামেক হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার মো. মনিরুজ্জামান জানান, মারা যাওয়া শিশু দুটির বাবা-মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। কিন্তু মানসিকভাবে তারা খুব খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে আছেন।’

প্রসঙ্গত, গাছতলায় পড়ে থাকা বরই কুড়িয়ে খেয়েছিল এই দুই শিশু। রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার বিকেলে মারা যায় বড় বোন মাশিয়া। এর আগে বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় ছোট বোন মারিশা। পরে শিশু দুটির বাবা-মাকে হাসপাতালের নিপা আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এদিকে দ্বিতীয় মেয়ে মারা যাওয়ার পর আইসোলেশনে নিয়ে আসায় মেয়ের জানাজাতেও যেতে পারেননি তারা। বিকেলে স্বজনদের মাধ্যমে মাশিয়ার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে মরদেহ দাফন করা হয়। বুধবার মারিশার দাফনও সেখানেই হয়েছে।

মনজুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার কোয়ার্টারের পাশে কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল মারিশা আর মাশিয়া। বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। পরে রাজশাহী সিএমএইচে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

‘এরপর শুক্রবার মাশিয়ারও জ্বর এলে রাজশাহীতে সিএমএইচে নিয়ে আসি। মাশিয়ারও পুরো শরীরে ছোট কালো দাগ উঠতে থাকে। চিকিৎসকেরা সেখান থেকে আমার মেয়েকে রামেক হাসপাতালে পাঠান। রাতে রামেক হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে মাশিয়াও মারা যায়।’

আরও পড়ুন:
কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

মন্তব্য

p
উপরে