× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
4 deaths in one day due to dengue in hospital 345
hear-news
player
print-icon

এক দিনে ডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৪৫

এক-দিনে-ডেঙ্গুতে-৪-মৃত্যু-হাসপাতালে-৩৪৫
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ২২৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৪৫ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ২২৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ১১২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৫৩ জন এবং ঢাকার বাইরে ২৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩৭ জনের মৃত্যু হলো।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯ হাজার ৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭ হাজার ২৯৯ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৭৯৬ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯৪৬ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ৪২৯ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫১৭ জন।

আরও পড়ুন:
‘মশা দিবস’-এ দূরে রাখুন মশাকে
ড্রোনে সোয়া লাখ বাড়ির ছাদে এডিসের উৎস খুঁজেছে ডিএনসিসি
এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে: মেয়র তাপস
ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বাড়তে পারে: আতিকুল
চলতি বছর ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু, হাসপাতালে ২৭ জন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Death by water rabies is no more

‘জলাতঙ্কে মৃত্যু আর নয়’

‘জলাতঙ্কে মৃত্যু আর নয়’ জলাতঙ্ক প্রাচীনতম সংক্রামক রোগের একটি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
জলাতঙ্ক শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। যদি কোন প্রাণী বিশেষ করে কুকুর, বিড়াল, বানর, বেজী, শিয়াল কামড় বা আঁচড় দেয় সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান ১৫ মিনিট ধুতে হবে। এরপর ঠিক সময়ে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নিলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালিত হচ্ছে আজ। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় ‘জলাতঙ্ক: মৃত্যু আর নয়, সবার সঙ্গে সমন্বয়’। এতে জলাতঙ্ক, মৃত্যু ও সমন্বয় এ তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

জলাতঙ্ক প্রাচীনতম সংক্রামক রোগের একটি। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে পানিভীতি, আলোভীতি, বায়ুভীতি হলেও এর শেষ পরিণতি মৃত্যু। তবে এ রোগ শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। যদি কোন প্রাণী বিশেষ করে কুকুর, বিড়াল, বানর, বেজী, শিয়াল কামড় বা আঁচড় দেয় সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান ১৫ মিনিট ধুতে হবে। এরপর ঠিক সময়ে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নিলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। বাংলাদেশ সরকার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংগঠনের পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে মৃত্যুর হার শূন্যে আনা সম্ভব।

জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কারক বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৯৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মারা যান। তার প্রয়াণ দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০০৭ সাল থেকে পৃথিবীব্যাপি বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশ সরকারের নানাবিধ স্বাস্থ্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের ফলে জলাতঙ্ক রোগের সংক্রমণ কমে এসেছে। জুনোটিক ডিডিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর মাধ্যমে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পর্যায়ে ৩০০টির বেশি জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে।

এ ছাড়াও রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও ৫টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে জলাতঙ্কের আধুনিক চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এ সব কেন্দ্রগুলোতে কুকুর বা অন্যান্য প্রাণির কামড়/আঁচড়ের আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি বিনা মূল্যে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা দেয়া হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর প্রায় তিন লাখের বেশি জলাতঙ্ক সংক্রমণকারী প্রাণির কামড়/আঁচড়ের রোগীকে বিনা মূল্যে জলাতঙ্কের টিকা দেয়া হচ্ছে। এর ফলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেকাংশে কমে যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের নীতিমালা অনুসারে বর্তমানে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের পূর্ণ ডোজ (তিনটি ০, ৩ ও ৭ দিনে) এক সপ্তাহে দেয়ার ফলে রোগীদের অর্থ ও সময় সাশ্রয় হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সকল সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। যা দক্ষিণ এশিয়ায় জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

এর পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রাণিদেহে জলাতঙ্কের জীবাণু শনাক্তের কাজ করে চলেছে। এতে করে নির্দিষ্ট স্থানে এ রোগের উপস্থিতি ও প্রাদুর্ভাব নির্ণয় করে মানুষ ও প্রাণিদেহে জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বর্তমানে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর নির্ভর করে জলাতঙ্কের প্রধান উৎস কুকুরের মধ্যে ব্যাপকহারে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। ব্যাপকহারে কুকুরকে টিকাদান (এমডিভি) কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। সারাদেশে ইতিমধ্যে ৬৪টি জেলায় প্রথম রাউন্ড, ১৭টি জেলায় দ্বিতীয় রাউন্ড এবং ৬টি জেলায় তৃতীয় রাউন্ড ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে কুকুরকে প্রায় ২২ লাখ ৫১ হাজার ডোজ জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা দেয়া হয়েছে। যা মানুষ ও প্রাণিদেহে জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম সামাজিক জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে লিফলেট, সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন, ফেস্টুন, বিভিন্ন দিবস পালন, ক্রোড়পত্র প্রকাশ, স্কুল প্রোগ্রাম, জনবার্তাসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২২ কে সামনে রেখে দেশজুড়ে আলোচনা সভা, র‌্যালি, সেমিনারসহ নানাবিধ কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে।

‘মুজিববর্ষে স্বাস্থ্য খাত, এগিয়ে যাবে অনেক ধাপ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম সব যুগোপযোগী কার্যক্রমের মাধ্যমে জলাতঙ্ক নির্মূলে এগিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
পাগলা কুকুরে ধরাশায়ী ১৫ নারী-কিশোর
ভাতে বিষ মিশিয়ে কুকুর হত্যায় মাসুমের শাস্তি
ভাতে বিষ মিশিয়ে কুকুর হত্যায় অভিযুক্তের শাস্তি দাবি
ভাতে বিষ মিশিয়ে কুকুর হত্যা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
A few times more than 250 beds and 250 patients

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী ভর্তি থাকায় হাসপাতালটিতে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। হাসপাতালে আসা রোগীরা থাকছেন মেঝেতে ও বারান্দায়। ছবি: নিউজাবংলা
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ কেন রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হচ্ছে, জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল হিসেবে অস্থায়ীভাবে ব্যবহার হচ্ছে। এ কারণে পাশের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং শেরপুরের রোগীরাও এখানে আসছেন সেবার জন্য।

জেলার ২৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসাস্থল আড়াইশ শয্যার জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল। এক বছর ধরে প্রায় প্রতিদিনই ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী ভর্তি থাকায় হাসপাতালটিতে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। হাসপাতালে আসা রোগীরা মেঝেতে ও বারান্দায় থাকছেন।

হঠাৎ কেন রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হচ্ছে, তা জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল হিসেবে অস্থায়ীভাবে ব্যবহার হচ্ছে। এ কারণে জামালপুরের পাশাপাশি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং শেরপুরের রোগীরাও এখানে আসছেন সেবার জন্য।

রোগী ও তাদের স্বজনেরা বলছেন, হাসপাতালে কয়েকদিন ভর্তি থাকার পরেও পাওয়া যায় না বেড। শয্যার সংকট থাকায় হাসপাতালের বারান্দা ও মানুষের চলাচলের রাস্তায় থাকতে হয় তাদের। এক বেডে থাকতে হয় একাধিক রোগীকে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে রোগী মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি এখানে সাত দিন ধইরে ভর্তি। এখানে কোনো বেড নাই। নিচ থেকে পাটি নিয়ে আইসে থাকতে হয়। তাও অনেক সমস্যা। এক পাটির ভিতরে দুই তিন জন আইসে বইসে থাকে। ফ্লোর অনেক শক্ত। আমাদের থাকতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।’

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা আরেক রোগী সুজন মিয়া বলেন, ‘এখানে বেডের খুব সমস্যা। এক বিছানার মধ্যে দুই জন বইসে আছি। খুবই কষ্ট হয়ে গেছে। মন চাইলে একটু ভালো মতো শুইতে পারি না, বসতে পারি না। এইভাবে কি থাকা যায়?’

একজন রোগীর স্বজন মানিক মিয়া বলেন, ‘আমরা আসছি আমার নাতি নিয়ে। এই জায়গার পরিবেশ তেমন সুবিধাজনক না। দুর্গন্ধ, জায়গায় জায়গায় ময়লা-টয়লা ফালাই রাখছে। কোনায় কানায় হাবিজাবি রাখছে। সিট নাই। এডা সিটের মধ্যে দুইডা, তিনডা কইরে রোগী। এমন পরিবেশে চলতাছে। এই জায়গায় আইসে রোগী আরো অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে।’

এদিকে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে ধীরগতি। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি থাকায় হাসপাতালে তৈরি হয়েছে নোংরা ও দুর্গন্ধময় পরিবেশ। এতে আরো বিপাকে পড়েছে রোগীরা।

বকুল মিয়া নামে একজন রোগী বলেন, ‘প্রায় ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেল আমি আসছি। আমার কোনো তথ্য, কোনো খোঁজখবর কেউ নেই নাই। ডাক্তারের কোনো সাজেশন পাওয়া যাইতাছে না। এদের তত্ত্বাবধান দুর্বলই। কোনো রোগীর তেমন তদারকি নাই। খুব কষ্টের মধ্যেই আছি।’

রোগীর স্বজন হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই জায়গার পরিবেশ অতো সুবিধাজনক হচ্ছে না। আর ডাক্তারও ঠিকঠাক মতো খোঁজখবর নিচ্ছে না। নার্সেরা ঠিকমতো খোঁজ নিচ্ছে না। আবার ডাক্তার রুমে ঠিকঠাক মতো থাকে না। এরকম অবস্থায় আছি আমরা। খুব সমস্যার মধ্যে আছি। আমরা গরীব মানুষ। তাই এই জায়গায় আসছি। টাকা থাকলে তো প্রাইভেট ডাক্তারের কাছেই যাইতাম।’

পেটের ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগী শাওন মোল্লা বলেন, ‘এখানে কোনো পরিবেশও নাই। সাইডে কুকুর বইসে আছে, বিড়াল বইসে আছে। একটু যদি সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়, তাহলে হসপিটালের চিকিৎসার আরো উন্নয়ন হবে।’

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘আড়াইশ শয্যার হাসপাতাল হলেও এখানে একশ শয্যার জনবল নিয়োগ দেয়া আছে। এর মধ্যেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নাই, নার্স নাই, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নাই। সব মিলিয়ে এ হাসপাতাল স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে একটি হযবরল অবস্থা। আমরা শিগগিরই আড়াইশ শয্যার জনবল নিয়োগ চাই।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান সোহান বলেন, ‘আমাদের এই হাসপাতাল এখন অস্থায়ী শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহারের কারণে রোগীর চাপ অনেক বেড়ে গেছে। শুধু আমাদের জামালপুর না, পাশাপাশি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং শেরপুরের সমস্ত রোগী আমাদের এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবার জন্য আসে। আমরা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী নিয়েও তাদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘রোগীদের ঠিকমতো জায়গা দেওয়াই এখন হাসপাতালের সবচেয়ে বড় সমস্যা। পাশাপাশি ডাক্তার, নার্সদের বসার রুম নেই। আমরা যদি এই আবাসনগত সমস্যার সমাধার করতে পারি, আমাদের হাসপাতালের ভবন যদি আরও সম্প্রসারিত হয়, তাহলে ইনশাল্লাহ আমরা এই রোগীদেরকে ভালো মানের সেবা দিতে পারব।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Do what you do when you open your eyes

চোখ উঠলে যা করবেন, যা করতে মানা

চোখ উঠলে যা করবেন, যা করতে মানা ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুই কারণেই হয়ে থাকে চোখ ওঠা রোগ। ছবি: সংগৃহীত
‘এটি যেহেতু বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় তাই অতিরিক্ত ধুলাবালির সংস্পর্শে গেলে যে কোনো সময় হতে পারে। তাই বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে। যতটা সম্ভব ধুলাবালি এড়িয়ে চলতে হবে। ধুলাবালি থেকে শুধু চোখ ওঠা নয়, এলার্জিজনিত নানা ধরনের রোগ হতে পারে।’

কিছুদিন ধরেই চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুই কারণেই হয়ে থাকে রোগটি।

অনেক সময় ঘুম থেকে উঠলে চোখে একটা পড়েছে এমন অনুভূতি, চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া করে। আবার সবকিছু ঘোলাটে দেখা, পানি পড়া, চোখের কোণায় ময়লাও জমে। কোনো ব্যক্তির এমন হলে চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত বলা হয়।

রাজধানীর মিরপুরের ববি হাসানের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে রুমানা হাসান। দুই দিন ধরে চোখ জ্বালাপোড়া করছে। এক চোখে ময়লাও আসছে। গত বছরও এ সময় এমন হয়েছিল রুমানার।

ডাক্তারের পরামর্শে রুমানা এখন কলেজ, টিউশনি কোথাও যাচ্ছেন না। একটি চোখের ড্রপ এবং ব্যথানাশক ওষুধ দিয়েছেন চিকিৎসক।

বোনের পাশাপাশি চোখে একই লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছে ববির ছেলে মাহিন হাসানের। ছয় বছর বয়সী ছেলেটি বেশ কান্নাকাটি করছে।

ববি বলেন, ‘ডাক্তার ঘরেই চিকিৎসা নিতে বলেছেন। চোখ ওঠা রোগ ৭ দিনেই ভালো হয়ে যায় বলে জানিয়ে দুশ্চিন্তা না করতে বলেছেন তিনি।’

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়টায় চোখ উঠা একটি সাধারণ সমস্যা। এবারও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতে রোগটির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট বা হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে তাই বেড়েছে ভিড়।

কী করতে হবে, যা করা যাবে না

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ইসমাইল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চোখ ওঠা রোগ আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি। বাচ্চাদের মধ্যে আগে বেশি দেখা যেত, তবে এখন সব বয়সেরই হচ্ছে। জনসংখ্যা বেড়েছে, সাথে কর্মজীবী। তাই ধুলাবালির সংস্পর্শে আসার সংখ্যাও বেড়েছে।

তবে এই রোগ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। কিছুদিন ঘরে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেই ঠিক হয়ে যায়।’

আরেক চিকিৎসক তানজিনা রহমান বলেন, ‘এই রোগটি ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুই কারণেই হতে পারে। যাদের চোখ জ্বালাপোড়ার সঙ্গে ময়লা আসে তাহলে সেটা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন। একে বলে ব্যাকটেরিয়াল কন্‌জাঙ্কটিভাইটিস। আর শুধু ভাইরাল ইনফেকশন হলে চোখ জ্বালাপোড়া করে এবং লাল হলে হয়ে যায়। এক্ষেত্রে চোখে হাত দেয়া যাবে না। এলার্জি হয় এমন খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।’

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ জিয়াউল কবির বলেন, ‘এটি যেহেতু বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় তাই অতিরিক্ত ধুলাবালির সংস্পর্শে গেলে যে কোনো সময় হতে পারে। তাই বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে। যতটা সম্ভব ধুলাবালি এড়িয়ে চলতে হবে। ধুলাবালি থেকে শুধু চোখ ওঠা নয়, এলার্জিজনিত নানা ধরনের রোগ হতে পারে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন মেডিক্যাল অফিসার বলেন, ‘যেহেতু রোগটি ছোঁয়াচে, তাই যতটা সম্ভব আইসোলেশনে থাকা ভালো। ছোঁয়াচে এবং বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় বলে লোকজন থেকে দূরে থাকতে বলা হয়।

‘সানগ্লাস পরে থাকতে হবে। চুলকানি হলে রোগী ঠান্ডা এবং এলার্জিজনিত রোগের ওষুধ খেতে পারেন। চোখের কিছু ড্রপ রয়েছে, আমরা সেগুলো সাজেস্ট করি। তবে অনেকেই বার বার চোখে হাত দেয় বা চুলকায়। এতে চোখের ক্ষতি হতে পারে। তবে ভয়ের তেমন কোনো কারণ নেই। সাধারণ ৬ থেকে ৭ দিনেই এটি ভালো হয়ে যায়।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
1 death has been detected due to Corona

করোনায় ১ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

করোনায় ১ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
আরও এক মৃত্যু নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জনে দাঁড়াল। মৃত একজন নারী। তিনি রংপুরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৮১টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে ৭৩৭ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

এর আগে গত ২১ জুলাই সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন ৮৮৪ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৮১টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৩৭ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

নতুন শনাক্তদের ৫১৬ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে আরও এক মৃত্যু নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জনে দাঁড়াল। মৃত একজন নারী। তিনি রংপুরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৩ হাজার ১৪৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪১১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৯ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার
পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ
করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
1 death in dengue admitted 460

ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০

ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০ দেশে গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেয়া এক রোগী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪৬০ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট মৃত্যু দাঁড়ালো ৫৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৩১৪ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৪ হাজার ৮২২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ৩৯১ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৩১ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩০ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ হাজার ৫০ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৯৮০ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর প্রকোপ ‘অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত’
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড
ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, কমেছে হাসপাতালে ভর্তি
ডেঙ্গু তো আমরাই লালন-পালন করছি: স্বাস্থ্যসচিব

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Advise not to travel for 7 days with raised eyes

চোখ ওঠাদের ৭ দিন ভ্রমণ না করার পরামর্শ

চোখ ওঠাদের ৭ দিন ভ্রমণ না করার পরামর্শ প্রতীকী ছবি
ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এবং জরুরি প্রয়োজনে চোখ উঠা যাত্রীরা ভ্রমণ করলে বিএমডিসি রেজিস্টার্ড চক্ষু বিশেষজ্ঞ/এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তাদের উপযুক্ত প্রেসক্রিপশন, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং সানগ্লাস পরে বিমানবন্দরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

চোখ ওঠার লক্ষণ দেখা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যে বিদেশ ভ্রমণ না করতে অনুরোধ জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য বিভাগে প্রতিদিন চোখ উঠা বহির্গামী যাত্রী দেখা যাচ্ছে।

‘এ পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশগামী যাত্রীদের চোখ উঠার লক্ষণ প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে তাদের ভ্রমণ না করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’

এতে আরও বলা হয়, তবে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এবং জরুরি প্রয়োজনে চোখ উঠা যাত্রীরা ভ্রমণ করলে বিএমডিসি রেজিস্টার্ড চক্ষু বিশেষজ্ঞ/এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

তাদের উপযুক্ত প্রেসক্রিপশন, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং সানগ্লাস পরে বিমানবন্দরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং ডকুমেন্টস যাচাই করে তাকে ভ্রমণের ফিটনেস সার্টিফিকেট দেবেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
After two months 6 deaths were detected leaving 700

করোনায় ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ছাড়াল ৭০০

করোনায় ৬ মৃত্যু, শনাক্ত  ছাড়াল ৭০০ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
এর আগে গত ২১ জুলাই এক দিনে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেদিনই সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন ৮৮৪ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দেশে দুই মাস পর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৭১৮ জন।

এর আগে গত ২১ জুলাই এক দিনে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেদিনই সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন ৮৮৪ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৫ হাজার ২৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭১৮ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

নতুন শনাক্তদের ৫৭৩ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে আরও ছয় মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৫৯ জনে দাঁড়াল। মৃতদের মধ্যে দুজন ঢাকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন, বগুড়ার একজন, বরিশালের একজন ও পটুয়াখালীর একজন। মৃতদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২২ হাজার ৪০৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৩৬ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৩০৮ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ৫৭২
করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০

মন্তব্য

p
উপরে