× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
The detection rate has decreased on deathless days
hear-news
player
google_news print-icon

মৃত্যুশূন্য দিনে কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যুশূন্য-দিনে-কমেছে-শনাক্তের-হার
ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ১১ হাজার ৭৩২ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টা মৃত্যুশূন্য থাকায় এ পর্যন্ত দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩২৩।

টানা তিন দিন পর আবারও কমেছে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার। শেষ ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা তিনদিন ধরে করোনা আক্রান্ত হয়ে কারোর মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ২১৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৭২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। নতুন শনাক্তদের ১২৯ জন ঢাকা মহানগরের বাসিন্দা।

এদিন শনাক্তের হার কিছুটা কমে হয়েছে ৪ দশমিক শূন্য আট। যা সোমবারেও ছিল ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আর রোববার ছিল ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ।

এক দিনের ব্যবধানে শনাক্ত কমেছে শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ। তবে শনাক্তের হার ৫-এর নিচে থাকায় করোনার চতুর্থ ঢেউ এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ১১ হাজার ৭৩২ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টা মৃত্যুশূন্য থাকায় এ পর্যন্ত দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩২৩।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৬২ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৬ হাজার ২০১ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তবে করোনার চতুর্থ ঢেউ সামলে ভাইরাসটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা: শনাক্ত বাড়লেও মৃত্যুশূন্য
মৃত্যু কমে ১, ঊর্ধ্বমুখী শনাক্তের হার
বেড়েছে করোনা শনাক্তের হার, মৃত্যু ৩ জনের
মৃত্যুশূন্য দিনে বেড়েছে শনাক্তের হার
করোনা: নিম্নমুখী শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
The number of cases and deaths decreased in one day

একদিনে কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু

একদিনে কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ হাজার ৮১০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১০ জন শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত কমেছে। এ সময়ে ৪১০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগের দিন বুধবার করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৫৪৯ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে মৃত্যুও। এ সময়ে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের দিন দুইজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ হাজার ৮১০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১০ জন শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৮ হাজার ৫২৪ জন।

করোনায় নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৮৪ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

গত ২৪ ঘণ্টায় এক মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৭৫ জনে দাঁড়াল।

করোনা শনাক্ত হয়ে মৃত ব্যক্তি পুরুষ। তিনি ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৫৮৪ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫৩ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ চলছে।

আরও পড়ুন:
করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত ১৪১
করোনা: শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৯ ছাড়াল
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
1 death detected in Corona 657

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ৬৫৭

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ৬৫৭ করোনাভাইরাস সংক্রমণ ফের বাড়ছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৩১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৬ মানুষ।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে আসছে না, বাড়ছে আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে এক জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার নিয়মিত বিবৃতিতে জানিয়েছে, করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ৪ হাজার ৭৬২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৫৭ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৭৪ জনই ঢাকার বাসিন্দা।

শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, মারা যাওয়া রোগী একজন নারী। তিনি ময়মনসিংহের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায়, দেশে করোনার পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শনাক্তের হার টানা দু’সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলা যায়।

গত সোমবার পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত ছিল ১২ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ১৪ দশমিক ৩৫। মঙ্গলবার শনাক্ত হয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৩১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৬ মানুষ।

২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তের পর মোট চারটি ঢেউ পাড়ি দিয়ে দেশ এখন করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে। চতুর্থ ঢেউ থেকেই দেখা যাচ্ছে, দেশবাসীর মধ্যে এই ভাইরাস আগের মতো আতঙ্ক তৈরি করছে না, সে কারণে সতর্কতাও কমেছে। এ অবস্থায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশে তিন মাস স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ চলমান।

আরও পড়ুন:
করোনায় শনাক্ত ৬৯৬,মৃত্যু ২
টানা ৭৫ দিন বিনা মূল্যে বুস্টার দেবে ভারত
ফের করোনায় আক্রান্ত যুবলীগের নিখিল
করোনা বিধিনিষেধ কার্যকর সম্ভব হবে কি?

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona detected 696 deaths 2

করোনায় শনাক্ত ৬৯৬,মৃত্যু ২

করোনায় শনাক্ত ৬৯৬,মৃত্যু ২ করোনায় বাড়ছে শনাক্ত, বাড়ছে মৃত্যু। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তের পর মোট চারটি ঢেউ পাড়ি দিয়ে দেশ এখন করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে। চতুর্থ ঢেউ থেকেই দেখা যাচ্ছে, দেশবাসীর মধ্যে এই ভাইরাস আগের মতো আতঙ্ক তৈরি করছে না, সে কারণে সতর্কতাও কমেছে। এ অবস্থায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৬৯৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫ হাজার ৮০১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৯৬ জনের। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত ১২ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ১৪ দশমিক ৩৫।

নতুন দুই মৃত্যু নিয়ে সারা দেশে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৯৩৭১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, করোনার রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে রাজধানীতে। নতুন শনাক্ত ৬৯৬ জনের মধ্যে ৫৬৮ জনই ঢাকার বাসিন্দা।

২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তের পর মোট চারটি ঢেউ পাড়ি দিয়ে দেশ এখন করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে। চতুর্থ ঢেউ থেকেই দেখা যাচ্ছে, দেশবাসীর মধ্যে এই ভাইরাস আগের মতো আতঙ্ক তৈরি করছে না, সে কারণে সতর্কতাও কমেছে। এ অবস্থায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৬ হাজার ৯০৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৫৩৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ৬৪৫ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ চলমান।

আরও পড়ুন:
টানা ৭৫ দিন বিনা মূল্যে বুস্টার দেবে ভারত
ফের করোনায় আক্রান্ত যুবলীগের নিখিল
করোনা বিধিনিষেধ কার্যকর সম্ভব হবে কি?
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন জবির ৪০০ শিক্ষার্থী
বেক্সিমকোর করোনারোধী খাওয়ার ওষুধ বাজারে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
535 deaths detected in 24 hours

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৫৩৫, মৃত্যু এক

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৫৩৫, মৃত্যু এক ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩৬৯ জনে।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩৫ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৭২৭ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫৩৫ জনের দেহে। শনাক্তের হার ১৪.৩৫ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, করোনা শনাক্তদের মধ্যে ৪২৯ জনই রাজধানীর বাসিন্দা।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩৬৯ জনে। করোনা শনাক্ত হয়ে মৃত নারী রংপুরের বাসিন্দা। তিনি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ২৬ হাজার ২১২ জনের দেহে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৭৬ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১০৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত ১৪১
করোনা: শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৯ ছাড়াল
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২
করোনা শনাক্তের হার ৮ শতাংশ ছাড়াল

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
22 deaths detected in Corona 669

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত বেশি ঢাকায়

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত বেশি ঢাকায় ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মৃত ২ জনই পুরুষ। তাদের একজন নেত্রকোণা এবং অন্যজন ময়মনসিংহে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুই মাস পর এই ভাইরাসে মৃত্যু দেখল দেশ। এসময়ে ৫ হাজার ১৭ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৯ জনের; তাদের ৫২১ জনই রাজধানীর বাসিন্দা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার নিয়মিত বিবৃতিতে এসব জানিয়েছে।

শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, মৃত ২ জনই পুরুষ। তাদের একজন নেত্রকোণা এবং অন্যজন ময়মনসিংহ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায়, দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলা যায়।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৫৪ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ৫০১ মানুষ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় শনাক্তের হার ছাড়াল ১৫ শতাংশ
করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার
পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
665 were detected on the day without a death due to Corona

করোনায় মৃত্যুহীন দিনে শনাক্ত ৬৬৫

করোনায় মৃত্যুহীন দিনে শনাক্ত ৬৬৫ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ করোনা ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৫ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৪ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭২৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৫ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৭ শতাংশ।

দেশে দুই মাস পর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বুধবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭২৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৫ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৪ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে শূন্য মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জন। নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৩ হাজার ৮১০জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪২৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ১৪৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার
পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
1 death has been detected due to Corona

করোনায় ১ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

করোনায় ১ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
আরও এক মৃত্যু নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জনে দাঁড়াল। মৃত একজন নারী। তিনি রংপুরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৮১টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে ৭৩৭ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

এর আগে গত ২১ জুলাই সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন ৮৮৪ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৮১টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৩৭ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

নতুন শনাক্তদের ৫১৬ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে আরও এক মৃত্যু নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জনে দাঁড়াল। মৃত একজন নারী। তিনি রংপুরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৩ হাজার ১৪৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪১১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৯ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার
পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ
করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ

মন্তব্য

p
উপরে