× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Normal delivery in the country is 69 percent Health Minister
hear-news
player
print-icon

দেশে নরমাল ডেলিভারি ৬৯ শতাংশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে-নরমাল-ডেলিভারি-৬৯-শতাংশ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সংসদে ভাষণ দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নরমাল ডেলিভারির হার বৃদ্ধি ও সিজারিয়ান সেকশন কমিয়ে আনতে ‘প্রমোশন অফ নরমাল ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি, প্রিভেনশন অফ আননেসেসারি সিজারিয়ান সেকশন অ্যান্ড ক্রিয়েটিং অ্যাওয়ারনেস অ্যাবাউট নেসেসিটি অ্যান্ড জাস্টিফিকেশন অফ ক্রিয়েশন সেকশন’ শীর্ষক সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন।

দেশে সন্তান জন্মদানে নরমাল ডেলিভারির হার ৬৯ শতাংশ এবং বাকি ৩১ শতাংশ সিজারিয়ান ডেলিভারি হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে তিনি সংসদকে এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নরমাল ডেলিভারির হার বৃদ্ধি ও সিজারিয়ান সেকশন কমিয়ে আনতে ‘প্রমোশন অফ নরমাল ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি, প্রিভেনশন অফ আননেসেসারি সিজারিয়ান সেকশন অ্যান্ড ক্রিয়েটিং অ্যাওয়ারনেস অ্যাবাউট নেসেসিটি অ্যান্ড জাস্টিফিকেশন অফ ক্রিয়েশন সেকশন’ শীর্ষক সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন।

তিনি বলেন, ‘এই প্র্রকল্পের আওতায় নরমাল ডেলিভারির ইতিবাচক নিয়ে গর্ভবতী মায়েদের সঙ্গে আলোচনা এবং অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান সেকশন বিষয়ে তাদেরকে জানানো হয়ে থাকে। গর্ভবতী মায়েদের প্রসব-পূর্ব সেবা নিশ্চিতকল্পে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে মা সমাবেশ করা হচ্ছে।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আলী আজমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধকল্পে এ পর্যন্ত (২২ আগস্ট) ৩২ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ৫০০ ডোজ টিকা আমদানি করা হয়েছে। একই সময় পর্যন্ত ১২ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৭৮ জনকে প্রথম ডোজ, ১২ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হজার ৭৪০ জনকে দ্বিতীয় ডোজ এবং ৪ কোটি ২৭ হাজার ৬৯ হাজার ৭৭৭ জনকে তৃতীয় ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে শিশুমৃত্যু কমাবে স্ক্যানু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে খাদ্যের নয়, জ্বালানির ঘাটতি আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাসপাতাল অনেক, ঘাটতি প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রতি হাজার লোকের স্বাস্থ্যসেবায় একজন
আমেরিকা থেকে অনেকে দেশে চিকিৎসা নিতে আসে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
187 seats are vacant after 2 rounds of admission in Jahangirnagar

জাহাঙ্গীরনগরে ২ দফা ভর্তির পর ১৮৭ আসন শূন্য

জাহাঙ্গীরনগরে ২ দফা ভর্তির পর ১৮৭ আসন শূন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার। ছবি: সংগৃহীত
কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান বলেন, ‘শূন্য আসনে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ২৫ সেপ্টেম্বর সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন করবেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট অনুষদ থেকে একটি মেধাক্রম প্রকাশ করা হবে। সেই মেধাতালিকা অনুযায়ী ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর তাদের ভর্তি নেয়া হবে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় মেধাতালিকা থেকে ভর্তির পরও বিভিন্ন অনুষদ ও ইনস্টিটিউটে ১৮৭টি আসন শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ছেলেদের ৯৮টি ও মেয়েদের ৮৯টি আসন।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিতীয় মেধাতালিকা থেকে ভর্তির পর ‘এ’ ইউনিটভুক্ত গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ এবং ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজিতে ছেলেদের জন্য ৫২টি ও মেয়েদের জন্য ৩৫টি, ‘বি’ ইউনিটভুক্ত সমাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদে ছেলেদের ১৫টি ও মেয়েদের ১৩টি, ‘সি’ ইউনিটভুক্ত কলা ও মানবিকী অনুষদ এবং বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ইনস্টিটিউটে ছেলেদের জন্য ১৯টি ও মেয়েদের জন্য ১৯টি আসন ফাঁকা রয়েছে।

‘ডি’ ইউনিটভুক্ত জীববিজ্ঞান অনুষদে ছেলেদের ১২ এবং মেয়েদের ১৮টি, ‘ই’ ইউনিটভুক্ত বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ এবং ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,আইবিএ-জেইউতে ছেলেদের জন্য কোনো আসন ফাঁকা নেই, তবে বাণিজ্য শাখার বাইরের মেয়েদের জন্য চারটি শূন্য আসন রয়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান বলেন, ‘শূন্য আসনে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ২৫ সেপ্টেম্বর সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন করবেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট অনুষদ থেকে একটি মেধাক্রম প্রকাশ করা হবে। সেই মেধাতালিকা অনুযায়ী ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর তাদের ভর্তি নেয়া হবে।’

এ বছর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ‘এ’ ইউনিটে ৪৬৬টি, ‘বি’ ইউনিটে ৩৮৬টি, ‘সি’ ইউনিটে ৪৬৭টি, ‘ডি’ ইউনিটে ৩২০টি এবং ‘ই’ ইউনিটে ২৫০টি আসন মিলে মোট ১ হাজার ৮৮৮টি আসন রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ১৪৮টি, নৃগোষ্ঠীদের জন্য ৩০টি, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১৫টি এবং সংরক্ষিত পোষ্য কোটা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
জাবি শিক্ষককে কফিশপে ডেকে এনএসইউ শিক্ষার্থীদের মারধর
উন্নয়ন পরিবেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে
জাবিতে র‍্যাগ উৎসবের নাচ ঘিরে ‘শ্লীল-অশ্লীল’ বিতর্ক
জাবিতে প্রথম নারী উপাচার্যের ৮ বছর
খাবারের দাম নিয়ে ভোগান্তিতে জাবি শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
DU Vice Chancellor is not addressed as Sir

উপাচার্যকে ‘স্যার’ সম্বোধন না করায়…

উপাচার্যকে ‘স্যার’ সম্বোধন না করায়… ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বুধবার শিক্ষার্থী আরমানুল হককে শাসাচ্ছেন সহকারী প্রক্টর ড. মো. মাহাবুবুল রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
লাঞ্ছনার শিকার শিক্ষার্থী আরমানুল হক বলেন, ‘বিশ্বের টপ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের তাদের পদবি দিয়ে সম্বোধন করা হয়। কিন্তু আমাদের শিক্ষকরা কে স্যার ডাকল বা না ডাকল তা নিয়ে কেন ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগেন? একজন শিক্ষক যদি স্যার ডাকা না ডাকা নিয়ে এভাবে চিন্তা করেন তাহলে তা লজ্জার।’

‘এই বেটা তোর কথায় আসবে? তোমার কথায় আসবে? বেয়াদবির একটা সীমা আছে। ভিসি কে? ভিসি স্যার বল। এই, এর আইডি কার্ড সিজ করো।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ করে ধমক দিয়ে কথাগুলো বলেছেন সহকারী প্রক্টর ড. মো. মাহাবুবুল রহমান। তিনি ওই শিক্ষার্থীর দিকে তেড়েও যান। অবশ্য উপস্থিত অন্য শিক্ষার্থীরা এ সময় সামনে এসে দাঁড়ালে চুপসে যান তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বুধবার দুপুরে এমন ঘটনা ঘটে। প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসনাত আবদুল্লাহ যখন অনশন করছিলেন তখন ঘটনাস্থলে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মো. মাহাবুবুল রহমান।

তিনি সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় আরমানুল হক নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আপনি এখানে এসে কথা বলার চাইতে আমরা চাইব ভিসি ও প্রক্টর এসে আমাদের সাথে কথা বলুন। কারণ আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় অংশ হোল্ড করেন না।’

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ওই শিক্ষার্থীর এ কথা শুনেই রেগে যান ড. মাহাবুবুল। তিনি ওই শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ করে তুই-তুকারি শুরু করেন। একইসঙ্গে চলতে থাকে ধমক। এক পর্যায়ে পাশে থাকা প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘এর আইডি কার্ড সিজ করো।’

কর্তার এমন ‘নির্দেশনা’ পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিমের দুই সদস্য ওই শিক্ষার্থীকে দু’পাশ থেকে ধরে ফেলেন। পরে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে ড. মাহাবুবুল শান্ত হন।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থী আরমানুল হক বলেন, ‘স্যার এসে হাসনাত ভাইয়ের অনশন ভাঙানোর ব্যাপারে বুঝানোর চেষ্টা করছিলেন। এরপর উঠে আমি স্যারকে বললাম- আপনি বিগার স্টেক হোল্ড করেন না। আপনি এখানকার বড় অংশীজন না। আপনি এখানে এসে কথা বলার চেয়ে আমরা বেশি চাইবো ভিসি ও প্রক্টর আসুন এখানে। ওনারা যদি আট দফা নিয়ে আশ্বাস দেন তাহলে ভাই অনশন ভাঙবেন।

'আমি ভিসি স্যার কেন বলিনি সেটার জন্য তিনি আমার ওপর রেগে গেছেন। আমার সাথে খারাপ আচরণ করেছেন এবং আমাকে প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে হেনস্তা করেছেন।’

আরমান বলেন, ‘বিশ্বের টপ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের তাদের পদবি দিয়ে সম্বোধন করা হয়। কিন্তু আমাদের শিক্ষকরা কে স্যার ডাকলো বা না ডাকলো তা নিয়ে কেন ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগেন? একজন শিক্ষক যদি স্যার ডাকা না ডাকা নিয়ে এভাবে চিন্তা করেন তাহলে তা লজ্জার।’

এমন আচরণের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর ড. মাহাবুবুল বলেন, ‘সন্তানকে কি একজন পিতা তুই-তুকারি করে বলতে পারে না? তুই সম্বোধন তো মানুষ আপনজনকেই করে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে ডাক্তার বলেছে, আমাদের সন্তান হাসনাত খুব অসুস্থ। তাই আমি সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের সহযোগিতা করছে না। একজন ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর বলছে। স্যারদের তো তারা সম্মান করবে! তারা তো আর বন্ধু না। আমরা যেখানে স্যার বলছি…। স্যার বলা তো অন্যায় কিছু না।’

আরও পড়ুন:
ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে হয়রানি বন্ধে ফের অবস্থান হাসনাতের
কমিটির জন্য জীবনবৃত্তান্ত নিল ঢাবির বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগ
ঢাবি হলে ছাত্র তোলা নিয়ে ছাত্রলীগে হাতাহাতি
ছয় দাবিতে ঢাবি ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম
ঢাবিতে আন্তর্জাতিক রুমি সম্মেলন শুরু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Allegations of vandalism against expelled SSC examinees

বহিষ্কার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ

বহিষ্কার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ
এসআই বদিউজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্কুলের জানালা ভাঙচুর করার বিষয়টি নিশ্চিত হই। ওই স্কুলের দুইজন ছাত্রকে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করার ঘটনায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে নিজেদের হাত দিয়েই জানালার কাঁচ ভেঙেছে।’

ঢাকার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীরা নিজ স্কুলে গিয়ে ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসময় তারা শিক্ষককেও লাঞ্ছিত করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ধামরাই ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক মোস্তফা হাদীউজ্জামান মঙ্গলবার দুপুরে এ বিষয়ে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বদিউজ্জামান এসব নিশ্চিত করেছেন।

পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বনের অভিযোগে ধামরাইয়ের কুশুরিয়া ইউনিয়নের কুশুরা ইউনিয়নের নবযুগ কলেজ কেন্দ্রে ২ জন ও যাদবপুর ইউনিয়নের যাদবপুর বিএম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১৯ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী এসব কেন্দ্রে গিয়ে তাদের বহিষ্কার করেন।

এ ঘটনার পর বহিষ্কার হওয়া ছাত্রসহ তিনজন ধামরাই ল্যাবরেটরি স্কুলে গিয়ে ভাঙচুর চালায় ও শিক্ষক হাদীউজ্জামানকে লাঞ্ছিত করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হাদীউজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যাদবপুর বিএম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আমার স্কুলের শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। গতকাল (সোমবার) পরীক্ষা চলাকালে অসদাচরণের অভিযোগে আমার স্কুলের ছাত্র হযরত আলীকে বহিষ্কার করেন ইউএনও।

‘বিকেলে আমাকে ও অন্যান্য শিক্ষকদের দোষারোপ করে স্কুলে এসে ভাঙচুর চালায় হযরত আলী এবং তার দুই বন্ধু আবিদ হোসেন খান ও দেওয়ান আল আমিন। তারা আমাকে পাঞ্জাবি ধরে টেনেহিঁচড়ে লাঞ্ছিত করে। আমিসহ অন্য শিক্ষকদের গালমন্দ করে। স্কুল বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায় তারা।’

এসআই বদিউজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্কুলের জানালা ভাঙচুর করার বিষয়টি নিশ্চিত হই। ওই স্কুলের দুইজন ছাত্রকে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করার ঘটনায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে নিজেদের হাত দিয়েই জানালার কাঁচ ভেঙেছেন।

‘তারা দুজন সাভারের সুপার হাসপাতালে ভর্তি। মূলত শিক্ষকরা কেন বহিষ্কারের প্রতিবাদ করেনি এই ক্ষোভ থেকেই তারা এটি ঘটিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা বিষয়টি মিমাংসা করতে চাইছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
২১ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা
এসএসসি-এইচএসসি আগামী বছর সব বিষয়ে
এসএসসি পরীক্ষার নিয়মভঙ্গ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
দুই কাউন্সিলরের হয়ে এসএসসি, মুচলেকায় ছাড়া পেল ২ কিশোর
৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনি নোটিশ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Teachers angry over UNO expelling 21 examinees

২১ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা

২১ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা
শিক্ষক খোরশেদ আলম বলেন, ‘এটার একটা সুষ্ঠু তদন্ত দরকার, সে যেই হোক। একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এই ধরনের ব্যবহার আশা করা যায় না। তার পাওয়ার বা পদের সাথে বিহ্যাভিয়ারেরও একটা মিল থাকতে হবে।’

ঢাকার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বনের অভিযোগে দুটি কেন্দ্রের ২১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।

তবে এভাবে শিক্ষার্থীদের গণহারে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছেন শিক্ষকরা।

সোমবার ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় ধামরাই উপজেলার কুশুরিয়া ইউনিয়নের কুশুরা ইউনিয়নের নবযুগ কলেজ কেন্দ্রে ২ জন ও যাদবপুর ইউনিয়নের যাদবপুর বিএম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১৯ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

ইউএনও হোসাইন মোহাম্মদ বলেন, ‘একে অপরের খাতা দেখা ও নকল করাসহ পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বনের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়েছে।’

সাভারের আশুলিয়ার আলহেরা রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের স্কুলের ৩৪ জন পরীক্ষার্থী যাদবপুর বিএম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবছর পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষা শুরুর পরপর আমাদের স্কুলের দুইটা বাচ্চার খাতা দেখে লেখার অপরাধে চারজনকেই এক্সপেল (বহিষ্কার) করে। একই কেন্দ্রে মোট ১৮-১৯ শিক্ষার্থীকে এক্সপেল করেন ইউএনও। পরে জানতে পারি, কুশুরাতেও দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

হতাশা ও ক্ষোভ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকটা বাচ্চার একই সমস্যা। কেন্দ্রে দেখা গেছে বাচ্চারা একটু দেখাদেখি করে। এই অপরাধে এক্সপেল করা কোনোভাবেই সম্ভব না। এখন তার ক্ষমতা আছে, সে প্রয়োগ করছে। আমাদের আসলে কিছু বলার নাই।

‘একটা বাচ্চারও কোনো এভিডেন্স পায় নাই যে তারা নকল করছে। এখন এক বাচ্চার সাথে যদি আরেক বাচ্চার খাতা মিলায়, তাহলে তো সব বাচ্চাই বহিষ্কার হওয়ার কথা।’

তিনি বলেন, ‘এটার একটা সুষ্ঠু তদন্ত দরকার, সে যেই হোক। একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এই ধরনের ব্যবহার আশা করা যায় না। তার পাওয়ার বা পদের সাথে বিহ্যাভিয়ারেরও একটা মিল থাকতে হবে।

‘বাচ্চারা যদি একজন আরেকজনের সাথে দেখাদেখি করে এটার জন্য ২০-২৫ মিনিট তাদের খাতা রাইখা দিতো। কিন্তু এক্সপেল করাটা কোনোভাবেই কাম্য না।’

আরও পড়ুন:
এসএসসি দিতে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে নিহত শিক্ষার্থী
৩ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্ন: যশোর বোর্ডে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ স্থগিত
ফুটবল নিয়ে মারামারি, পরীক্ষার্থীরা জঙ্গলে
কার দোষে পরীক্ষা দেয়া হল না জিনারুলের?
সময় শেষ না হতেই পরীক্ষার্থীদের খাতা তুললেন শিক্ষকরা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Operation Sundarban team deployed in the campaign

জবিতে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ টিম

জবিতে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ টিম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সোমবার প্রচার চালায় 'অপারেশন সুন্দরবন' টিম। ছবি: নিউজবাংলা
ছবিটির প্রচারের অংশ হিসেবে সোমবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হয় ‘অপারেশন সুন্দরবন’ টিম। সেখানে তাদের বরণ করে নেন ক্যাম্পাসের সিনেমাপ্রেমীরা। এই আয়োজনে কুইজ বিজয়ীদের হাতে চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদের অটোগ্রাফ সংবলিত উপহার তুলে দেয়া হয়।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে পুলিশের অ্যালিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) দুঃসাহসিক অভিযান নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘অপারেশন সুন্দরবন’। ছবিটি ২৩ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে।

ছবিটির প্রচারের অংশ হিসেবে সোমবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) হাজির হয় ‘অপারেশন সুন্দরবন’ টিম। সেখানে তাদের বরণ করে নেন ক্যাম্পাসের সিনেমাপ্রেমীরা। এই প্রচারণার আয়োজনে ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ফিল্ম সোসাইটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ প্রচার আয়োজনে কুইজ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদের অটোগ্রাফ সংবলিত উপহার তুলে দেয়া হয়।

জবিতে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ টিম

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সোমবার প্রচার আয়োজনে অপারেশন সুন্দরবন টিমকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা

এই আয়োজনে সিয়াম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জিয়াউল হক রোশান, তাসকিন রহমান, মনোজ প্রামানিক, তুহিন তানজিলসহ সিনেমার অন্য অনেক কলাকুশলী।

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেমাপ্রেমীদের ধন্যবাদ জানান সিয়াম। তিনি বলেন, “আজ এই আয়োজনে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমাটি দেখার জন্য আপনারা প্রেক্ষাগৃহে আসবেন। ধন্যবাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে।”

প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র জন্মদিন উপলক্ষে সিয়াম সবাইকে নিয়ে ‘উইশ’ করেন।

র‍্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড প্রযোজিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, সিয়াম, রোশান, চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া, দর্শনা বণিক, শতাব্দী ওয়াদুদ, মনির খান শিমুল, তাসকিন রহমান, মনোজ প্রামাণিক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
এলো ‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর প্রথম গান ‘এ মন ভিজে যায়’
সেপ্টেম্বরে আসছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’
‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর ট্রেইলার প্রকাশ হবে সমুদ্রসৈকতে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
A trunk full of liquor at the drivers house of Jabirs former VC

জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক

জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘর থেকে মদের বোতল উদ্ধারের ভিডিও থেকে নেয়া ছবি।
মদ উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে রমজান আলী বলেন, ‘যখন আমার বাসা তল্লাশি হয়েছে, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। মদের বোতল কোথা থেকে এসেছে, সেটাও আমি জানি না। এ বিষয়ে আমি রেজিস্ট্রারকে লিখিত দিয়েছি।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ফারজানা ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক রমজান আলীর বাসা থেকে দুই ট্রাংক মদের বোতল উদ্ধার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে চালকের দাবি, এই ট্রাংক কোত্থেকে এসেছে, সেটা তিনি জানেন না। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও কোষাধ্যক্ষ বিষয়টি চেপে যেতে বলেছেন বলে জানিয়েছেন অভিযানে যাওয়া একাধিক কর্মচারী।

গত ১২ সেপ্টেম্বর স্টাফ কোয়ার্টারের ই-১১১ নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে এসব মদের বোতল উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি প্রচার করা না হলেও উদ্ধার অভিযানের ভিডিও রোববার নিউজবাংলার হাতে এসেছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, এক ট্রাংকে ছিল খালি বোতল আর এক ট্রাংকের বোতলে মদ ভর্তি ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চালক রমজান আলী বলেন, ‘যখন আমার বাসা তল্লাশি হয়েছে, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। মদের বোতল কোথা থেকে এসেছে, সেটাও আমি জানি না। এ বিষয়ে আমি রেজিস্ট্রারকে লিখিত দিয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রেজিস্ট্রারের নির্দেশে রমজানের বাসা তল্লাশি করা হয়। এ সময় নিরাপত্তা অফিসের গার্ড ও কর্মচারী সমিতির নেতারাও সেখানে ছিলেন। ঘটনাটি পরে ধামাচাপা দিতে বলেন রেজিস্ট্রারই। এ কারণে পরবর্তীতে এ বিষয়টি নিয়ে আর কোনো তদন্ত কমিটি হয়নি কিংবা কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি রমজানের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক কর্মচারী জানান, রমজানের বাসা থেকে মদ উদ্ধারের পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ রাশেদা আক্তার ও রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বিষয়টি গোপন রাখার নির্দেশ দেন।

ওই কর্মচারী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার সাবেক ভিসির অনুসারী ও আস্থাভাজন। তাই বিষয়টি তারা ধামাচাপা দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে কোষাধ্যক্ষ রাশেদা আক্তারকে ফোন দিলে তিনি ‘মিটিংয়ে ব্যস্ত’ বলে ফোন রেখে দেন।

আরও পড়ুন:
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ মহাসড়কে
জাবিতে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি
জাবিতে আসনপ্রতি লড়ছেন ১৫১ জন
শিক্ষক হত্যা-লাঞ্ছনার প্রতিবাদ জাবি শিক্ষক সমিতির
বহিষ্কার হয়েও থাকেন তিনি হলে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Burkha is demanded as a formal dress

বিশ্ববিদ্যালয়ে বোরকাকে ফরমাল ড্রেস করার দাবি

বিশ্ববিদ্যালয়ে বোরকাকে ফরমাল ড্রেস করার দাবি বোরকাকে ফরমাল ড্রেস হিসেবে গণ্য করার দাবিতে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন করে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন। ছবি: নিউজবাংলা
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেন, ‘ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে বোনদের সঙ্গে যেভাবে বৈষম্যমূলক আচরণ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে, তা অপমান বিবেচনা করে এর জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া ভাইভা প্রেজেন্টেশন ও ক্লাসসহ সব জায়গায় বোরকাকে ফরমাল ড্রেস হিসেবে গণ্য করতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইভা প্রেজেন্টেশনসহ সব জায়গায় বোরকাকে ফরমাল ড্রেস হিসেবে গণ্য করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

রোববার বিকেলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে কাউকে হয়রানি করা হলে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী সম্প্রতি অভিযোগ করেন, ‘বোরকা পরে ভাইভা দিতে এলে ভাইভা বোর্ডে থাকা শিক্ষকরা তাকে মুখ ‍খুলতে বলেন। মুখ খুলতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে ভাইভায় অনুপস্থিত দেখানো হয়।

ওই ঘটনার প্রতিবাদেই মূলত সংগঠনটি এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্ত সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র। এখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পর্দা করে এবং বিভিন্নভাবে তাদের হেনস্তা করা হয়। এটি চলতে দেয়া যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আমাদের আহ্বান, মুখ ঢেকে রাখার কারণে যে মেয়েকে ভাইভায় অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে শিক্ষকবৃন্দ যেন পুনরায় তার সেই ভাইভা বিবেচনা করেন।’

তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে বোনদের সঙ্গে যেভাবে বৈষম্যমূলক আচরণ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে, তা অপমান বিবেচনা করে এর জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া ভাইভা প্রেজেন্টেশন, ক্লাসসহ সব জায়গায় বোরকাকে ফরমাল ড্রেস হিসেবে গণ্য করতে হবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ধর্মীয় অনুশাসন পালন অর্থাৎ পর্দা করার বিধান লঙঘনের এখতিয়ার কোনো কর্তৃপক্ষের হাতে থাকতে পারে না। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে কেউ ধর্ম পালন করতে পারবে না, তা হতে পারে না।

‘ক্যাম্পাস সবার মতপ্রকাশ ও আদর্শ লালনের জন্য উন্মুক্ত। এখানে যে যার মতো ধর্মীয় পোশাক পরতে পারে, যা সংবিধান নিশ্চিত করেছে। একটি খোঁড়া অজুহাতে ভাইভা বোর্ড পরীক্ষার্থীকে অনুপস্থিত দেখাবে, তা মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।’

কোনো শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনে ডিজিটাল বায়োমেট্রিক পদ্ধতির ব্যবস্থা করা, জরুরি প্রয়োজন হলে পর্দা করা ছাত্রীদের জন্য শিক্ষিকাদের মাধ্যমে শনাক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘যারা ধর্ম মানতে চায় বা মানে তাদের আপনারা বাধা দেবেন না। বাধা দেয়া হলে আমরা সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দেব।’

মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাবি শাখার প্রচার সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মাদ আলীসহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

আরও পড়ুন:
যেকোনো পোশাকেই ‘বিজ্ঞানী হতে পারেন’ নারী
পোশাকের স্বাধীনতায় আঘাতের বিরুদ্ধে দাঁড়াল জাহাঙ্গীরনগর
নারীর পোশাকের স্বাধীনতা তাদের চোখে ‘মানসিক ধর্ষণ’
‘ছোট পোশাকবিরোধী’ তরুণ জানেন না, কেন হয়েছিল মানববন্ধন!
পোশাকে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ঢাবিতে মানববন্ধন

মন্তব্য

p
উপরে