× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Two children died with the most expensive medicine
hear-news
player
google_news print-icon

‘সবচেয়ে দামি ওষুধ’ নেয়া দুই শিশুর মৃত্যু

সবচেয়ে-দামি-ওষুধ-নেয়া-দুই-শিশুর-মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৯ সালে দুই বছরেরও কম বয়সী শিশুদের প্রয়োগের অনুমোদন পায় জোলজেন্সমা ওষুধটি। ছবি: সংগৃহীত
জোলজেন্সমা ওষুধে যেহেতু লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে, তাই ওই দুই শিশুকে লিভারের ক্ষতি রোধ করতে কর্টিকোয়েস্টেরয়েড নামের হরমোনও দেয়া হয়। এরপরেও এই দুই শিশুর মৃত্যু হয়।

জোলজেন্সমা জিন থেরাপির ওষুধ নিয়ে লিভার জটিলতায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ওষুধকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ওষুধ বলা হয়ে থাকে।

ওষুধ প্রস্তুতকারক সুইস ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান নোভারটিস বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছে

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দুই শিশুর মেরুদণ্ডের পেশীর জটিলতার (অ্যাট্রোফি, বংশগত রোগ) কারণে তাদের জোলজেন্সমা জিন থেরাপি দেয়া হয়েছিল।

এ ওষুধে যেহেতু লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে, তাই ওই দুই শিশুকে লিভারের ক্ষতি রোধ করতে কর্টিকোয়েস্টেরয়েড নামের হরমোনও দেয়া হয়। এরপরেও এই দুই শিশুর মৃত্যু হয়।

তবে এই ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছিল কীনা তা নিশ্চিত হয়া যায়নি।

দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনার ঘটেছে রাশিয়াতে ও কাজাখস্তানে।

সুইস প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ওষুধের বাজার ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের এই বিষয়ে অবগত করা হয়েছে।

জোলজেন্সমা এমন একটি ওষুধ যা প্রতি রোগীর জন্য ২০ লাখ ডলার ব্যয় হয় এবং এই ওষুধটি এই পর্যন্ত ২ হাজার ৩০০ রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে।

এই ওষুধটি যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৯ সালে দুই বছরেরও কম বয়সী শিশুদের প্রয়োগের অনুমোদন পায় এবং ২০২০ সালে কিছু শর্তসাপেক্ষে ইইউতেও অনুমোদন পেয়েছে। ওষুধটি ইনজেকশন দিয়ে শিরায় প্রয়োগ করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঘরে বসেই মিলছে বিদেশি চিকিৎসকদের পরামর্শ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
The number of cases and deaths decreased in one day

একদিনে কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু

একদিনে কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ হাজার ৮১০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১০ জন শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত কমেছে। এ সময়ে ৪১০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগের দিন বুধবার করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৫৪৯ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে মৃত্যুও। এ সময়ে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের দিন দুইজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ হাজার ৮১০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১০ জন শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৮ হাজার ৫২৪ জন।

করোনায় নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৮৪ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

গত ২৪ ঘণ্টায় এক মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৭৫ জনে দাঁড়াল।

করোনা শনাক্ত হয়ে মৃত ব্যক্তি পুরুষ। তিনি ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৫৮৪ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫৩ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ চলছে।

আরও পড়ুন:
করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত ১৪১
করোনা: শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৯ ছাড়াল
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
637 dengue patients admitted in one day

এক দিনে ৬৩৭ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

এক দিনে ৬৩৭ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে এক মা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৪১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ২২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬৩৭ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ।

এই সময়ে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৪১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ২২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ৩৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৭৭১ জন এবং ঢাকার বাইরে ৫৬২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় শূন্য মৃত্যু নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩ জনের।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৯ হাজার ২৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ৫৪৬ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৭৩৭ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৮৮৭ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ হাজার ৭৪৪ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৪ হাজার ১৪৩ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, বাড়ছে হাসপাতালে ভর্তি
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০
ডেঙ্গুর প্রকোপ ‘অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত’
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড
ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
2 more deaths due to dengue in 24 hours

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ মৃত্যু দেশে গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেয়া এক রোগী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ২৭০ জন এবং ঢাকার বাইরে ৭৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩৪৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ২৭০ জন এবং ঢাকার বাইরে ৭৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ১৫৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৬০১ জন এবং ঢাকার বাইরে ৫৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যুসহ এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩ জনের।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৮ হাজার ৬৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১২৯ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫১৭ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪২৭ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ হাজার ৪৯৭ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৯৩০ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০
ডেঙ্গুর প্রকোপ ‘অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত’
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড
ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, কমেছে হাসপাতালে ভর্তি

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Ambulance driver in the role of doctor in Upazila Health Complex

হাসপাতালে রোগী দেখছেন অ্যাম্বুলেন্সচালক!

হাসপাতালে রোগী দেখছেন অ্যাম্বুলেন্সচালক! ফেসবুকে অ্যাম্বুলেন্সচালক আমজাদের চিকিৎসা দেয়ার ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত
জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ কে এম শাহাবুদ্দিন জানান, বাইরের কেউ কোনোভাবেই জরুরি বিভাগে রোগী দেখতে পারে না। বিষয়টি তদন্ত করে আমজাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নাটোরের লালপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসকের ভূমিকায় দেখা গেছে অ্যাম্বুলেন্সচালক আমজাদ হোসেনকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তার চিকিৎসা দেয়ার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই শুরু হয় নানা সমালোচনা।

ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালকেন্দ্রিক বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালক আমজাদ কানে স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে জরুরি বিভাগে রোগী দেখছেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালের আরএমও সুরুজ্জামান শামীম অভিযোগ করে জানান, বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালক আমজাদ হাসপাতাল চত্বরে দালালি করে। স্থানীয় ও প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো কোনো স্টাফদের সঙ্গেও তার সুসম্পর্ক রয়েছে। হাসপাতালে রোগী এলেই আগবাড়িয়ে তাদের সঙ্গে পরিচিত হন আমজাদ এবং তাদের সমস্যা সমাধান করার কথা বলে আর্থিক সুবিধা নেন।

জরুরি বিভাগের ঘটনাটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রোগীর খোঁজ নিতে রাউন্ডে ছিলাম। এ সুযোগে আমজাদ জরুরি বিভাগে ঢুকে থাকতে পারে।’

হাসপাতাল চত্বরে দালালির কথা অস্বীকার করে অ্যাম্বুলেন্সচালক আমজাদ জানান, রাত সাড়ে ৭টার দিকে পাশের মোমিনপুর এলাকার মারামারিতে আহত এক রোগী আসে। এ সময় একজন চিকিৎসক তাকে ওই রোগীর প্রেসার মাপতে বলেন। এ সময় কেউ জানালা দিয়ে গোপনে ছবি তুলে ফেসবুকে ছেড়েছে।

জরুরি বিভাগে তিনি এই কাজ করতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি তিনি।

জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ কে এম শাহাবুদ্দিন জানান, বাইরের কেউ কোনোভাবেই জরুরি বিভাগে রোগী দেখতে পারে না। বিষয়টি তদন্ত করে আমজাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিভিল সার্জন রোজী আরা খাতুন বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সচালক জরুরি বিভাগে রোগী দেখছেন, এটা তো হওয়ার কথা না। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে সব সময় চিকিৎসক থাকার কথা। অ্যাম্বুলেন্সচালকের রোগী দেখার কোনো বৈধতা নেই। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসা’য় প্রসূতির মৃত্যুর জেরে সংঘর্ষ
নিজ হাসপাতালে হয়রানির শিকার হয়ে বিস্মিত চিকিৎসক
বাবার লাশের পাশে ফেসবুক লাইভ: অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন
রোগীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় চিকিৎসক কারাগারে
দাঁতের ব্যথায় পল্লি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
1 death detected in Corona 657

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ৬৫৭

করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ৬৫৭ করোনাভাইরাস সংক্রমণ ফের বাড়ছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৩১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৬ মানুষ।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে আসছে না, বাড়ছে আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে এক জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার নিয়মিত বিবৃতিতে জানিয়েছে, করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ৪ হাজার ৭৬২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৫৭ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৭৪ জনই ঢাকার বাসিন্দা।

শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, মারা যাওয়া রোগী একজন নারী। তিনি ময়মনসিংহের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায়, দেশে করোনার পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শনাক্তের হার টানা দু’সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলা যায়।

গত সোমবার পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত ছিল ১২ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ১৪ দশমিক ৩৫। মঙ্গলবার শনাক্ত হয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৩১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৬ মানুষ।

২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তের পর মোট চারটি ঢেউ পাড়ি দিয়ে দেশ এখন করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে। চতুর্থ ঢেউ থেকেই দেখা যাচ্ছে, দেশবাসীর মধ্যে এই ভাইরাস আগের মতো আতঙ্ক তৈরি করছে না, সে কারণে সতর্কতাও কমেছে। এ অবস্থায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশে তিন মাস স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ চলমান।

আরও পড়ুন:
করোনায় শনাক্ত ৬৯৬,মৃত্যু ২
টানা ৭৫ দিন বিনা মূল্যে বুস্টার দেবে ভারত
ফের করোনায় আক্রান্ত যুবলীগের নিখিল
করোনা বিধিনিষেধ কার্যকর সম্ভব হবে কি?

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The package will have red color to identify the antibiotic

যার তার অ্যান্টিবায়োটিক কেনা বন্ধে উদ্যোগী সরকার

যার তার অ্যান্টিবায়োটিক কেনা বন্ধে উদ্যোগী সরকার ফার্মেসিতে ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফার্মেসির লাইসেন্স পেতে হলে বিধিবিধান মানতে হবে। ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক যাতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যাবে না। চেনার জন্য মোড়কে লাল রং করা হবে।’

অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের যত্রতত্র ব্যবহার ও যার তার প্রেসক্রিপশন ছাড়া কেনা বন্ধে প্যাকেটে লাল রং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে তিনি এমন কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফার্মেসির লাইসেন্স পেতে হলে বিধিবিধান মানতে হবে। ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক যাতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যাবে না। চেনার জন্য মোড়কে লাল রং করা হবে।’

প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার রুখতে তদারকি বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিকের জন্য অনেক মানুষে কাজ করে না। অসুস্থ হয়ে পড়লে অনেক কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেকে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। প্রেসক্রিপসন ছাড়া ও কোর্স শেষ না করা এর একটি বড় কারণ।’

তিনি বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করাও একটি কারণ। খাদ্যেরও চলে এসেছে। মাছ মাংসতেও পাওয়া যাচ্ছে। কারণ, ফিডে এটা ব্যবহার করা হয়। এতে রেজিস্ট্যান্স বিকাশ লাভ করে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিক রুখতে আইনের অভাব রয়েছে। কঠিন আইন তৈরি হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা হচ্ছে। ওষুধ আইন ২০২২- শেষ পর্যায়ে আছে। সংসদে পাস হলে প্রয়োগ শুরু হবে।’

আরও পড়ুন:
অ্যান্টিবায়োটিকের অতি ব্যবহার বাড়াবে মৃত্যুর শঙ্কা: সিডিসি
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে করোনার চেয়ে দ্বিগুণ মৃত্যুর শঙ্কা
কাজ হয় না অ্যান্টিবায়োটিকে
অ্যান্টিবায়োটিকে সারছে না শিশুর নিউমোনিয়া
দেশে পাট থেকে নতুন অ্যান্টিবায়োটিক

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
3 more deaths due to dengue

ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশার মাধ্যমে। ফাইল ছবি
এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ হাজার ৮২০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ৫১১ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৩০৯ জন। একই সময়ে সারা দেশে ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৬১৫ জন। এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬১ জনের।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সোমবার যোগ হয়েছে ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৫২৫ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জন ডেঙ্গু রোগীর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে সোমবার এ তথ্য জানা গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩৫২ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ১৪৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৫৯৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ৫৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যুসহ এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬১ জনের।

করোনার মধ্যে ডেঙ্গুর এই বিস্তার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে সরকার। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র এডিস মশা নির্মূলে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। নগরীর বিভিন্ন ভবনে অভিযান চালিয়ে এডিস বিস্তারের পরিবেশ থাকায় জরিমানা করা হয়েছে। সচেতনতা বাড়াতে চলছে প্রচারণা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশার মাধ্যমে। আর অন্য মশার সঙ্গে ডেঙ্গুর ভাইরাসবাহী এডিস মশার পার্থক্য আছে। মূলত এই মশাগুলোর জন্ম হয় আবদ্ধ পরিবেশে। ফলে নাগরিকরা সচেতন না হলে এই রোগ প্রতিরোধ করা কঠিন।

২০১৯ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তারে আক্রান্ত হয় ১ লাখের বেশি মানুষ। যাদের মধ্যে মারা যায় ১৭৯ জন। পরের বছর সতর্ক অবস্থানে ছিল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তারপরও ২০২০ সালে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ হাজার ৪০৫ জন, যাদের মধ্যে ৬ জন মারা যান।

গতবছর ডেঙ্গু সংক্রমণের মাত্রা অনেকটা কম থাকলেও এ বছর পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ হাজার ৮২০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ৫১১ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৩০৯ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৬১৫ জন।

এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ হাজার ৮৮৪ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৭৩১ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে শূন্য মৃত্যু, ভর্তি ৫০৬
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, বাড়ছে হাসপাতালে ভর্তি
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০
ডেঙ্গুর প্রকোপ ‘অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত’
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড

মন্তব্য

p
উপরে