× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
The detection rate of 3 deaths due to Corona also decreased
google_news print-icon

করোনায় মৃত্যু ৩ জনের, শনাক্তের হারও কমল

করোনায়-মৃত্যু-৩-জনের-শনাক্তের-হারও-কমল
ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সবশেষ শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৫ হাজার ৭২০ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনা শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৬৫ জন।

রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

সবশেষ শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৫ হাজার ৭২০ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনা শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

এই ভাইরাসে আগের দিন শনিবার মৃত্যু হয়েছিল তিনজনের। নতুন রোগী ছিল ৩৪৯ জন। শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৬৪।

সর্বশেষ মারা যাওয়া তিনজনের শরীয়তপুর, দিনাজপুর ও সিলেট বিভাগের বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৫ হাজার ২৫৭ জনের। মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৯১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৪১০ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনায় দেশে আরও ৩ মৃত্যু
করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ
৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের করোনা টিকা নিতে লাগবে জন্মনিবন্ধন
করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও
উহানে ফের লকডাউন, বিধিনিষেধে ১০ লাখ মানুষ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
JS Diagnostic Center has been closed by the Health Department
খতনা করতে শিশুর মৃত্যু

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খতনা করাতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
খতনা করতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় ইতোমধ্যে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খতনা করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আহনাফ তাহমিন আয়মান নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মঈনুল আহসান (পরিচালক হাসপাতাল) মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসে হাসপাতালটির যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।

এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘কিছুদিন আগেও এমন একটি ঘটনা আমরা লক্ষ্য করেছি। সে ঘটনায় আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিয়েছি। তারপরও যারা সতর্ক হতে পারেনি, এরকম আর কারও কোনোরকম দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘দোষী প্রমাণিত হলে শুধু স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বিরুদ্ধে নয়, দায়িত্বে অবহেলাকারীদেরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। চিকিৎসায় অবহেলা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে ঘটে যাওয়া আরেক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেও একটি বিবৃতি দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি জানান, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে এন্ডোস্কপি করাতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল (২০ ফেব্রুয়ারি) সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরিদর্শন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট আগামীকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) হাতে আসবে। রিপোর্ট দেখে সে বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, খতনা করতে গিয়ে মারা যাওয়া শিশু আহনাফের বাবার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার থেকে একজন পরিচালক ও একজন অ্যানেসথেশিওলজিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে রোববার মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে খতনা করাতে গিয়ে ফের শিশুর মৃত্যু, ২ চিকিৎসককে রিমান্ডে চায় পুলিশ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Khandaker Musharraf returned home after treatment

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন খন্দকার মোশাররফ

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন খন্দকার মোশাররফ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ফাইল ছবি
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ব্রেইনে অপারেশন হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক তাকে আগামী ছয় মাস কোনো ধরনের জনসমাগম ও কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মঙ্গলবার রাত ১টায় ঢাকায় পৌঁছান তিনি।

সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে গুলশানের বাসায় ৬ মাস বিশ্রামে থাকবেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মোশাররফ স্যারের ব্রেইনে অপারেশন হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক তাকে আগামী ছয় মাস কোনো ধরনের জনসমাগম ও কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১৬ জুন দলীয় পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন ড. মোশাররফ। প্রথমে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর ২৭ জুন সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি।

দু’মাসের বেশি সময় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন খন্দকার মোশাররফ। এরপর আবার অসুস্থ হলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতাকে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি তাকে আবারও সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ আইসিইউতে
সরকারের বিদায় সময়ের ব্যাপার মাত্র: মোশাররফ
দেশ সংকটকাল অতিক্রম করছে: মোশাররফ
সরকারের পতন ঘটানো হবে: মোশাররফ
কর্মসূচি পেছানো নমনীয়তা নয়, গণতান্ত্রিক চরিত্র: বিএনপি

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Red Alert will be unveiled at the book fair

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে সোমবার ‘রেড এলার্ট’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও সিইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাতসহ অন্যরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি) এবং ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবার যৌথ গবেষণার ফল হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে ‘রেড এলার্ট’। স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য লেখা নন-কমিউনিকেবল ডিজিস-এর ওপর রচিত এমন বই বাংলাদেশে এটিই প্রথম।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নন-কমিউনিকেবল ডিজিস (অসংক্রামক ব্যাধি) নিয়ে লেখা বই ‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে অমর একুশে বইমেলায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর ৮৯৫ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি।

রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলের বলরুমে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় নন-কমিউনিকেবল ডিজিস, ডায়েটারি হেবিটস ও লাইফস্টাইল ইন বাংলাদেশ-এর ওপর লিখিত ‘রেড এলার্ট’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ- এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি) এবং ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা-এর যৌথ গবেষণার ফল হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে বইটি। স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য লেখা নন-কমিউনিকেবল ডিজিস-এর ওপর রচিত বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রথম বই এটি।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত তার বক্তব্যের শুরুতেই ‘রেড এলার্ট’ গ্রন্থ প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি এই বই থেকে তথ্য নিয়ে কিভাবে নীতি-নির্ধারণ পর্যায়ে প্রয়োগ করা যায় সে বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা খতিয়ে দেখবেন।’

প্রতিমন্ত্রী বইয়ের প্রচ্ছদ ও গুণগতমান নিয়ে প্রশংসা করে বলেন, ‘এরকম আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কাজ আমাদের আরও বেশি করে করতে হবে, যাতে গবেষণায় আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারি।’

ভবিষ্যতে এ ধরনের গবেষণামূলক কাজে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানেরও আশ্বাস দেন তিনি।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

প্রতিমন্ত্রী আরাফাত বলেন, ‘এই প্রকাশনাটি কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর গবেষণার ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী শিক্ষা গবেষণায় সেতুবন্ধন তৈরিতে বিশ্বাসী। এই উদ্দেশ্যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এ বছরের শেষের দিকে কানাডার অন্টারিও ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. রিতা কলওয়েল অনুষ্ঠানে গেস্ট অফ অনার হিসেবে বক্তব্য দেন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে কানাডিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র ট্রেড কমিশনার মিসেস দেবরা বয়েছ ও বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল-এর চেয়ারম্যান ড. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

বইটি সম্পাদনার মূল ভূমিকায় রয়েছেন সিইউবি’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক গিয়াস ইউ আহসান। সম্পাদক হিসেবে তার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা, কানাডা-এর অধ্যাপক ড. সি এমদাদ হক এবং নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম আনিসুল ইসলাম।

বইটির সম্পাদক কী-নোট স্পিকার সিইউবি উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. গিয়াস ইউ আহসান তার বক্তব্যে বলেন, ‘স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে বইটি সহসাই ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পাবে। আশা করি গুরুত্বপূর্ণ বই হিসেবে অভাবনীয় জনপ্রিয় হয়ে এটি।’

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

প্রসঙ্গত, বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা এবং সিএনআরএস।

‘রেড এলার্ট’ বইটি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলমান অমর একুশে বইমেলায় মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর ৮৯৫ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
বসন্ত আর ভালোবাসার দিনের অপেক্ষায় বইমেলা
মেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বইয়ের কাটতি বেশি
মেলায় দর্শনার্থীরা খুঁজছেন মুক্তিযুদ্ধের বইও
শুক্রবারের বইমেলায় জনসমুদ্র
বইমেলায় শুক্র-শনির অপেক্ষা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
IEDCR at Ramek Hospital to find out the cause of death of two children

দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে রামেক হাসপাতালে আইইডিসিআর

দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে রামেক হাসপাতালে আইইডিসিআর আইইডিসিআরের একটি প্রতিনিধি দল সোমবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করে। ছবি: নিউজবাংলা
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহমেদ বলেন, ‘মৃত দুই শিশু ও তারা বাবা মা কী রোগে আক্রান্ত, তার সঠিক কারণ বের করতে আইইডিসিআর অধিকতর তদন্তের জন্য এখানে এসেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করতে তারা কাজ করছে। ঢাকায় পাঠানো আগের নমুনা পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।’

রাজশাহীতে বরই খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে তিন দিনের ব্যবধানে দুই বোনের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

প্রতিষ্ঠানটির একটি প্রতিনিধি দল সোমবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

এদিকে প্রাণ হারানো দুই শিশুর মা ও বাবাকে রামেক হাসপাতাল থেকে ছুটি দেয়া হয়েছে। তারা বাড়িতে আইসোলেশনে থাকবেন।

অসুস্থতার লক্ষণ দেখে দুই শিশুর মারা যাওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল নিপাহ ভাইরাসের কারণে তারা প্রাণ হারাতে পারে, তবে নমুনা পরীক্ষার পর আইইডিসিআর জানিয়েছে, নিপাহ ভাইরাসে নয়, অন্য কোনো কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

বরই খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে মারিশা ও মাশিয়ার মৃত্যুর পর তাদের নমুনা পাঠানো হয় ঢাকায় আইইডিসিআরে। দুই শিশুর মৃত্যুর পরে তাদের বাবা-মাকে হাসপাতালের নিপা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়।

আইইডিসিআর থেকে রোববার সন্ধ্যায় জানানো হয়, এ দুই শিশু নিপাহ ভাইরাসে মারা যায়নি। অন্য কোনো কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

অন্য কোন কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, এটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য কাজ শুরু করেছে সংস্থাটি। সোমবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আসা আইইডিসিআরের তিন সদস্যের তদন্ত দল শিশুদের বাবা মিজানুর রহমান ও মা পলি খাতুনের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই শিশু ও তাদের বাবা-মায়ের রোগের কেস হিস্ট্রির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন তারা। এ ছাড়া মৃত দুই শিশুর নমুনাও সংগ্রহ করে প্রতিনিধি দল।

পরে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহমেদ বলেন, ‘মৃত দুই শিশু ও তারা বাবা মা কী রোগে আক্রান্ত, তার সঠিক কারণ বের করতে আইইডিসিআর অধিকতর তদন্তের জন্য এখানে এসেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করতে তারা কাজ করছে। ঢাকায় পাঠানো আগের নমুনা পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

‘এ ছাড়া মৃত শিশুদের পাকস্থলির খাবারের নমুনা হাসপাতালে সংরক্ষণ করে রাখা আছে। পাকস্থলি ঢাকায় পাঠিয়ে বিষক্রিয়া ছিল কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।’

এদিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ওই দুই সন্তানের বাবা-মায়ের গতকাল জ্বর ছিল। আল্লাহর রহমতে আজকে আর জ্বর নেই।

‘যেহেতু কোনো ভাইরাস এখনও শনাক্ত করা যায়নি, সেহেতু তাদের নিজ বাসাতেই আইসোলেশনে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও আজকেই রিলিজ দেয়ার জন্য বলেছি।’

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার বিকেলে মারা যায় মাশিয়া। গত বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় তার ছোট বোন মারিশা। পরে শিশুদের বাবা-মাকে হাসপাতালের নিপাহ আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

প্রাণ হারানো দুই শিশুর মধ্যে মুনতাহা মারিশার বয়স ২ ও মুফতাউল মাশিয়ার বয়স ৫ বছর। তারা রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানের সন্তান।

মনজুর রহমান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। স্ত্রী পলি খাতুন ও সন্তানদের নিয়ে রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে থাকতেন তিনি।

আরও পড়ুন:
সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ হত্যা: পুত্র ও পুত্রবধূর মৃত্যুদণ্ড
জন্মের দুই ঘণ্টায় নিবন্ধন সনদ পেল শিশু
কুড়িগ্রামে বিয়ের দাওয়াতে এসে ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু
তালাবদ্ধ ঘরে আগুনে পুড়ে শিশুর মৃত্যু
রাজশাহীতে রেলওয়ে স্টেশনে মারধরে আনসার সদস্যের মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Nipah virus is not the cause of death of two children in Rajshahi

রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়  

রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়   শিশু দুটির মৃত্যুর পর মা-বাবাকে রামেক হাসপাতালে নিপা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশু দুটির নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে আইইডিসিআর। এরপরই এই ভাইরাস সম্পর্কে জানা যাবে। তার আগে পর্যন্ত শিশু দুটির বাবা-মাকে হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হবে।’

রাজশাহীতে গাছতলায় কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে তিন দিনের ব্যবধানে মারা যাওয়া দুই বোনের মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়। নমুনা পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে যে, নিপাহ ভাইরাসে তাদের মৃত্যু হয়নি। তবে মৃত্যুর কারণ জানতে আরও সময় লাগবে।

মারা যাওয়া শিশু দুটি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানের সন্তান। ওদের মধ্যে মুনতাহা মারিশার বয়স দুই বছর। আর মুফতাউল মাশিয়ার বয়স পাঁচ বছর।

এদিকে শিশু দুটির মৃত্যুর পর ওদের বাবা-মাকেও হাসপাতালের বিশেষ ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

মনজুর রহমান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তার স্ত্রীর নাম পলি খাতুন। তারা রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে থাকেন।

এদিকে মৃত্যুর কারণ জানতে দুই শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় ঢাকায়। ওদের বাবা-মায়ের নমুনাও পাঠানো হয়।

নমূনা পরীক্ষার পর আইইডিসিআর যে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, রাজশাহীতে বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নিপাহ ভাইরাসে হয়নি। অন্য কোনো অজানা ভাইরাসের কারণে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে, ঠিক কী কারণে মারা গেছে সেটি জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শংকর কে বিশ্বাস রোববার সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশু দুটির নমুনা পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অজানা এই ভাইরাস নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে আইইডিসিআর। এরপরই এই ভাইরাস সম্পর্কে জানা যাবে।

‘ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী পরীক্ষা করতে সময় লাগে। এক্ষেত্রে ৭ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।’

ডা. শংকর বলেন, ‘শিশু দুটির বাবা-মা আইসোলেশনে থাকবেন। ভাইরাস নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আপাতত তারা হাসপাতালেই থাকবেন।’

রামেক হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার মো. মনিরুজ্জামান জানান, মারা যাওয়া শিশু দুটির বাবা-মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। কিন্তু মানসিকভাবে তারা খুব খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে আছেন।’

প্রসঙ্গত, গাছতলায় পড়ে থাকা বরই কুড়িয়ে খেয়েছিল এই দুই শিশু। রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার বিকেলে মারা যায় বড় বোন মাশিয়া। এর আগে বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় ছোট বোন মারিশা। পরে শিশু দুটির বাবা-মাকে হাসপাতালের নিপা আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এদিকে দ্বিতীয় মেয়ে মারা যাওয়ার পর আইসোলেশনে নিয়ে আসায় মেয়ের জানাজাতেও যেতে পারেননি তারা। বিকেলে স্বজনদের মাধ্যমে মাশিয়ার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে মরদেহ দাফন করা হয়। বুধবার মারিশার দাফনও সেখানেই হয়েছে।

মনজুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার কোয়ার্টারের পাশে কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল মারিশা আর মাশিয়া। বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। পরে রাজশাহী সিএমএইচে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

‘এরপর শুক্রবার মাশিয়ারও জ্বর এলে রাজশাহীতে সিএমএইচে নিয়ে আসি। মাশিয়ারও পুরো শরীরে ছোট কালো দাগ উঠতে থাকে। চিকিৎসকেরা সেখান থেকে আমার মেয়েকে রামেক হাসপাতালে পাঠান। রাতে রামেক হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে মাশিয়াও মারা যায়।’

আরও পড়ুন:
কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Two sisters died in two days of illness after eating plums

কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ শিশুদের মৃত্যুর পর তাদের মা-বাবাকে নিপা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
শিশুদের পরিবারের বরাত দিয়ে চিকিৎসক জানান, কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল দুই বোন। পরে গত বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। পরে রাজশাহীর সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। এরপর শুক্রবার মাশিয়ারও জ্বর আসলে একই হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পুরো শরীরে ছোট কালো দাগ উঠতে থাকে।

রাজশাহীতে গাছতলায় পড়ে থাকা বরই কুড়িয়ে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে তিন দিনের ব্যবধানে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।

চিকিৎসকরা ধারণা করছেন, বরই খেয়ে তারা নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। তবে এটা অজানা কোনো ভাইরাসও হতে পারে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার বিকেলে মারা যায় বড় বোন মাশিয়া। এর আগে গত বুধবার মারা যায় মারিশা।

প্রাণ হারানো দুই বছর বয়সী মুনতাহা মারিশা ও পাঁচ বছর বয়সী মুফতাউল মাশিয়া রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানে মেয়ে।

মনজুর রহমান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ারটারে থাকেন।

শিশুদের পরিবারের বরাত দিয়ে চিকিৎসক জানান, কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল দুই বোন। গত বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। পরে রাজশাহীর সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। এরপর শুক্রবার মাশিয়ারও জ্বর আসলে একই হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পুরো শরীরে ছোট কালো দাগ উঠতে থাকে। চিকিৎসকরা তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠালে শনিবার বিকালে মারা যায় মাশিয়া।

রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক মো. মনিরুজ্জামান জানান, দুই শিশু নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে, তবে অন্য কোনো ভাইরাসও হতে পারে। পুরো পরিবারের সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এদিকে শিশুদের মৃত্যুর পর তাদের মা-বাবাকেও হাসপাতালের নিপা ওয়ার্ড এ আইসোলেশনে রাখা হয়েছে বলে জানান ডা. মনিরুজ্জামান।

আরও পড়ুন:
তালাবদ্ধ ঘরে আগুনে পুড়ে শিশুর মৃত্যু
‘আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসে না’ লেখা ভবানীপ্রসাদ মারা গেছেন
সুবর্ণচরে ভোটের রাতে গৃহবধূকে ধর্ষণ: ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড
ফোনে কথা বলার সময় সাত তলা থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়: আইজিপি

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Russia on the brink of discovering a cancer vaccine

‘ক্যানসারের টিকা আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে রাশিয়া’

‘ক্যানসারের টিকা আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে রাশিয়া’ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ‘আমরা ক্যানসারের টিকা ও নতুন প্রজন্মের ইমিউনোমড্যুলেটরি ড্রাগ আবিষ্কারের খুবই কাছে চলে এসেছি। আমি আশাবাদী যে, এগুলো খুব শিগগির কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে চিকিৎসার জন্য তা বাজারে চলে আসবে।’

ক্যানসারের টিকা আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা এবং শিগগিরই তা সাধারণ ব্যবহারের জন্য বাজারে চলে আসবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বুধবার রাশিয়ার একটি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত মস্কো ফোরাম অন ফিউচার টেকনোলজিতে দেয়া বক্তব্যে পুতিন এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা ক্যানসারের টিকা আবিষ্কারের খুবই কাছাকাছি।

পুতিন বলেন, ‘আমরা ক্যানসারের টিকা ও নতুন প্রজন্মের ইমিউনোমড্যুলেটরি ড্রাগ আবিষ্কারের খুবই কাছে চলে এসেছি। আমি আশাবাদী যে, এগুলো খুব শিগগির কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে চিকিৎসার জন্য তা বাজারে চলে আসবে।’

আরও পড়ুন:
ক্যানসারের চিকিৎসায় ‘কেমোর চেয়ে স্বস্তির’ ওষুধের সন্ধান

মন্তব্য

p
উপরে