× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Corona Deaths and detections increased in 24 hours
hear-news
player
print-icon

করোনা: ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত

করোনা-২৪-ঘণ্টায়-বেড়েছে-মৃত্যু-ও-শনাক্ত
ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণের দিকে আসছে করোনাভাইরাসের চলমান চতুর্থ ঢেউ। অবশ্য মঙ্গলবার আশা দেখালেও বুধবার এসে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে, কিছুটা বেড়েছে শনাক্তের হারও।

গত কয়েকদিনে শনাক্তের হারে ওঠানামা থাকলেও বোঝা যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণের দিকে আসছে ভাইরাসটির সংক্রমণ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। শনাক্তের হার কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বুধবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ১৬২টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৬২৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৯১ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৩ হাজার ৫৭০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে তিনজন ঢাকার, একজন করে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৩৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়েতে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনা: মৃত্যু কমে ৪, শনাক্তের হারও কম
করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী
করোনা: মৃত্যু ৪, শনাক্ত কমেছে লাফিয়ে
করোনা: মৃত্যু কমে ২, শনাক্ত কমছে
একদিনে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Corona Downward detection rate Death 1

করোনা: নিম্নমুখী শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

করোনা: নিম্নমুখী শনাক্তের হার, মৃত্যু ১ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
৬ হাজার ৩৩৬টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন শনাক্ত ২৫৯ জনের মধ্যে ১৫৩ জনই ঢাকার বাসিন্দা। আর যিনি মারা গেছেন তিনি গাজীপুরের বাসিন্দা। মারা যাওয়া এই নারীর বয়স ৬০-৭০ বছরের মধ্যে। তিনি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

শনাক্তের হার বিবেচনায় দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। সংক্রমণের নিম্নমুখীতার মধ্যেও দেশে গত একদিনে ২৫৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে মৃত্যু হয়েছে একজনের। আর শনাক্তের হার আরও কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক শূন্য নয়ে।

রোববারও শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৩২। একদিনের ব্যবধানে তা কমেছে দশমিক ২৩ ভাগ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সোমবার পাঠানো বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৯ হাজার ১২৯ জন। আর একজনের মৃত্যুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৩১৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ৪১৫ জন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৭৩৭ জন।

৬ হাজার ৩৩৬টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন শনাক্ত ২৫৯ জনের মধ্যে ১৫৩ জনই ঢাকার বাসিন্দা। আর যিনি মারা গেছেন তিনি গাজীপুরের বাসিন্দা। মারা যাওয়া এই নারীর বয়স ৬০-৭০ বছরের মধ্যে। তিনি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

তবে করোনার চতুর্থ ঢেউ সামলে ভাইরাসটিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা: নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে দুজনের মৃত্যু
করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩
সেপ্টেম্বরে দুয়ার খুলবে যুক্তরাষ্ট্র
করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ
করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona Two deaths under controlled conditions

করোনা: নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে দুজনের মৃত্যু

করোনা: নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে দুজনের মৃত্যু ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
করোনায় নতুন শনাক্ত ২১৮ জনের মধ্যে ১৩০ জন ঢাকার বাসিন্দা। মারা যাওয়া দুই জনের একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার, অপরজন বগুড়ার বাসিন্দা।

দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি এখন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রিত। সংক্রমণের নিম্মমুখীতার মধ্যেও দেশে গত এক দিনে ২১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। আর শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৭৫।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৮ হাজার ৫০০ জন।

আর দুইজনের মৃত্যুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৩১২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ৩৫০ জন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৩৮৭ জন।

নতুন শনাক্ত ২১৮ জনের মধ্যে ১৩০ জন ঢাকার বাসিন্দা। মারা যাওয়া দুই জনের একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার, অপরজন বগুড়ার বাসিন্দা।

মৃতদের মধ্য একজন পুরুষ এবং একজন নারী। তাদের প্রত্যেকেই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

তবে করোনার চতুর্থ ঢেউ সামলে ভাইরাসটিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩
সেপ্টেম্বরে দুয়ার খুলবে যুক্তরাষ্ট্র
করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ
করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Immunization of children started with Nidhi

নীধিকে দিয়ে শিশুদের টিকাদান শুরু

নীধিকে দিয়ে শিশুদের টিকাদান শুরু
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকের দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দিতে হবে। এই শিশুদের জন্য প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টিকা লাগবে। ইতোমধ্যে ৩০ লাখের মতো টিকা পাওয়া গেছে। বাকি টিকা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দেবে বলে নিশ্চিত করেছে।’

দেশে করোনার বুস্টার ডোজ টিকা কার্যক্রমে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পিছিয়ে রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণে ছেলে-মেয়ে প্রায় সমান থাকলেও বুস্টার ডোজে মেয়েরা পিছিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে অনেক মেয়ে বুস্টার ডোজ নিচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময় পরীক্ষামূলকভাবে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী ১৬টি শিশুকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘টিকা কার্যক্রম পরিচালনায় আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম হয়েছি। সারাবিশ্ব আমাদের প্রশংসা করছে। অনেক দেশ এখনও ১০ থেকে ৱ১৫ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে পারেনি। কিন্তু বাংলাদেশ টিকা দিয়ে মানুষকে সুরক্ষায় নিয়ে এসেছে। মৃত্যুও শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। আমরা একদিনে এক কোটি বিশ লাখ টিকা দিয়েছি। টিকায় আমাদের সক্ষমতা আছে। বিশ্ববাসী জানে আমরা টিকা দিতে পারি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই একটা চেইন মেইনটেইন করে টিকা দিয়েছি। ঝুঁকি বিবেচনায় পঞ্চাশোর্ধ্বদের আগে টিকা দিয়েছি। ফ্রন্টলাইনারদেরও আগে দিয়েছি। সবশেষে এখন শিশুদের টিকা হাতে পেয়েছি। তাই কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি।’

শিশুদের টিকাদান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকের দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দিতে হবে। এই শিশুদের জন্য প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টিকা লাগবে। ইতোমধ্যে ৩০ লাখের মতো টিকা পাওয়া গেছে। বাকি টিকা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দেবে বলে নিশ্চিত করেছে।

‘এই টিকা শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। খুবই নিরাপদ। যুক্তরাষ্ট্রে এই টিকা দেয়া হচ্ছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অনুমোদন দিয়েছে। যে টিকাগুলো এসেছে সেগুলো দুই মাসের ব্যবধানে দিতে হবে। ২৫ আগস্ট থেকে পুরোদমে শিশুদের টিকা দেয়া হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিশুরা এমনিতেই করোনা থেকে নিরাপদ ছিল। এখন পর্যন্ত দেশে ২৯ হাজার লোক মারা গেছেন। তাদের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই ৫০ বছরের বেশি বয়সী। এই তালিকায় তরুণদের সংখ্যাও খুবই কম। তবে দেশে করোনায় ৫ থেকে ১১ বছরের কেউ মারা গেছে এমন খবর এখনও শোনা যায়নি।’

বক্তব্য শেষে মন্ত্রী শিশুদের টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি রাজেন্দ্র বোহরা, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট প্রমুখ।

শিশুদের মধ্যে প্রথম টিকা নিল নীধি নন্দিনী: ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের মধ্যে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নীধি নন্দিনী। বৃহস্পতিবার বিআইসিসিতে শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রথম টিকা নেয় এই শিক্ষার্থী। এরপর একে একে অন্য শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হয়।

টিকা নেয়া শিক্ষার্থীরা হলো- দ্বিতীয় শ্রেণির সৌম্য দ্বীপ দাস, চতুর্থ শ্রেণির মো. আবু সায়েম ফাহিম, পঞ্চম শ্রেণির বিকাশ কুমার সরকার, তৃতীয় শ্রেণির সাইমুন সিদ্দিক, তৃতীয় শ্রেণির মো. আরাফাত শেখ, আকিব আহমেদ সায়ন, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদ হোসেন ও আল-আমিন, তৃতীয় শ্রেণির শামীমা সিদ্দিকা তাসিন, রুপা আক্তার, হুমায়রা আফরিন তামান্না, চতুর্থ শ্রেণির তাসলিমা আক্তার, সানজিদা আক্তার, মোছা. নুসরাত জাহান আরিন এবং প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী হীরা আক্তার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা টিকা ব্যবস্থপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘দেশে বর্তমানে শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ফাইজারের করোনা টিকা মজুত আছে ৩০ লাখ। এ মাসের ২৮ তারিখের মধ্যে আরও ৭০ লাখ টিকা আমাদের হাতে আসবে। আমরা একসঙ্গে অনেক বেশি করোনা টিকা আনব না। চাহিদা দেখেই টিকা আনা হবে। পরবর্তী সময়ে ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে শিশুদের প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম। এর দুই মাস পর দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।’

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের করোনা টিকা নিতে লাগবে জন্মনিবন্ধন
এক সিরিঞ্জে ৩০ শিক্ষার্থীকে টিকা
৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদের টিকা আগস্টে
করোনার টিকা: প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল তৈরির উদ্যোগ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Second dose no longer available Take it fast Health Minister

দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখনও অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়নি। তাদের জন্য বলতে চাই যে, দ্বিতীয় ডোজ না নিলে কিন্তু তারা বুস্টার ডোজও পাবে না। তাই যারা এখনও প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ নেননি, দ্রুততম সময়ে তাদের টিকা নেয়ার অনুরোধ করছি। না নিলে কিন্তু পরে আর খুঁজেও পাবেন না।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশে এখনও প্রথম, দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কিছুদিন পর আর দ্বিতীয় ডোজও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ডোজের জন্য আমাদের কাছে যে পরিমাণ টিকা সংরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তাই যারা এখনও টিকা নেননি, তারা দ্রুত টিকা নিয়ে নিন।’

নিপসম অডিটোরিয়ামে রোববার বেলা ১২টায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সারাদেশে সফলভাবে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যার ফলে আমরা করোনা সংক্রমণকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। কিন্তু এখনও অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়নি। তাদের জন্য বলতে চাই যে, দ্বিতীয় ডোজ না নিলে কিন্তু তারা বুস্টার ডোজও পাবে না। তাই যারা এখনও প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ নেননি, দ্রুততম সময়ে তাদের টিকা নেয়ার অনুরোধ করছি। না নিলে কিন্তু পরে আর খুঁজেও পাবেন না।’

৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেয়া শুরু ১১ আগস্ট থেকে
করোনা থেকে সুরক্ষায় প্রাপ্তবয়স্ক ও মাধ্যমিকের শিশুদের টিকাদানের পাশাপাশি এবার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের তথা ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ আগস্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এসব শিশুকে করোনার টিকা দেয়া শুরু হবে বলে জানান জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ১১ আগস্ট পরীক্ষামূলক প্রয়োগের কিছুদিন পর আগামী ২৬ আগস্ট পুরোদমে এসব শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে শিশুদের এই টিকা নিতে অভিভাবকদের সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করার আহ্বান জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে আগামী ১১ আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর পর্যবেক্ষণের জন্য কিছু সময় নেব। কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ আগস্ট থেকে এই টিকা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
১২ বছর হলেই কেন্দ্রে নিবন্ধন করে টিকা
৮৫ শতাংশ টিকা দেয়া হয়েছে, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
টিকা না নেয়ায় চাকরি হারাচ্ছেন নিউ ইয়র্কের ৩ হাজার কর্মী
জন্মনিবন্ধনের ভুলে টিকা পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা
করোনায় মৃতদের ৮০ শতাংশ টিকা নেননি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
2 deaths detected in Corona 253

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়ে দুজন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২৫৩ জন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪ হাজার ৯৭০টি। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ হাজার ২টি। এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪৬ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর শনাক্ত হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৬ হাজার ৮৯৯ জন।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩০২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৩৩ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মৃতদের দুজনই পুরুষ। তারা জামালপুর ও পাবনার।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী
করোনা: মৃত্যু ৪, শনাক্ত কমেছে লাফিয়ে
করোনা: মৃত্যু কমে ২, শনাক্ত কমছে
একদিনে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪
এক দিনেই লাফিয়ে বেড়েছে শনাক্ত, মৃত্যু কমে ১

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona Detection rate decreased by 584 percent

করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ

করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
করোনা শনাক্তের হার আরও কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবারের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, কমেছে শূন্য দশমিক সাত আট। বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

করোনাভাইরাসের শনাক্তের হার ৫ বা এর নিচে নামলে তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়। সেই হিসেবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত বলা না গেলেও বোঝা যাচ্ছে অনেকটাই লাগাম টানা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্তের হার কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর মৃত্যুর সংখ্যাও এক।

গত তিন দিন ধরে শনাক্ত ৬ থেকে ৭ শতাংশে ঘুরপাক খাচ্ছে। মঙ্গলবার আশা দেখিয়ে বুধবার শনাক্তের হার কিছুটা বেড়ে গেলেও বৃহস্পতিবার এসে আবারও নিম্নমুখী হয়েছে। তা অব্যাহত আছে শুক্রবারেও।

এদিন শনাক্তের হার আরও কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবারের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, কমেছে শূন্য দশমিক সাত আট। বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে শুক্রবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬ হাজার ৮৩টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৩৫৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৮৫ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৪ হাজার ৫৪৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৮৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যিনি মারা গেছেন তিনি পুরুষ। ঢাকার বাসিন্দা এই ব্যক্তি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬৯৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৯ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত
করোনা: মৃত্যু কমে ৪, শনাক্তের হারও কম
করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী
করোনা: মৃত্যু ৪, শনাক্ত কমেছে লাফিয়ে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona In a day the death rate has also decreased

করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও

করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের তিনজন সরকারি হাসপাতালে ও একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

নিয়ন্ত্রণের পথে করোনাভাইরাসের চলমান চতুর্থ ঢেউ। তিন দিন ধরে শনাক্ত ৬ থেকে ৭ শতাংশে ঘুরপাক খাচ্ছে। মঙ্গলবার আশা দেখিয়ে বুধবার শনাক্তের হার কিছুটা বেড়ে গেলেও বৃহস্পতিবার এসে আবারও নিম্নমুখী হয়েছে।

অবশ্য গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন চারজন। শনাক্তের হার কিছুটা কমে হয়েছে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ। বুধবারের সঙ্গে বিবেচনা করলে তা কমেছে দশমিক ২১ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ৩৩৮টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৬১৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৩০৬ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৪ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৮৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের তিনজন সরকারি হাসপাতালে ও একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে একজন করে টাঙ্গাইল, কক্সবাজার, নোয়াখালী ও কুমিল্লার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৭২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৮৩ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
একদিনে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪
এক দিনেই লাফিয়ে বেড়েছে শনাক্ত, মৃত্যু কমে ১
করোনা: মৃত্যু বেড়ে ৮, সংক্রমণ নিম্নমুখী
আরও ৭ মৃত্যু, টানা এক মাস শনাক্ত ৫ শতাংশের ওপর
করোনা: মৃত্যু চার, কমেছে শনাক্তের হার

মন্তব্য

p
উপরে