× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
The subtype of Omicron responsible for the fourth wave
hear-news
player
print-icon

চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী ওমিক্রনের উপ-ধরন

চতুর্থ-ঢেউয়ের-জন্য-দায়ী-ওমিক্রনের-উপ-ধরন
আইসিডিডিআর,বি বলছে, ওমিক্রন ধরনের উপ-ধরন ‘বিএ.৪’ ও ‘বিএ.৫’ আগের উপ-ধরনগুলোর তুলনায় দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। এর ফলে দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ দেখা দিয়েছে। তবে নতুন উপ-ধরনগুলোতে সংক্রমিত রোগী আগেরগুলোর তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে কম। মৃত্যুর ঘটনাও কম।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ জুনের শুরু থেকেই ধারাবাধিকভাবে বাড়ছে। এই সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী দেশে নতুন করে শনাক্ত হওয়া ওমিক্রন ধরনের নতুন দুটি উপ-ধরন ‘বিএ.৪’ ও ‘বিএ.৫।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআররি) করা সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

আইসিডিডিআর,বি-র ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

আইসিডিডিআর,বি বলছে, ওমিক্রন ধরনের উপ-ধরন ‘বিএ.৪’ ও ‘বিএ.৫’ আগের উপ-ধরনগুলোর তুলনায় দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। এর ফলে দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ দেখা দিয়েছে। তবে নতুন উপ-ধরনগুলোতে সংক্রমিত রোগী আগেরগুলোর তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে কম। মৃত্যুও কম হচ্ছে।

এ সংক্রান্ত একটি গ্রাফে দেখা যায়, কিভাবে সার্স-কভ-২ ধরনগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন ধরনের উত্থানের চিত্র দেখা যায়।

‘বিএ.৫’ উপ-ধরনে সংক্রমিত ৪০ জন রোগীর ক্লিনিক্যাল ডাটা ও টিকাদানের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ ও ২৪ জন নারী রয়েছেন। তাদের ৩৯ জনের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা গেছে এবং একজনের মধ্যে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। এদের মধ্যে ১১ জন দ্বিতীয়বারের মতো এবং সাতজন তৃতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হন।

আক্রান্তদের ভ্যাকসিনেশনের ইতিহাসে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৩৮ জন অন্তত করোনার এক ডোজ টিকা নিয়েছেন। আর ১৬ জন বুস্টার বা তিনটি ডোজ গ্রহণ করেছেন। ২১ জন দুই ডোজ টিকা এবং একজন এক ডোজ টিকা নিয়েছেন। তাদের কারো কোনো ভ্রমণ ইতিহাস পাওয়া যায়নি।

উপ-ধরন দুটি সর্বপ্রথম যথাক্রমে ২০২২ সালের জানুয়ারি ও ফ্রেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হয়েছিল।

পর্যবেক্ষণের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, বাংলাদেশে ওমিক্রন ধরন প্রথম শনাক্ত হয় ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর। প্রাথমিকভাবে, বেশিরভাগ করোনা পজিটিভ কেস ছিল ‘বিএ.১’ (২০২২ সালের জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহ)। পরে উপ-ধরন ‘বিএ.২’ ২০২২ সালের জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে সংক্রমিত হয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘বিএ.১’ প্রতিস্থাপন করে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সংক্রমণ ঘটায়। এ বছরের ৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে’র মধ্যে খুব কম করোনা শনাক্তের হার এবং পজিটিভ নমুনার উচ্চ সিটি মানের কারণে কোনো সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব হয়নি।

এ অবস্থায় গত ১৯ মে ঢাকায় প্রথম সন্দেহভাজন ওমিক্রন উপ-ধরন ‘বিএ.৫’ সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়।

গত ছয় সপ্তাহে (১৪ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত) ‘বিএ.৫’ সবচেয়ে প্রভাবশালী উপ-ধরন হয়ে উঠেছে। এই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ৫২টি করোনা পজিটিভ ঘটনায় মধ্যে ৫১টি ‘বিএ.৫’ উপ-ধরন ও একটি ‘বিএ.২’ উপ-ধরন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ওমিক্রণ ‘বিএ.৫’ উপ-ধরনে সংক্রমিতদের মধ্যে জটিলতা অনেক কম পাওয়া গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশব্যাপী করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কমানোর জন্য জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আইসিডিডিআর,বি। একইসঙ্গে করোনার টিকা গ্রহণ, মাস্ক পরা, সামাজিত দূরত্ব বজায় রাখার মতো স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৬, কিছুটা কমেছে শনাক্ত
আবারও করোনার বিধিনিষেধ পশ্চিমবঙ্গে
করোনা শনাক্তের পাশাপাশি এবার বাড়ছে মৃত্যুও
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ মাস পর করোনায় মৃত্যু
করোনার চতুর্থ ঢেউ: এবার আর লকডাউন নয়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
10 years in jail for stealing and selling government medicines

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের জেল

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের জেল প্রতীকী ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ উৎপাদন, বিপণন বা আমদানি করলে ১০ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একইভাবে সরকারি ঔষধ চুরি করে বিক্রি করলেও একই শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন-বিপণন এবং সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রি করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে ঔষধ আইন-২০২২-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। এতে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন সরকারপ্রধান।

পরে সাংবাদিকদের বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ উৎপাদন, বিপণন বা আমদানি করলে ১০ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একইভাবে সরকারি ঔষধ চুরি করে বিক্রি করলেও একই শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

বিস্তারিত আসছে…

আরও পড়ুন:
বাতিল ওষুধ এখনও বাজারে
মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যানসারসহ নানা ঝুঁকি
অ্যান্টিবায়োটিকের অতি ব্যবহার বাড়াবে মৃত্যুর শঙ্কা: সিডিসি
ওষুধ দরকার ২০ টাকার, খরচ করতে হচ্ছে ২০০
আয়ুর্বেদিকের আড়ালে ভেজাল ওষুধের কারখানা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
7 people are sick due to the gas emitted from the chemical factory

রাসায়নিক কারখানার নির্গত গ্যাসে ৭ জন অসুস্থ

রাসায়নিক কারখানার নির্গত গ্যাসে ৭ জন অসুস্থ
ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড থেকে নির্গত ধোঁয়ায় সাতজনের অসুস্থতার খবর মিলেছে। ছবি: নিউজবাংলা
রূপগঞ্জের ইউএনও শাহ নুসরাত জাহান বলেন, ‘কারখানার বিষয়টি আগে জানতাম না। স্থানীয় করেকজনের অসুস্থতার খবর পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কারখানা আবাসিক এলাকায় থাকতে পারে না।’

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি রাসায়নিক কারখানা থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত সাতজন অসুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটিতে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন ৯ বছরের সামিয়া আক্তার, সিরাজুল ইসলাম, মনু মিয়া মাসুদা বেগম, ওসমান আলী, আমীর আলী ও মল্লিকা। তারা সবাই মুড়াপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

আহতদের প্রথমে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাদের রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

অসুস্থ হওয়ার তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাজমুল আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় বুক জ্বালাপোড়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সাতজন হাসপাতালে আসেন। তাদের অবস্থা খারাপ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। ওই সাতজনের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

স্থানীয়রা জানান, রোববার সকালে কেমিক্যাল কারখানাটি থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। বাতাসে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে মুড়াপাড়ার বানিয়াদি, বলাইনগর, ফরিদ আলীরটেক, মঙ্গলখালী ও মকিমনগর গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ ওই সাতজনকে সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়৷

কারখানাটির নিজেদের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী সেখানে সালফিউরিক অ্যাসিড, অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, জিঙ্ক সালফেট ও ম্যাগনেসিয়াম সালফেটসহ ৬ ধরনের কেমিক্যাল তৈরি হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কারখানাটির পরিবেশগত ছাড়পত্র আছে। তবে ছাড়পত্র দেয়ার সময় সেখানে কোনো আবাসিক এলাকা ছিল না। গ্যাসের কারণে স্থানীয়দের সমস্যা হলে শিগগিরই কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রাসায়নিকের কারণে স্থানীয়দের অসুস্থের বিষয়টি জেনেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ নুসরাত জাহান।

তিনি বলেন, ‘কারখানার বিষয়ে আগে থেকে জানা ছিল না। স্থানীয় কয়েকজনের অসুস্থতার খবর পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কারখানা আবাসিক এলাকায় থাকতে পারে না।’

এ বিষয়ে জানতে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

আরও পড়ুন:
সীতাকুণ্ডে ডিপোর আগুনে দায়ী ‘অন্য রাসায়নিক’
পোস্তগোলায় কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
পোস্তগোলায় কারখানায় আগুন
বেড়ায় পুড়ল কারখানা
নেপালে সার কারখানা করতে বাংলাদেশকে প্রস্তাব

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Where free medical care till the age of 19

বয়স ১৯ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসাসেবা যেখানে

বয়স ১৯ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসাসেবা যেখানে এখনও অনেকে না জানলেও বগুড়ার স্কুল হেলথ ক্লিনিকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। ছবি: নিউজবাংলা
১৯৫১ সালে তৎকালীন ঢাকা ও চট্টগামে স্কুল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে এটি দেশব্যাপী বিস্তৃতি লাভ করে। এই সেবার আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের ২৩টি জেলায় স্কুল হেলথ ক্লিনিক চালু করে। ১৯৬০ সালের দিকে বগুড়ায় স্থাপিত ক্লিনিকটির খবর নিল নিউজবাংলা।

উনিশ বছর বয়স পর্যন্ত যে কেউ এলেই পাবে চিকিৎসা। তাও বিনামূল্যে। এ জন্য আসতে হবে বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র জলেশ্বরীতলার স্কুল হেলথ ক্লিনিকে। তবে প্রায় অর্ধশত বছরের পুরনো সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি এখনও অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে।

সম্প্রতি বগুড়ার এই স্কুল হেলথ ক্লিনিক থেকে আরও একটি সুখবর মিলেছে। আগে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দিলেও এখন সেই বয়সসীমা বাড়ানো হয়েছে। ১৯ বছর পর্যন্ত কিশোর বয়সী ছেলে-মেয়েরা শারিরীকের পাশাপাশি মানসিক সমস্যার জন্যও পাচ্ছে চিকিৎসা সেবা। দেয়া হচ্ছে কাউন্সেলিং। এ জন্য ইউনিসেফের সহায়তায় চালু হচ্ছে কিশোর কর্নার।

স্কুল হেলথ ক্লিনিক সূত্র জানায়, ১৯৫১ সালে তৎকালীন ঢাকা ও চট্টগামে স্কুল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে এটি দেশব্যাপী বিস্তৃতি লাভ করে। এই সেবার আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের ২৩টি জেলায় স্কুল হেলথ ক্লিনিক চালু করে।

বগুড়ায় এই ক্লিনিকটি স্থাপিত হয় ১৯৬০ সালের দিকে। তবে ৯০ দশকের গোড়ার দিকে এই ক্লিনিকের সেবা অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছিল। একসময় এখানে চক্ষু সেবা দেয়া হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।

ক্লিনিক সংশ্লিষ্টদের আক্ষেপ, ঝিমিয়ে পড়া অবস্থা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। কিন্তু প্রচারের অভাবে এখনও এই ক্লিনিকের কথা জেলার অনেক মানুষই জানে না।

বগুড়ার স্কুল হেলথ ক্লিনিকের কর্মকর্তারা জানান, এখানে দুজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, একজন ফার্মাসিস্ট, দুজন নার্স ও একজন এমএলএস এর পদ রয়েছে। তবে বর্তমানে আরও ৪ জন নার্স ডেপুটেশনে কর্মরত রয়েছেন।

এ ছাড়াও একজন উপসহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। তিনি ইউনিসেফের সার্ভিস প্রোভাইডারের দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্লিনিকে কর্মরত নার্স শামিমা আকতার ২০১৮ সালে ডেপুটেশনে এখানে এসেছেন। তার মূল কর্মস্থল আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলেও এখানে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবায় কাজ করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

শামিমা আকতার জানান, ক্লিনিকে বর্হিবিভাগ সেবা রয়েছে। আগে বিভিন্ন স্কুলে ক্যাম্পেইন করা হতো। করোনার কারণে তা বন্ধ ছিল। এখন আবার শুরু হবে। এ ছাড়াও বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলার সময় আমাদের মেডিক্যাল টিম কাজ করে।

শামিমা বলেন, ‘হাসপাতালে গেলে অন্তত টিকিট কাটতে হয়। কিন্তু আমাদের এখানে টিকিটও লাগে না। শুধু আসতে হয়। চিকিৎসকরা রোগের অবস্থা বুঝে ব্যবস্থাপত্র দেন। সেটি দেখে এখান থেকে ওষুধও দেয়া হয়। আর বড় ধরনের সমস্যা থাকলে আমরা মোহাম্মদ আলী বা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে দিই।’

বয়স ১৯ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসাসেবা যেখানে
বগুড়ার ক্লিনিকটি স্থাপিত হয় ১৯৬০ সালের দিকে

ক্লিনিকের উপসহকারী স্কাস্থ্য কর্মকর্তা মোছা. নাজমা খাতুন এখানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে এলেও তার দায়িত্বে এখন কাউন্সেলিং সেবাও যোগ হয়েছে। এ জন্য ক্লিনিকে চালু করা হচ্ছে অ্যাডলসেন্ট কর্নার (কিশোর কর্নার)।

নাজমা খাতুন বলেন, ‘বয়োসন্ধির সময় কিশোর-কিশোরীরা মানসিক সংকটে ভোগে। এ সময়টায় তাদের কাউন্সেলিং খুব প্রয়োজন। বগুড়া স্কুল হেলথ ক্লিনিকে এই কাউন্সিলিং জুলাই মাস থেকে চালু হয়েছে। এর মধ্যেই অনেক কিশোর-কিশোরীকে এখানে কাউন্সিলিং করা হয়েছে। মাদকের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতেও কিশোরদের এই সেবাটি দিতে হয়।’

এ বিষয়ে ইউনিসেফের বগুড়া বিভাগীয় কর্মকর্তা ডা. রাকিন আহমেদ জানান, ‘ফরেন কম্বাইন্ড ইউকে’ এর অর্থায়নে ইউনিসেফের কার্যকরী সহায়তায় কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার ১১টি উপজেলা হল কমপ্লেক্স ও বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে কিশোর কর্নার স্থাপন হবে।

পাশাপাশি স্কুল হেলথ কমপ্লেক্সেও এ উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষ্যে গত বছরের অক্টোবরে কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় পুরোদমে শুরু করা যায়নি। ক্লিনিকে শুধু লজিস্টিক বিষয়গুলো স্থাপন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইউনিসেফ থেকে একজন প্রশিক্ষিত সার্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি কিশোর-কিশোরীদের শারিরীক ও মানসিক বিষয়ে কাউন্সিলিং করবেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবাও দেবেন।

এখনও অনেকে না জানলেও বগুড়ার স্কুল হেলথ ক্লিনিকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এ ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

ক্লিনিকের রেজিস্টারের তথ্যে দেখা গেছে, জুন মাসে ৪৫৯ জন শিক্ষার্থী সেবা নিয়েছেন। আর জুলাইয়ের সেবা পেয়েছে ৩২৬ শিক্ষার্থী। সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই কিশোরী।

সম্প্রতি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা হয় নুরুন্ননাহার নামে এক গৃহিনীর সঙ্গে। তার ছয় বছরের মেয়েকে নিয়ে এসেছেন চিকিৎসার জন্য। মেয়ে নুসরাত সর্দি-কাশিতে ভুগছে।

জলেশ্বরীতলার বাসিন্দা নুরুন্নাহার বলেন, ‘স্কুল ক্যাম্পেইন থেকে ক্লিনিকটি সম্পর্কে জানতে পারি। পরে এখানে এলে বুঝতে পারি চিকিৎসকরা খুব যত্ন করে বাচ্চাদের দেখেন। এ জন্য মেয়ের যে কোনো অসুখে এখানেই আসি।’

ক্লিনিকে গেলে দেখা যায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় দায়িত্বে আছেন ফার্মাসিস্ট ফারজানা। তিনি জানান, দেশের ২৩টি স্কুল হেলথ ক্লিনিকের একটি বগুড়ার এ প্রতিষ্ঠান। ৬০ এর দশকে এটি স্থাপন করা হয়।

ফারজানা বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির আরও প্রচার-প্রচারণা দরকার। এ ছাড়া ক্লিনিকের চারপাশেই আবাসিক ভবন। মানুষ বাসা-বাড়ির ময়লা জানালা কিংবা বারান্দা থেকে ক্লিনিকের আঙিনায় ফেলে দেন। একাধিকবার বলার পরও তারা সচেতন হন না।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যে সরকারি ব্যয় প্রতিবেশীদের তুলনায় কম বাংলাদেশে
স্বাস্থ্য গবেষণায় অবদান: ১০ নারী বিজ্ঞানীকে অনুদান
করোনা বাড়ছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সতর্কতা
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Fraud on doctors identity caught red handed

চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা, হাতেনাতে ধরা

চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা, হাতেনাতে ধরা মুনতাকা ডিলশান ঝুমা। ছবি: সংগৃহীত
ইউএনও নূরুন নবী ব‌লেন, ‘অ‌ভিযা‌নে ওই ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রের‌ মে‌ডি‌ক্যাল অ‌ফিসার মুনতাকা ডিলশান ঝুমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তি‌নি চি‌কিৎসক হিসেবে কো‌নো প্রমাণ দেখা‌তে পা‌রে‌ননি। তিনি চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানু‌ষের সঙ্গে প্রতারণা ক‌রে আস‌ছি‌লেন।’

ব‌রিশা‌লের মে‌হে‌ন্দিগ‌ঞ্জে সান্ত্বনা ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রে চিকিৎসক পরিচয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন মুনতাকা ডিলশান ঝুমা।

উপজেলা প্রশাসন এমন তথ্যে অভিযানে গিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। মুনতাকা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চিকিৎসক হিসেবে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। চিকিৎসক সেজে প্রতারণার দায়ে তাকে এক লাখ টাকা জ‌রিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপু‌রে উপজেলার উলা‌নিয়া বাজারের ওই ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রে ভ্রাম্যমাণ আদাল‌তের অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রেন উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুন নবী।

তি‌নি ব‌লেন, ‘অ‌ভিযা‌নে ওই ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রের‌ মে‌ডি‌ক্যাল অ‌ফিসার মুনতাকা ডিলশান ঝুমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তি‌নি চি‌কিৎসক হিসেবে কো‌নো প্রমাণ দেখা‌তে পা‌রে‌ননি। তিনি চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানু‌ষের সঙ্গে প্রতারণা ক‌রে আস‌ছি‌লেন।’

ইউএনও আরও জানান, মুনতাকাকে এক লাখ টাকা জ‌রিমানা করে মুচ‌লেকা রে‌খে ছে‌ড়ে দেয়া হ‌য়ে‌ছে।

অ‌ভিযা‌নে উপ‌জেলা স্বাস্থ্য ও প‌রিবার প‌রিকল্পনা কর্মকর্তা সাই‌য়েদ মো. আমারুল্লাহ উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

আরও পড়ুন:
গ্রাহকদের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ‘নবলোক’
পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা, ৪ ভাই গ্রেপ্তার
পেশায় ঝাড়ুদার, করতেন ব্ল্যাকমেইল
চেক প্রতারণায় শিল্পী আবদুল মান্নান রানার কারাদণ্ড
চেহারার মিলে ডা. তামিম বেশে চিকিৎসা করছিলেন জাফরুল

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Attack on students at Osmani Medical Interns strike

ওসমানী মেডিক্যালে হামলা, ইন্টার্নদের ধর্মঘট

ওসমানী মেডিক্যালে হামলা, ইন্টার্নদের ধর্মঘট
ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহমদ মুন্তাকিম চৌধুরী বলেন, ‘এই ঘটনার প্রতিবাদে আমরা ধর্মঘট ডেকেছি। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত আমরা কাজে যোগ দেব না।’

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে কলেজের সামনের সড়ক আটকে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। ইন্টার্নদের ধর্মঘটের কারণে রোগীরা পড়েছেন বিপাকে।

সোমবার রাত সোয়া ১১টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মেডিক্যালের ফটক বন্ধ করে সড়কে অবস্থান করছে শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও।

মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, রোববার হাসপাতালে ভর্তি এক রোগীর স্বজনরা দায়িত্বে থাকা এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী শাহ অসিম ক্যানেডি বলেন, ‘রোববার এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে রোগীর দুই স্বজন খারাপ ব্যবহার করে। আমরা তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেই।

‘এ ঘটনার জেরে আজ রাত ৮টায় কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকে বহিরাগতরা আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থীদের মারধর করে। এতে দুজন গুরুতর আহত হন।’

তিনি জানান, হামলায় আহত শিক্ষার্থীরা হলেন রুদ্র নাথ ও নাইমুর রহমান ইমন। তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ওসমানী মেডিক্যালে হামলা, ইন্টার্নদের ধর্মঘট

ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহমদ মুন্তাকিম চৌধুরী বলেন, ‘এই ঘটনার প্রতিবাদে আমরা ধর্মঘট ডেকেছি। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত আমরা কাজে যোগ দেব না।’

মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উপর হামলা নিন্দনীয়। আমরা এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।’

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ধর্মঘটে গেলেও চিকিৎসা সেবায় ব্যঘাত ঘটছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের অন্যান্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীদের সেবা অব্যহত রেখেছেন।’

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে আছি। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
‘পাল্টাপাল্টি হামলা’: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, স্বজনদের সড়ক অবরোধ
দেশে অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত-মৃত্যু বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ইউনানি চিকিৎসক হয়ে ‘এমবিবিএস’ পরিচয়ে চিকিৎসা, ১ মাস কারাদণ্ড
খুলনায় পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার
বুধবার থেকে খুলনায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘটের ডাক

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Inauguration of Islamic Eye Hospital in Basila

বসিলায় ইসলামি চক্ষু হাসপাতাল উদ্বোধন

বসিলায় ইসলামি চক্ষু হাসপাতাল উদ্বোধন মোহাম্মদপুর বসিলা রোডে উদ্বোধন হয়েছে ইসলামি চক্ষু হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত

উন্নত চিকিৎসা সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে রাজধানীর বসিলায় উদ্বোধন হয়েছে ইসলামি চক্ষু হাসপাতালের।

সোমাবার মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ বসিলা রোডে হাসপাতালের উদ্বোধনের সময় ২০ জন রোগীকে বিনামূল্যে সেবা দেয়া হয়।

হাসপাতালটির সেবার মান ও সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন হাসপাতালের কর্ণধার মো. সারওয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, আমরা অল্প খরচে চোখের ফ্যাকো সার্জারিসহ নানা চিকিৎসা দিচ্ছি। এখানে যোগ দিয়েছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. মো. ফিরোজ। ব্যবসা নয়, যদি মানুষকে সেবা দিতে পারি সেখানেই আমাদের স্বার্থকতা। বরিশালেও আমাদের একটি শাখা আছে। করোনাকালীন দুর্যোগে আমরা গ্রাম পর্যায়ে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প করেছি। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ফ্রি চোখের অপারেশন করতে পেরেছি।

ঢাকাতে ইসলামি চক্ষু হাসপাতালের সেবা বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
মাসব্যাপী চক্ষু ক্যাম্প হিকমাহ হাসপাতালে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The detection rate of 3 deaths due to Corona also decreased

করোনায় মৃত্যু ৩ জনের, শনাক্তের হারও কমল

করোনায় মৃত্যু ৩ জনের, শনাক্তের হারও কমল ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সবশেষ শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৫ হাজার ৭২০ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনা শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৬৫ জন।

রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

সবশেষ শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৫ হাজার ৭২০ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনা শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

এই ভাইরাসে আগের দিন শনিবার মৃত্যু হয়েছিল তিনজনের। নতুন রোগী ছিল ৩৪৯ জন। শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৬৪।

সর্বশেষ মারা যাওয়া তিনজনের শরীয়তপুর, দিনাজপুর ও সিলেট বিভাগের বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৫ হাজার ২৫৭ জনের। মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৯১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৪১০ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনায় দেশে আরও ৩ মৃত্যু
করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ
৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের করোনা টিকা নিতে লাগবে জন্মনিবন্ধন
করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও
উহানে ফের লকডাউন, বিধিনিষেধে ১০ লাখ মানুষ

মন্তব্য

p
উপরে