× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Corona Even though the identity has increased Kamal has died
hear-news
player
print-icon

করোনা: শনাক্ত বাড়লেও কমল মৃত্যু

করোনা-শনাক্ত-বাড়লেও-কমল-মৃত্যু
গত এক দিনে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত হলো ১৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬৮৯ জনের।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত কিছুটা বেড়েছে। ১২ হাজার ২৪৬টি নমুনা পরীক্ষায় ১ হাজার ৯০২ জনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৪৪ জনই ঢাকা জেলার। গতকাল শনিবার ১ হাজার ১০৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

অবশ্য ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত কিছুটা বাড়লেও কমেছে মৃত্যু। এই সময় আরও দুইজনের মৃত্যু সংবাদ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শনিবার ছয়জনের মৃত্যু সংবাদ দিয়েছিল অধিদপ্তর।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এ নিয়ে ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ২৯ হাজার ১৬২ জন। মৃতদের ১ জন ঢাকা বিভাগের, অন্য জন চট্টগ্রামের, যাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও আরেকজন নারী।

গত এক দিনে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত হলো ১৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬৮৯ জনের।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। টানা ১৭ দিন ৫ শতাংশের বেশি শনাক্তের হার পাওয়া যাওয়ার পর দেশে চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩০৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮ হাজার ২৯৭ জন।

আরও পড়ুন:
ব্যাংকে আবারও ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’
করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে সাড়ে তিন মাসের সর্বোচ্চ মৃত্যু
করোনার চতুর্থ ঢেউয়েও মাস্কে অনীহা
করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে বাংলাদেশ
মসজিদে ফের করোনা বিধিনিষেধ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Second dose no longer available Take it fast Health Minister

দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখনও অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়নি। তাদের জন্য বলতে চাই যে, দ্বিতীয় ডোজ না নিলে কিন্তু তারা বুস্টার ডোজও পাবে না। তাই যারা এখনও প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ নেননি, দ্রুততম সময়ে তাদের টিকা নেয়ার অনুরোধ করছি। না নিলে কিন্তু পরে আর খুঁজেও পাবেন না।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশে এখনও প্রথম, দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কিছুদিন পর আর দ্বিতীয় ডোজও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ডোজের জন্য আমাদের কাছে যে পরিমাণ টিকা সংরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তাই যারা এখনও টিকা নেননি, তারা দ্রুত টিকা নিয়ে নিন।’

নিপসম অডিটোরিয়ামে রোববার বেলা ১২টায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সারাদেশে সফলভাবে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যার ফলে আমরা করোনা সংক্রমণকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। কিন্তু এখনও অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়নি। তাদের জন্য বলতে চাই যে, দ্বিতীয় ডোজ না নিলে কিন্তু তারা বুস্টার ডোজও পাবে না। তাই যারা এখনও প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ নেননি, দ্রুততম সময়ে তাদের টিকা নেয়ার অনুরোধ করছি। না নিলে কিন্তু পরে আর খুঁজেও পাবেন না।’

৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেয়া শুরু ১১ আগস্ট থেকে
করোনা থেকে সুরক্ষায় প্রাপ্তবয়স্ক ও মাধ্যমিকের শিশুদের টিকাদানের পাশাপাশি এবার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের তথা ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ আগস্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এসব শিশুকে করোনার টিকা দেয়া শুরু হবে বলে জানান জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ১১ আগস্ট পরীক্ষামূলক প্রয়োগের কিছুদিন পর আগামী ২৬ আগস্ট পুরোদমে এসব শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে শিশুদের এই টিকা নিতে অভিভাবকদের সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করার আহ্বান জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে আগামী ১১ আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর পর্যবেক্ষণের জন্য কিছু সময় নেব। কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ আগস্ট থেকে এই টিকা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
১২ বছর হলেই কেন্দ্রে নিবন্ধন করে টিকা
৮৫ শতাংশ টিকা দেয়া হয়েছে, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
টিকা না নেয়ায় চাকরি হারাচ্ছেন নিউ ইয়র্কের ৩ হাজার কর্মী
জন্মনিবন্ধনের ভুলে টিকা পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা
করোনায় মৃতদের ৮০ শতাংশ টিকা নেননি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
2 deaths detected in Corona 253

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়ে দুজন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২৫৩ জন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪ হাজার ৯৭০টি। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ হাজার ২টি। এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪৬ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর শনাক্ত হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৬ হাজার ৮৯৯ জন।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩০২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৩৩ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মৃতদের দুজনই পুরুষ। তারা জামালপুর ও পাবনার।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী
করোনা: মৃত্যু ৪, শনাক্ত কমেছে লাফিয়ে
করোনা: মৃত্যু কমে ২, শনাক্ত কমছে
একদিনে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪
এক দিনেই লাফিয়ে বেড়েছে শনাক্ত, মৃত্যু কমে ১

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona Detection rate decreased by 584 percent

করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ

করোনা: শনাক্তের হার কমে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
করোনা শনাক্তের হার আরও কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবারের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, কমেছে শূন্য দশমিক সাত আট। বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

করোনাভাইরাসের শনাক্তের হার ৫ বা এর নিচে নামলে তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়। সেই হিসেবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত বলা না গেলেও বোঝা যাচ্ছে অনেকটাই লাগাম টানা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্তের হার কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর মৃত্যুর সংখ্যাও এক।

গত তিন দিন ধরে শনাক্ত ৬ থেকে ৭ শতাংশে ঘুরপাক খাচ্ছে। মঙ্গলবার আশা দেখিয়ে বুধবার শনাক্তের হার কিছুটা বেড়ে গেলেও বৃহস্পতিবার এসে আবারও নিম্নমুখী হয়েছে। তা অব্যাহত আছে শুক্রবারেও।

এদিন শনাক্তের হার আরও কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবারের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, কমেছে শূন্য দশমিক সাত আট। বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিল ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে শুক্রবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬ হাজার ৮৩টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৩৫৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৮৫ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৪ হাজার ৫৪৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৮৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যিনি মারা গেছেন তিনি পুরুষ। ঢাকার বাসিন্দা এই ব্যক্তি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬৯৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৯ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত
করোনা: মৃত্যু কমে ৪, শনাক্তের হারও কম
করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী
করোনা: মৃত্যু ৪, শনাক্ত কমেছে লাফিয়ে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona In a day the death rate has also decreased

করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও

করোনা: এক দিনে কমেছে মৃত্যু, কম শনাক্তের হারও ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের তিনজন সরকারি হাসপাতালে ও একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

নিয়ন্ত্রণের পথে করোনাভাইরাসের চলমান চতুর্থ ঢেউ। তিন দিন ধরে শনাক্ত ৬ থেকে ৭ শতাংশে ঘুরপাক খাচ্ছে। মঙ্গলবার আশা দেখিয়ে বুধবার শনাক্তের হার কিছুটা বেড়ে গেলেও বৃহস্পতিবার এসে আবারও নিম্নমুখী হয়েছে।

অবশ্য গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন চারজন। শনাক্তের হার কিছুটা কমে হয়েছে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ। বুধবারের সঙ্গে বিবেচনা করলে তা কমেছে দশমিক ২১ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ৩৩৮টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৬১৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৩০৬ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৪ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৮৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের তিনজন সরকারি হাসপাতালে ও একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে একজন করে টাঙ্গাইল, কক্সবাজার, নোয়াখালী ও কুমিল্লার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৭২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৮৩ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
একদিনে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪
এক দিনেই লাফিয়ে বেড়েছে শনাক্ত, মৃত্যু কমে ১
করোনা: মৃত্যু বেড়ে ৮, সংক্রমণ নিম্নমুখী
আরও ৭ মৃত্যু, টানা এক মাস শনাক্ত ৫ শতাংশের ওপর
করোনা: মৃত্যু চার, কমেছে শনাক্তের হার

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona Deaths and detections increased in 24 hours

করোনা: ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত

করোনা: ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণের দিকে আসছে করোনাভাইরাসের চলমান চতুর্থ ঢেউ। অবশ্য মঙ্গলবার আশা দেখালেও বুধবার এসে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে, কিছুটা বেড়েছে শনাক্তের হারও।

গত কয়েকদিনে শনাক্তের হারে ওঠানামা থাকলেও বোঝা যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণের দিকে আসছে ভাইরাসটির সংক্রমণ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। শনাক্তের হার কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বুধবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ১৬২টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৬২৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৯১ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ৩ হাজার ৫৭০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে তিনজন ঢাকার, একজন করে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৩৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়েতে শুরু করে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনা: মৃত্যু কমে ৪, শনাক্তের হারও কম
করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী
করোনা: মৃত্যু ৪, শনাক্ত কমেছে লাফিয়ে
করোনা: মৃত্যু কমে ২, শনাক্ত কমছে
একদিনে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona Deaths reduced by 4 and detection rate is less

করোনা: মৃত্যু কমে ৪, শনাক্তের হারও কম

করোনা: মৃত্যু কমে ৪, শনাক্তের হারও কম ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
নতুন করোনা শনাক্তদের মধ্যে ৩১৬ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ২ হাজার ৯৪৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৭৫ জন।

ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের চলমান চতুর্থ ঢেউ। গত কয়েকদিনে শনাক্তের হারে ওঠানামা থাকলেও বোঝা যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণের দিকে আসছে ভাইরাসটির সংক্রমণ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন চার জন। তবে সোমবার শনাক্তের হার কিছুটা বাড়লেও মঙ্গলবার তা কমে হয়েছে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ।

গতকালের তুলনায় শনাক্তের হার কমেছে ১ দশমিক ৭০ ভাগ। সোমবার শনাক্তের হার ছিল ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর রোববার এ হার ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মঙ্গলবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১০ হাজার ১১৯টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৬২১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৩১৬ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ২ হাজার ৯৪৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৭৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে একজন করে মুন্সিগঞ্জ, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেটের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৩২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭২ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী
করোনা: মৃত্যু ৪, শনাক্ত কমেছে লাফিয়ে
করোনা: মৃত্যু কমে ২, শনাক্ত কমছে
একদিনে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪
এক দিনেই লাফিয়ে বেড়েছে শনাক্ত, মৃত্যু কমে ১

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona Death increased by 5 detection rate is also higher

করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী

করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
নতুন করোনা শনাক্তদের মধ্যে ২৪৪ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ২ হাজার ৩২৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৭১ জন।

এক দিনে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। তবে রোববার শনাক্তের হার লাফিয়ে কমলেও সোমবার কিছুটা বেড়েছে। এদিন শনাক্তের হার হয়েছে ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা গতকালের চেয়ে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ। রোববার শনাক্তের হার ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সোমবার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬ হাজার ৯৮৭টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৫৪৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৪৪ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ২ হাজার ৩২৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ২৭১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের দুজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে একজন করে খাগড়াছড়ি, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর ও খুলনার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ২৭৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৪০ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
আরও ৭ মৃত্যু, টানা এক মাস শনাক্ত ৫ শতাংশের ওপর
করোনা: মৃত্যু চার, কমেছে শনাক্তের হার
করোনা: মৃত্যু কমে ২, শনাক্তেও নিম্নগতি
ঈদ শেষে করোনা শনাক্তে লাফ
২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৯ মৃত্যু, সংক্রমণেও ঊর্ধ্বগতি

মন্তব্য

p
উপরে