× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Cholera vaccination campaign in the capital from Sunday
hear-news
player
print-icon

রাজধানীতে রোববার থেকে কলেরা টিকা ক্যাম্পেইন

রাজধানীতে-রোববার-থেকে-কলেরা-টিকা-ক্যাম্পেইন
আইসিডিডিআর,বি। ফাইল ছবি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গর্ভবতী বাদে এক বছরের বেশি বয়সী শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীদের মুখে খাওয়ার এই টিকা দেওয়া হবে।

ঢাকার পাঁচটি এলাকায় রোববার থেকে কলেরার মুখে খাওয়ার টিকার ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ২৩ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রোববার বেলা ২টায় রাজধানীর মহাখালীর আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সাসাকাওয়া মিলনায়তনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আইসিডিডিআর,বি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় কলেরা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও দক্ষিণখানের প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গর্ভবতী বাদে এক বছরের বেশি বয়সী শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীদের মুখে খাওয়ার এই টিকা দেওয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কলেরা টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। এই টিকাদান কার্যক্রমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে কাজ করবে আইসিডিডিআর,বি।

এ বছর মার্চের মাঝামাঝি সময়ে আইসিডিডিআর,বির কলেরা হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়ায়। এই পরিস্থিতিতে মে মাসে কলেরা টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে টিকা হাতে পেতে দেরি হওয়ায় জুনে এই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। প্রথমে রাজধানীতে শুরু হলেও এই কার্যক্রম ধীরে ধীরে সারা দেশে চালু হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Two prisoners died in Dhaka Medical in 12 hours

১২ ঘণ্টায় ঢাকা মেডিক্যালে দুই কারাবন্দির মৃত্যু

১২ ঘণ্টায় ঢাকা মেডিক্যালে দুই কারাবন্দির মৃত্যু
কারারক্ষী মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন শিহাব বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে কারাগারে ৫০ বছর বয়সী শফিকুল অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই কারাবন্দির মৃত্যু হলো।

সোমবার রাত ৮টার দিকে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কারারক্ষী মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন শিহাব বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে কারাগারে ৫০ বছর বয়সী শফিকুল অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় গিয়াস উদ্দিন খান নামে এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে ৮০ বছর বয়সী গিয়াস উদ্দিনকে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কারাগারে অসুস্থ, ঢাকা মেডিক্যালে মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
92 Bar Pechal Sagar Rooney murder case investigation report

৯২ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

৯২ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি। ফাইল ছবি
২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি হত্যাকাণ্ডের পর দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

৯২ বারের মতো পিছিয়েছে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য আগামী ৩১ অক্টোবর দিন ঠিক করেছে আদালত।

সোমবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন জমা দেয়নি। তাই ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য নতুন এই দিন ঠিক করেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজ বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় এ ঘটনায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ।

আরও পড়ুন:
৮৬ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন
সাগর-রুনী হত্যা রহস্য উদঘাটনে ‘যথেষ্ট দেরি হয়েছে’
সাগর-রুনি হত্যার বিচারে জোর আন্দোলন চান সাংবাদিকরা
সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত দ্রুত শেষ করা যাবে: র‍্যাব
অন্তহীন তদন্তের চক্রে সাগর-রুনি হত্যা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Journalists have to take risks to establish democracy Kamal

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক আতাউস সামাদ স্মরণসভায় বক্তব্য দেন ড. কামাল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে। ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে।’

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘সত্য প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকরা যুগে যুগে নানামুখী ঝুঁকি নিয়েছেন। আতাউস সামাদের মতো আজও সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিচ্ছেন। দেশে বর্তমান অবস্থায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাদেরকে ঝুঁকি নিতে হবে। সাংবাদিকদের জনগণের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’

বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদ।

জনগণকে উদ্দেশ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কোনো সময় আমরা দেখিনি ঝুঁকি নেয়া ছাড়া গণতন্ত্র রক্ষা করা গেছে।’

মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে।

‘ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি জনগণকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। তারা যেন মনে না করে যে আমরা কিছু না করেও ঐক্য ও নিজেদের অধিকার ধরে রাখতে পারব। যারা স্বৈরাচার এবং যা ইচ্ছে তা করতে চায় তাদেরকে তা করতে দেব না আমরা।’

আজকের পত্রিকা সম্পাদক গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান হাফিজের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, কাদের গনি চৌধুরী, শামীমা চৌধুরী, সৈয়দ দিদার বক্স প্রমুখ।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Children and adolescents are becoming obese and are not getting enough nutrition

‘শিশু-কিশোররা মেদবহুল হচ্ছে, পুষ্টি পাচ্ছে না’

‘শিশু-কিশোররা মেদবহুল হচ্ছে, পুষ্টি পাচ্ছে না’ সুষম খাদ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবকে পুষ্টিহীনতার প্রধান বাধা বলছেন কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
‘বাংলাদেশের মানুষ পুষ্টির মানদণ্ডে খায় না, তারা খায় তৃপ্তির মানদণ্ডে। পুষ্টির দিকে ফোকাস কম। ...অনেকে বাচ্চার ছয় মাস বয়সের আগেই বুকের দুধ বাদে অন্য খাবার দিয়ে দেয়। শুধু শারীরিক উন্নতি না, বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারেও খেয়াল করতে হবে।’

শিশু-কিশোরদের খাবার নিয়ে অভিভাবকদের সতর্ক করলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি বলছেন, নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ঘরের বাইরে অপ্রয়োজনীয় নানা খাবারে অভ্যস্থ হচ্ছে। এতে তাদের শরীর মাংসল হচ্ছে, কিন্তু তারা পুষ্টি পাচ্ছে না।

পুষ্টিগ্রহণের মাত্রা বাড়ানোর বিষয়ে সোমবার রাজধানীতে একটি কর্মশালায় এ কথা বলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ইস্যুর শেষ নেই, বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিষয়ক। পুষ্টি সম্পর্কিত কোনো বিষয় আমরা এড়াতে পারি না। আমাদের স্বাস্থ্যের স্ট্যাটাসে অনেক ঘাটতি রয়েছে। সেগুলো পূরণে আমাদের প্রচেষ্টাও রয়েছে। সব যে কার্যকর হচ্ছে তা নয়, আবার সব হচ্ছে না তাও নয়।’

সুষম খাদ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবকে পুষ্টিহীনতার প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন সচিব। বলেন, ‘আমাদের দেশে দেখলে মনে হয় দুনিয়াটা যেন খাদ্যগ্রহণের জায়গা। বাবা-মা সন্তানকে বেশি বেশি খাইয়ে সুঠাম দেহের অধিকারী করে বড় করেন যেন তারা কাজ করতে পারে।

‘কিন্তু এখনকার ছেলেমেয়েরা রেস্টুরেন্টে বেশি খায়, কেউ কেউ ঘরে বসে অর্ডার করছে। খাবার টেবিলেও আসে না। আমরা যেন খাওয়ার জন্যই বেঁচে আছি। বেঁচে থাকার জন্য খাচ্ছি না।

‘এতে স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি হচ্ছে না। ফ্যাটি হচ্ছে কিন্তু পুষ্টি গ্রহণ হচ্ছে না। নানা ধরনের রোগ হচ্ছে। এর জন্য আমরা সবাই দায়ী।’

‘শিশু-কিশোররা মেদবহুল হচ্ছে, পুষ্টি পাচ্ছে না’
পুষ্টিগ্রহণের মাত্রা বাড়ানোর বিষয়ে কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক না থাকার বিষয়টিও উঠে আসে সচিবের বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘আমাদের আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সহায়তাকারী টিম রয়েছে। তারা কমিউনিটি পর্যন্ত কাজ করছে। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা দেয়ার মতো কেউ নেই। আমাদের উদ্দেশ্য এসব সমস্যার সমাধান।’

পাবলিক হেলথ সার্ভিসের সহকারী সচিব সৈয়দ মুজিবুল হক বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে মাতৃত্বকালীন সমস্যা দূর করতে হবে। ব্রেস্টফিডিংটাও নিউট্রিশনের একটা অংশ। প্রধানমন্ত্রী যে ১২টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো পূরণ করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আমরা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নিউট্রিশন প্রোগ্রাম চালু করব।’

ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিসের লাইন ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ পুষ্টির মানদণ্ডে খায় না, তারা খায় তৃপ্তির মানদণ্ডে। পুষ্টির দিকে ফোকাস কম। ...অনেকে বাচ্চার ছয় মাস বয়সের আগেই বুকের দুধ বাদে অন্য খাবার দিয়ে দেয়। শুধু শারীরিক উন্নতি না, বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারেও খেয়াল করতে হবে।’

অতিরিক্ত সচিব জেবুন্নেসা বেগম বলেন, ‘একজন মানুষকে দেখতে হালকা বা স্থূলকায় হলে তাকে দেখেই আমরা স্বাস্থ্যের মানদণ্ড নির্ধারণ করব না। কারণ পুষ্টির বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। ৬৪ জেলায় আমরা নিউট্রিশন অফিসার নিয়োগ দেব।’

আরও পড়ুন:
শ্রমিকের পুষ্টিকর নাস্তা নিশ্চিত করুন: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
৪৩৮ কোটি টাকায় পাঁচ লাখ পুষ্টি বাগান

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
5 lakh to send to Europe trap

৫ লাখে ইউরোপ পাঠানোর ফাঁদ

৫ লাখে ইউরোপ পাঠানোর ফাঁদ মানব পাচারের অভিযোগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৬টি পাসপোর্ট, তিনটি চেক বই, চারটি স্ট্যাম্প, পাঁচটি মোবাইল, চারটি বিএমইটি কার্ড, চারটি রেজিস্ট্রার উদ্ধার করা হয়।

উচ্চ বেতনের চাকরি, সঙ্গে নানা সুবিধা, তাও আবার ইউরোপের দেশেগুলোতে। আর সেখানে এসব পেতে খরচ করতে হবে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। এমন প্রলোভন দেখিয়ে ইউরোপ পাঠানোর কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া মানব পাচার চক্রের হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এবং রাজধানীর গুলশান এলাকায় সোমবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শুধু ইউরোপ নয়, কম খরচে মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্য দেশগুলোতেও তারা পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন তোফায়েল আহমেদ, আক্তার হোসেন, আনিছুর রহমান ও মো. রাসেল।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৬টি পাসপোর্ট, তিনটি চেক বই, চারটি স্ট্যাম্প, পাঁচটি মোবাইল, চারটি বিএমইটি কার্ড, চারটি রেজিস্ট্রার উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ এসব তথ্য জানান।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, ‘আসামিরা সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্রের সদস্য। চক্রের হোতা দুবাই প্রবাসী তোফায়েল আহমেদ এবং বাংলাদেশে চক্রের হোতা আনিছুর রহমান ও আক্তার হোসেন। রাসেল তাদের অন্যতম সহযোগী।

‘তারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উচ্চ বেতনে বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার নাম করে প্রলুব্ধ করে। মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর খরচ বাবদ প্রাথমিকভাবে তারা ৪ থেকে ৫ লাখে ইউরোপ এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশের জন্য তারা ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা নিয়ে থাকে।’

তিনি জানান, ভিকটিম ও তাদের অভিভাবকরা রাজি হলে প্রথমে তারা পাসপোর্ট এবং প্রাথমিক খরচ বাবদ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা নিয়ে থাকে। তারপর ভিকটিম এবং অভিভাবকদের বিদেশ থেকে বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে ফোন দিয়ে আশ্বস্ত করে। আসামিদের মাধ্যমে বিদেশ গিয়ে তারা খুব ভালো আছে এবং অনেক অর্থ উপার্জন করে বলে জানানো হয়।

এমন প্রলোভনে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিবহন খরচ, ভিসা খরচ, মেডিক্যাল খরচ, বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স ইত্যাদি খরচের কথা বলে আসামিরা ধাপে ধাপে ভিকটিমদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে বলে জানান র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা।

আরিফ মহিউদ্দিন জানান, ফ্লাইটের আগে ভুক্তভোগীদের কাছে পাসপোর্ট, ভিসা বা টিকিট হস্তান্তর করা হয় না। তাদের যখন বিমানবন্দরের ভেতর প্রবেশ করেন, ঠিক তখন তাদের হাতে এসব ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারে কর্মী ভিসার বদলে তাদের ভ্রমণ ভিসায় পাঠানো হচ্ছে। পরে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও আসামিদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না।

র‍্যাব জানায়, অনেক সময় বিদেশ পৌঁছানোর পর দুবাই প্রবাসী জাহিদ ভিকটিমদের স্বাগত জানিয়ে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তারপর ভিকটিমের কাছ থেকে তার পাসপোর্ট ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাদের একটি সাজানো কোম্পানিতে চাকরি দেয়া হয়। চার-পাঁচ দিন পর কোম্পানি থেকে জানিয়ে দেয়া হয় কোম্পানি আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তারপর জাহিদ পুনরায় ভিকটিমদের অজ্ঞাত স্থানে বন্দি করে রেখে ভিকটিমদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে অর্থ আদায় করে। ওই সময়ে ভিকটিমদের কোনো খাবার দেয়া হয় না। খাবার চাইলে জাহিদ বাংলাদেশ থেকে টাকা নিয়ে এসে খাবার কিনতে বলে।

র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক বলেন, তোফায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তোফায়েল ভিকটিমদের অপেক্ষা করতে বলে। জানায়, আইনি জটিলতা দূর হলেই আবার কোম্পানি চালু হবে। পরে পাসপোর্ট ফেরত নিতেও ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় আসামিরা, যা দেশে কোনো স্বজনের মাধ্যমে পরিশোধ করেন ভুক্তভোগীরা।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ট্রাভেল এজেন্সি বা রিক্রুটিং এজেন্সি পরিচালনার কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। তারা শুধু সিটি করপোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে সিটি এক্সপ্রেস ট্রাভেল এজেন্সি নামে মানব পাচার ব্যবসা করে আসছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার কথা বলে সেন্টমার্টিনে ‘পাচার’, গ্রেপ্তার ৫
মানব পাচার মামলায় নদীর জামিন দেয়নি হাইকোর্ট
লিবিয়ায় জিম্মি মাদারীপুরের ৯ যুবক
অভিবাসনপ্রত্যাশী নির্যাতন: ইতালিতে ২ বাংলাদেশির জেল
‘ইতালি যাওয়ার পথে’ ৩ যুবক নিখোঁজ, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
If petrol bombs are thrown again people will resist Information Minister

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।’

বিএনপি আবারও পেট্রলবোমার রাজনীতি করলে জনগণকে নিয়ে আওয়ামী লীগ তা প্রতিরোধ করবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে সোমবার নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।

‘...জনগণ তাদের আর সেই সুযোগ দেবে না। আর যদি তারা সেটি করার অপচেষ্টা চালায়, তাহলে সরকার যেমন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, আওয়ামী লীগও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পেট্রলবোমার রাজনীতি যারা করেছে, যদি আবার সেটি করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বিরোধিতা করে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের আন্দোলনের মধ্যে শত শত যানবাহন পোড়ানো হয়। পেট্রলবোমার আঘাতে দগ্ধ মানুষের আহাজারিতে হাসপাতালগুলোর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

পরের বছরও সেটি অব্যাহত থাকে এবং সে সময় বাস-ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহনে পেট্রলবোমায় মৃত্যু হয় অনেকের।

আরও পড়ুন:
লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ তৎপরতায় বিএনপি: কাদের
সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন
যুবদল কর্মী শাওনের দাফন
সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার বদলা: ফখরুল
‘গুলিতে নিহত শাওনের চিকিৎসায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ ও পুলিশ’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Concerned about setting up universities without preparation UGC is making policies

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা নীতিমালা তৈরি করতে ইউজিসির কমিটির ভার্চুয়াল সভা হয় সোমবার। ছবি: সংগৃহীত
নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মে. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

অবকাঠামো ও শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত না করেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কারণে উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তার সুরাহা চাইছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। তারা একটি নীতিমালা করে দিতে চাইছে, যেখানে নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে এর অবকাঠামোকে কী থাকতে হবে, শিক্ষাক্রমে কী কী অন্তর্ভুক্ত হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হবে।

পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই একের পর বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে ওঠা প্রশ্নের মধ্যে সম্প্রতি ইউজিসি সদস্য মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদ্যস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। নীতিমালা তৈরি করতে এই কমিটির প্রথম সভা হয় সোমবার।

এক বিজ্ঞপ্তিতে নীতিমালা করার কারণ ব্যাখ্যা করে ইউজিসি বলছে, ‘অধিকাংশ নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর কোনো ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

‘এ ছাড়া ভাড়াকৃত ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। শিক্ষার মান ঠিক রাখা যাচ্ছে না।’

এ জন্য নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি বলে মনে করছে সংস্থাটি।

নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মো. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে শুরু করবে, সে বিষয়ে একটি নীতিমালা করা হলে দেশে গুণগত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হবে।’

সভায় কমিটির সদস্যরা জানান, নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সংকট রয়েছে এবং জুনিয়র শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন:
পাঠ্যক্রমে নৈতিক শিক্ষার যোগ চায় ইউজিসি
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সেবার তালিকা দৃশ্যমান করার নির্দেশ
এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির
প্রতিবন্ধীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে নীতিমালা করছে ইউজিসি
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সহায়তা করতে চায় এলসেভিয়ার

মন্তব্য

p
উপরে