× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

স্বাস্থ্য
Will not be forced to take booster dose Health Minister
hear-news
player
print-icon

বুস্টার ডোজ নিতে বাধ্য করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বুস্টার-ডোজ-নিতে-বাধ্য-করা-হবে-না-স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সবাইকে বুস্টার ডোজ নেয়ার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যের বিষয় কোনো কিছু চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নেই। এটা স্বাধীন দেশ, এ দেশের সব নাগরিকের স্বাধীন চিন্তা রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব তাদের অবহিত করা।’

করোনা প্রতিরোধী টিকার বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ নিতে কাউকে বাধ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ওষুধ শিল্প সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

করোনার টিকার বুস্টার ডোজ নিতে অনেকের মধ্যে অনীহা রয়েছে, তাদের টিকা নিতে বাধ্য করা হবে কি না- প্রশ্ন করা হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যের বিষয় কোনো কিছু চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নেই। এটা স্বাধীন দেশ, এ দেশের সব নাগরিকের স্বাধীন চিন্তা রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব তাদের অবহিত করা।

‘টিকা নিলে কী সুবিধা আছে, কী অসুবিধা আছে, সে বিষয়গুলো আমরা তুলে ধরি। বাকি সিদ্ধান্ত তার নিজের। এখানে চাপিয়ে দেয়ার কোনো বিষয় নেই। আমরা সেটা চাপিয়ে দিতে পারব না।’

করোনায় মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সবাইকে বুস্টার ডোজ নেয়ার আহ্বানও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যারা বুস্টার এখনও নেন নাই তারা বুস্টার নেবেন। বুস্টার নিলে আপনি সুরক্ষিত থাকবেন। মৃত্যুঝুঁকি নেই বললেই চলে, যারা বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। তাই আমরা আহ্বান জানাব যে যারা নেননি, অতি শিগগিরই নিয়ে নেবেন।

‘করোনা কিছুটা হলেও বাড়তি আমাদের দেশেও এবং আশপাশের দেশেও এটা বাড়ছে। এদিকে নজর রেখে আমি মনে করি এখনই সময় বুস্টার ডোজ নিয়ে নেয়ার।’

দেশে উৎপাদিত ওষুধের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে শিল্প সমিতির নেতারা একমত হয়েছেন বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের যে বাজেট ঘোষণা হয়েছে তাতে অনেক কিছুর দাম বেড়েছে। যে জিনিসগুলোর দাম বেড়েছে তার মধ্যে অনেক ওষুধ শিল্পে ব্যবহার করা হয়। আমাদের যে ওষুধ আছে এতে এগুলোর দামে কিছুটা প্রভাব পড়বে। সে বিষয়েই আমরা মূলত আলোচনা করেছি।

‘২০২৬ সালে আমাদের যে পেটেন্ট সুবিধা আছে সেগুলো অনেকাংশে হয়তো তুলে নেয়া হবে, তখন কী হবে এবং ওষুধ শিল্পের বিকাশ কিভাবে করা যায় এবং উৎপাদন কিভাবে বাড়ানো যায়, রপ্তানি কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেগুলো নিয়েও কথা হয়েছে। ভ্যাকসিন কিভাবে তৈরি করা যায় সে বিষয়ে তাগাদা দিয়েছি। এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ওষুধ শিল্প সমিতির যিনি সভাপতি আছেন নাজমুল ইসলাম সাহেব তারাও এতে অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে একমত হয়েছি যে আগামী দিনগুলোতে ওষুধের সাপ্লাই যাতে ঠিক থাকে, দামটাও যাতে ঠিক থাকে, সে বিষয়ে তারা নজর রাখবেন। পাশাপাশি শিল্পও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখতে হবে।

‘আলোচনায় আমরা সবাই নীতিগতভাবে একমত হয়েছি যে ওষুধের প্রোডাকশন বজায় রাখব, যেভাবে করোনার সময় সব ওষুধের উৎপাদন বজায় ছিল, অনেক ধরনের কাজ তারা দেশবাসীর জন্য করেছেন, সেটা বজায় রাখবেন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ওষুধ প্রশাসন আমাদের পক্ষ থেকে ওনাদের সহযোগিতা করবে। যেকোনো সমস্যা যখনই হোক সমাধান করে নেবে। আমাদের যে ওষুধের মান এটা ওনারা বজায় রাখবেন- এর দামটাও সহনীয় রাখতে হবে। সবাই যাতে ওষুধ কিনতে পারে, তাদের নাগালে যেন থাকে- এটিই আমাদের মূল বিষয়।’

বাজেটের পর অনেক ওষুধের জন্যই বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়েছে, এটা আপনারা জানেন। কিন্তু ওষুধের দাম বেড়েছে বলে আমাদের জানা নেই। কোথাও যদি এমন হয় তাহলে সেটা অবশ্যই নজরদারি করা হবে। এখনও দাম বাড়েনি।

‘সামনে যেন দাম না বাড়ে, সেদিকে লক্ষ রেখেই এই আলোচনা। যেহেতু অনেক কিছুর দাম বেড়েছে যেটা ওষুধশিল্পে প্রভাব পড়বে। যেমন ডলারের দামও বেড়েছে। কাঁচামাল বিদেশ থেকে আসছে সেখানেও দাম বেড়েছে। সব নিয়েই আমরা আলোচনা করেছি।’

আরও পড়ুন:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ফাউচি
বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি
করোনা বাড়ছে ধীরে ধীরে
করোনা শনাক্ত হার ৩.৫৬%, সাড়ে তিন মাসে সর্বোচ্চ
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত বেড়ে ১২৮

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Get the sacrificial cow seven up

কোরবানির গরুর সেভেন-আপ পান

কোরবানির গরুর সেভেন-আপ পান গরুকে সেভেন আপ খাওয়াচ্ছেন খামারি আব্দুল মতিন। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার সকালে আফতাবনগর হাটে ঘুরতে ঘুরতে দেখা যায় সবুজ রঙের একটি বোতল থেকে দুই ব্যক্তি জোর করে একটি পশুকে কিছু পানীয় পান করাচ্ছেন। জানতে চাইলে তাদের একজন বলেন, ‘আসলে সেভেন-আপ খাওয়াচ্ছি।’

রাজধানীর আফতাবনগর পশুর হাটে গিয়ে এমন এক দৃশ্য দেখা গেল যা দেখার আগে ভাবাও যায় না।

কোরবানির পশুকে বড় করতে আপেল, আঙুর, বেদানা খাওয়ানোর বিষয়টি গণমাধ্যমে এসেছে আগেই। তাই বলে কেউ কোমল পানীয় খাওয়ায়, এটি জানতে পারার পরও কেমন যেন খটকা লাগছিল।

কিন্তু হাটে ঝিনাইদহের খামারি আব্দুল মতিনকে নিজ হাতে তার আনা পশুকে বোতলভর্তি সেভেন-আপ পান করাতে দেখা গেল।

পরে এও জানা গেল, এবারই প্রথম নয়। আগেও গরুটি পান করেছে কোমল পানীয়।

কেন গরুকে সেভেন-আপ দিলেন আব্দুল মতিন? এই প্রশ্নে তিনি বললেন বদহজম দূর করার কথা।

তবে এক প্রাণী চিকিৎসক বলছেন, ‘গরুর বদহজম হলে কোনোভাবেই এসব জিনিস খাওয়ানো ঠিক হবে না।’

বৃহস্পতিবার সকালে আফতাবনগর হাটে ঘুরতে ঘুরতে দেখা যায় সবুজ রঙের একটি বোতল থেকে দুই ব্যক্তি জোর করে একটি পশুকে কিছু পানীয় পান করাচ্ছেন।

জানতে চাইলে তাদের একজন বলেন, ‘আসলে সেভেন-আপ খাওয়াচ্ছি।’

গরু কি সেভেন-আপ খায়?- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না। ওর বদহজম হইছে। খাওয়াদাওয়া কম করছে তাই। সেভেন-আপ খাইলে বদহজমটা সেরে যায়।

গরুটি কি আজকেই সেভেন–আপ খেয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মতিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘না, এর আগেও খাওয়াইছি। বদহজম হইলেই আমরা সেভেন-আপ খাওয়াই।’

ঝিনাইদহ থেকে আসা মতিন সেভেন-আপ খাওয়ানো সেই গরুটির দাম চাইছেন ৬ লাখ টাকা। তবে সাড়ে তিন লাখ হলে ছেড়ে দেবেন।

গরুটির সম্ভাব্য ওজন ধারণা করা হচ্ছে ১৪ মণ। ক্রেতা অবশ্য সর্বোচ্চ দাম বলেছেন ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।

গরুর কেনাবেচা নিয়ে মতিন বলেন, ‘বাজার তেমনটা শুরু হয় নাই। মোটামুটি চলছে, দামদর করছে। আজ রাইতে কেমন হবে না হবে, সেইটা বুঝা যাবে।

‘বাজার ভালো হবার আশা করে বইসে আছি। সাড়ে তিন লাখ টাকা হলে বিক্রি করে দিব।’

গরুকে সেভেন-আপ জাতীয় পানীয় দেয়া ঠিক না বলে মনে করেন প্রাণী চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হাবিবুর রহমান মোল্লা।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বদহজম হলে অনেক মেডিসিন আছে বাজারে সেগুলো খাওয়াতে হবে, সেভেন-আপ নয়। ডাক্তার দেখার পর সিদ্ধান্ত নেবেন কী ধরনের মেডিসিন দেবেন। সে ক্ষেত্রে বদহজমের হিস্ট্রি লাগবে।’

ঢাকার প্রত্যেকটি পশুর হাটে প্রাণী চিকিৎসকদের দল রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খামারিদের উচিত তাদের কাছে শরণাপন্ন হওয়া।’

কী কী কারণে গরুর বদহজম হতে পারে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় কাঁঠালের খোসার ভেতরের অংশ খাওয়ানো হয়। যার ফলে গরুর বদহজম হতে পারে। এ ছাড়া জোর করে পাইপ দিয়ে খাবার খাওয়ানো হয়। এটিও একটি কারণ।’

সেভেন-আপ খাওয়ানোর ঘটনা আগে শুনছেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েকটি এলাকা রয়েছে যেখানে সেভেন-আপ খাওয়ানোর কথা শুনেছি। তবে মানুষ এখন অনেক সচেতন হয়েছে।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Finally the crowd at launch

অবশেষে লঞ্চে ভিড়

অবশেষে লঞ্চে ভিড় লঞ্চের ডেকে যাত্রীদের চাপ বেশি। ছবি: নিউজবাংলা
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বৃহস্পতিবার সকালেও দেখা যায়, যাত্রীর চাপ কম থাকায় অনেকটা আরামদায়কভাবে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে যাত্রীর চাপ। সন্ধ্যায় জনারণ্যে পরিণত হয় রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল।

রাজধানীর সদরঘাটে ঈদযাত্রার সেই চিরচেনা রূপ ফিরেছে আবার। লঞ্চের টিকিট পেতে দৌড়ঝাঁপ-ধাক্কাধাক্কি, ডেকে জায়গা দখলের প্রতিযোগিতা দেখা গেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। বেশ কয়েক দিনের যাত্রী খরার পর বৃহস্পতিবার অফিস ছুটির পর দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চযাত্রীদের ভিড়ে সদরঘাট ধারণ করে অন্যরূপ।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বদলে যায় লঞ্চঘাটের চিত্র। ফলে ফাঁকা কেবিন আর কম যাত্রী নিয়েই ঢাকা ছাড়ছিল দক্ষিণের লঞ্চগুলো। ঈদযাত্রা শুরুর কয়েক দিনে সেই চেহারা বদলায়নি। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বৃহস্পতিবার সকালেও দেখা যায়, যাত্রীর চাপ কম থাকায় অনেকটা আরামদায়কভাবে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে যাত্রীর চাপ। সন্ধ্যায় জনারণ্যে পরিণত হয় রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল।

আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটিতে দক্ষিণাঞ্চলের বাড়িতে ফেরা হাজার হাজার যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো ছাড়তে শুরু করে। শুক্রবারসহ ঈদের আগে ও পরের দিনগুলোতে যাত্রীর এমন চাপ অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন লঞ্চমালিকরা। যাত্রীদের এ চাপ সামাল দিতে ঢাকা-বরিশাল রুটে থাকছে স্পেশাল সার্ভিস। নির্ধারিত ট্রিপের অতিরিক্ত হিসেবে শুক্রবার ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্য ছেড়ে যাবে সুরভী-৮।

লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বিলাসবহুল ১০টি বড় লঞ্চ যাত্রী নিয়ে বরিশাল যাবে।

লঞ্চঘাটে মূলত বৃহস্পতিবার বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা নামার মুহূর্তে যাত্রীর চাপ বাড়তে থাকে। যাত্রীদের বেশির ভাগই বরিশালগামী লঞ্চে ভিড় করছেন। পটুয়াখালী, বগা, ইলিশা রুটের যাত্রীরাও আসতে শুরু করেছেন।

একাধিক লঞ্চের সুপারভাইজার ও টিকিট কাউন্টার থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, লঞ্চগুলোতে ডেকের যাত্রীসংখ্যাই বেশি ৷ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো লঞ্চে বাড়ি যাচ্ছে বেশি। সড়কপথের চেয়ে তুলনামূলক ভাড়া কম ও যাত্রাপথ আরামদায়ক হওয়াতেই যাত্রীদের এমন চাপ। শেষ মুহূর্তে টিকিট বিক্রির চাপে লঞ্চসংশ্লিষ্ট কেউ কথা বলারই সময় পাচ্ছেন না।

মানামি লঞ্চের চালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এবারের ঈদে আজকেই সবচেয়ে বেশি যাত্রী হয়েছে। তবে গত ঈদের মতো যাত্রী এখনও দেখছি না। আশা করছি ভালোভাবে বরিশাল পৌঁছাতে পারব।’

অবশেষে লঞ্চে ভিড়
ঈদ যাত্রায় সদরঘাটে লঞ্চ ধরতে যাত্রীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মো. আনোয়ার পরিবার নিয়ে পটুয়াখালীর গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এমভি এ আর খান লঞ্চের টিকিট পেয়েছি। তবে ঘাটে অনেক মানুষের ভিড়। লঞ্চে ঠিকভাবে উঠতে পারলেই হয়। একা হলে সমস্যা ছিল না, পরিবার নিয়ে এত ভিড়ের মধ্যে লঞ্চে উঠতে অনেক কষ্ট।’

এমভি পূবালী-১ লঞ্চে করে রাজধানীর বসিলার বাসিন্দা সোহেল রানা বরগুনায় গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘ঘাটে ভিড় এবং যাত্রী বেশি থাকলেও সময়মতো লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে। আর ভিড় ঠেলে লঞ্চে উঠতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।’

অন্যদিকে ভিড়ের কারণে অনেকে আবার নির্ধারিত লঞ্চে উঠতে পারেননি। তাই পরবর্তী লঞ্চের জন্য টার্মিনালে অপেক্ষা করছেন। পরিবার নিয়ে এই অপেক্ষাটা অনেকের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভোলার চরফ্যাশন অভিমুখী এমভি কর্ণফুলী-১২ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন সজীব হোসেন। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে লঞ্চে উঠতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ঘাটে প্রচুর যাত্রীর চাপ। লঞ্চে টিকিট কেটেও উঠতে পারলাম না। এখন পরের লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করছি। এখনও যে ভিড় তাতে সেটিতেও উঠতে পারব কি না সন্দেহ।’

তবে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও পর্যাপ্তসংখ্যক লঞ্চ যাত্রার জন্য তৈরি আছে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিএ।

বিআইডব্লিউটিএ সদরঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মো. শহীদ উল্যাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদযাত্রার জন্য ১৫০টির বেশি লঞ্চ প্রস্তুত আছে। বিকেলে ৫০টি লঞ্চ বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। আর ৭০টি লঞ্চ প্রস্তুত আছে যাত্রী নিতে। ভিড় থাকলেও যাত্রীদের জন্য লঞ্চ সংকট হবে না।’

সদরঘাট নৌপুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়ুম আলী সরদার বলেন, ‘যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। ঈদযাত্রায় জননিরাপত্তার কোনো ঘাটতি যেন না থাকে সেদিকে আমাদের নজর আছে। অপরাধীরা মানুষের ভিড় দেখে যেন কোনো ধরনের অপরাধ না করতে পারে সেদিকে আমাদের কঠোর নজরদারি আছে।’

আরও পড়ুন:
গাবতলী থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলমুখী যাত্রা সহজ, কঠিন উত্তরে
‘এবার ট্রেনের ভেতরে ভিড় কম’
বাইক নেয়া যাবে না নৌপথেও
ঈদযাত্রায় পাটুরিয়া-আরিচা দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের বাস কমেছে

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
UMIO is going home through Padma bridge

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যাচ্ছে ইউমিও

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যাচ্ছে ইউমিও পোষা বিড়ালকে নিয়ে গোপালগঞ্জের বাড়িতে ঈদ করতে যাচ্ছেন তারেক। ছবি: নিউজবাংলা
‘ঈদের ছুটিতে ঢাকার বাসার সবাই গ্রামে গেছে। বাসা ফাঁকা। তাই ইউমিকে রেখে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নাই। তাছাড়া আমি অনেক জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার সময় ওকে নিয়ে যাই। বয়স কম তাই দেখেশুনে রাখি।’

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার আনন্দ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঈদের আনন্দকে বাড়তি আমেজ দিয়েছে। অনেকে এই আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছেন পোষা প্রাণীর সঙ্গেও।

তাদের একজন মো. তারেক। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে থাকেন তিনি। পড়েন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

শখ করে তারেক তার এক বড় আপুর কাছ থেকে দুই মাস আগে ইউমি নামে একটি বিড়ালকে দত্তক দিয়েছিলেন। ইউমিকে নিয়েই পদ্মা পাড়ি দিয়ে গোপালগঞ্জের বাড়িতে ঈদ করতে যাচ্ছেন।

তারেক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইউমি আমার খুব আদরের। এক বড় আপুর কাছ থেকে দুই মাস আগে তাকে এডপ্ট করেছিলাম। আমার পরিবার গোপালগঞ্জ সদরে থাকে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছি। সঙ্গে ইউমিও যাচ্ছে।’

কাউন্টারে বলা হয় নাই বিড়াল যাবে। তারেকের আশা, বাসের কর্মীরা নিষেধ করবে না।

গরম এবং ভিড়ে কাহিল অবস্থা গুলিস্তান বিআরটিসি বাস টার্মিনালে আসা যাত্রীদের। এই অবস্থায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছে ইউমি। একটা কার্টন রয়েছে তাকে বহন করার জন্য।

তারেক বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে ঢাকার বাসার সবাই গ্রামে গেছে। বাসা ফাঁকা। তাই ইউমিকে রেখে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নাই। তাছাড়া আমি অনেক জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার সময় ওকে নিয়ে যাই। বয়স কম তাই দেখেশুনে রাখি।’

তারেক এবং ইউমি দুজনেই এবার প্রথম পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফিরছে। ঈদও হবে, পদ্মা সেতু দেখাও হবে। এ যেন রথ দেখতে এসে কলা বেচার মতো।

তারেক বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরে এখনও বাড়ি যাই নাই। ইউমি এবং আমি দুজনেই পদ্মা সেতু হয়ে প্রথম বাড়ি যাচ্ছি। এটা আমার কাছে অনেক আনন্দের।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Instructions to keep the ATM booth active at all times

এটিএম বুথ সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশ

এটিএম বুথ সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশ
নির্দেশনায় বলা হয়, অটোমেটেড টেলার মেশিনে (এটিএম) সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিতসহ কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা রাখা এবং এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

ঈদের ছুটিতে গ্রাহকের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), অনলাইন, ই-পেমেন্ট গেটওয়ে ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে লেনদেনের বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়।

দেশের সব ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার বা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, অটোমেটেড টেলার মেশিনে (এটিএম) সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিতসহ কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা রাখা এবং এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

পয়েন্ট অব সেলের (পিওএস) ক্ষেত্রে বলা হয়, সার্বক্ষণিক পিওএস সেবা নিশ্চিত করতে হবে, জাল জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট এবং গ্রাহককে সচেতন করতে হবে।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়, অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে করা লেনদেন ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়েতে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনের ক্ষেত্রে দুই ধরনের যাচাই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী সব ব্যাংক বা তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন এবং এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

ঈদের ছুটিকালীন সিস্টেমগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, লেনদেনের তথ্য এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহককে অবহিত করতে হবে।

এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সব ধরনের পরিশোধ সেবার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সতর্কতা অবলম্বনের জন্য গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

লেনদেনে গ্রাহক যেন কোনো রকম হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়াসহ সব সময় হেল্প লাইন চালু রাখতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
এটিএম বুথে টাকার টান, ভোগান্তি চরমে
এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The way the movement of the bike will match in the Eid procession

ঈদযাত্রায় বাইকের মুভমেন্ট পাস মিলবে যেভাবে

ঈদযাত্রায় বাইকের মুভমেন্ট পাস মিলবে যেভাবে পাস থাকলে নিজে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মহাসড়ক ধরে নির্দিষ্ট জেলা বা দূরত্বে যেতে পারবেন চালকরা। ফাইল ছবি/ নিউজবাংলা
বিভাগীয় ট্রাফিক উপ-কমিশনার এবং জেলা পর্যায়ে এসপি এই মুভমেন্ট পাস ইস্যু করবেন। এজন্য পুলিশ সদরদপ্তরের সরবরাহ করা ফরমে যাত্রার জন্য আবেদন করতে হবে। সেই ফরমে যাত্রীদের নাম, ঠিকানা, সম্পর্ক, এনআইডি-ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর, ফোন নম্বর এবং কোথায় ও কী কারণে ভ্রমণ করছেন উল্লেখ করে জমা দিতে হবে।

মহাসড়কে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মোটরসাইকেলে করে যাত্রা নিষিদ্ধ করার পরও যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে বাইকে ঈদ যাত্রার যে সুযোগ পুলিশ করে দিয়েছে, তাকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে আবেদন করতে হবে।

পুলিশ সদরদপ্তর একটি পাসের ফরম্যাট তৈরি করে দিয়েছে। এই পাস থাকলে নিজে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মহাসড়ক ধরে নির্দিষ্ট জেলা বা দূরত্বে যেতে পারবেন চালকরা।

বছরের পর বছর ঈদযাত্রায় সড়ক পথে যে দুর্ভোগ, সেটি দেখা যায়নি চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে। এটি কীভাবে হলো, তার পর্যালোচনায় পরে বেরিয়ে আসে বাইকের বিষয়টি। হাজার হাজার মোটর সাইকেলে করে বড় শহর থেকে লাখ লাখ যাত্রীর বাড়ি ফেরার কারণে বাসে, ট্রেনে বা লঞ্চে ভিড় ছিল খুবই কম।

টিকিটের জন্য হাপিত্যেস ছিল না একেবারেই। আবার সড়কে বাসের অপেক্ষায় যাত্রী কম থাকায় যানজটও দেখা যায়নি।

তবে এবার ঈদের আগে পরে সাত দিন মহাসড়কে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বাইক নিষিদ্ধ করার পর সেই ভোগান্তি ফিরে আসার নমুনা এরই মধ্যে দেখা যাচ্ছে। টিকিটের জন্য কাউন্টারে ভিড় তৈরি হয়ে গেছে।

এর মধ্যে পুলিশের একটি ঘোষণা অবশ্য বাইকারদেরকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। সেটি হলো পাস নিয়ে ঈদ যাত্রা করা যাবে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিভাগীয় ট্রাফিক উপ-কমিশনার এবং জেলা পর্যায়ে এসপি এই মুভমেন্ট পাস ইস্যু করবেন। এজন্য পুলিশ সদরদপ্তরের সরবরাহ করা ফরমে যাত্রার জন্য আবেদন করতে হবে।

সেই ফরমে যাত্রীদের নাম, ঠিকানা, সম্পর্ক, এনআইডি-ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর, ফোন নম্বর এবং কোথায় ও কী কারণে ভ্রমণ করছেন উল্লেখ করে জমা দিতে হবে।

ফরমে উল্লেখিত কারণ যৌক্তিক মনে হলে ফরমের একটি অংশ আবেদনকারীকে সরবারহ করা হবে। এই অংশটিই পাস হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। তবে কোনোভাবেই ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া ও রাইড শেয়ারিং এর জন্য এই পাস মিলবে না বলে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ঈদে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে নিহত দুই কিশোর
মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকের চাকার নিচে কিশোর
ট্রাকের চাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
লরির ধাক্কায় পাঠাও চালক নিহত
কেরানীগঞ্জে বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবক নিহত

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
People will not suffer with electricity Rizvi

বিদ্যুৎ নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করবে না জনগণ: রিজভী

বিদ্যুৎ নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করবে না জনগণ: রিজভী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা
‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন? …আপনি উন্নয়নের নামে দুর্নীতি করে যে টাকা পাচার করেছেন তার কুফল মানুষ এখন ভোগ করছে। বিদ্যুৎ খাতে জনগণের ভর্তুকির টাকা হরিলুট করা হয়েছে। বিদেশে পাচার করা হয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসে নয়ছয় হয়েছে। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দেয়নি।’

কোথায় আপনার বিদ্যুৎ? আপনাকে দেশবাসী আর সহ্য করবে না- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে এই বক্তব্য রেখেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন?’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন রিজভী।

চলতি মাসের শুরু থেকে দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতির পর পরই সরকারকে আক্রমণ করছে বিএনপি। তাদের দাবি, সরকার গত এক যুগে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে গর্ব করলেও আসলে এই খাতে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

অন্যদিকে দলটির সর্বশেষ শাসনামলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুতের করুণ চিত্র তুলে ধরে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির লজ্জা থাকলে লোডশেডিং নিয়ে কথা বলত না।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করেছে। এই সময়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নানা প্রকল্পের সুফলও পেয়েছে দেশ। এক যুগে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা ছয় গুণের বেশি বেড়েছে, উৎপাদনও বেড়েছে চার গুণের বেশি। বিদ্যুতের আরও কয়েকটি বড় প্রকল্প উৎপাদনে আসার অপেক্ষায়।

বিদ্যুৎ খাত নিয়ে বরাবর গর্ব করে থাকেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে গত এক বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির পর দেশে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তরল গ্যাস বা এলএনজি আপাতত আমদানি করা হবে না। গ্যাসের ঘাটতিজনিত উৎপাদনের যে সংকট সেটি সমাধান করা হবে লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে। দেশে এখন দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি আছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ গত কয়েক বছরে লোডশেডিং শব্দটা ব্যবহার করত না। তারাই এখন লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আর না কেনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হবে জানিয়ে তিনি দুঃখও প্রকাশ করেছেন।

বিদ্যুতের চাহিদা কমাতে সরকার রাত ৮টায় বিপণিবিতান বন্ধের পাশাপাশি অফিস সময় পুনর্নির্ধারণ করে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত করার চিন্তা করছে।

রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন? …আপনি উন্নয়নের নামে দুর্নীতি করে যে টাকা পাচার করেছেন তার কুফল মানুষ এখন ভোগ করছে। বিদ্যুৎ খাতে জনগণের ভর্তুকির টাকা হরিলুট করা হয়েছে। বিদেশে পাচার করা হয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসে নয়ছয় হয়েছে। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দেয়নি।

‘নিজের আত্মীয়স্বজনের দিয়ে কুইক রেন্টালের সুযোগ দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছেন বিদ্যুৎ খাত থেকে। লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘উন্নয়নের নামে হইচই করে এত লাফালাফি করলেন, কোথায় আপনার বিদ্যুৎ? আপনাকে দেশবাসী আর সহ্য করবে না।

‘আপনি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করে চলেছেন। কোথায় ১০ টাকার চাল? কোথায় ঘরে ঘরে চাকরি? আজকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি বেকার তথা কর্মহীন লোকের সংখ্যা বাংলাদেশে। আপনি ক্ষমতায় থাকা মানে মানুষ না খেয়ে থাকা। আপনি ক্ষমতায় থাকা মানে কর্মহীন থাকা। আজকে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে লিখতে ও বলতে পারে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে বিভিন্ন কালাকানুন করেছে সরকার।’

ঈদে মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, ‘মাফিয়া আওয়ামী লীগের লোকেরা সিন্ডিকেট করে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ ভাড়া আদায় করছে। আজকে সিন্ডিকেট এমনভাবে চেপে বসেছে মানুষ মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছে না। কোরবানির হাটেও সিন্ডিকেট করছে আওয়ামী লীগের লোকজন। সরকারদলীয় লোকেরা ইচ্ছামতো দাম বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের পশু কিনতে বাধ্য করছে।

‘দেশের মানুষ ঈদের প্রাক্কালে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে হাপিত্যেশ করছে। সরকার জনগণের সঙ্গে তামাশা করছে। মানুষ বন্যার পানিতে ভাসছে, তাদের দিকে সরকারের কোনো দায়িত্ববোধ নেই। তারা পদ্মা সেতুর জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত।’

পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি তোলা নিয়ে প্রশ্ন

পদ্মা সেতুতে দাঁড়ানো ও ছবি তোলা নিষিদ্ধের আদেশ জারির পরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ছবি তোলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী।

তিনি বলেন, ‘দেশ চলছে মাফিয়া শাসনের অধীনে। এখানে আইনের কোনো বালাই নেই। হবু চন্দ্র রাজার গবু চন্দ্র মন্ত্রীরা যা খুশি বলছে এবং করছে।’

গত ৪ জুলাই পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে সড়কপথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যান প্রধানমন্ত্রী। যাওয়ার পথে তারা সেতুতে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন।

তবে ২৫ জুন সেতু চালুর আগে সেতু কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেতুতে দাঁড়ানো বা ছবি তোলা যাবে না বলে জানায়।

রিজভী বলেন, ‘উদ্বোধনের পর পদ্মা সেতুর ওপর নেমে ছবি তোলা যাবে না। ছবি তোলায় কয়েকজনকে জরিমানাও করা হয়েছে। অথচ কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে নিজের ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সেলফি তুলেছেন। আসলে এক দেশে দুই আইন চলছে।’

‘দেশে নির্বাচিত সরকার থাকলে তারা আইন মানত। তারা তো অনির্বাচিত। সে জন্য যখন যা চায় তারা তাই করছে।’
আলোচনা সভা শেষে অর্পণ সংঘের উদ্যোগে যুবদলের প্রয়াত নেতা জি এস বাবুলের স্ত্রীর হাতে অর্থসহায়তা তুলে দেন রিজভী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, জাহেদুল কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ও অর্পণ সংঘের বীথিকা বিনতে হোসাইন, ওমর ফারুক কাওসার ও আরিফুর রহমান তুষার।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Illumination is banned all over the country

সারা দেশে আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ

সারা দেশে আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন ও সংযোগ অধিশাখার উপসচিব সাইফুল ইসলাম ভুইয়ার সই করা আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার, শপিং মল, দোকানপাট, অফিস ও বাসাবাড়িতে আলোকসজ্জা না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সারা দেশে সব ধরনের আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন ও সংযোগ অধিশাখার উপসচিব সাইফুল ইসলাম ভুইয়ার সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার, শপিং মল, দোকানপাট, অফিস ও বাসাবাড়িতে আলোকসজ্জা না করার জন্য নির্দেশনাক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

সারা দেশে আলোকসজ্জা না করতে এর আগে বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পরিস্থিতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বুধবার সকালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবস্থাপিত ‘শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর’ উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে গণভবনে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে। রাজধানীর বাইরে এ সংকট আরও তীব্র। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক স্থাপনার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধান লোডশেডিংয়ের কারণ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদন আমরা বাড়িয়েছি। সেই বিদ্যুৎ আজকে আমরা সমস্ত বাংলাদেশের প্রত্যেকটা ঘরে দিতে সক্ষম হয়েছি, তবে আপনারা জানেন যে রাশিয়া-ইউক্রেনের যে যুদ্ধ, যুদ্ধ পরবর্তীতে আমেরিকা রাশিয়ার ওপর যে স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দিল, ইউরোপ স্যাংশন দিল; ফলাফলটা এই দাঁড়িয়েছে, এখন তেলের দাম বেড়ে যাচ্ছে, ডিজেলের দাম বেড়ে যাচ্ছে।’

প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এলএনজির দাম বেড়ে গেছে। সবকিছুর দাম এমনভাবে বেড়ে গেছে যে এখন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালিয়ে রাখা, আমাদের নিজস্ব যেটুকু গ্যাস আছে, তা ছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্র চালিয়ে রাখাটাই একটা কষ্টকর ব্যাপার হয়ে গেছে। অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে গেছে।’

কোন বিদ্যুৎ উপকরণের কত দাম বেড়েছে, তার পরিসংখ্যানও তুলে ধরেছেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘ফার্নেস অয়েল যার মূল্য ছিল মাত্র ৭০৮ টাকা, সেটা ইউক্রেন যুদ্ধের পর হয়ে গেছে এক হাজার ৪০ টাকা। অর্থাৎ ৩৩২ টাকা, ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এলএনজি যেটা মাত্র এমএমবিটিও ১০ ডলারে ক্রয় করা হতো, সেটা এখন ৩৮ ডলার। আর ২৮০ পার্সেন্ট প্রায় তার দাম বেড়ে গেছে। কয়লা সেটাও ১৮৭ ডলার ছিল, সেটা এখন ২৭৮ ডলার।

‘ডিজেল যেটা ছিল ৮০ ডলার, এখন সেটা ১৩০-এ চলে আসছে। এমনকি শোনা যাচ্ছে, এটা নাকি ২০০ থেকে ৩০০ ডলার পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। অর্থাৎ এখন একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে সারা বিশ্ব যাচ্ছে। আমরা এখন নির্ভরশীল ডিজেলের ওপর, সেই ডিজেলের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে।’

যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর আমেরিকা বা ইউরোপ অবরোধ আরোপ না করলে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ নাও হতে পারত বলে মনে করেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘এই স্যাংশনটা যদি না হতো তাহলে রাশিয়া থেকে, ইউক্রেন থেকে, এরা যুদ্ধও করত, আবার তাদের তেল বা ফার্টিলাইজার, গম এগুলোর সাপ্লাইটাও ঠিক থাকত। যদিও জাতিসংঘ সেক্রেটারি জেনারেলের উদ্যোগে একটা চ্যাম্পিয়ন গ্রুপ হয়েছে। তার মধ্যে আমি আছি। সেখানে আলোচনা হয়েছে। সেখানে আলোচনা করে অন্তত বিশেষ করে খাদ্যটা যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, খাদ্য এবং সার যেন তারা আসতে দেন, এ ব্যাপারে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তিনি বলেন, ‘অবশ্য সে কারণে আমি সবাইকে আহ্বান করেছি, প্রত্যেককে নিজের সঞ্চয়টা বাড়াতে হবে। খরচের ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হতে হবে এবং যতটুকু পারা যায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে হবে; বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে হবে।’

লোডশেডিং কখন, কোথায় হবে, তার সূচি তৈরিরও নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক এলাকাভিত্তিক, কখন কোন এলাকায় কত ঘণ্টা লোডশেডিং হবে, এটার একটা রুটিন তৈরি করে সেভাবে লোডশেডিং, যাতে সেই সময়ে মানুষ প্রস্তুত থাকতে পারে, যাতে মানুষের কষ্টটা আমরা লাঘব করতে পারি। সেই বিষয়টা আমাদের নজরে দিতে হবে।

‘আমি মনে করি, আশা করি দেশবাসী অন্তত এ ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন।’

আরও পড়ুন:
বামপন্থিদের কথা শুনলে বিদ্যুতের এই দশা হতো না: সিপিবি
লোডশেডিংয়ে নাজেহাল হাসপাতালের রোগীরা
‘বিদ্যুৎ এলে ২০ মিনিট পর আবার চলে যাচ্ছে’
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আলোকসজ্জা নয়: প্রধানমন্ত্রী
লোডশেডিংয়ের এলাকাভিত্তিক সূচি তৈরির নির্দেশ

মন্তব্য

p
উপরে