× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
Death by taking paracetamol 154 families of 104 children will get
hear-news
player
print-icon
প্যারাসিটামল খেয়ে মৃত্যু

১০৪ শিশুর পরিবারকে ১৫ লাখ করে দেয়ার নির্দেশ

১০৪-শিশুর-পরিবারকে-১৫-লাখ-করে-দেয়ার-নির্দেশ
প্রতীকী ছবি
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ সেবন করে ১৯৯১ সালে ৭৬ শিশু এবং ২০০৯ সালে রীড ফার্মার প্যারাসিটামল সেবন করে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০১০ সালে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে মানবাধিকার সংগঠন এইচআরপিবি জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট করে। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিল। এরপর রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করে।

ভেজাল প্যারাসিটামল সেবনে প্রাণ হারানো ১০৪ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এ ক্ষতিপূরণ দিতে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রায়ের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ সেবন করে ১৯৯১ সালে ৭৬ শিশু এবং ২০০৯ সালে রীড ফার্মার প্যারাসিটামল সেবন করে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ২০১০ সালে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে মানবাধিকার সংগঠন এইচআরপিবি জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট করে। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিল। এরপর রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করে।

তিনি আরও বলেন, রায়ে ভেজাল প্যারাসিটামল সেবনে মৃত্যুর ঘটনায় ১০৪ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ ছাড়া ভেজাল ওষুধ নিয়ন্ত্রণে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয়তা অবৈধ ঘোষণা, ভেজাল ওষুধের অপরাধের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি আদালত বলেছে, ভেজাল ওষুধের কারণে শিশু মৃত্যুর দায় ওষুধ প্রশাসন অধিপ্তর এড়াতে পারে না।

ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ খেয়ে ২৮ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় ঢাকার ঔষধ আদালতের বিচারক আতোয়ার রহমান ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর রায় দেয়।

রায়ে বিচারক বলেছিলেন, মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তখনকার সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম ও উপপরিচালক আলতাফ হোসেনের ‘অযোগ্যতা ও অদক্ষতার কারণে’ রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়। পরে ২০১৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এ দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ ‘তিরস্কার’ করে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে নেয় ঔষধ প্রশাসন।

এরপর এ দুই কর্মকর্তা তাদের চাকরি শুরু করেন। ৩১ মার্চের ওই প্রত্যাহার আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাইকোর্টে আবেদন করে।

ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেয়। দীর্ঘ রুলের শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
ঢাকা-গাজীপুরসহ ৫ জেলার ডিসিকে তলব
সেই কানাডিয়ান তরুণীকে ফের আদালতে হাজিরের নির্দেশ
সন্তানের সঙ্গে জবরদস্তি নয়, কানাডিয়ান তরুণী ইস্যুতে হাইকোর্ট
মগবাজারে সাড়ে ১৯ কাঠা জমির ওপর স্থিতাবস্থা: আপিল
বেরোবি শিক্ষক মুনিরাকে পুনর্বহালের নির্দেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Increased detection on deathless days

মৃত্যুহীন দিনে বেড়েছে শনাক্ত

মৃত্যুহীন দিনে বেড়েছে শনাক্ত ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। সোমবার যা ছিল ৪ দশমিক ৯। সে হিসেবে একদিনের ব্যবধানে শনাক্ত বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩২ ভাগ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার কিছুটা বাড়লেও মৃত্যু ছিল শূন্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত।

একদিনে ২ হাজার ১১০টি নমুনা পরীক্ষায় ৯৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। নতুন শনাক্ত ৯৩ জনের মধ্যে ৪৬ জনই ঢাকার বাসিন্দা।

শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। সোমবার যা ছিল ৪ দশমিক ৯। সে হিসেবে একদিনের ব্যবধানে শনাক্ত বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩২ ভাগ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মঙ্গলবার পাঠানো বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৯ হাজার ২২২ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু না থাকায় মৃতের সংখ্যা অপরিবর্তিত আছে। এখন পর্যন্ত দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৯ হাজার ৩১৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ২২৮ জন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৯৬৫ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

তবে করোনার চতুর্থ ঢেউ সামলে ভাইরাসটিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা: নিম্নমুখী শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনা: নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে দুজনের মৃত্যু
করোনার পর চীনে এবার ‘ল্যাংগায়া’ ভাইরাস
দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Video of patient assault goes viral

রোগীকে লাঞ্ছনার ভিডিও ভাইরাল

রোগীকে লাঞ্ছনার ভিডিও ভাইরাল ভাইরাল ভিডিও থেকে নেয়া ছবি।
২ মিনিট ৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালে নিজ চেম্বারে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন চিকিৎসক আকরাম। এর মধ্যে একজন তার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বসেন। আকরাম তার পিঠে কিল দেন ও লাথি মারেন। 

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে রোগীর লাঞ্ছিত হওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনাটি গত শনিবারের। ভিডিওতে লাঞ্ছিত করার দৃশ্য দেখা গেলেও ওই চিকিৎসক এটিকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

চিকিৎসক আকরাম এলাহী সদর হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন।

২ মিনিট ৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালে নিজ চেম্বারে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন আকরাম। এর মধ্যে একজন তার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বসেন। আকরাম তার পিঠে কিল দেন ও লাথি মারেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে চিকিৎসক আকরাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি কোনো রোগীর গায়ে হাত তুলিনি। ঘটনার দিন রোগীর অনেক চাপ ছিল। ওই সময় ওই রোগী জোর করে আমার চেম্বারে ঢোকার চেষ্টা করলে আমার সহকারী তাকে বাধা দেয়। বাধা দিলে সে ওই সহকারীর গায়ে হাত তোলে।

‘আমার সহকারী এমনিতেই অসুস্থ, হার্টের রোগী। পরে সে আমার চেম্বারে ঢুকে আমাকে কামড় দিতে গেলে আমি দূরে সরে আসি।’

রোগীকে লাঞ্ছনার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোনো রোগীকে থাপ্পর বা লাথি মারিনি। আমি আমি নিজেকে বাঁচাতে সরে এসেছি। আর যেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে এগুলো মিথ্যে। আমি কোনো রোগীকে মেরেছি এমন কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি।’

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আবদুল্লাহ আল মুরাদ এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে অবগত নন জানিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ভিডিওর ওই রোগীর পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি চিকিৎসক আকরাম বা হাসপাতালের কেউ। এ কারণে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
নারী চিকিৎসক হত্যায় রেজার স্বীকারোক্তি
‘ফেসবুকে পরিচয়ে বিয়ে, হত্যার নেপথ্যে রেজাউলের একাধিক সম্পর্ক’
‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’
নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক
শহীদ মিনারে মারধর: কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্নরা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Health Minister assured to achieve SDG target by reducing child mortality

এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে শিশুমৃত্যু কমাবে স্ক্যানু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে শিশুমৃত্যু কমাবে স্ক্যানু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শনিবার মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নবজাতক শিশুর জন্য বিশেষ সেবা ইউনিটের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি; নিউজবাংলা
জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে সদ্যোজাত প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ৩২টির মৃত্যু হয়। এসডিজির লক্ষ্য অর্জন করতে হলে এই সংখ্যা ১২টিতে নামিয়ে আনতে হবে। সেই লক্ষ্যে মানিকগঞ্জে নবজাতক শিশুর বিশেষ সেবা ইউনিট (স্ক্যানু) স্থাপন করা হয়েছে।’

নবজাতকের জন্য বিশেষ সেবা ইউনিট চালুর মাধ্যমে শিশু মৃত্যু কমিয়ে এসডিজির লক্ষ্য অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মানিকগঞ্জে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের পুরনো ভবনে শনিবার নবজাতক শিশুর জন্য বিশেষ সেবা ইউনিটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের আগে ভূমিষ্ঠ হওয়া এবং বিভিন্ন রোগ ও অল্প ওজন নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুদের পরিচর্যায় হাসপাতালে বিশেষ একটি ব্যবস্থা দরকার হয়। আর সেই ব্যবস্থাই হলো নবজাতক শিশুর বিশেষ সেবা ইউনিট (স্ক্যানু)। এখানে কিছুদিন রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। এর মাধ্যমে শিশুটির জীবন রক্ষা পায়।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে সদ্যোজাত প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ৩২টির মৃত্যু হয়। এসডিজির লক্ষ্য অর্জন করতে হলে এই সংখ্যা ১২টিতে নামিয়ে আনতে হবে। সেই লক্ষ্যে মানিকগঞ্জে নবজাতক শিশুর বিশেষ সেবা ইউনিট (স্ক্যানু) স্থাপন করা হয়েছে।’

‘ইতোমধ্যে দেশের ৫০টি হাসপপাতালে স্ক্যানু স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা হাসপাতালে এটি স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে শিশু মৃত্যুর হার কমে আসবে এবং আমাদের এসডিজি অর্জন সহজ হবে।’

মায়েদের উদ্দেশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সদ্যোজাত দুর্বল ও অসুস্থ শিশুকে দ্রুত স্ক্যানুতে নিয়ে আসুন। তাহলে শিশুটির সুচিকিৎসা হবে এবং জীবন রক্ষা পাবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, মহাপরিচালক (এমসিটিবি) প্রফেসর ডা. শাকিল আহম্মেদ, মানিকগঞ্জের কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন ও সিভিল সার্জন মোয়োজ্জেম আলী খান চৌধুরীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
দেশে গরিব মানুষ দেখা যায় না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দগ্ধদের চিকিৎসা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত-মৃত্যু বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বরাদ্দের ৪১% খরচ ১১ মাসে, এক মাসে চমক দেখাবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অবকাঠামো আছে, চিকিৎসক ও জনবল লাগবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Dhaka Medical is under pressure due to interns strike

ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালে চাপ

ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালে চাপ
জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জরুরি বিভাগে প্রতি শিফটেই ইন্টার্নরা থাকে। গতকাল থেকে নেই। তারা না থাকায় আমাদের কাজে চাপ পড়ছে।’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সহকর্মীকে মারধরে জড়িতদের শনাক্ত করতে না পারায় কর্মবিরতিতে গেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রায় ২০০ ইন্টার্ন চিকিৎসক।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ঢাকা মেডিক্যালের কোনো চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছেন না তারা। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কাজে যোগ না দেয়ায় চাপ পড়েছে হাসপাতালটির পুরো চিকিৎসাব্যবস্থায়।

সাজ্জাদ হোসেন নামের ওই ইন্টার্ন চিকিৎসককে গত সোমবার রাতে কয়েকজন শহীদ মিনারে মারধর করেন। মারধরকারীরা নিজেদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে দাবি করেছিলেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচার চেয়ে এই কর্মসূচি পালন করছে হাসপাতালটির ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগসহ অন্তত চারটি ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও কোনো ইন্টার্ন চিকিৎসক নেই। তারা না থাকায় কাজের চাপ পড়ছে স্থায়ী চিকিৎসকসহ ওয়ার্ডগুলোতে দায়িত্বে থাকা অন্যদের।

মেডিক্যালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও নার্সরা জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মূলত সকালবেলা সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে রাউন্ডে থাকেন। হাতে-কলমে শিক্ষা নেন। এর বাইরে জরুরি বিভাগ এবং অন্য ওয়ার্ডগুলোতেও তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করেন।

জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জরুরি বিভাগে প্রতি শিফটেই ইন্টার্নরা থাকে। গতকাল থেকে নেই। তারা না থাকায় আমাদের কাজে চাপ পড়ছে।’

শুক্রবার হওয়ায় রোগীর চাপ কম থাকায় সামলে নেয়া যাচ্ছে বলে জানান ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের একজন নার্স।

তিনি বলেন, ‘আজকে রোগী কম। ইন্টার্ন না থাকলেও খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। তবে রোগী বাড়লে চাপ বাড়বে।’

তারা না থাকলেও চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে না বলে দাবি হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হকের। তবে প্রায় ২০০ ইন্টার্ন চিকিৎসক একসঙ্গে কাজ না করায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় চাপ পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

সহকর্মীকে মারধরের বিচার চেয়ে আল্টিমেটাম দেয় ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের পর বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় তারা।

অবশ্য এমন কর্মবিরতি দিয়ে কিছুটা সমালোচনার মুখেও পড়েছেন ইন্টার্নরা।

কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়ে তারাও পড়েছেন উভয় সংকটে। একদিকে সহকর্মীর বিচার না পাওয়া, অন্যদিকে চিকিৎসা প্রদান থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখা। দুটো বিষয়ই তাদের প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

তাই তারা চান, দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এই কর্মসূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের নেতারা।

পরিষদের সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা চিকিৎসা থেকে নিজেদের বিরত রাখতে চাই না। আমরা বিচার চাই। কিন্তু এই কদিনেও জড়িতদের শনাক্ত করতে না পারাকে প্রশাসনের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছি আমরা। জড়িতদের আইনের আওতায় না আসা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।’

কর্মবিরতি থেকে সরে আসার আভাস দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ডা. মারুফ উল আহসান। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল আমাদের মেডিক্যাল কলেজ প্রশাসনসহ অন্যদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। বৈঠক থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

ঢাকা মেডিক্যালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক বলেন, ‘আমরা পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ চেষ্টা করছে।’

ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রায় ২০০ ইন্টার্ন আমাদের এখানে রয়েছে। তারা না থাকায় অন্যদের ওপর চাপ পড়ছে। তবে আমাদের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ নেই।’

মারধরের ওই ঘটনায় সাজ্জাদ মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

মারধরে জড়িতে শনাক্তের বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদূত হাওলাদার বলেন, ‘ভুক্তভোগী জিডি করেছেন। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় আমরা সরাসরি কাউকে শনাক্ত করতে পারিনি। আমরা কয়েকজন সন্দেহভাজনকে দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে শনাক্তের চেষ্টা করেছিলাম।

‘সেটাও সম্ভব হয়নি। কারণ অন্ধকারে কয়েকজন মিলে মারধর করায় ভুক্তভোগী কাউকে দেখলে চিনতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। আমরা তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। আশা করছি, একটু সময় লাগলেও জড়িতদের শনাক্ত করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
ডিবিসির সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮
যৌনাঙ্গ কেটে রক্তাক্ত স্বামীকে নিয়ে হাসপাতালে
বগুড়ায় অধ্যক্ষকে মারধরের নেপথ্যে কী
৭ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মী নিহত
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Immunization of children started with Nidhi

নীধিকে দিয়ে শিশুদের টিকাদান শুরু

নীধিকে দিয়ে শিশুদের টিকাদান শুরু
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকের দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দিতে হবে। এই শিশুদের জন্য প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টিকা লাগবে। ইতোমধ্যে ৩০ লাখের মতো টিকা পাওয়া গেছে। বাকি টিকা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দেবে বলে নিশ্চিত করেছে।’

দেশে করোনার বুস্টার ডোজ টিকা কার্যক্রমে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পিছিয়ে রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণে ছেলে-মেয়ে প্রায় সমান থাকলেও বুস্টার ডোজে মেয়েরা পিছিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে অনেক মেয়ে বুস্টার ডোজ নিচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময় পরীক্ষামূলকভাবে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী ১৬টি শিশুকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘টিকা কার্যক্রম পরিচালনায় আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম হয়েছি। সারাবিশ্ব আমাদের প্রশংসা করছে। অনেক দেশ এখনও ১০ থেকে ৱ১৫ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে পারেনি। কিন্তু বাংলাদেশ টিকা দিয়ে মানুষকে সুরক্ষায় নিয়ে এসেছে। মৃত্যুও শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। আমরা একদিনে এক কোটি বিশ লাখ টিকা দিয়েছি। টিকায় আমাদের সক্ষমতা আছে। বিশ্ববাসী জানে আমরা টিকা দিতে পারি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই একটা চেইন মেইনটেইন করে টিকা দিয়েছি। ঝুঁকি বিবেচনায় পঞ্চাশোর্ধ্বদের আগে টিকা দিয়েছি। ফ্রন্টলাইনারদেরও আগে দিয়েছি। সবশেষে এখন শিশুদের টিকা হাতে পেয়েছি। তাই কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি।’

শিশুদের টিকাদান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকের দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দিতে হবে। এই শিশুদের জন্য প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টিকা লাগবে। ইতোমধ্যে ৩০ লাখের মতো টিকা পাওয়া গেছে। বাকি টিকা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দেবে বলে নিশ্চিত করেছে।

‘এই টিকা শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। খুবই নিরাপদ। যুক্তরাষ্ট্রে এই টিকা দেয়া হচ্ছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অনুমোদন দিয়েছে। যে টিকাগুলো এসেছে সেগুলো দুই মাসের ব্যবধানে দিতে হবে। ২৫ আগস্ট থেকে পুরোদমে শিশুদের টিকা দেয়া হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিশুরা এমনিতেই করোনা থেকে নিরাপদ ছিল। এখন পর্যন্ত দেশে ২৯ হাজার লোক মারা গেছেন। তাদের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই ৫০ বছরের বেশি বয়সী। এই তালিকায় তরুণদের সংখ্যাও খুবই কম। তবে দেশে করোনায় ৫ থেকে ১১ বছরের কেউ মারা গেছে এমন খবর এখনও শোনা যায়নি।’

বক্তব্য শেষে মন্ত্রী শিশুদের টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি রাজেন্দ্র বোহরা, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট প্রমুখ।

শিশুদের মধ্যে প্রথম টিকা নিল নীধি নন্দিনী: ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের মধ্যে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নীধি নন্দিনী। বৃহস্পতিবার বিআইসিসিতে শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রথম টিকা নেয় এই শিক্ষার্থী। এরপর একে একে অন্য শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হয়।

টিকা নেয়া শিক্ষার্থীরা হলো- দ্বিতীয় শ্রেণির সৌম্য দ্বীপ দাস, চতুর্থ শ্রেণির মো. আবু সায়েম ফাহিম, পঞ্চম শ্রেণির বিকাশ কুমার সরকার, তৃতীয় শ্রেণির সাইমুন সিদ্দিক, তৃতীয় শ্রেণির মো. আরাফাত শেখ, আকিব আহমেদ সায়ন, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদ হোসেন ও আল-আমিন, তৃতীয় শ্রেণির শামীমা সিদ্দিকা তাসিন, রুপা আক্তার, হুমায়রা আফরিন তামান্না, চতুর্থ শ্রেণির তাসলিমা আক্তার, সানজিদা আক্তার, মোছা. নুসরাত জাহান আরিন এবং প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী হীরা আক্তার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা টিকা ব্যবস্থপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘দেশে বর্তমানে শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ফাইজারের করোনা টিকা মজুত আছে ৩০ লাখ। এ মাসের ২৮ তারিখের মধ্যে আরও ৭০ লাখ টিকা আমাদের হাতে আসবে। আমরা একসঙ্গে অনেক বেশি করোনা টিকা আনব না। চাহিদা দেখেই টিকা আনা হবে। পরবর্তী সময়ে ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে শিশুদের প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম। এর দুই মাস পর দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।’

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের করোনা টিকা নিতে লাগবে জন্মনিবন্ধন
এক সিরিঞ্জে ৩০ শিক্ষার্থীকে টিকা
৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদের টিকা আগস্টে
করোনার টিকা: প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল তৈরির উদ্যোগ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Canada is pouring 154 million dollars into cannabis

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা
বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। দেশটির সরকার ২০০৮ সাল থেকে সাবেক সামরিক সদস্যদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত গাঁজার খরচ দিচ্ছে।  

সাবেক সেনাদের গাঁজা কেনা সহজ করতে আরও টাকা ঢালতে যাচ্ছে কানাডা সরকার। বলা হচ্ছে, সরকার এবার এ খাতে প্রায় ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার খরচ করবে। এই অঙ্ক গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় ১৩৫ শতাংশ বেশি। কানাডার ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স ২০০৮ সাল থেকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত গাঁজার জন্য এ অর্থ ব্যয় করছে।

বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। উরুগুয়ের পর কানাডা এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দ্বিতীয় দেশ। সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে এ ব্যবস্থাটির বৈধতা দেয় জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

কানাডায় ওষুধ হিসেবে গাঁজা ২০০১ সাল থেকে বৈধ। গবেষণায় দেখা গেছে, উদ্বেগ, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে গাঁজা ভীষণ কার্যকর।

২০০৮ সালে আইনি নানা বাধা কাটিয়ে ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের চিকিৎসায় ঔষধি গাঁজার অনুমোদন দেয়। তিন বছর পর ২০১১ সালে গাঁজাকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে নিয়মকানুনগুলো সহজ করে সরকার। এ বছর গাঁজা কেনার জন্য ৩৭ জনকে ৮১ হাজার ডলার দেয়া হয়।

ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স বলছে, মেডিক্যাল গাঁজা ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানে দারুণ একটি ক্ষেত্র। এ নিয়ে আরও গবেষণা চলবে। বয়স্ক এবং তাদের পরিবারের কল্যাণে প্রয়োজনীয় নীতি সমন্বয় করা হবে।

কানাডিয়ান সিনেট কমিশন ২০১৯ সালে চিকিৎসার উদ্দেশে গাঁজার ইতিবাচক ফলাফলের ওপর জোর দিয়েছিল। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার বিরুদ্ধে ‘অত্যন্ত আসক্তিযুক্ত’ ওপিওডের বিকল্প ধরা হচ্ছে গাঁজাকে।

সিনেটররা বলেন, ‘গাঁজার দাম নিয়মিত মূল্যায়ন করা দরকার। কারণ কিছু অভিজ্ঞ সেনার সামর্থ্যের চেয়ে বেশি খরচ হতে পারে।’

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে কমপক্ষে ১৮ হাজার সাবেক সেনাকে ঔষধি গাঁজার জন্য টাকা দিয়েছিল কানাডা সরকার, যা ফেডারেল খরচের (১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার) সমান।

বিশেষজ্ঞরা প্রবীণদের জন্য পরিকল্পনাটিকে অনেকাংশেই সমর্থন করেন। তবে তারা বলছেন, এটির সঙ্গে মনোসামাজিক সহায়তা থাকা জরুরি, বিশেষ করে উদ্বেগ এবং পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন:
মাল্টার আদলে গাঁজা ‘পাচার’
গাঁজা সেবনের দায়ে ছাত্রদল নেতাকে জরিমানা
লং কোভিড চিকিৎসায় ‘অতুলনীয়’ গাঁজা
গাঁজা চাষে বিনিয়োগে জার্মান ব্যবসায়ীর সঙ্গে তালেবানের চুক্তি!
‘গাঁজা কিনতেন জাল টাকায়’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
10 years in jail for stealing and selling government medicines

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের জেল

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের জেল প্রতীকী ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ উৎপাদন, বিপণন বা আমদানি করলে ১০ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একইভাবে সরকারি ঔষধ চুরি করে বিক্রি করলেও একই শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন-বিপণন এবং সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রি করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে ঔষধ আইন-২০২২-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এতে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন সরকারপ্রধান।

পরে সাংবাদিকদের বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এটা অনেক বড় আইন। এটার অনেক বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ মেনশন করা আছে, বিশাল।

‘এই আইনে ১০৩ টি ধারা রয়েছে। ওষুধ প্রশাসন কীভাবে হবে, ওষুধ প্রশাসনের কার্যক্রম কী হবে, ওষুধ প্রশাসন মান কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, এটার একটা এক্সিকিউটিভ বডি থাকবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, মজুদ, বিতরণ ইত্যাদির লাইসেন্স দেয়ার জন্য কীভাবে লাইসেন্স দেবে, ফি কী হবে, লাইসেন্স প্রাপ্তির যোগ্যতা কী থাকবে- এগুলো তারা ঠিক করবে।’

তিনি বলেন, ‘লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্স গ্রহীতার লাইসেন্স আবার যদি কেউ ভুল ক্রুটি করে বা অন্যায় কিছু করে কীভাবে তার লাইসেন্স স্থগিত করা যাবে সেটাও এই আইনে উল্লেখ আছে। কেউ যদি তার লাইসেন্সে প্রাপ্ত যে জিনিসগুলো উৎপাদন করার কথা তার বাইরে কিছু করে তাহলে সে ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে কী অ্যাকশন নেয়া যাবে সেগুলো মেনশন করে দেয়া আছে।

‘একটা অর্ডিন্যান্স হয়েছিল ১৯৮২ সালে ড্রাগ অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ আর ১৯৪০ সালে একটা ড্রাগ অ্যাক্ট ছিল। ওই দুইটিকে এক করে এখন এটা আপগ্রেড করা হলো। আর ১৯৮৪ সালে একটা ওষুধ নীতিমালা- ওইটা একটা বড় গাইডলাইন হিসেবে কাজ করেছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের ওষুধ লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ছাড়াই যদি কিছু করে তাহলে তার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে পারবে। কোনো প্রতিষ্ঠান প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিক্রির জন্য মজুত প্রদর্শন করতে পারবে না।

‘সরকারি ওষুধ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ এগুলো কোনভাবেই যেন ট্রানজেকশনের মধ্যে না আসে। লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ওষুধ আমদানি করা যাবে না। কোনো রকম ওষুধ কেউ আনতে পারবে না।’

আইনে থাকা শাস্তির বিধান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রায় ২২টি ধারাতে, অবজারভেশন দেয়া হয়েছে যে এতগুলো ধারাতে শাস্তি না দিয়ে এটাকে গ্রুপ করে অল্প কয়েকটাতে আনা যায় কিনা। এই আইনে সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা।

‘লাইসেন্স ছাড়া কেউ যদি ওষুধ আমদানি করে তাহলে তার ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হবে। যদি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কেউ উৎপাদন করে আমদানি, রপ্তানি, বিক্রয়, বিতরণ, মজুদ অথবা প্রদর্শন করে তাহলে তারও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হবে।’

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, মজুদ করলে সেখানেও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং ১০ বছরের জেল হবে। সরকারি ওষুধ চুরি করে যদি কেউ বিক্রি করে তাহলে তারও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হবে।

‘প্রত্যেক জেলা সদরে একটা করে আদালত থাকবে। ড্রাগ অথরিটি তারাই তদন্ত করবে যেহেতু এটা টেকনিক্যাল বিষয়।’

আরও পড়ুন:
বাতিল ওষুধ এখনও বাজারে
মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যানসারসহ নানা ঝুঁকি
অ্যান্টিবায়োটিকের অতি ব্যবহার বাড়াবে মৃত্যুর শঙ্কা: সিডিসি
ওষুধ দরকার ২০ টাকার, খরচ করতে হচ্ছে ২০০
আয়ুর্বেদিকের আড়ালে ভেজাল ওষুধের কারখানা

মন্তব্য

p
উপরে