× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
The operation is going on to close the illegal clinic diagnostic center
hear-news
player
google_news print-icon

একে একে বন্ধ হচ্ছে অবৈধ ক্লিনিক, কারাদণ্ড-জরিমানা

একে-একে-বন্ধ-হচ্ছে-অবৈধ-ক্লিনিক-কারাদণ্ড-জরিমানা
অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে দেশজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা
মাগুরার সিভিল সার্জন বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে সারা দেশের মতো অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতালের তালিকা করে অভিযান চালানো হচ্ছে। মাঠে নেমে দেখি অনেক জায়গায় গোপনে হাসপাতাল, ক্লিনিকের হাট বসেছে। নিবন্ধন না থাকলেই বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনের মধ্যে দেশের সব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশের পর সারা দেশে অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। প্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি করা হচ্ছে জরিমানা। দেয়া হচ্ছে কারাদণ্ডও।

চট্টগ্রাম

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করায় চট্টগ্রামের চারটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ইলিয়াস চৌধুরীর নেতৃত্বে শনিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে এগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়।

ওই চার প্রতিষ্ঠান হলো চট্টেশ্বরী এলাকার কসমোপলিটন হাসপাতাল, ডিটি রোডের পপুলার মেডিক্যাল সেন্টার ও ক্লিনিক্যাল ল্যাব, পাঁচলাইশ এলাকার সিএসটিসি হাসপাতাল এবং ওয়াসা মোড়ের নিরুপণী ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

সিভিল সার্জন বলেন, ‘ছয়টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চারটি মৌখিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এগুলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো লাইসেন্স দেখাতে পারেনি।

‘বাকি দুটির সেবার মূল্য তালিকা নেই। এদের সতর্ক করে মূল্য তালিকা প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইল সদরে শনিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিনটি ক্লিনিক সিলগালা ও এর মালিকদের জরিমানা করা হয়েছে।

ওই তিন ক্লিনিক হলো স্বদেশ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পদ্মা ক্লিনিক ও আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল। এ ছাড়া ডিজিল্যাব নামের আরেকটি ক্লিনিকে সিজারিয়ান রোগী থাকায় রোববার দুপুর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে দ্য সিটি ক্লিনিককে ২০ হাজার টাকা, কমফোর্ট হাসপাতালকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ইউএনও রানুয়ারা বলেন, ‘কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তিনটি ক্লিনিককে সিলগালা ও মালিকদের জরিমানা করা হয়েছে। ডিজিল্যাবেরও বৈধ কাগজ নেই। তবে সেখানে সিজারিয়ান রোগী থাকায় রোববার দুপুরের পর সিলগালা করা হবে।’

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা সদরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আওলিয়ার রহমানের নেতৃত্বে চালানো অভিযানে তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা ও দুইটি মৌখিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

একে একে বন্ধ হচ্ছে অবৈধ ক্লিনিক, কারাদণ্ড-জরিমানা

সদর হাসপাতাল সড়ক এলাকায় শনিবার দুপুর ১টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়।

আওলিয়ার বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গায় ২৫টি ক্লিনিক ও প্যাথলজি চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হচ্ছে। তার মধ্যে আজকে সদর হাসপাতাল সড়কের বেশ কিছু ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিতে অভিযান চালানো হয়।

‘বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে। এগুলো হলো সেন্ট্রাল মেডিক্যাল সেন্টার, আমাদের সনো এবং চুয়াডাঙ্গা আলট্রাসনোগ্রাফি সেন্টার। এ ছাড়া ইসলামী হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক বিভাগ ও তিশা ডায়াগনস্টিক সেন্টার মৌখিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

অভিযানের সময় সঙ্গে ছিলেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মহসীন।

নাটোর

নাটোরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে সাতটি অবৈধ ক্লিনিক ও হাসপাতাল সিলগালা করেছে।

সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালানো হয়।

সিলগালা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকার পদ্মা ক্লিনিক, সেন্ট্রাল ল্যাব ও প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চকরামপুরের হেলথ কেয়ার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চকবৈদ্যনাথের মদিনা চক্ষু হাসপাতাল, হাফরাস্তার তামান্না ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং বড়হরিশপুরের বরাত ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

মাহবুবুর রহমান জানান, জেলায় ১৭০টি ক্লিনিক, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ব্লাড ব্যাংক আছে। এগুলোর মধ্যে অনিবন্ধিত সাতটি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করে সিলগালা করা হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বন্ধ করে দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের দাবি, তারা নিবন্ধনের জন্য দেড় বছর আগে অনলাইনে আবেদন করে টাকা ও কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। এখনও নিবন্ধন নম্বর পাননি।

কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সিভিল সার্জন আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে একটি ক্লিনিককে।

খোকসা উপজেলায় দুপুর ২টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১১টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে টাস্কফোর্সের সদস্যরা। নিবন্ধন নবায়ন না করায় সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘জেলায় ১৫০টি বৈধ বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আছে। এর বাইরে অবৈধগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।

‘প্রত্যন্ত এলাকাতেও অবৈধ প্রতিষ্ঠান আছে। সেগুলোতেও অভিযান চালানো হবে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে এগুলো বন্ধ করা সম্ভব নয়। সেই পরিমাণ জনবল স্বাস্থ্য বিভাগের নেই।’

রাজবাড়ী

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে লাইসেন্স না থাকায় একটি ক্লিনিক ও তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আম্বিয়া সুলতানার নেতৃত্বে শনিবার দুপুর অভিযান চালানো হয়।

সিলগালা করা প্রতিষ্ঠান চারটি হলো বালিয়াকান্দি হাসপাতাল রোডের অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চন্দনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ডাক্তার চেম্বার, দি আরোগ্য ক্লিনিক ও জামালপুর প্যাথলজি সেন্টার। এর মধ্যে জামালপুর প্যাথলজির মঞ্জুরুল ইসলামকে ১৫ দিন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

ইউএনও আম্বিয়া বলেন, ‘আমরা আজকে অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে অভিযান চালাই। এ সময় একটি ক্লিনিক ও তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার তাদের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এ কারণে এগুলো সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে।’

মাগুরা

মাগুরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১৫টি অনিবন্ধিত ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

একে একে বন্ধ হচ্ছে অবৈধ ক্লিনিক, কারাদণ্ড-জরিমানা

জেলা সিভিল সার্জন মো. শহীদুল্লাহ দেওয়ানের নেতৃত্বে শনিবার দুপুরে শহরের ভায়না, সরকারি কলেজ রোড, ঢাকা রোড, নতুন বাজার, স্টেডিয়াম গেটসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

জেলা শহরের বাইরে শালিখা উপজেলায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নিয়ে অভিযান চলেছে।

সিভিল সার্জন বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে সারা দেশের মতো মাগুরাতেও অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতালের তালিকা করে অভিযান চালানো হচ্ছে। আমাদের কাছে কয়েক বছর আগের ডেটা ছিল। সে অনুযায়ী মাগুরায় প্রাইভেট হাসপাতাল-ক্লিনিকের সংখ্যা ১৪১টি।

‘এখন মাঠে নেমে দেখি অনেক জায়গায় গোপনে হাসপাতাল, ক্লিনিকের হাট বসেছে। নিবন্ধন না থাকলেই বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। শনিবার ১৫টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এ ছাড়া শেরপুরে ৪২টি, বরিশালে ৭টি, হবিগঞ্জে ১২টি, ধামরাইয়ে ৪টি, যশোরে ৬টি, ফরিদপুরে ২০টি, বগুড়ায় ২টি ও ভোলায় ১টি অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন চট্টগ্রামের আব্দুল্লাহ রাকীব, টাঙ্গাইলের শামীম আল মামুন, চুয়াডাঙ্গার জহির রায়হান সোহাগ, নাটোরের নাজমুল হাসান, কুষ্টিয়ার জাহিদুজ্জামান, রাজবাড়ীর রবিউল আউয়াল ও মাগুরার ফয়সাল পারভেজ।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে আহমেদুল কবির
জামিনের মেয়াদ বাড়ল স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির
বেড়েছে গড় আয়ু, কমেছে মা ও শিশুমৃত্যুর হার
৮ মাস পর ফের চালু স্বাস্থ্য বুলেটিন
রোগ পরীক্ষার মূল্য তালিকা টানানোর নির্দেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Got a new taste of motherhood after winning Corona Health Minister

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। ছবি: সংগৃহীত
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন বলেন, ‘অনেক কষ্টের পর সন্তান জন্ম দিয়ে মা যে আনন্দ পান, করোনার মোকাবিলায় আমাদের জয়লাভ সেরকমই আনন্দের।’

কষ্টের পর সন্তান জন্মদানের পর মায়ের যে আনন্দ, করোনা জয়ের আনন্দ ঠিক তেমন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।

রাজধানীর হোটেল রেডিসনে কোভিড যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘কোভিডের সময় অনেক ডাক্তার, নার্স নিয়োগ দিতে হয়েছে। সেন্ট্রাল আইসিইউ-র ব্যবস্থা করতে হয়েছে। শুরুতে শুধু একটা ল্যাব ছিল। এখন সরকারি ও বেসরকারিভাবে ৮০০টি ল্যাব রয়েছে। সমালোচনা সহ্য করে কোভিড যোদ্ধারা নিরলস কাজ করে গেছেন। এ জন্যই আমরা জয় পেয়েছি।

‘অনেক কষ্টের পর সন্তান জন্ম দিয়ে মা যে আনন্দ পান, করোনার মোকাবিলায় আমাদের জয়লাভ সে রকমই আনন্দের।’

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় নয় বছর কাজ করছেন জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের কোভিড যুদ্ধের মোকাবিলা করতে হয়েছে। সে সময় অনেক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অথচ আমরা তখন জানতামই না কীভাবে এর চিকিৎসা করতে হয়।

‘একটা সময় এমন গেছে যে আমরা ভ্যাকসিন পাইনি। তখন প্রধানমন্ত্রীকে বললাম আমাদের সিরিঞ্জ নেই। সেগুলো আনতে প্লেন লাগবে। তিনি সেটার ব্যবস্থা করে দিলেন। কোনো কোনো জায়গায় নৌকায় করে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। পাহাড়ি রাস্তায় পায়ে হেঁটেও পৌঁছে দেয়া হয়েছে ভ্যাকসিন। তারপরও কার্যক্রম বন্ধ ছিল না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিভিন্ন অংশীদার, আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশ আমাদের ভ্যাকসিন দিয়েছে। জাতিসংঘ আমাদের সহায়তা করেছে। অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। সবার সহযোগিতায় আমরা কাজ করেছি।’

করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যের অন্যান্য কাজ চলমান রাখা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। আমরা এই খাতকে আরও উন্নত করতে চাই।’

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমেরিটাস অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘কোভিডে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়েছি। অনেকের অনেক ত্যাগের পর আমরা কোভিড মোকাবিলায় আজ সফল। আমেরিকার ফ্লোরিডাতে এক ডাক্তার আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, বাংলাদেশে এত সুন্দরভাবে কীভাবে মোকাবিলা করলো। আমার উত্তর ছিল মহান আল্লাহই বাঁচিয়েছেন। আর সায়েন্টিফিক্যালি বলতে গেলে প্রত্যেক কাজের ক্ষেত্রে সৈন্যদের গাইড করার জন্য একজন প্রধান থাকেন। তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তার নির্দেশনা এবং পরিকল্পনায় আমরা সফল হতে পেরেছি।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খুরশিদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধিনতা চিকিৎসা পরিষদের (স্বাচিপ) সদস্যারা, (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

আরও পড়ুন:
১০ দিন পর করোনায় আবার মৃত্যু
করোনা শনাক্ত কমে ৪৮
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৫৪
সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি ১০০, বেসরকারিতে ৩০০
আ.লীগের লাঠি উঠলে বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
3 more deaths in dengue after a day without death

মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু

মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু ফাইল ছবি
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৫৩ ও ঢাকার বাইরে ১৮৩ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৮২৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ৬৭ ও ঢাকার বাইরে ৭৬০ জন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৩৬ জন। এ সময় ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার এ হিসাব জানানো হয়েছে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবশেষ তিনজনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৫০ জনের মৃত্যু হলো।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৫৩ ও ঢাকার বাইরে ১৮৩ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৮২৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ৬৭ ও ঢাকার বাইরে ৭৬০ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬ হাজার ৯৩২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৬ হাজার ২৬৮ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে ২০ হাজার ৬৬৪ জন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬জন, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ।

এদিকে নভেম্বরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮ হাজার ৯০৮ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৮৫৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৫ হাজার ৫০ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ৮০৫ জন।

আরও পড়ুন:
মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি!
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬
ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Testimony against the former DG of Health withheld

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য পেছাল

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য পেছাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
আবুল কালাম আজাদ, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ ছয়জনের নামে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে। আসামি কারারুদ্ধ সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এ জন্য আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন তারিখ ঠিক করে।

অর্থ আত্মসাতের মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৪ ডিসেম্বর নতুন তারিখ দিয়েছে আদালত।

সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ঠিক ছিল। তবে এদিন মামলার আসামি কারাগারে থাকা সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এ জন্য আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন তারিখ ঠিক করে।

এর আগে গত ১২ জুন বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এই মামলা করেন।

মামলায় হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এতে আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা না হলেও তদন্তে নাম আসায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয় অভিযোগপত্রে।

২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আবুল কালাম আজাদ, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয়জনের নামে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে। একই সঙ্গে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ বদলির আদেশ দেয়া হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন করোনা রোগীর নমুনা বিনা মূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেন।

অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেয়া হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ পেছাল
স্বাস্থ্যের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে আহমেদুল কবির
জামিনের মেয়াদ বাড়ল স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Dengue death free days detected 366

ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬

ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২১০ ও ঢাকার বাইরে ১৫৬ জন রোগী আছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৮৩৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬৬ জন। এ সময় ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতি অনুযায়ী, সোমবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২১০ ও ঢাকার বাইরে ১৫৬ জন রোগী আছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৮৩৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ৮৪ ও ঢাকার বাইরে ৭৫৩ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬ হাজার ৪৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬ হাজার ১৫ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৪৮১ জন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা বছরের মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ।

এদিকে নভেম্বরের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮ হাজার ৪৭২ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৪১২ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ৭৮১ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ৬৩১ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫
ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
3 deaths in dengue 523 people

ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন

ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৭৭ ও ঢাকার বাইরে ২৪৬ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫২৩ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব জানানো হয়।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৭৭ ও ঢাকার বাইরে ২৪৬ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১২৯ ও ঢাকার বাইরে ৮০০ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬ হাজার ১৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ৮০৫ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশের হাসপাতালে ২০ হাজার ৩২৫ জন রোগী ভর্তি হন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ। আর নভেম্বরের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ৩৭৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ২০৮ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ১৬৭ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
2 more deaths detected in dengue 462

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২ প্রতীকী ছবি
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৪১ ও ঢাকার বাইরে ২৪৯ জন রোগী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১৭১ ও ঢাকার বাইরে ৮১৭ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬২ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব জানানো হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৪১ ও ঢাকার বাইরে ২৪৯ জন রোগী রয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৮৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ১৭১ ও ঢাকার বাইরে ৮১৭ জন।

বছরের শুরু থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৫ হাজার ৬০৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ৫২৮ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশের হাসপাতালে ২০ হাজার ৮৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ। আর নভেম্বরের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ৩৭৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৪ হাজার ২০৮ ও ঢাকার বাইরে ১৯ হাজার ১৬৭ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫
ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Due to lack of radiologists in Lakshnipur hospitals patients suffer from X rays

লক্ষ্ণীপুরের হাসপাতালে এক্স-রে করাতে ভোগান্তি

লক্ষ্ণীপুরের হাসপাতালে এক্স-রে করাতে ভোগান্তি লক্ষ্ণীপুরের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে টেকনিশিয়ান নেই। ছবি: নিউজবাংলা
রায়পুর, রামগতি, কমলনগর ও রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের এক্স-রে মেশিন রয়েছে। তবে রেডিওলজিস্ট নেই। আউটসোসিং টেকনিশিয়ান নিয়ে কোনোমতে এক্স-রে করানো হচ্ছে।

লক্ষ্ণীপুর ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে এক্স-রে মেশিন থাকলেও রেডিওলজিস্ট না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা। সদর হাসপাতালে রেডিওলজিস্ট থাকলেও এক্স-রে রির্পোট নিয়ে রয়েছে নানান প্রশ্ন।

শনিবার সকালে সদর হাসপাতালে ভাঙ্গা হাত নিয়ে এক্স-রে করাতে আসেন মো. ইউসুফ। তিনি বলেন, সকাল ৯টা ১২ টা পর্যন্ত এক্স-রে রুমের সামনে বসে ছিলাম। রেডিওলজিস্ট না থাকায় এক্স-রে করাতে পারিনি। পরে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে করাতে বাধ্য হয়েছি।

রায়পুর, রামগতি, কমলনগর ও রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের এক্স-রে মেশিন রয়েছে। তবে রেডিওলজিস্ট নেই। আউটসোসিং টেকনিশিয়ান নিয়ে কোনোমতে এক্স-রে করানো হচ্ছে। এতে করে সঠিক রিপোর্ট না পাওয়ার কথা বলছেন রোগীরা।

এ কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। এসব বিষয়ে বারবার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর সাথে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটসোসিংয়ে কাজ করা টেকনিশিয়ানের সাথে রয়েছে সখ্যতা। এ কারনে কমিশন নিয়ে সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে না করিয়ে রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ফলে খরচ বাড়ে কয়েকগুন।

জেলা বেসরকারি প্যাথলজি মালিক সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল আলম বাসার জানান, প্রতিদিন হাসপাতালগুলোর বর্হিবিভাগে দেড় থেকে দুই হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ রোগীর এক্স-রে করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে রেডিওলজিস্ট না থাকায় রোগীরা এক্স-রে করাতে আমাদের কাছে চলে আসেন।

সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবির বলেন, প্রতিমাসেই জনবল চেয়ে তালিকা পাঠানো হয়। টেকনিশিয়ান না থাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো অসুবিধা নাই।

আরও পড়ুন:
৭ মাস কোমায় থাকা সাফিয়ার সন্তান প্রসব
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টে কিশোরের মৃত্যু
গর্ভে শিশুর হৃদযন্ত্রে ত্রুটি সারানো কতটা সম্ভব?
লিভার ট্রান্সপ্লান্টের জন্য আর ছুটতে হবে না বিদেশ
চোখ ওঠা রোগের লক্ষণ ও ঘরোয়া চিকিৎসা

মন্তব্য

p
উপরে