× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

স্বাস্থ্য
The post about the monkeypox patient is not the doctors BSMMU
hear-news
player
print-icon

মাঙ্কিপক্স রোগী নিয়ে পোস্টটি চিকিৎসকের নয়: বিএসএমএমইউ

মাঙ্কিপক্স-রোগী-নিয়ে-পোস্টটি-চিকিৎসকের-নয়-বিএসএমএমইউ
সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘সাইবার ক্রাউম ইনভেস্টিগেশের দ্রুত পদক্ষেপে আমরা নোয়াখালীর সেনবাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আসিফ ওয়াহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তবে ডা. আসিফ জানান, এমন কোনো ঘটনা তিনি জানেন না। তিনি এমন পোস্টও করেননি।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মাঙ্কিপক্সের রোগী শনাক্তের গুজব যে ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়েছিল তা ওই চিকিৎসকের ব্যবহৃত আইডি নয় বলে দাবি করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

সোমবার বিকেলে বিএসএমএমইউতে মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওইদিনই বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ জানায়, ডা. আসিফ ও ডা. সরওয়ার জাহান নামে দুই চিকিৎসক নিজেদের আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন যে বিএসএমএমইউতে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ দাবি করে, দুই চিকিৎসক সঠিক তথ্য দেননি। হাসপাতালে এ ধরনের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। এটা গুজব।

দুই চিকিৎসককে চিহ্নিতকরণে তারা কাজ শুরু করেছেন বলেও জানান।

জানা যায়, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আসিফ ওয়াহিদের বরাত দিয়ে ফেসবুকে এমন গুজব ছড়ানো হয়। এরপর বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিষয়টি ছড়িয়ে যায়।

ডা. আসিফ ওয়াহিদ বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের ইউরোলজি বিভাগের চলতি বছরের মার্চে ভর্তিকৃত রেসিডেন্ট।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা খোঁজ নেয়া শুরু করি আসলে কী ঘটেছে। গুজব রোধ এবং গুজব রটনাকারীকে খুঁজে পেতে গণমাধ্যমের কর্মীদের পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনের কাছে মৌখিকভাবে সহযোগিতা চাওয়া হয়।

‘সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনের দ্রুত পদক্ষেপে আমরা নোয়াখালীর সেনবাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আসিফ ওয়াহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তবে ডা. আসিফ জানান, এমন কোনো ঘটনা তিনি জানেন না। তিনি এমন পোস্টও করেননি।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের ডেটাবেসেও মাঙ্কিপক্স রোগী ভর্তির কোনো তথ্য নেই।’

ডা. আসিফ ওয়াহিদের ব্যাপারে শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ডা. আসিফ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের নতুন ভর্তিকৃত রেসিডেন্ট হলেও কোনো ক্লাস করেননি। যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তাকে ট্রেস করতে পারিনি। তিনি ৩৯ তম বিসিএসের স্বাস্থ্য ক্যাডার।’

আর সরওয়ার জাহান নামে আরেক চিকিৎসকের বিষয়ে এখনও জানা যায়নি বলে জানান বিএসএমএমইউ উপাচার্য। জানান, তাকে চিহ্নিতকরণে কাজ চলছে।

মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্তের বিষয়টি গুজব জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, সোমবার বিকেলের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে মাঙ্কিপক্সের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে যে পোস্ট ভাইরাল হয় তা ছিল নিছক গুজব। বিষয়টি প্রথমে আমাদের নজরে আনেন গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল কিছু সাংবাদিক ভাইয়েরা। তাদের এ তথ্যে আমাদের প্রশাসন আরও তৎপর হয়ে পড়ে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে এখনও মাঙ্কিপক্সের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। করোনা মহামারিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে যেমনভাবে বাংলাদেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে দেইনি, সেরকমভাবে আমরা মাঙ্কিপক্স ভাইরাস মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত আছি।

‘যে কোনো ধরনের গুজব বা আতঙ্ক এড়িয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো এই রোগ থেকেও আমরা জাতিকে নিরাপদ রাখতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য রোগেরও মতো করোনাভাইরাস প্রতিকার ও প্রতিরোধ যুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সামনে থেকে কাজ করেছে। মাঙ্কিপক্স নিয়েও আমরা সতর্ক রয়েছি।’

গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এ গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। মূলত গণমাধ্যম কর্মীদের সোচ্চার ভূমিকার কারণে আজ দেশ একটি বড় গুজব প্রতিরোধ করতে পেরেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞ।’

আরও পড়ুন:
মাঙ্কিপক্স নয়, কুষ্টিয়ার মা-ছেলের চর্মরোগ
কোভিড, মাঙ্কিপক্স, যুদ্ধ: বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিশ্ব
কুষ্টিয়ায় এক পরিবারে মাঙ্কিপক্স আতঙ্ক, চিকিৎসকের ধারণা চর্মরোগ
মাঙ্কিপক্স: দেশের সব বন্দরে সতর্কতা
১১ দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ৮০

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Cholera vaccination has started in 600 centers in Dhaka

ঢাকার ৭০০ কেন্দ্রে কলেরার টিকা দেয়া শুরু

ঢাকার ৭০০ কেন্দ্রে কলেরার টিকা দেয়া শুরু ঢাকার ৭০০টি অস্থায়ী কেন্দ্রে কলেরার মুখে খাওয়ার টিকার ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ২৩ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ মুখে খাওয়ার কলেরা টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রাজধানী ঢাকার পাঁচটি এলাকায় ৭০০টি অস্থায়ী কেন্দ্রে রোববার সকাল থেকে কলেরার মুখে খাওয়ার টিকার ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

রোববার বেলা ২টায় রাজধানীর মহাখালীর আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সাসাকাওয়া মিলনায়তনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ২৩ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ মুখে খাওয়ার কলেরা টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব বয়সের মানুষকে ডায়রিয়ার ওর‌্যাল ভ্যাকসিন দেব। ঢাকার সংক্রমণপ্রবণ পাঁচটি এলাকার ২৩ লাখ মানুষকে এই টিকা দেব।

আমরা প্রথমবারের মতো দেশে বড় পরিসরে এই ভ্যাকসিন দিচ্ছি। এর আগে ট্রায়ালে যেসব এলাকায় টিকা দিয়েছি সেখানে কলেরার প্রাদুর্ভাব একদম কমে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একসময় কলেরা-ডায়রিয়ায় হাজার হাজার মানুষ মারা যেত। এখন তা হয় না। এর পেছনে সরকার ও আইসিডিডিআর,বির গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে।

‘সরকার সারা দেশে নিরাপদ পানি ও স্যানিটারির ব্যবস্থা করেছে। সরকার সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। আমরা প্রতিটি জেলা-উপজেলার হাসপাতালে কলেরা-ডায়রিয়া ইউনিট চালুর নির্দেশ দিয়েছি।’

করোনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইদানীং করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। আমরা আতঙ্কিত না হলেও চিন্তিত। তবে সতর্ক অবস্থায় রয়েছি। আমরা বেশি বেশি করোনা পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা দ্বিতীয় ডোজ দেয়া প্রায় শেষ করেছি। আজকের মধ্যে ৭০ শতাংশ নাগরিকের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শেষ হবে।

যারা বুস্টার ডোজ এখনও নেননি তাদের টিকা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বুস্টার ডোজ নেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে রোববার থেকে কলেরা টিকা ক্যাম্পেইন
বিনা মূল্যের টিকা নিতে হচ্ছে টাকা দিয়ে
কলেরার মুখে খাওয়ার টিকা কার্যক্রম শুরু ২৬ জুন

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Cholera vaccination campaign in the capital from Sunday

রাজধানীতে রোববার থেকে কলেরা টিকা ক্যাম্পেইন

রাজধানীতে রোববার থেকে কলেরা টিকা ক্যাম্পেইন আইসিডিডিআর,বি। ফাইল ছবি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গর্ভবতী বাদে এক বছরের বেশি বয়সী শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীদের মুখে খাওয়ার এই টিকা দেওয়া হবে।

ঢাকার পাঁচটি এলাকায় রোববার থেকে কলেরার মুখে খাওয়ার টিকার ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ২৩ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রোববার বেলা ২টায় রাজধানীর মহাখালীর আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সাসাকাওয়া মিলনায়তনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আইসিডিডিআর,বি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় কলেরা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও দক্ষিণখানের প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গর্ভবতী বাদে এক বছরের বেশি বয়সী শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীদের মুখে খাওয়ার এই টিকা দেওয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কলেরা টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। এই টিকাদান কার্যক্রমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে কাজ করবে আইসিডিডিআর,বি।

এ বছর মার্চের মাঝামাঝি সময়ে আইসিডিডিআর,বির কলেরা হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়ায়। এই পরিস্থিতিতে মে মাসে কলেরা টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে টিকা হাতে পেতে দেরি হওয়ায় জুনে এই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। প্রথমে রাজধানীতে শুরু হলেও এই কার্যক্রম ধীরে ধীরে সারা দেশে চালু হবে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Corona Now jump to the death toll

করোনা: এবার মৃত্যুর সংখ্যাতেও লাফ

করোনা: এবার মৃত্যুর সংখ্যাতেও লাফ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এ নিয়ে টানা ১০ দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকল। এই কয়দিনে এক দিনে সর্বোচ্চ একজনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়। সেটি বেড়ে হয়েছে তিন গুণ।

সাড়ে তিন মাস পর করোনাভাইরাসে এক দিনে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত কয়েক দিনে এক দিনে সর্বোচ্চ একজনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল।

গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে শনাক্তের সংখ্যা ও পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার প্রতিদিনই আগের দিনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মধ্যে মৃত্যুর এ সংখ্যাটি জানানো হলো শনিবার।

শুক্রবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর এই সংখ্যা গত ১১ মার্চের পর সর্বোচ্চ। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছিল।

অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আগের দিনের চেয়ে পাঁচ হাজার নমুনা কম পরীক্ষা করা হয়েছে। যে কারণে নতুন রোগীর সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় কিছটা কমে এসেছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ হাজার ৪৯২টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১ হাজার ২৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিবেচনায় রোগী শনাক্তের ১৫ দশমিক শূন্য ৭। গতদিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ। বৃহস্পতিবার এই হার ছিল ১৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। আগের দিন বুধবার ছিল ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এ নিয়ে টানা ১০ দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে।

এই হিসাবে আর চার দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের বেশি হলে দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা যাবে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। একই বছরের মার্চে ডেল্টা ধরনের করোনায় আসে দ্বিতীয় ঢেউ। এ পর্যায়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয় গত জুলাইয়ে। একপর্যায়ে শনাক্তের হার ৩৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর দেশে তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আসে করোনার আরেক ধরন ওমিক্রন। তৃতীয় ঢেউয়ের সময় ২৮ জানুয়ারি করোনা শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ দাঁড়ায়, যা দেশে করোনা সংক্রমণ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। তবে তৃতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত বেশি হলেও মৃত্যু ছিল তুলনামূলক কম। এই ঢেউ দ্রুত নিয়ন্ত্রণেও আসে। গত ১১ মার্চ তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মাস্ক পরা ছাড়া করোনাসংক্রান্ত সব বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হয়। তবে জনগণের মধ্যে মাস্ক পরা নিয়ে অনীহার বিষয়টি আবার দেখা যায়। করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বাড়তে থাকলেও এ বিষয়ে সচেতনতার অভাবের বিষয়টি এখনও স্পষ্ট।

করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে সব সরকারি চাকরিজীবীর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
১১৬ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্তের হার 
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ফাউচি
করোনা বাড়ছে ধীরে ধীরে
করোনা শনাক্ত হার ৩.৫৬%, সাড়ে তিন মাসে সর্বোচ্চ
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত বেড়ে ১২৮

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Extreme indifference to wearing a mask also ebbs in sales

করোনা বাড়লেও মাস্কে অনীহা

করোনা বাড়লেও মাস্কে অনীহা করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলও মানুষের মধ্যে মাস্ক পরায় আগ্রহ নেই। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খুরশীদ আলম বলেন, ‘সংক্রমণের হার এখনও ১৫ শতাংশের নিচে। এটি ২০ শতাংশের বেশি হলে অবশ্যই বিধিনিষেধ দেয়া হবে। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার। অথচ করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরা নিয়ে মানুষের মধ্যে নেই আগ্রহ। অনেকের ধারণা, করোনার টিকা নেয়ার ফলে মাস্ক পরার দরকার নেই। বেশিরভাগ মানুষের এ নিয়ে রয়েছে উদাসীনতাও। একই সঙ্গে মাস্ক পরা নিয়ে মানুষের আগ্রহ কম থাকায় কমেছে মাস্কের বিক্রি।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, মগবাজার ঘুরে মানুষের মাস্ক না পরার এমন প্রবণতার চিত্র দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজারে দেখা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইসতিয়াক মিয়ার সঙ্গে। মুখে মাস্ক নেই কেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মাস্ক পরতে ভুলে গেছি। আর অনেক দিনের অভ্যাস তো, তাই মাঝে মাঝে ভুলে যাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘টিকা তো নিয়েছি, তাই মাস্ক পরা নিয়ে আমার তেমন মাথাব্যাথা নেই।’

একই অবস্থা দেখা গেল হাতিরঝিলে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা আব্দুল মালেকের বেলায়ও। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সবসময়ই মাস্ক পরি। আজ বেড়াতে আসছি তো তাই মাস্ক পরা হয়নি। আর আমি তো তিন ডোজ টিকাও নিয়েছি। তাই মাস্ক পরা নিয়ে তেমন একটা ভাবছি না।’

মাস্ক পরা নিয়ে অবশ্য ভিন্নমত রয়েছে মগবাজারের বাসিন্দা আরমান শেখের। তার দাবি, মাস্ক পরলেও করোনা ঠেকানো যাবে না।

তিনি বলেন, ‘মরণ যখন আসবে তা কেউ ঠেকাতে পারবে না। মাস্ক পরলেই কী করোনা ঠেকানো যাবে? মাস্ক পরে কী হবে? কিছুই হবে না। কপালে যা আছে তাই হবে।’

এ দিকে মাস্ক নিয়ে মানুষের উদাসীনতার বিষয়টির প্রভাব পড়েছে মাস্ক বিক্রির দোকানগুলোতেও। সেখানে আগের মতো মাস্ক বিক্রি হচ্ছে না।

জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের পাইকারি মাস্ক বিক্রেতা সেন্টু বেগ বলেন, ‘যখন করোনা খুব বেড়েছিল তখন দিনে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মাস্ক বিক্রি করতাম, আর এখন তা ৩-৪ হাজারে নেমে এসেছে।’

একই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মগবাজারের মা ফার্মেসির মালিক সবুজ। তিনি বলেন, ‘আগের মতো মাস্ক বিক্রি হচ্ছে না। মানুষ ধারণা করছে, টিকা যেহেতু নেয়া হয়েছে তাই মাস্ক পরার দরকার নেই। আগে ৫০-৬০ বক্স মাস্ক বিক্রি করলেও এখন তা ১০-১৫ বক্সে নেমে এসেছে।’

বিশেজ্ঞরা যা বলছেন

রোগতত্ত্ব, রোগ নির্ণয় ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম আলমগীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা বাড়ছে মানুষের মধ্যে উদাসীনতা চলে আসার জন্য। সারা দেশেই মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। এ ছাড়া জনসমাবেশ ও বিয়ের অনুষ্ঠান বেড়েছে। সেখানে তারা ফেস মাস্ক পরছে না, মানা হচ্ছে না সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব।’

প্রকৃতপক্ষে সংক্রমণ আরও অনেক বেশি বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, ‘প্রতিদিন যে সংক্রমণের হার দেখছেন, প্রকৃতপক্ষে সংক্রমণ আরও বেশি। একজনের শনাক্ত হলে, আরও পাঁচজন শনাক্তহীন হয়ে ঘুরে বেড়ায়।’

ড. আলমগীর বলেন, ‘আগের মতো সবাই মিলে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আশা যায় খুব শিগগিরই সংক্রমণ কমে আসবে।’

করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কমিটির সদস্য ও সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধে অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এর জন্য সরকার থেকে জোরালো নির্দেশনা থাকতে হবে। একইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির সংশ্লিষ্টতাও নিশ্চিত করতে হবে। যাতে জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মানতে আগ্রহী হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘হাসপাতালগুলোতে সবধরনের প্রস্তুতি থাকতে হবে, পর্যাপ্ত অক্সিজেন মজুত রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোভিডের পাশাপাশি রোগীর অন্যান্য ক্লিনিক্যাল অবস্থা মোকাবিলার সক্ষমতা থাকতে হবে। আইসিইউয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখতে হবে। আমরা গত বছরেও দেখেছি, এক হাসপাতালে আইসিইউ না পেয়ে রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে হয়েছে। এবার যেন সে পরিস্থিতিতে না পড়তে হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ‘দীর্ঘদিন করোনা নিয়ন্ত্রণে থাকায় মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে উদাসীনতা দেখা দিয়েছে। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে যা করণীয় সেটি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া চিঠি দিয়ে হাসপাতালগুলো প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে সারা দেশের সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

করোনা সংক্রমণ এখনও নিয়ন্ত্রণে বাইরে যায়নি জানিয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘সংক্রমণের হার এখনও ১৫ শতাংশের নিচে। এটি ২০ শতাংশের বেশি হলে অবশ্যই বিধিনিষেধ দেয়া হবে। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমণ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৮৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন এক হাজার ৬৮৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। যা চার মাসের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্তের সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিন এক হাজার ৯৫১ জন কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছিল। এ নিয়ে এক দিন ছাড়া টানা ২৪ দিন নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে বাড়ল।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিবেচনায় রোগী শনাক্তের ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ। গতকাল এই হার ছিল ১৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। আগের দিন বুধবাব ছিল ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এনিয়ে টানা ৯ দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের উপরে থাকল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে।

নতুন শনাক্তের মধ্যে ১ হাজার ৫১১ জন ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৬২ হাজার ২১৩ জন।

আরও পড়ুন:
করোনার ঊর্ধ্বগতিতে সরকারি চাকুরেদের মাস্ক পরার নির্দেশ
এবার করোনায় আক্রান্ত সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
চোখ রাঙাচ্ছে চতুর্থ ঢেউ, শনাক্ত হার ছাড়াল ১১ শতাংশ
দেশে ওমিক্রনের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত
শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Free vaccinations are paid for

বিনা মূল্যের টিকা নিতে হচ্ছে টাকা দিয়ে

বিনা মূল্যের টিকা নিতে হচ্ছে টাকা দিয়ে উত্তর বাড্ডার নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ইপিআই টিকা নিতে দিতে হচ্ছে টাকা। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সরকারের সরবরাহ করা যেকোনো টিকা নিতে গেলেই ৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। অথচ ইপিআই’র আওতায় কোনো টিকা দিতে টাকা নেয়ার সুযোগ নেই।

সরকারি নিয়ম অনুসারে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় শিশুদের সব টিকা বিনা মূল্যে দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু রাজধানীর উত্তর বাড্ডার নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (বাংলাদেশ হসপিটাল ট্রাস্টের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান) টাকার বিনিময়ে টিকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

উত্তর বাড্ডার এই নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০টি শিশু টিকা নিতে আসে। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকেই আদায় করা হচ্ছে ৫০ টাকা করে।

মূলত নারী-শিশু এবং শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস প্রকল্পের অধীনে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে আছে নারী মৈত্রী সেবা সংস্থা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সিটি করপোরেশন। সপ্তাহে দুদিন রোববার ও বুধবার নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে টিকা দেয়া হয়। শিশুমৃত্যুর হার কমাতে শূন্য থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের ৭টি টিকা নিতে হয়।

৯ মাসের সন্তান আহামেদ জারিফকে টিকা দিতে সোমবার দক্ষিণ বনশ্রী থেকে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেন বেসরকারি চাকরিজীবী আয়েশা বিনতে ইসলাম। এখান থেকে আগেও সন্তানকে চারটি টিকা দিয়েছেন। প্রতিবারই তাকে ৫০ টাকা করে দিতে হয়েছে। একই অভিযোগ করেছেন আরও দশ অভিভাবক।

উত্তর বাড্ডার বাসিন্দা রুম্পা রায় সোমবার স্থানীয় এই নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান টিটেনাসের টিকা নিতে। চার্জ হিসেবে তার কাছেও ৫০ টাকা চাওয়া হয়।

এ সময় রুম্পা প্রশ্ন তোলেন- ‘সরকার এই টিকা সারা দেশে ফ্রিতে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটিও সরকারের নিবন্ধনভুক্ত। এর পরিচালন ব্যয়ও দিচ্ছে সরকার। তাহলে এটা কিসের চার্জ? টাকা নেয়ার রসিদও তো দিচ্ছেন না!’

জবাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, ‘এখানে যেকোনো টিকা নিতে হলেই টাকা দিতে হবে। সবার কাছ থেকেই নেয়া হচ্ছে। তবে এটা টিকার দাম নয়, সার্ভিস চার্জ। আমাদের এখানে চারজন চিকিৎসক ও চারজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। কেন্দ্র পরিচালনা ব্যয়ও বলতে পারেন।’

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইপিআই-এর আওতায় শিশুদের সব টিকাই এই কেন্দ্রে পাওয়া যায়। সরকারি টিকাগুলো ফ্রি দেয়া হয়। এজন্য সরকার থেকে আমরা কিছু অর্থ পাই। তবে সার্ভিস চার্জ বাবদ ৫০ টাকা নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের চার্জ হিসেবে এটা নেয়া হয়। এই টাকা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যয় করা হয়।

‘বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নারী মৈত্রী থেকে ইপিআইয়ের সব টিকা আনা হয়। তাদের কাছে খোঁজ নিলে টাকা নেয়ার কারণ সম্পর্কে পরিষ্কার জানতে পারবেন।’

কবে থেকে টিকা দিয়ে চার্জ নেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ ৫০ টাকা সার্ভিস চার্জ নেয়ার নির্দেশ দেয়ায় এটা নেয়া হচ্ছে।’ তবে নির্দেশনার চিঠি বা প্রজ্ঞাপন চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি।

নারী মৈত্রী সংস্থার পরিচালক আকরামুল হোসাইন বলেন, ‘ইপিআইয়ের আওতাভুক্ত সব টিকা বিনামূল্যে দেয়ার নিয়ম। তারপরও কেউ টাকা নিলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ইপিআই টিকা ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘সারা দেশে এই টিকা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। বিনামূল্যের টিকা নিতে টাকা দিতে হচ্ছে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে এখনও আসেনি। আসলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যকর্মীর অনুপস্থিতিতে টিকা দিলেন ‘আনসার সদস্য’
টিকার দাম দিয়ে খরচের হিসাব হবে না: প্রধানমন্ত্রী
৪০ হাজার কোটি নয়, টিকার ব্যয় এর অর্ধেক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
টিকা তৈরি শিখতে বিদেশে যাচ্ছেন ২০ বিশেষজ্ঞ
টিকায় ‘বাড়তি ব্যয়’ নিয়ে টিআইবির দাবি অনুমাননির্ভর

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
91 percent of the subtypes of Omicron identified in the country are BA2

দেশে শনাক্ত ওমিক্রনের উপ-ধরনের ৯১ শতাংশ বিএ.২

দেশে শনাক্ত ওমিক্রনের উপ-ধরনের ৯১ শতাংশ বিএ.২
‘সার্স-সিওভি-২ ভ্যারিয়েন্টস ইন বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ব্রিফিং রিপোর্ট: মে ২০২২’ শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মে মাসের ১ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত দেশে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ওমিক্রনের ৯ শতাংশ বিএ.৫ এবং ৯১ শতাংশ বিএ.২ উপ-ধরন পাওয়া গেছে।

দেশে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ওমিক্রনের ৯১ শতাংশই বিএ.২ উপ-ধরন (সাব-ভ্যারিয়েন্ট) পাওয়া গেছে। বাকি ৯ শতাংশ বিএ.৫ উপ-ধরন। মে মাসে দেশে ওমিক্রনের নতুন উপ-ধরনে বিএ.২-এর প্রাধান্য দেখা গেছে।

‘সার্স-সিওভি-২ ভ্যারিয়েন্টস ইন বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ব্রিফিং রিপোর্ট: মে ২০২২’ শীর্ষক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, মে মাসের ১ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত দেশে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ওমিক্রনের ৯ শতাংশ বিএ.৫ ও ৯১ শতাংশ বিএ.২ উপ-ধরন পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনটি যৌথভাবে তৈরি করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি), ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইডেশি), চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ) এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

ওমিক্রনের এই দুটি উপ-ধরন জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয়। মে মাসের শেষের দিকে এটি দক্ষিণ ভারতে শনাক্ত হয়। উপ-ধরনটি দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা সংক্রমণের পঞ্চম ঢেউ এবং সম্প্রতি ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য দায়ী বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। ভ্যাকসিন নেয়া ব্যক্তিরাও করোনার এই উপ-ধরনে আক্রান্ত হচ্ছেন।

আগামী দিনে এটি সংক্রমণশীল অন্যান্য উপ-ধরনের তুলনায় বেশি সংক্রমণ ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিশ্বজুড়ে করোনার দুটি ধরনকে নজরদারির মধ্যে রেখেছে। ২০২১ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে ‘ভ্যারিয়েন্টস অব কনসার্ন’ হিসেবে সবশেষ সংযোজিত হয় ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটি। সংক্রমণের ক্ষমতা, ইমিউনিটি সিস্টেমকে আক্রমণের সক্ষমতা এবং ভ্যাকসিন রেসিস্ট্যান্সের কারণে এটিকে এই তালিকায় রাখা হয়।

সবশেষ ২০ জুন পর্যন্ত দেশে ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়েছে ১২৮০ জনের দেহে।

অন্যদিকে গত মাসের ২৪ তারিখে দেশে প্রথম ওমিক্রনের বিএ.৫ ধরন শনাক্ত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাস জুড়ে দেশে যতগুলো করোনা কেস শনাক্ত হয়েছে তার শতভাগের ক্ষেত্রেই ওমিক্রন দায়ী।

সারা দেশে কোভিড-১৯ এর পজিটিভিটি রেট কমায়, মে মাসে নমুনার পরিমাণ কম ছিল। ফলে কনসোর্টিয়ামটি ১-৩১ এর মধ্যে কেবল ১১টি নমুনার সিকোয়েন্স করতে সক্ষম হয়। নমুনাগুলো ৬টি বিভাগ থেকে সংগ্রহ করা হয়।

আরও পড়ুন:
দেশে প্রবেশে আরটি-পিসিআর টেস্ট লাগবে না
টিকায় বাংলাদেশের পেছনে ভারত-পাকিস্তান
করোনাশূন্য দেশের ১৬ জেলা
ওমিক্রনের পর নতুন ভ্যারিয়েন্টের শঙ্কা
ফেব্রুয়ারির ২২ দিনে আইইডিসিআরের সব নমুনায় ওমিক্রন

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
The indication of the fourth wave left a more clear identification rate of 14

চতুর্থ ঢেউয়ের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট, শনাক্তের হার ছাড়াল ১৪

চতুর্থ ঢেউয়ের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট, শনাক্তের হার ছাড়াল ১৪ পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার কেবল ৫ শতাংশের বেশি নয়, এবার তা ছাড়াল ১৪ শতাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণের আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর প্রতিদিনই তা আগের দিনের হারকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আর ছয় দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের বেশি হলেই করোনার চতুর্থ ঢেউ ছড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা যাবে।

করোনাভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হলো। পরপর আট দিন পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার কেবল ৫ শতাংশের বেশি নয়, এবার তা ছাড়াল ১৪ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর ‍দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। আগের দিন তা ছিল ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর প্রতিদিনই তা আগের দিনের হারকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

আর ছয় দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের বেশি হলেই করোনার চতুর্থ ঢেউ ছড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা যাবে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের এই হার গত প্রায় চার মাসের সর্বোচ্চ। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্তের হারের সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিন এই হার ছিল ১৪ দশমিক ৩২ শতাংশ।

শনাক্তের হারের পাশাপাশি বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ২১৪টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ১ হাজার ৩১৯ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। আগের দিন ৮ হাজার ৫৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ১৩৫ জন করোনা নতুন রোগী পাওয়া যায়।

এ নিয়ে এক দিন ছাড়া টানা ২৩ দিন নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে বাড়ল।

নতুন শনাক্তের মধ্যে ১ হাজার ১৬৩ জন ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৫২৮ জন।

গত এক দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চার দিন একজন করে মৃত্যুর সংবাদ দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে সরকারি হিসাবে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ২৯ হাজার ১৩১ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও ১২৭ জন রোগী। আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ২৩২ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। একই বছরের মার্চে ডেল্টা ধরনের করোনায় আসে দ্বিতীয় ঢেউ। এ পর্যায়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয় গত জুলাইয়ে। একপর্যায়ে শনাক্তের হার ৩৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর দেশে তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আসে করোনার আরেক ধরন ওমিক্রন। তৃতীয় ঢেউয়ের সময় ২৮ জানুয়ারি করোনা শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ দাঁড়ায়, যা দেশে করোনা সংক্রমণ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। তবে তৃতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত বেশি হলেও মৃত্যু ছিল তুলনামূলক কম। এই ঢেউ দ্রুত নিয়ন্ত্রণেও আসে। গত ১১ মার্চ তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মাস্ক পরা ছাড়া করোনাসংক্রান্ত সব বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হয়। তবে জনগণের মধ্যে মাস্ক পরা নিয়ে অনীহার বিষয়টি আবার দেখা যায়। করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বাড়তে থাকলেও এ বিষয়ে সচেতনতার অভাবের বিষয়টি এখনও স্পষ্ট।

করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে সব সরকারি চাকরিজীবীর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
করোনা: ফের গণসংক্রমণ শুরুর শঙ্কা
করোনার ঊর্ধ্বগতিতে সরকারি চাকুরেদের মাস্ক পরার নির্দেশ
এবার করোনায় আক্রান্ত সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
চোখ রাঙাচ্ছে চতুর্থ ঢেউ, শনাক্ত হার ছাড়াল ১১ শতাংশ
দেশে ওমিক্রনের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

মন্তব্য

p
উপরে