এসএমএস ছাড়াই অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকা

এসএমএস ছাড়াই অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকা

এসএমএস ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়া যাবে। ফাইল ছবি

মিজানুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে যারা দীর্ঘদিন অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের দ্রুততম সময়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়ার জন্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এসএমএস ছাড়া কেন্দ্রে যোগাযোগ করে টিকা নিতে পারবেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেয়া যাবে এসএমএস ছাড়া। এই টিকার প্রথম ডোজ নেয়ার পর দীর্ঘদিন যারা অপেক্ষা করছেন, তাদের নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) পরিচালক মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মিজানুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে যারা দীর্ঘদিন অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের দ্রুততম সময়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়ার জন্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এসএমএস ছাড়া কেন্দ্রে যোগাযোগ করে টিকা নিতে পারবেন।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আজ একটি নির্দেশনা কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, যারা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে আছেন, তারা নিকটবর্তী কেন্দ্রে যোগাযোগ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করুন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার সংকটের কারণে রোজার ঈদের পর থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। প্রথম ডোজ নেয়ার পর অনিশ্চয়তায় পড়েন ১৪ লাখ মানুষ। এর মধ্যে আরও চার ধরনের টিকার চালান দেশে এসেছে।

তবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার জট খুলছিল না। অনেকের প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর পাঁচ থেকে ছয় মাস পার হয়ে গেছে। শেষে জাপান থেকে চার চালানে ২৪ লাখ টিকা দেশে আসছে। আর ৬ লাখ টিকা আসার কথা রয়েছে জাপান থেকে।

বিশ্বজুড়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে গড়ে তোলা প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিচ্ছে জাপান।

এই টিকা প্রথম দফায় ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে কিনেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সরবরাহ সংকটে যারা প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া যায়নি।

জাপান থেকে আসা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়েই শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া। চুক্তি অনুযায়ী অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা দেশে আসার কথা থাকলেও মাত্র ৭০ লাখ ডোজ দিয়েই টিকা দেয়া বন্ধ করে দেয় ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।

এমনকি এ বছরের শেষে ছাড়া অন্য কোনো দেশকে তারা টিকা দিতে পারবে না বলেও জানিয়ে দেয়।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় ১৪ লাখ মানুষের দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে বিপাকে পড়ে সরকার। তাদের দ্বিতীয় ডোজ শেষ করতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেতে বিভিন্ন দেশকে চিঠি দেয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতকাল পর্যন্ত দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ১৬ হাজার ২২ ডোজ। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নেয়াদের মধ্য পুরুষ ৬৮ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯১ এবং নারী ৪১ লাখ ৫১ হাজার ১৩১ জন।

এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৫১ লাখ ৯০ হাজার ৭৫৯ জন দ্বিতীয় ডোজ এবং ৫৮ লাখ ২৫ হাজার ২৬৩ জন প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় পরীক্ষার জন্য আন্দোলন করেছে। ফাইল ছবি

সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খন্দকার বলেন, ‘নতুন সময় অনুযায়ী কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৩ নভেম্বর এ ভর্তি পরীক্ষা হবে। এরপর ৫ নভেম্বর বাণিজ্য ইউনিট ও ৬ নভেম্বর বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের স্নাতক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

সোমবার সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খন্দকার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘নতুন সময় অনুযায়ী কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৩ নভেম্বর এ ভর্তি পরীক্ষা হবে। এরপর ৫ নভেম্বর বাণিজ্য ইউনিট ও ৬ নভেম্বর বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

যেভাবে মূল্যায়ন হবে

মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থীদের অর্জিত মেধা স্কোরের ক্রমানুসারে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এ জন্য মাধ্যমিক, ও লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ; উচ্চ মাধ্যমিক ও এ লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ করে এই দুইয়ের যোগফল ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ দিয়ে ১২০ নম্বরের মধ্যে মেধা স্কোর নির্ণয় করা হবে। সে অনুযায়ী তৈরি করা হবে মেধাতালিকা।

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজ

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন

গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

কর্ণসূতি গ্রামের মোড়ল শামিম আহম্মেদ জানান, জান্নাতুল ও প্রতিবেশী মিথিলা বাড়ির পাশে খালে ভেলায় করে খেলছিল। একপর্যায়ে তারা দুজনই খালের পানিতে পড়ে যায়। পরে তাদের হাসপাতালে নেয়া হলে জান্নাতুলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরেক শিশু।

উপজেলার কর্ণসূতি গ্রামে সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

৫ বছর বয়সি জান্নাতুল খাতুন ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে।

এ ঘটনায় মিথিলা নামে আরেক শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কর্ণসূতি গ্রামের মোড়ল শামিম আহম্মেদ জানান, কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে শিশু জান্নাতুল তাদের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। জান্নাতুল ও প্রতিবেশী মিথিলা বাড়ির পাশে খালে ভেলায় করে খেলছিল।

একপর্যায়ে তারা দুজনই খালের পানিতে পড়ে যায়। মিথিলা ছটফট করতে থাকলে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

মোড়ল শামিম আরও জানান, বাড়ির আশপাশে কোথাও জান্নাতুলকে না পেয়ে খালে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে জাল দিয়ে খুঁজতে খুঁজতে পানির নিচ থেকে জান্নাতুলকে উদ্ধার করা হয়।

পরে দুজনকে হাসপাতালে নেয়া হলে জান্নাতুলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত মিথিলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন

দালাল চক্রের ৩ সদস‍্যকে জরিমানা

দালাল চক্রের ৩ সদস‍্যকে জরিমানা

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের তিন সদস‍্যকে জরিমানা করেছে ভ্রাম‍্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাহী ম‍্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম জানান, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে একটি দালাল চক্র রোগীদের ভুল তথ‍্য দিয়ে ব‍্যক্তিমালিকানাধীন বেসরকারি ক্লিনিক ও বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করে আসছিল।

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের তিন সদস‍্যকে জরিমানা করেছে ভ্রাম‍্যমাণ আদালত।

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন, শাজাহান আলী, বাকের আলী এবং সোহাগ হোসেন।

নির্বাহী ম‍্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম জানান, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের একটি দালাল চক্র রোগীদের ভুল তথ‍্য দিয়ে ব‍্যক্তিমালিকানাধীন বেসরকারি ক্লিনিক ও বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করে আসছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বেলা ২টার দিকে ওই হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে তিন দালালকে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ সময় কয়েকজনকে মুচলেকা দিয়ে এমন অপরাধ না করার শর্তে ছেড়ে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক পীর আর নেই

সুনামগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক পীর আর নেই

সুনামগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক পীর মারা গেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

একজন প্রতিবাদী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি জেলাব্যাপী শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তিনি এরশাদ সরকারের সময় চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মিছিল করে গ্রেপ্তার হন।

সুনামগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সদস্যসচিব মারা গেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হোসেন পীর সোমবার বেলা পৌনে ১২টায় মারা যান। এ সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী তেঘরিয়া পীর বাড়ির ছয় সন্তানের মধ্যে সবার বড় মালেক হোসেন পীর। ১৯৭১ সালে দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বাড়ি থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তিনি।

যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে তিনি অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পাশাপাশি সামাজিক নানা আন্দোলনেও যুক্ত ছিলেন।

জেলাব্যাপী একজন প্রতিবাদী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তিনি এরশাদ সরকারের সময় চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মিছিল করে গ্রেপ্তার হন।

জেলা আওয়ামী লীগের দুই বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল হুদু মুকুট, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন

সমাজের অসংগতি তুলে ধরাই সাংবাদিকদের কাজ: হাইকোর্ট

সমাজের অসংগতি তুলে ধরাই সাংবাদিকদের কাজ: হাইকোর্ট

বিচারক আবু তাহের বলেন, ‘পত্রিকা একটি তথ্য দিয়েছে। পথ দেখিয়েছে। সমাজে কী কী অসংগতি হয় সেগুলো তুলে ধরাই সাংবাদিকদের কাজ। তাই বলে পত্রিকা একটা লাইন লিখলেই সেটা ধরে কিছুকে অবৈধ ঘোষণা করতে হবে, ব্যাপারটি এমন নয়। এ ধরনের ইস্যু নিয়ে কম করে হলেও তিন-চার মাস ধরে কাজ করা উচিত।’

সমাজের কোনায় কোনায় যে অন্যায় ও অসংগতি রয়েছে সেগুলো তুলে ধরাই সাংবাদিকদের কাজ। তাদের কারণে চারপাশে ঘটে যাওয়া ইস্যু সম্পর্কে আমরা জানতে পারি।

বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে সোমবার এসব মন্তব্য করা হয়।

সারা দেশে চড়া সুদে ঋণদাতা মহাজনদের চিহ্নিত করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি শেষে রায়ের সময় এসব মন্তব্য উঠে আসে।

আদালতের এক আদেশে দেশের অননুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্র ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড তদন্ত করতে বিশেষ কমিটি গঠনে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

আদালত চড়া সুদে ঋণদানকারী স্থানীয় মহাজনদের তালিকা দিতে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে নির্দেশ দেয়। ৪৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

এ সময় রিটকারী আইনজীবী সায়েদুল হক সুমনকে সতর্ক করে হাইকোর্ট।

বিচারক আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান আইনজীবী সুমনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ভবিষ্যতে যে ইস্যু নিয়ে আসবেন সেগুলো নিয়ে যথেষ্ট চিন্তা ও গবেষণা করে আসবেন। জাতীয় পত্রিকাগুলো যে বিষয় নিয়ে লেখে হঠাৎ করে সেগুলো নিয়ে আসবেন না।

বিচারক বলেন, পত্রিকা একটি তথ্য দিয়েছে। পথ দেখিয়েছে। সমাজে কী কী অসংগতি হয় সেগুলো তুলে ধরাই গণমাধ্যমকর্মীদের কাজ। তাই বলে পত্রিকাগুলো একটা লাইন লিখে দিলে সেটা ধরেই অবৈধ ঘোষণা করতে হবে, ব্যাপারটি এমন নয়। এ ধরনের ইস্যু নিয়ে কম করে হলেও তিন-চার মাস ধরে কাজ করা উচিত।

তিনি বলেন, ‘গবেষণা করে যথাযথভাবে আবেদনটি করবেন। হুট করে নয়, দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে আবেদন করবেন। যেন আমরা আদেশ দিতে পারি।’

গত ২২ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে আজ আদেশ দেয় আদালত। আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

একটি জাতীয় দৈনিকে ‘চড়া সুদে ঋণের জালে কৃষকেরা’ শিরোনামে গত ২৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন রিট করেন। রিটে মহাজনদের উচ্চহারে অনানুষ্ঠানিক ঋণ প্রদান নিষিদ্ধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হয়।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা

ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা।

চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট এবং ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ২ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরীক্ষা হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। আর আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে দেয়া হবে নম্বর।

চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট এবং ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

পরীক্ষা উপলক্ষে সোমবার শিক্ষার্থীদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২। পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কক্ষে আসনে বসতে হবে।

৩। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল ও রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৪। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ এবং সিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

(ক) সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে

সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ, সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

(খ) দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে

দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ। দুপুর ২টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। আর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি (ওএমআর শিট) উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

৫। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবে।

৬। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে দেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৭। ব্যবহারিক সম্বলিত বিষয়ে তাত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর নম্বর প্রদান করে নম্বরসমূহ ০৩/০১/২০২২ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।

৮। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পরে উল্লিখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ করতে পারবে না।

৯। কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ ও প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না, পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

১০। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

১১। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিচার ফোন (স্মার্টফোন ব্যতীত) ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়া পরীক্ষার হলে অন্য কেউ ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন

আর ধোঁকা খেতে রাজি নই, প্রধানমন্ত্রীকে সাকি

আর ধোঁকা খেতে রাজি নই, প্রধানমন্ত্রীকে সাকি

সাকি বলেন, ‘প্রয়োজনে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। তার জন্য সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে তাদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। যারা যারা এখনো গড়িমসি করে রাস্তায় নামছেন না, তাদের রাস্তায় নামাতে হবে।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ছাড়া নির্বাচনে গিয়ে আর ধোঁকা খেতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

রংপুরের সুমি কমিউনিটি হলরুমে সোমবার দুপুরে দলটির ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সাকি বলেন, ‘আপনি বলেছিলেন সুষ্ঠু নির্বাচন দেবেন কিন্তু কথা রাখেন নাই। কথা না রেখে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। কাজেই আপনার কথায় আর কেউ বিশ্বাস করে না। বাংলার মানুষ আপনার পদত্যাগ চায়।’

তিনি বলেন, ‘গত নির্বাচনে আপনাকে সম্মান দিয়ে আমরা রাজনৈতিক দলগুলো আপনার ডাকে গিয়েছিলাম। ২৯ তারিখ রাতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী দিয়ে, প্রশাসনের লোকজন দিয়ে, নিজেদের গুন্ডাবাহিনী দিয়ে রাতে ব্যালট ছাপিয়ে নিলেন। ব্যালট বাক্স ভরে নিলেন।

‘কোথাও কোথাও ভোটই আছে ১০০ সেখানে পড়েছে, ১১০ বা ১২০টা। এতই অতি উৎসাহী ছিলেন তারা। আমরা জনগণ আর ধোঁকা খেতে রাজি নই। সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা মানুষ দেখেছে।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেশে আরেকটি নির্বাচনের জন্য লড়াইয়ের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। তার জন্য সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে তাদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

‘যারা যারা এখনো গড়িমসি করে রাস্তায় নামছেন না, তাদের রাস্তায় নামাতে হবে। সবাইকে আন্দোলনে নামিয়ে গণঅভ্যুত্থানের পথ সৃষ্টি করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের টিকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
মডার্নার টিকাসহ গ্রেপ্তার ক্লিনিকমালিক রিমান্ডে
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
আসছে না এসএমএস, মিলছে না টিকা  

শেয়ার করুন