৫০০ টাকায় মডার্নার টিকা বিক্রি!

৫০০ টাকায় মডার্নার টিকা বিক্রি!

ক্রেতা সাজিয়ে একজনকে ক্লিনিকে পাঠায় পুলিশ। টিকা পুশ করার আগেই বুধবার রাত ১১টার দিকে ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় বিজয় কৃষ্ণ তালুকদারকে। তার ক্লিনিক থেকে মর্ডানা টিকার একটি ভায়াল (ছোট শিশি) জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার বাসার ফ্রিজ থেকে আরও একটি ভায়াল জব্দ করা হয়।

করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার জন্য সরকার নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে শত শত মানুষ ভিড় করেও একদিনে নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে টিকা পাওয়া যাচ্ছে না।

এই পরিস্থিতে রাজধানীর দক্ষিণখানে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে বসে মর্ডানার টিকা বিক্রি করছিলেন একজন প্যারামেডিক। প্রতি ডোজ টিকার দাম ৫০০ টাকা।

দরিদ্র পরিবার সেবা সংস্থা নামে এই ক্লিনিকের মালিক বিজয় কৃষ্ণ তালুকদার। তিনি ক্লিনিকে বসে অবৈধভাবে করোনাভাইরাসের টিকা বিক্রি করছেন এমন তথ্য পায় দক্ষিণখান থানা পুলিশ।

ক্রেতা সাজিয়ে একজনকে ক্লিনিকে পাঠায় পুলিশ। টিকা পুশ করার আগেই বুধবার রাত ১১টার দিকে ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় বিজয় কৃষ্ণ তালুকদারকে। তার ক্লিনিক থেকে মর্ডানা টিকার একটি ভায়াল (ছোট শিশি) জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার বাসার ফ্রিজ থেকে আরও একটি ভায়াল জব্দ করা হয়।

বিজয় কৃষ্ণ তালুকদারকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং টিকা নিয়েছেন এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, মর্ডানা টিকার প্রতি ডোজ ৫০০ টাকা করে বিক্রি করছিলেন বিজয় কৃষ্ণ।

কীভাবে তিনি টিকা নিয়ে এসেছেন, কে কে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন তা জানতে রিমান্ডে এনে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ।

তবে আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকা আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সাঈদ। একই সঙ্গে আসামির ১০ দিনের রিমান্ড শুনানির দিন আগামী ২৩ আগস্ট ধার্য করেন বিচারক।

প্যারামেডিক বিজয় কৃষ্ণ তালুকদারের কাছে মর্ডানা টিকার দুটি ভায়াল পাওয়া গেলেও এই ভায়ালগুলো রাখার জন্য কাগজের খালি প্যাকেট পাওয়া গেছে অনেক।

এই ক্লিনিক থেকে কতজন মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানতে পারেনি তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের সংশ্লিষ্টরা।

দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক মিয়া বলেন, দুজন ব্যক্তি এই ক্লিনিক থেকে টিকা নিয়েছেন, এই তথ্য নিশ্চিত হতে পেরেছি। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে আরও অনেক মানুষ টিকা নিয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

সরকারের তত্ত্ববধানে সারা দেশে করোনাভাইরাসের টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্ধারিত কেন্দ্রের বাইরে টিকা দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। একটি কেন্দ্রের জন্য যে পরিমাণ ভায়াল দেয়া হয়, সেগুলো শেষ হলে খালি ভায়ালগুলো ফেরত দিয়ে নতুন ভায়াল (ছোট শিশি) নিতে হয়।

এই প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকেও প্যারামেডিক বিজয় কৃষ্ণ তালুকদারের কাছে কীভাবে মর্ডানার টিকা এলো, তা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণখান জোনের অতিরিক্ত উপ কমিশনার ইয়াসিন আরাফাত।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা একটি ভায়ালে অল্প পরিমাণ টিকা পেয়েছি। আরেকটি খালি ছিল। আমরা এগুলো পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠাবো। কীভাবে এই টিকা তার হাতে এল তা তদন্ত করছি।’

বিজয় কৃষ্ণ সরকারে টিকা কার্যাক্রমে উত্তরখান এলাকায় ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। তবে কোন কেন্দ্রে ছিলেন, এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।

কীভাবে বিজয় কৃষ্ণ তালুকদারের কাছে মর্ডানার টিকা গেল তা তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে অধিদপ্তর রিপোর্ট দিবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার মূলে কারা থাকতে পারে সেটি খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশও গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। অধিদপ্তরের কারো সম্পৃক্ততাও থাকতে পারে, সেটি বের করা হবে। যদি তাই হয় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৮১ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

৮১ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি। ফাইল ছবি

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি খুন হন। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হলেও প্রতিবেদন জমা পড়েনি।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আরও একবার পেছাল। এই নিয়ে ৮১ বার পেছাল মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন।

মঙ্গলবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার তারিখ ধার্য ছিল। তবে, বরাবরের মতো এদিনও মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

পরে ঢাকার মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর নতুন তারিখ রাখেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান পরের দিন শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

খুনের ৯ বছরের বেশি সময় পার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সংস্থাটি।

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় আসামি ৮ জন। তারা হলেন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

শেয়ার করুন

পতাকা অবমাননা: বেরোবির শিক্ষকসহ ১৯ জনের বিচার শুরু

পতাকা অবমাননা: বেরোবির শিক্ষকসহ ১৯ জনের বিচার শুরু

বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা বিকৃত করে ছবি তুলে সমালোচিত হয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। ছবি: সংগৃহীত

আসামিপক্ষের আইনজীবী জিহরুল ইসলাম জানান, যেহেতু আসামিরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ছিল। তাই তাদের মামলা থেকে অব্যহতি দিতে, আদালতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত নাকচ করেছে। 

জাতীয় পতাকা বিকৃত করে প্রদর্শন এবং অবমাননার অভিযোগে করা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে আদালত। এর মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

রংপুর মেট্রোপলিটন আমল আদালত-২ এর হাকিম আল-মেহবুব মঙ্গলবার দুপুরে এই আদেশ দেন। এর আগে

আসামিদের মামলা থেকে অব্যহতি দিতে আবেদন করে আইনজীবী জহিরুল আলম।

মামলার আসামিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তাবিউর রহমান প্রধান, গণিত বিভাগের আর এম হাফিজুর রহমান, বাংলা বিভাগের পরিমল চন্দ্র বর্মণ, অর্থনীতি বিভাগের মোরশেদ হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের রশিদুল ইসলাম ও শাহ জামান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের নুর আলম সিদ্দিক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কামরুজ্জামান, মার্কেটিং বিভাগের মাসুদ উল হাসান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সদরুল ইসলাম সরকার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রদীপ কুমার সরকার।

পরিসংখ্যান বিভাগের চার্লস ডারউইন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের রামপ্রসাদ বর্মণ, ভুগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শামীম হোসেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মো. রহমতউল্লাহ, রসায়ন বিভাগের মোস্তফা কাইয়ুম শারাফাত, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সোহাগ আলী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আবু সায়েদ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সেকশন অফিসার শুভঙ্কর চন্দ্র সরকার।

এর আগে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পুলিশের প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছিল পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক হাসনাইন বলেন, আদালত চার্জ গঠন করেছেন। এখন এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী জিহরুল ইসলাম জানান, যেহেতু আসামিরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ছিল। তাই তাদের মামলা থেকে অব্যহতি দিতে, আদালতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত নাকচ করেছে।

গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে বিকৃত নকশার জাতীয় পতাকা নিয়ে ছবি তোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষক কর্মকর্তা। পরদিন ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ এনে মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক মশিউর রহমান ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম। পরে এই অভিযোগ মামলা হিসেবে নেয়া হয়।

শেয়ার করুন

পুলিশ পোশাকে টিকটক, লাইকি, ফেসবুক ভিডিও নয়

পুলিশ পোশাকে টিকটক, লাইকি, ফেসবুক ভিডিও নয়

পুলিশের পোশাক পরে টিকটক, লাইকি, ফেসবুক ভিডিও তৈরিতে বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক করেছে পুলিশ সদরদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

নির্দেশনায় বলা হয়, ‘পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে, অথবা পুলিশ বিষয়ক কোনো পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে (ফেইসবুক) আপলোড করার ক্ষেত্রে অতি সতর্ক থাকতে হবে। পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে টিকটক, লাইকির মতো ভিডিও শেয়ার করা যাবে না।’

পুলিশের পোশাক পরা অবস্থায় টিকটক, লাইকির মতো অ্যাপ ব্যবহার করে ভিডিও বানানো এবং শেয়ার করার ক্ষেত্রে সদস্যদের আবারও সতর্ক করেছে ঢাকা মেট্রো পলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বেতন থেকে বিভিন্ন প্রকার টাকা কাটার বিষয় নিয়েও বিস্তারিত বলা হয়েছে।

সম্প্রতি ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে বিভিন্ন ইউনিটগুলোতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। এর আগেও একাধিকবার সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বাহিনীটির সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছিল।

অন্তত এক সপ্তাহ আগে দেয়া এই নির্দেশনার বিষয়টি তেজগাঁও, রমনা ও লালবাগ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তবে তারা নিজেরা কোনো মন্তব্য না করে মিডিয়া শাখা থেকে বক্তব্য নেয়ার পরামর্শ দেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফেসবুক, টিকটক, লাইকির মতো অ্যাপ ব্যবহারে পুলিশ সদস্যদের আগেও সতর্ক করা হয়েছে। আর বেতন থেকে যে অংশ কাটা হয়, তা পুলিশের কল্যাণেই ব্যয় হয়ে থাকে। কোনোভাবেই সেগুলো অপ্রাসঙ্গিক নয়।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কতিপয় সদস্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করছে। এ ধরনের কার্যকলাপ রোধে পোস্টদাতা চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ‘বিভিন্ন রোল কল, সভা, কল্যাণ সভার মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ ফোর্সদেরকে বুঝিয়ে বলতে হবে। সে নির্দেশিকা অনুযায়ী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফোর্সদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করবেন।

নির্দেশনার শেষে পুলিশের পোশাক পরে ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট আপলোড ও টিকটক, লাইকির বিষয়ে স্পষ্ট করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে অথবা পুলিশ বিষয়ক কোনো পোস্ট সামাজিক মাধ্যম (ফেইসবুক) আপলোড করার ক্ষেত্রে অতি সতর্ক থাকতে হবে। পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে টিকটক, লাইকির মতো ভিডিও শেয়ার করা যাবে না।’

এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বেতর থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে রাখার বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপি থেকে পাঠানো সতর্কবার্তায় ‘বেতন হতে বিভিন্ন প্রকার কর্তন সংক্রান্ত’ একটি বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

যাতে বলা হয়, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত বিভিন্ন পুলিশ সদস্য বেতন হতে বিভিন্ন অংশ কাটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেতিবাচক পোস্ট, কমেন্ট করে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন অনেকেই। বেতন হতে যে অর্থ কাটা হয়, তা সদস্যদের কল্যাণে ব্যয় হয়। অপ্রাসঙ্গিক কোনো কিছু কাটা হয় না।’

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘বর্তমানে কমিউনিটি ব্যাংক দুই বছর অতিক্রম করছে। ব্যাংকটির শেয়ারের জন্য বেতনের যে অংশ কাটা হয়েছিল তা আগামী ১ বছর পর লভ্যাংশে যাবে, কারণ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম তিন বছর কোনো লভ্যাংশ দেয়া যায় না। যারা অবসরে যাবেন তারা আবেদন সাপেক্ষে বিনোয়োগ টাকা উত্তোলন করে শেয়ার প্রত্যাহার করতে পারবেন।’

শেয়ার করুন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য

র‍্যাব বলছে, ৬ সেপ্টেম্বর নিহত নাজমুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান রাসেল ও শামীম। ওই রাতে পরে আশিকও তাদের সঙ্গে চুরির কাজে যোগ দেন। তুরাগে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই নাজমুলের মৃত্যু হয়। পরে তারা নাজমুলকে সেখানে রেখেই পালিয়ে যান।

রাজধানীর তুরাগ এলাকায় বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান মো. নাজমুল নামে এক তরুণ। তার মৃত্যুর কারণ খুঁজতে গিয়ে মেট্রোরেল প্রকল্প থেকে মালামাল চুরির তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে র‌্যাব।

বাহিনীটি বলছে, তুরাগ এলাকা থেকে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন নাজমুল।

মঙ্গলবার সকালে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘নিহত নাজমুল সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য। চক্রটির আরও দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

মোজাম্মেল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর পল্লবীতে অভিযান চালায় র‍্যাব। এ সময় চোরাকারবারি চক্রে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরা হলেন মো. আশিক ও মো. হারুন ।

র‍্যাব জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে চোরাই মালামালসহ একটি পিকআপ ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে নাজমুলের মৃত্যু ও প্রকল্পের মালামাল চুরি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।

র‍্যাব কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এ ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে নিহত নাজমুলের পরিবারের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) থেকে। বৃহস্পতিবার নাজমুল তার মিরপুরের বাসা থেকে কাজের সন্ধানে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন।

‘এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি জিডি করে তার পরিবার। শুক্রবার জানা যায়, তুরাগ এলাকায় একটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরে ওই লাশটি নাজমুলের বলে শনাক্ত করেন তার বাবা। এ ঘটনায় তুরাগ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়। আর এ ঘটনায় র‌্যাবের একটি দল ছায়াতদন্ত শুরু করে।’

র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানিয়েছেন, নিহত নাজমুলসহ তারা রাসেল এবং শামীম নামের আরও দুজনের সঙ্গে মিলে চুরি করতেন।

‘৬ সেপ্টেম্বর রাসেল এবং শামীম নিহত নাজমুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। ওই রাতে পরে আশিকও বরাবরের মতো তাদের সঙ্গে চুরির কাজে যোগ দেন। যদিও সেদিন তাদের সঙ্গে হারুন যোগ দেননি। তুরাগে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই নাজমুলের মৃত্যু হয়। পরে তারা নাজমুলকে সেখানে রেখেই পালিয়ে যান।’

র‍্যাব জানায়, চক্রটি বেশ কিছুদিন ধরে মেট্রোরেলের মালামালসহ অন্যান্য সরকারি কাজের মালামাল এবং বৈদ্যুতিক তার চুরির করছিল। র‌্যাবের অভিযানে আশিক গ্রেপ্তার হলে এর সত্যতা মেলে।

বাহিনীটি বলছে, গ্রেপ্তাররা পল্লবী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প ছাড়াও আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বাড়তি লোহা, ইস্পাত, তার, মেশিন কৌশলে চুরিতে জড়িত।

চুরির কয়েকটি ধাপ

র‌্যাব অধিনায়ক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘চোর চক্রটি মূলত চুরির কাজটি কয়েক ধাপে করে। তারা কৌশলে প্রকল্পের কী মালামাল কোথায় আছে তার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। পরে ওই অনুযায়ী চুরির পরিকল্পনা করে।

‘তারা চুরি করা মালামাল একটি গোপন জায়গায় রাখেন। আরেকটি গ্রুপ চোরাই মালামাল সহজে বহনযোগ্য করার কাজ করেন। পরে এ ধরনের মালামাল কেনেন এমন ক্রেতাদের সঙ্গে প্রথম ধাপের চোরাই দলের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। তাদের সঙ্গে দাম ঠিক করে সেটি বিক্রি হয়।’

তিনি বলেন, ‘এই চোরা চক্রটিসহ এমন আরও কয়েকটি চোর চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্য পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময় জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফাইল ছবি

গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘ভর্তি কমিটির সভায় ক ইউনিটের পরীক্ষা ১৭ অক্টোবর, খ ইউনিটের ২৪ অক্টোবর এবং গ ইউনিটের পরীক্ষা ১ নভেম্বর নেয়া হবে।’

দেশের ২০টি গুচ্ছভুক্ত সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৭ অক্টোবর। পরীক্ষা শেষ হবে ১ নভেম্বর।

ভর্তি কমিটির সভায় মঙ্গলবার এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

ভর্তি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্তের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

তিনি বলেন, ‘ভর্তি কমিটির সভায় ক ইউনিটের পরীক্ষা ১৭ অক্টোবর, খ ইউনিটের ২৪ অক্টোবর এবং গ ইউনিটের পরীক্ষা ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।’

গত ২৫ আগস্ট গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশ করা হয়।

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয় হলো: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া রয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

শেয়ার করুন

শনাক্ত হার পাঁচের নিচে, নিয়ন্ত্রণের পথে দ্বিতীয় ঢেউ

শনাক্ত হার পাঁচের নিচে, নিয়ন্ত্রণের পথে দ্বিতীয় ঢেউ

এর চেয়ে কম শনাক্ত হার ছিল গত ৭ মার্চ। ওই দিন ৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ শনাক্ত হারের খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী, কোনো দেশে শনাক্ত হার টানা দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা হয়। 

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। কমেছে শনাক্ত হার; নেমে এসেছে পাঁচ শতাংশের নিচে, ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মঙ্গলবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত এক দিনে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১ হাজার ৫৬২ জনের দেহে।

দেশে এ পর্যন্ত করোনার শনাক্ত ধরা পড়েছে ১৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ২৭৭ জনের।

এর চেয়ে কম শনাক্ত হার ছিল গত ৭ মার্চ। ওই দিন ৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ শনাক্ত হারের খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী, কোনো দেশে শনাক্ত হার টানা দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা হয়।

বিস্তারিত আসছে....

শেয়ার করুন

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

ভুজপুর থানার ওসি আসহাব উদ্দিন জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী চারজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করে। রাতেই প্রধান আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার দুপুরে আসামি মো. আরিফকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরিফ উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের পূর্ব সোনাই এলাকার বাসিন্দা।

ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সোমবার রাতে ওই তরুণী মামলা করেন। এর পরপরই অভিযান চালিয়ে আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর উপজেলার হেঁয়াকো এলাকায় এক বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যান ওই তরুণী। সেখানে স্থানীয় যুবক আরিফের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সোমবার বিকেলে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে দেখা ও পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা বলে ওই তরুণীকে ডেকে নেন। পরে নিজ মোটরসাইকেলে করে তাকে রাবার বাগানে নেয়া হয়। সেখানে তাকে আরিফ ও তার দুই বন্ধু ধর্ষণ করেন।

ওসি আসহাব উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, এ ঘটনায় সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী চারজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। পরে রাতেই আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন জাকির হোসেন, মো. মহিবুল ও নূর মিয়া।

বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।

শেয়ার করুন