অ্যান্টিজেন টেস্ট হবে উপজেলা পর্যায়েও

অ্যান্টিজেন টেস্ট হবে উপজেলা পর্যায়েও

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলাতে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করার ব্যবস্থা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। আমরা যদি সমস্ত আয়োজন করতে পারি তবে এই ব্যবস্থাকে উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। আমরা চেষ্টা করব সেটিকে উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে।’

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা সহজলভ্য করতে উপজেলা পর্যায়েও র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট চালুর পরিকল্পনা চলছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘উপজেলাতে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করার ব্যবস্থা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। আমরা যদি সমস্ত আয়োজন করতে পারি তবে এই ব্যবস্থাকে উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। আমরা চেষ্টা করব সেটিকে উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে।’

কারও শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব আছে কি না, তা দ্রুত সময়ের মধ্যে জানার পদ্ধতি হলো অ্যান্টিজেন টেস্ট। এ পদ্ধতিতে করোনা শনাক্তের জন্য ব্যক্তি বা প্রাণীর নাক বা মুখ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

তবে সারা বিশ্বে করোনা শনাক্তের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন বা আরটি-পিসিআর পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে রিপোর্ট হাতে পেতে অনেকটা সময়সাপেক্ষ।

দেশে করোনা পরীক্ষা কার্যক্রম গতিশীল করতে অ্যান্টিজেন টেস্ট চালুর জন্য বিশেষজ্ঞদের তাগিদের পর গত বছরের অক্টোবর মাসে এই পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেয় সরকার।

এর দুই মাস পর ডিসেম্বর মাসে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয় ১০ জেলায়। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং করোনার ডেল্টা ধরন বাংলাদেশে শনাক্ত হওয়ার পর অ্যান্টিজেন টেস্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়।

করোনারোধী টিকা প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুরুতে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার উপর নির্ভর করে আসছিল সরকার। এই টিকার ৩ কোটি ৪০ লাখ ডোজ পেতে সিরামের সঙ্গে চুক্তিও হয়। কিন্তু দুই ধাপে ৭০ লাখ ডোজ টিকা আসার পর ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় বাকি দিতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় ১৪ লাখ মানুষের দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার। তাদের দ্বিতীয় ডোজ শেষ করতে বিকল্প উৎস থেকে টিকা খোঁজা হচ্ছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেতে বিভিন্ন দেশকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি জাপান থেকে আসে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ ডোজ টিকা। দফায় দফায় ঢাকাকে ৩০ লাখ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ডোজ দেয়ার কতা টোকিওর।

যাদেরকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ এখনও দেখা হয়নি তাদেরকে কবে থেকে এ টিকা দেয়া হবে এমন প্রশ্নে নাজমুল বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ কিছু গোজগাজ করার বিষয় আছে অক্সফোর্ডের টিকা নিয়ে। আশা করছি খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করে দিতে পারব।’

করোনারোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা নিয়ে কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘আমরা শয্যা সংখ্যা বাড়িয়েছি। ফিল্ড লেভেলে হাসপাতাল তৈরির কাজ চলছে। সিটি করপোরেশনের যে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল আছে সেখানেও শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।’

উপজেলা পর্যায়ে আগে বাসা থেকে করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হতো। এটি এখন বন্ধ আছে। তা আবার চালু করা হবে কি না এমন প্রশ্নে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা উপজেলাতে বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহের কাজ আপাতত টেকনিশিয়ান সল্পতার কারণে বন্ধ আছে। এটি দ্রুতই আবার শুরু হবে।’

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ করলো শিশুরা

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ করলো শিশুরা

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু। ছবি: নিউজবাংলা

আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু।

উপজেলার দুই কিলোমিটার সড়কের দুইপাশে শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তালের বীজ রোপণ করে তারা।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আজহারুল করিম শিশুদের সঙ্গে তালের বীজ রোপণের কাজে অংশ নেয়।

এ বিষয়ে আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাল গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে ভূমিকা রাখে। তালের রস ও শাস অতি সুস্বাদু। এর পাশাপাশি ঘরের খুঁটি ও হাতপাখা তৈরিতে তালগাছ ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তালগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তালবীজ রোপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার নামে আরেক মামলা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার নামে আরেক মামলা

ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও সিইও মো. রাসেল। ফাইল ছবি

ধানমন্ডি থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার কামরুল ইসলাম নামে একজন মার্চেন্ট মামলা করেছেন। তিনি ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের পণ্য সরবরাহ করেছেন। কিন্তু ইভ্যালি তার পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি।’

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের নামে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা হয়েছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার কামরুল ইসলাম নামে একজন মার্চেন্ট মামলা করেছেন। তিনি ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের পণ্য সরবরাহ করেছেন। কিন্তু ইভ্যালি তার পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি।’

ইকরাম আলী আরও বলেন, ‘আমরা শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছি। রিমান্ডের আবেদনও করা হয়েছে। গুলশানে রিমান্ড শেষে আমাদেরকে দিবে।’

ধানমন্ডি থানার মামলায় রাসেল, শামীমাসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাত আসামি আছে আরও কয়েকজন।

মামলার নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন সিইও রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন, ভাইস চেয়ারম্যান আকাশ, ম্যানেজার জাহেদুল ইসলাম হেময়, সিনিয়র কী অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার তানভীর আলম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কমার্শিয়াল জাওয়াদুল হক চৌধুরী, হেড অব অ্যাকাউন্ট সেলিম রেজা, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার জুবায়ের আল মাহমুদ, অ্যাকাউন্ট শাখার সোহেল, আকিবুর রহমান তূর্য, পিএস টু সিইও রেজওয়ান, বাইক বিভাগের সাকিব রহমান।

অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ১৫ থেকে ২০ জনকে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক। ওই দিন বিকেলেই রাসেলের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব।

অভিযানে রাসেল ও শামীমাকে আটক করা হয়। পরের দিন গুলশান থানা পুলিশে দুজনকে হস্তান্তর করা হয়। ওই থানা পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে তিন দিনের রিমান্ড দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা, হল ও ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দেয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করাসহ তিন দফা দাবি তুলেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সব সড়ক ঘুরে কাজী নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে তা শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ করেন তারা।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন

ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

প্রতীকী ছবি

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধ চেয়ে গত ১০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী রিটটি করেন। এতে বিবাদী করা হয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে।

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধের নিশ্চয়তা ও ফাঁস হওয়া ঘটনাগুলোর তদন্ত চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদেশের জন্য রেখেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ঠিক করে দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধ চেয়ে গত ১০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী রিটটি করেন।

রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জুন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কোনো জবাব না পাওয়ায় রিট করা হয়।

আড়ি পাতার ঘটনা বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বহুল প্রচারিত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অথচ সর্বজনীন মানবাধিকার সনদপত্র, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব আধুনিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার স্বীকৃত ও সংরক্ষিত।

এমনকি বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ অধিকার সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৮ আগস্ট বিচারপতি মো. শওকত হোসাইন, বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মবিনের বৃহত্তর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে একটি রায় দেয়।

ওই রায়ে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও টেলিফোন সেবা প্রদানকারী কোম্পানিগুলোর দায়িত্ব সর্বাধিক। সংবিধান ও আইন অনুযায়ী ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ তাদের দায়িত্ব। তারা আইনের বিধান ব্যতিরেকে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত যোগাযোগের তথ্য প্রদান করতে পারে না।

মঙ্গলবার রিটকারী ১০ আইনজীবী হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, রেজওয়ানা ফেরদৌস, উত্তম কুমার বনিক, শাহ নাবিলা কাশফী, ফরহাদ আহমেদ সিদ্দীকী, মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), ইমরুল কায়েস ও একরামুল কবির।

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন

সব হাসপাতালে সাপের বিষের প্রতিষেধক সরবরাহের নির্দেশ

সব হাসপাতালে সাপের বিষের প্রতিষেধক সরবরাহের নির্দেশ

দেশে সাপের বিষের প্রতিষেধক তৈরির কাজ অনেকটা এগিয়েছে। ফাইল ছবি

চতুর্থ আন্তর্জাতিক সর্পদংশন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে রোববার ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব হাসপাতালে অ্যন্টিভেনম (সাপের বিষের প্রতিষেধক) সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

দেশে বর্ষা মৌসুমে সাপের ছোবলের ঘটনা বেশি ঘটে। এ সময় সাপে কাটার শিকার বেশি হয় গ্রামের মানুষ। অথচ উপজেলা পর্যায়ে দেশের বেশিরভাগ সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সাপের বিষের প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) নেই।

এমন বাস্তবতায় সব হাসপাতালে অ্যন্টিভেনম সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

চতুর্থ আন্তর্জাতিক সর্পদংশন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে রোববার ভার্চুয়াল এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছর আনুমানিক ছয় লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। আর সাপের কামড়ে মারা যান ছয় হাজার মানুষ।

‘সাপের কামড়ে যেন প্রাণহানি না হয়, সে জন্য উপজেলা পর্যায়সহ সবখানে এন্টিভেনম ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু অ্যান্টিভেনম নিশ্চিত করলেই হবে না, পাশাপাশি প্রশিক্ষিত জনবল থাকতে হবে। মাঝে মাঝে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা, অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলামসহ অনেকেই।

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন

২ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন

২ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন

বাগেরহাট সদর উপজেলার প্লাইউড কারখানায় আগুন লাগে। ছবি: নিউজবাংলা

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক গোলাম সরোয়ার বলেন, ইঞ্জিন রুমে মজুত রাখা তেল থেকে আগুনের সূত্রপাত। এ জন্য আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের বেগ পেতে হয়। সোডিয়াম বাই কার্বনেট ও অ্যালমিনিয়াম সালফেড দিয়ে তৈরি বিশেষ ফোম আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। 

বাগেরহাট সদর উপজেলার প্লাইউড কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

টিকে গ্রুপের এই কারখানার আগুন রোববার দুপুর ১২টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক গোলাম সরোয়ার।

তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বাগেরহাট, খুলনা, মোংলা, মোংলা ইপিজেড, শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জ থেকে ৬টি ইউনিট সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর পর দুই ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ইঞ্জিন রুমে মজুত রাখা তেল থেকে আগুনের সূত্রপাত। এ জন্য আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের বেগ পেতে হয়। সোডিয়াম বাই কার্বনেট ও অ্যালমিনিয়াম সালফেড দিয়ে তৈরি বিশেষ ফোম আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে পরে জানান হবে। ডাম্বিংয়ের কাজ চলছে।

২০০০ সালে যাত্রা করা এই ফ্যাক্টরিতে কাঠ দিয়ে ফাইবোর বোর্ড তৈরি করা হয়।

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন

পুলিশ ইন্সপেক্টর মামুন হত্যা: ফারিয়ার আত্মসমর্পণ

পুলিশ ইন্সপেক্টর মামুন হত্যা: ফারিয়ার আত্মসমর্পণ

প্রতীকী ছবি

এ মামলায় ফারিয়া বিনতে মীমকে গত বছরের ১১ অক্টোবর জামিন দেয় হাইকোর্ট। এরপর কারাগার থেকে মুক্তি মিলে। তবে এ জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তার জামিন স্থগিত করে।

সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে পুলিশের ইন্সপেক্টর মামুন ইমরান খান হত্যা মামলার আসামি ফারিয়া বিনতে মিম ওরফে মাইশা আত্মসমর্পণ করেছেন।

বিচারিক আদালকে আসামি ফারিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে রোববার আপিল বিভাগে জানান তার আইনজীবী শেখ মুশফিক উদ্দিন বখতিয়ার।

পরে প্রধান বিচারপতিসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানির জন্য ২৬ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করে দেয়।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ জুলাই রাতে বনানীর একটি অ্যাপার্টমেন্টে ভিকটিম মামুন ইমরান খানকে ডেকে এনে মারধর করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ১০ জুলাই গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানাধীন উলখোলার বাইরদিয়া রাস্তার পাশের বাঁশের ঝোপে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

ওই ঘটনায় ১০ জুলাই নিহতের ভাই জাহাঙ্গীর আলম খান বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন। একই বছরের ১৮ জুলাই দিনগত রাতে রাজধানীর বাড্ডা ও হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগে রহমত উল্লাহ নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, মামুন ইমরান খান টেলিভিশনের বিভিন্ন ক্রাইম সিরিয়ালেও অভিনয় করতেন। রহমতউল্লাকে তার বাসায় জন্মদিনের দাওয়াত দেন আসামি আফরিন।

রহমতউল্লাহ ওই অনুষ্ঠানে পুলিশ বন্ধু মামুনকেও যাওয়ার অনুরোধ করেন। আর সেই জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়েই খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা মামুন।

এরপর তার মরদেহ গুম করতে বস্তায় ভরে রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কালীগঞ্জের জঙ্গলে পেট্রোল দিয়ে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

ওই বছরের ১০ জুলাই বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে রহমতউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তার দেয়া তথ্যানুযায়ী তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামুন ইমরান খানের গ্রামের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার কলাকুপা এলাকায়। তিনি ২০০৫ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন।

এ মামলায় ফারিয়া বিনতে মীমকে গত বছরের ১১ অক্টোবর জামিন দেয় হাইকোর্ট। এরপর কারাগার থেকে মুক্তি মিলে। তবে এ জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তার জামিন স্থগিত করে।

এই অবস্থায় ২৬ আগস্ট ফারিয়া নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে ওঠে।

আরও পড়ুন:
৩০ মিনিটে মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

শেয়ার করুন