সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপচে পড়া ভিড়

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপচে পড়া ভিড়

হাসপাতালের করোনা পরীক্ষার এলাকা ও আউটডোরগুলোতে গাদাগাদি করে স্লিপ নিচ্ছেন রোগীরা। এতে করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে কয়েক গুণ।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা শনাক্তের পরীক্ষা করতে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টার দাঁড়িয়ে থাকলেও পাচ্ছেন না চিকিৎসক।

দ্বিতীয়বারের জন্য করোনা শনাক্তের পরীক্ষা করানো হচ্ছে না বলেও অভিযোগ রোগীদের।

এ ছাড়া হাসপাতালের করোনা পরীক্ষার এলাকা ও আউটডোরগুলোতে গাদাগাদি করে স্লিপ নিচ্ছেন রোগীরা। এতে করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে কয়েক গুণ।

অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে নিজেদের ভোগান্তির কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন করোনা পরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের অনেকে।

৭ জুলাই ‘আমরা সাভারবাসী’ নামে একটি গ্রুপে পুরো পরিবার করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা জানান এক ব্যক্তি। এ সময় করোনা পরীক্ষা করতে সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানা অনিয়ম ও রোগীদের ভোগান্তির কথা লেখেন ওই গ্রুপে। পরে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা হয় সাভার পৌর এলাকার বাসিন্দা ওই ব্যক্তির।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনিয়ম নিয়ে লেখার বিষয়ে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছিলাম প্রায় এক মাস আগে। আর স্ট্যাটাসটা দিয়েছি অনেক দিন পর। নীতিনির্ধারক যারা আছেন তাদের চোখে যেন বিষয়টা পড়ে।’

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা শনাক্তের পরীক্ষা করাতে সপরিবারে এসেছেন মো. শোয়াইব। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার আম্মা মারা গেছেন হাসপাতালে। তারপর থেকেই আমাদের জ্বর, স্বর্দি, কাশি টুকটাক লেগেই আছেই। এ জন্য এখানে এসেছিলাম করোনা পরীক্ষা করাতে। কিন্তু এখানকার যে পরিস্থিতি আমরা দেখতে পাচ্ছি, এতে করে আমার কোভিড না থাকলেও হয়ে যাবে। আমার সামনে কাশছে একজন। সামাজিক দূরত্ব বলতে কিছু নেই।’

তৈয়বুর রহমান নামের একজন বলেন, ‘১ জুলাই রাজধানীর শান্তিনগরে করোনা শনাক্তের পরীক্ষা করানোর পর আমার পজিটিভ আসে। আমি আজকে এখানে আসছি পরীক্ষা করাতে। এখন ওনারা বলতেছে, জ্বর না থাকলে টেস্ট করা যাবে না। দ্বিতীয়বার এখানে টেস্ট হয় না।’

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপচে পড়া ভিড়

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, ‘সাভার উপজেলায় ৭০ লাখের বেশি মানুষ। এখানে ২ হাজারের বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১২০০ রোগী দেখা হয়। যতটুকু স্বাস্থ্যবিধি মানা দরকার ততটুকু পারছি না। কারণ আমাদের সেই জনবল নেই। আনসার সদস্য থাকলে রোগীরা লাইনে থাকত।’

ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তো চেষ্টা করি। রোগীদের তো কম আসতে বলা যায় না, ফেরতও দেয়া যায় না। তারপরও আমরা চেষ্টা করতেছি।’

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মঙ্গলবার ৮০ লাখ মানুষকে টিকা

মঙ্গলবার ৮০ লাখ মানুষকে টিকা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বর টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। এই ক্যাম্পেইন দেশের ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে হবে। এক দিনে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ এই টিকা ক্যাম্পেইনে কাজ করবেন। একই সঙ্গে ৮০ লাখ মানুষ টিকা পাবেন।’

আরও বেশি মানুষকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনতে ফের বড় পরিসরে টিকা ক্যাম্পেইনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ক্যাম্পেইনে এক দিনে ৮০ লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হবে।

এই টিকা ক্যাম্পেইন আগামী মঙ্গলবার হবে বলে রোববার বিকেলে দেশের করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বর টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। এই ক্যাম্পেইন দেশের ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে হবে। এক দিনে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ এই টিকা ক্যাম্পেইনে কাজ করবেন। একই সঙ্গে ৮০ লাখ মানুষ টিকা পাবেন।’

আরও আসছে…

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন

ফাইজারের ২৫ লাখ টিকা আসছে সোমবার

ফাইজারের ২৫ লাখ টিকা আসছে সোমবার

গত ৩১ মে দেশে পৌঁছায় ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য থেকে ন্যাশনাল এয়ারলাইনসের কার্গো বিমানে ২৫ লাখ ডোজ ফাইজারের টিকা আসছে। এই চালান সোমবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী যুক্তরাষ্ট্র উদ্ভাবিত ফাইজারের টিকার অন্তত ২৫ লাখ ডোজের একটি চালান দেশে আসছে সোমবার।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য থেকে ন্যাশনাল এয়ারলাইনসের কার্গো বিমানে ২৫ লাখ ডোজ ফাইজারের টিকা আসছে। এই চালান সোমবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছাবে।

টিকার এই চালান গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম দফায় ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং দ্বিতীয় দফায় ১০ লাখ ৩ হাজার ৮৬০ ডোজ ফাইজারের টিকা দেশে আসে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, মডার্নার ভ্যাকসিনসহ ক্রয়কৃত ও কোভ্যাক্স ফাসিলিটিজের আওতায় দেশে মোট টিকা এসেছে ৪ কোটি ৯৪ লাখ ২৯ হাজার ৯৪০ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে মোট ২ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৯৮ জনকে; দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭১ জনকে।

চীনের সিনোফার্মের কাছ থেকে ৬ কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে চলতি মাস থেকে প্রতি মাসে ২ কোটি ডোজ করে ভ্যাকসিন দেশে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে আরও সাড়ে ১০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনসহ মোট ২৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ক্রয়ের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুরু টিকাদান ক্যাম্পেইন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুরু টিকাদান ক্যাম্পেইন

গত টিকাদান ক্যাম্পেইনের সময় একটি কেন্দ্রের সামনে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এটি আসলে গণটিকা নয়। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বরে টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

নিউজবাংলাকে রোববার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। ওই সময় যারা করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শেষ হয়।

আগের ক্যাম্পেইনে অগ্রাধিকার দেয়া হয় নারী ও বয়স্কদের। সে ক্যাম্পেইনে ৪৬ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হয়।

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এটি আসলে গণটিকা নয়। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন।’

এর আগে গত রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

তিনি বলেছিলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাসে ২ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যের ডিজি বলেছিলেন, ‘টিকা সরবরাহ এখন বেশ ভালো। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। আমরা সামনের দিনগুলোতে টিকা পাওয়ার উৎসও নিশ্চিত করেছি।

‘এরই ধারবাহিকতায় মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১ কোটি থেকে ২ কোটি টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। সে লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও কী করে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসারণ করা যায়, এ বিষয়ে আমরা সচেষ্ট আছি।’

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন

বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর টেস্ট শুরু মঙ্গলবার

বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর টেস্ট শুরু মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর মেশিনে করোনার পরীক্ষামূলক টেস্ট এরই মধ্যে শুরু হয়েছে জানিয়ে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এটা যদি সাকসেসফুল হয়, আশা করি সাকসেসফুল হবে, তারপর আমরা এয়ারলাইনসগুলোতে অবহিত করব। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে প্রবাসীরা সেখানে পরীক্ষা করাতে পারবেন। কারণ যাত্রার কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে প্রথম টেস্ট করাতে হবে।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগামী মঙ্গলবার থেকে আরটি-পিসিআর মেশিনে করোনাভাইরাস টেস্ট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রোববার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা ও ৬ ঘণ্টা পূর্বে বিমানবন্দরে করোনা টেস্ট করা বাধ্যতামূলক রয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরীক্ষামূলক টেস্ট (টেস্ট রান) কাজ করছে।

‘এটা যদি সাকসেসফুল হয়, আশা করি সাকসেসফুল হবে, তারপর আমরা এয়ারলাইনসগুলোকে অবহিত করব। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে প্রবাসীরা সেখানে পরীক্ষা করাতে পারবেন। কারণ যাত্রার কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে প্রথম টেস্ট করাতে হবে।’

ট্যুরিজম, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মিলে এ বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানান মফিদুর রহমান। বলেন, ‘এয়ারলাইনসগুলোকেও সময় দিতে হবে, টিকিট কাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রস্তুতি নেয়ার জন্য। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যখনই জানাবে তারা টেস্টের জন্য রেডি, দিনে কতজন যাত্রী টেস্ট তারা হ্যান্ডেল করতে পারবে, তখনই আমরা এয়ারলাইনসগুলোকে জানিয়ে দেব।’

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই আমরা এয়ারপোর্টগুলোতে সামাজিক দূরত্বসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি এসব ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন ছিলাম। এ জন্য করোনা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা গেছে। আমাদের এয়ারপোর্ট বিশ্বের অন্যান্য যেকোনো এয়ারপোর্টের চেয়ে তুলনামূলক বেশি প্রস্তুত ছিল।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা পরীক্ষায় বিমানবন্দরে ১২টি আরটি-পিসিআর মেশিন বসবে। সবকিছুই প্রস্তুত। এই ল্যাব বসলে ২৪ ঘণ্টায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা যাবে।

বিমানবন্দরে দ্রুত করোনা টেস্ট করানোর সুযোগ না থাকায় কয়েকটি দেশের শর্ত ছিল আরটি-পিসিআর বসানোর। এ শর্ত দ্রুত কার্যকরের দাবিতে আন্দোলন-বিক্ষোভও করেন প্রবাসীরা। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের প্রায় তিন সপ্তাহ পর বিমানবন্দরে বসছে আরটি-পিসিআর ল্যাব।

এর আগে প্রথমে গত বৃহস্পতিবার ও পরে শনিবার থেকে বিমানবন্দরে আর্টিফিশিয়াল টেস্ট শুরুর কথা থাকলেও তা হয়নি।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে করোনায় আরও ৮ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে করোনায় আরও ৮ জনের মৃত্যু

হাসপাতালের করোনা ইউনিটের সামনে। ছবি: নিউজবাংলা।

ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম বলেন, গত এক দিনে আরও ৩১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২১ হাজার ৮৮৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন করোনায় ও বাকি ৭ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৪ জন নারী ও ৪ জন পুরুষ।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটের (ফোকাল পার্সন) মহিউদ্দিন খান মুন রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা ইউনিটে রোগী ভর্তি আছেন ১১২ জন । এর মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১১ জন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগী ১০ জন। এই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০ জন।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ওয়ান স্টপ ফ্লু কর্নারে সেবা নিয়েছেন ১৫৩ জন ও ৩ জন টেলিমেডিসিন সেবা নিয়েছেন।

ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম বলেন, এক দিনে আরও ৩১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এ পর্যন্ত জেলায় ২১ হাজার ৮৮৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন

করোনা পরীক্ষার ফল জানতে লাগছে ১৪ দিন

করোনা পরীক্ষার ফল জানতে লাগছে ১৪ দিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে করোনার নমুনা পরীক্ষার কিটের অভাব দেখা দিয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দক্ষিণ কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রীর অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে গেলে জানতে পারেন কিট নেই। তাই নমুনা দিয়ে আসেন পিসিআর ল্যাবের জন্য। সেই পরীক্ষার ফল আসে ১৭ সেপ্টেম্বর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে কিট সংকটে প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা। এতে তাৎক্ষণিক করোনা পরীক্ষার ফল জানতে পারছে না রোগীরা।

র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা বন্ধ থাকায় এখন হাসপাতালটিতে শুধু রাজধানীর আরটি-পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষার জন্য নমুনা নেয়া হচ্ছে। সেই পরীক্ষার ফল পেতেই লেগে যাচ্ছে ১৪ দিনের বেশি। অথচ করোনা আক্রান্তের দ্বিতীয় পরীক্ষা করা হয় সাধারণত ১৪ দিন পর।

হাসপাতালের বেশ কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজন জানান, র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে কেউ করোনায় আক্রান্ত কি না, সেটি দ্রুত জানতে পারতেন। তবে ঢাকায় পিসিআর ল্যাবের পাঠানো নমুনার ফল জেলায় আসতে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগছে। কখনও কখনও ১৭ দিনও সময় লেগে যায়।

তারা আরও জানান, উপসর্গ থাকা কেউ করোনায় আক্রান্ত কি না, তা জানতে দীর্ঘ সময় লাগায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। কারণ ফল না জানায় অনেকেই সতর্ক থাকছেন না। হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ থেকে জানা যায়, স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার জন্য প্রথম দফায় ৫০০ কিট, দ্বিতীয় দফায় ৬ হাজার, তৃতীয় দফায় ৪ হাজার এবং চতুর্থ দফায় ২ হাজার কিট পাঠানো হয়।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর হাসপাতালটিতে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হয়। চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে ১১ হাজার ৬৮টি অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতিদিন এখানে ১৫০ থেকে ২০০ রোগীর অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হতো। এক দিনে সর্বোচ্চ ২০৭ জনের অ্যান্টিজেন পরীক্ষাও হয়েছে।

জেলা শহরের দক্ষিণ কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, ‘১২ আগস্ট আমার স্ত্রীর অ্যান্টিজেন পরীক্ষার জন্য নমুনা দিলে তার করোনা পজিটিভ আসে। একই দিন ঢাকার পিসিআর ল্যাবের জন্য নমুনা দিই। গত ২৩ আগস্ট নমুনার ফল পাই। সেটিতেও তার পজিটিভ আসে।

‘তবে গত ২ সেপ্টেম্বর অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে গেলে জানতে পারি কিট নেই। তাই নমুনা দিয়ে আসি পিসিআর ল্যাবের জন্য। সেই পরীক্ষার ফল এসেছে ১৭ সেপ্টেম্বর।’

লিজা নামের এক নারী বলেন, ‘আগে আমরা কিছুক্ষণের মধ্যেই অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে পারতাম। এখন সেটি বন্ধ রয়েছে। যদি পিসিআর ল্যাবে পাঠানো নমুনা পরীক্ষার ফল দ্রুত পাওয়া যায়, তাহলে এটি নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হবে না।

‘কিন্তু বিপত্তিটা হলো পিসিআর ল্যাবের ফল পেতে এখন ১০-১৫ দিন সময় লেগে যায়। এতে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত অ্যান্টিজেন পরীক্ষার জন্য কিট সরবরাহের জন্য সরকারসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে অনুরোধ রইল।’


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. এনামুল হাসান জানান, কিট সংকটের কারণে বর্তমানে হাসপাতালে করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। তবে পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।


হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে হাসপাতালে কিট সরবরাহ করা হয়। তবে কিটের বিষয়টি সিভিল সার্জন দেখেন।

সিভিল সার্জন মো. একরামুল্লাহ বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রয়োজন অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক নিজেই কিট নিয়ে আসেন। তা ছাড়া অনেক সময় আমিও নিয়ে আসি। কিছুদিনের মধ্যেই কিট চট্টগ্রাম থেকে আনা হবে। কিট পেলে অ্যান্টিজেন কার্যক্রম আবার শুরু হবে।’

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন

এবার নড়াইলে শিক্ষক-ছাত্রের করোনা

এবার নড়াইলে শিক্ষক-ছাত্রের করোনা

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নুর জাহান জানান, ১৪ সেপ্টেম্বরের পর থেকে তারা দুজন বিদ্যালয়ে আসেননি। বর্তমানে তারা সুস্থ আছেন। বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিদ্যালয়ের বাকি শিক্ষার্থী, শিক্ষক সবাই সুস্থ আছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ঘটনা জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান চলছে।

নড়াইল সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও এক ছাত্রের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি শনিবার নিশ্চিত করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তারা জানিয়েছে, নড়াইল দক্ষিণ-পূর্ব মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সালমা ইয়াসমিনের করোনা শনাক্ত হয় ১৪ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকে তিনি বিদ্যালয়ে আসেননি। তার সঙ্গে বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দেয় এই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র তাহমিদ। সম্পর্কে তারা মা-ছেলে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাহমিদেরও করোনা শনাক্ত হয়।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নুর জাহান জানান, ১৪ সেপ্টেম্বরের পর থেকে তারা দুজন বিদ্যালয়ে আসেননি। বর্তমানে তারা সুস্থ আছেন। বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিদ্যালয়ের বাকি শিক্ষার্থী, শিক্ষক সবাই সুস্থ আছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ঘটনা জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান চলছে।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন নাসিমা আক্তার বলেন, ‘১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে কি না, এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

এর আগে লক্ষ্মীপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীর করোনা শনাক্ত হয়। দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী শুক্রবার রাত ১২টার দিকে মারা যায়।

করোনা উপসর্গ নিয়ে মানিকগঞ্জে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয় বুধবার রাতে।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৮
দুস্থদের এক্স নটরডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের সহায়তা
করোনায় মৃত্যু ২০৩, শনাক্ত ১২১৪৮
পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১ অক্টোবর
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

শেয়ার করুন