এক দিনে রেকর্ড ১৫৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১৫ হাজার

এক দিনে রেকর্ড ১৫৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১৫ হাজার

২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জনের দেহে। মোট শনাক্ত দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জনের শরীরে।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে মোট মৃত্যু ছাড়িয়েছে ১৫ হাজার।

২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জনের দেহে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে রোববার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশে এ পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৬৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৬০৩ ল্যাবে ২৯ হাজার ৮৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। সার্বিক শনাক্ত হার ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।

গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯৭ জন। সুস্থতার হার ৮৮.২৫ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ জন, নারী ৫৭ জন। তাদের মধ্যে বিশোর্ধ্ব ৩, ত্রিশোর্ধ্ব ১১, চল্লিশোর্ধ্ব ২৪, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৪৫ ও ষাটোর্ধ্ব ৭০ জন।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। এরপরই রয়েছে ঢাকা বিভাগ, ৪৬ জন। এ ছাড়া, রাজশাহীতে ১২, চট্টগ্রামে ১৫, বরিশালে ৩, সিলেটে ২, রংপুরে ১৫, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর সংবাদদেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের কথা ঘোষণা করে।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত বছরের ৪ জানুয়ারি থেকেই দেশের বিমানবন্দরসহ সব স্থল ও নৌবন্দরে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু করে। ওই বছরের ৪ মার্চ সমন্বিত করোনা কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়।

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রিমান্ড: হাইকোর্টের নির্দেশনা মানছে বিচারিক আদালত

রিমান্ড: হাইকোর্টের নির্দেশনা মানছে বিচারিক আদালত

মাদক মামলায় গ্রেপ্তারের পর তিন দফা রিমান্ডে নেয়া হয় ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা পরীমনিকে। তাকে আদালতে নেয়ার দৃশ্য। ফাইল ছবি

সন্দেহভাজন হিসেবে যে কাউকে আটক করার ব্যাপারে পুলিশের এক্তিয়ার এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয়া নিয়ে ১৮ বছর আগে কিছু নির্দেশনা দিয়েছিল হাইকোর্ট। এতদিন সেগুলো অনুসরণ করছিলেন না বিচারিক আদালতের বিচারকরা। পরীমনির রিমান্ড শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের তিরস্কারের পর পরিস্থিতি বদলে গেছে।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের দেয়া ১৫ দফা নির্দেশনা ১৮ বছর পর মানতে শুরু করেছে বিচারিক আদালতগুলো। ১৫ সেপ্টেম্বরের পর থেকে আদালতগুলো এসব নিয়ম তাদের আদেশের সঙ্গে যুক্ত করতে শুরু করেছে। এর আগে আসামিদের রিমান্ড আদেশের ক্ষেত্রে এমনটি দেখা যায়নি।

সম্প্রতি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনিকে দেয়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী জেড আই খান পান্না একটি রিট আবেদন করেন। সেটির সূত্র ধরে রিমান্ড সংক্রান্ত পুরনো নির্দেশনার বিষয়টি আবারও উঠে এসেছে।

এসব নিয়মের মধ্যে আছে, আসামিকে রিমান্ডে নেয়ার আগে সরকারি ডাক্তার অথবা মেডিক্যাল বোর্ড দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে এবং রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া রিমান্ড শেষে একইভাবে ওই আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সে প্রতিবেদনসহ আসামিকে আদালতে হাজির করতে হবে। রিমান্ড আদেশকারী সব বিচারিক হাকিম এখন তাদের আদেশের সঙ্গে এসব বাধ্যবাধকতা উল্লেখ করছেন।

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড ট্রাস্টসহ (ব্লাস্ট) কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা রিমান্ড প্রশ্নে হাইকোর্টে ১৫টি নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট করে। এটি করা হয় সন্দেহজনক গ্রেপ্তার সংক্রান্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং রিমান্ড সংক্রান্ত ১৬৭ ধারার অপব্যবহাকে চ্যালেঞ্জ করে।

২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ সংক্রান্ত প্রচলিত আইন সংশোধনের নির্দেশ দেয়। এই নির্দেশনা আপিল বিভাগ স্থগিত করেনি। তবে নির্দেশগুলো মানার ব্যাপারে শিথিলতা দেখা যাচ্ছিল বলে জানান আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়, শুধু আটকাদেশ (ডিটেনশন) দেয়ার জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করতে পারবে না, কাউকে গ্রেপ্তার দেখানোর সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে, গ্রেপ্তারের কারণ একটি পৃথক নথিতে পুলিশকে লিখতে হবে, গ্রেপ্তারকৃতদের শরীরের আঘাতের চিহ্ন থাকলে তার কারণ লিখে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারি সনদ আনবে পুলিশ, গ্রেপ্তারের তিন ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হবে পুলিশকে, বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো স্থান থেকে যদি কাউকে আটক করা হয় তাহলে আটক ব্যক্তির নিকটাত্মীয়কে এক ঘণ্টার মধ্যে টেলিফোন বা বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে হবে।

এ ছাড়া আটক ব্যক্তিকে তার পছন্দসই আইনজীবী ও নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে পরামর্শ করতে দিতে হবে, জিজ্ঞাসাবাদের (রিমান্ড) প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে কারাগারের কাঁচ নির্মিত বিশেষ কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে এবং কক্ষের বাইরে তার আইনজীবী ও নিকটাত্মীয় থাকতে পারবেন। কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া না গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে সর্বোচ্চ তিন দিন পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন এবং এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ থাকতে হবে।

জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ঐ ব্যক্তির ডাক্তারি পরীক্ষা করতে হবে, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে মেডিকেল বোর্ড গঠন করবেন এবং বোর্ড যদি বলে ওই ব্যক্তির ওপর নির্যাতন করা হয়েছে তাহলে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তাকে দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারায় অভিযুক্ত করা হবে, পুলিশ হেফাজতে বা কারাগারে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে, পুলিশ বা কারা হেফাজতে কেউ মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে তা তদন্তের ব্যবস্থা করবেন, মৃত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত করা হবে, ময়নাতদন্তে বা তদন্তে যদি মনে হয়, ওই ব্যক্তি কারা বা পুলিশ হেফাজতে মারা গেছে তা হলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত ব্যক্তির আত্মীয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তা তদন্তের নির্দেশ দেবেন।

১৯৯৮ সালে ডিবি অফিসে হেফাজতে মারা যান ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেল। এর সূত্র ধরেই ব্লাস্ট ওই রিট আবেদন করে। শুনানি শেষে ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল এক রায়ে হাইকোর্ট ছয় মাসের মধ্যে ফৌজদারি আইন সংশোধন করতে সরকারকে ১৫ দফা নির্দেশনা দেয়। ২০১৬ সালের ২৫ মে ওই রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

এই ধারাগুলো সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত রায় ঘোষণার পর থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কর্তৃপক্ষকে ১৫ দফা নির্দেশনা মেনে চলতে নির্দেশ দেয় আদালত।

কিন্তু নিম্ন আদালতের বিচারিক হাকিমরা এতদিন এ নির্দেশনা মেনে তাদের আদেশ দিচ্ছিলেন না। হাকিমরা আদালতে অনেক আদেশ না দিয়ে বলেন, আদেশ পরে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পারভেজ হাসেম বলেন, এসব ক্ষেত্রে ঢালাওভাবে কারো দোষ দিলে চলবে না। যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে কৌসুলি হয়ে আইনজীবীদেরকেও বিষয়টি আদায় করে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট আইনি অবস্থান গ্রহণ করতে চান।

আইনজীবীরা বলছেন, উচ্চ আদালতের দেয়া নির্দেশনা যাতে পালন হয়, সে বিষয়ে আদালতগুলোর অভ্যেস গড়ে তোলারও একটি বিষয় রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন

মা আর নেই, ঢাবি ছাত্র জানলেন অনলাইন পরীক্ষায় বসে

মা আর নেই, ঢাবি ছাত্র জানলেন অনলাইন পরীক্ষায় বসে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা। ফাইল ছবি

অনলাইন পরীক্ষার পরিদর্শক এবং বিভাগের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা নেহরীর খান বলেন, ‘অনলাইন পরীক্ষার ভিতর রাজীব জানায়, সে মায়ের কাছে যাবে। তারপর সে লিভ নিল। পরীক্ষা শেষে আমরা জানতে পারি তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে।’ রাজীবের পরীক্ষার বিষয়ে বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন শরীফ মিয়া ও তার অন্য বন্ধুরা। শরীফ মিয়া জানান, বিভাগ কর্তৃপক্ষ তাদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, পরীক্ষার ফল পেতে রাজীবের কোনও সমস্যা হবে না।

সহপাঠীদের সঙ্গে ভিডিও অন রেখে অনলাইনে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাজীব মোহাম্মদ। পরীক্ষায় থাকা অবস্থায় রাজীব টের পেয়েছেন, মায়ের কিছু হয়েছে। জুম প্লাটফর্মেই কেঁদে ফেলেন রাজীব। দায়িত্বরত শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে পরীক্ষা থেকে বের হবার পর জানলেন, মা আর পৃথিবীতে নেই।

রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, রাজীবের গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায়। সেখানে বসেই সে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শরীফ মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজ সাড়ে ৯টা থেকে আমাদের অনলাইন পরীক্ষা শুরু হয়। আধাঘণ্টা পর রাজীব হঠাৎ ম্যামকে ডাকা শুরু করে। ম্যাম হয়ত কিছুক্ষণের জন্য অনলাইনের বাইরে ছিলেন। এর মধ্যেই হঠাৎ আমরা একটা চিৎকার শুনতে পাই। রাজীব কেঁদে ফেলে। পরে ম্যাম এসে জিজ্ঞাসা করেন, রাজীব, তোমার কী হয়েছে? রাজীব জানায়, ম্যাম আমার আম্মুর কী যেন হয়েছে। আমাকে লিভ নিতে হবে। পরে ম্যাম কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে রাজীবকে বের হওয়ার অনুমতি দেন।’

মা আর নেই, ঢাবি ছাত্র জানলেন অনলাইন পরীক্ষায় বসে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাজীব মোহাম্মদ অনলাইন পরীক্ষায় বসে জানলেন তার মা আর নেই। ছবি: নিউজবাংলা

শরীফ মিয়া বলেন, পরীক্ষা শেষে বের হওয়ার পরে শুনতে পাই রাজীবের আম্মু মারা গেছেন। আসলে এটা কঠিন পরিস্থিতি।

অনলাইন পরীক্ষার পরিদর্শক এবং বিভাগের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা নেহরীর খান বলেন, ‘অনলাইন পরীক্ষার ভিতর রাজীব জানায়, সে মায়ের কাছে যাবে। তারপর সে লিভ নিল। পরীক্ষা শেষে আমরা জানতে পারি তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে।’

রাজীবের পরীক্ষার বিষয়ে বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন শরীফ মিয়া ও তার অন্য বন্ধুরা। শরীফ মিয়া জানান, বিভাগ কর্তৃপক্ষ তাদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, পরীক্ষার ফল পেতে রাজীবের কোনও সমস্যা হবে না।

রাজীবের মায়ের মৃত্যুর পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন রাজীবের অন্য এক সহপাঠী আল আমিন সরকার। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘অনলাইন পরীক্ষা চলছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অতিক্রান্ত হয়েছে এমন অবস্থায়, হঠাৎ কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম। ডিসপ্লেতে তাকিয়ে দেখি বন্ধু রাজীবের চোখে পানি। রাজীব বলতেছে, ম্যাম, ম্যাম....., ম্যাম, আমি কী লিভ নিতে পারি! আমার মায়ের কী যেন হয়েছে।

‘এক মিনিট পর লিভ নেয়ার অনুমতি পেলেন তিনি। এইতো কিছুক্ষণ আগে শুনলাম তার মা আর ইহজগতে নেই! আমরা পরীক্ষা শেষ করে কেবলই একটা ফুরফুরে মেজাজে হাসিখুশিতে মেতে উঠছিলাম আর বন্ধুর জীবনে কত বড় পরীক্ষা হয়ে গেল। মৃত্যু কত নিষ্ঠুর, কখন ডাক আসবে কেউ জানে না। আল্লাহ উনাকে মাগফিরাত দান করে জান্নাত দান করুক এবং আমার বন্ধু ও তার পরিবারকে যেন ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন, আমিন।’

রাজীব মোহাম্মদের মায়ের জানাজা কখন হবে সেটি এখনও জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন

সহায়তার টাকায় ঘুরে দাঁড়াতে চান বুধোই-রাজিয়া দম্পতি

সহায়তার টাকায় ঘুরে দাঁড়াতে চান বুধোই-রাজিয়া দম্পতি

রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র শীল চন্দন জানান, এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের কাছ থেকে রাজিয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে ৫ হাজার টাকা দেন। নাম, পরিচয় প্রকাশ করতে নিষেধ করেন। এমন মহানুভবতার জন্য সবার পক্ষ থেকে সৌমিত্র তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

বুধোই মণ্ডল আর রাজিয়া বেগমের টানাটানির সংসার। স্বামী অন্যের ভ্যান ভাড়া নিয়ে চালান।

দুই ছেলের একজন কিডনি রোগে আক্রান্ত, আরেকজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। আরও একটি ছেলে ছিল তাদের যে মারা গেছে কিডনি রোগে।

অন্যের বাড়িতে কাজ করে কিছু টাকা জমিয়ে রাজিয়া কিনেছিলেন একটি ছাগল। স্বপ্ন ছিল ছাগল পালনের মাধ্যমে সংসারের অভাব কিছুটা কমবেন।

সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল রাজবাড়ীর বালিয়াকন্দির ৫০ বছর বয়সী রাজিয়ার। শনিবার তার ছাগলটি বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাজবাড়ী শহরের এক ব্যক্তি এগিয়ে এসেছেন তাদের পাশে। নাম, পরিচয় গোপন রেখে ভ্যানচালক বুধোই মণ্ডল ও তার স্ত্রীর জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন ৫ হাজার টাকা।

রাজবাড়ী জেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে রোববার দুপুরে তাদের হাতে এই টাকা তুলে দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র শীল চন্দন।

সৌমিত্র নিউজবাংলাকে জানান, ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের কাছ থেকে রাজিয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে ৫ হাজার টাকা দেন। নাম, পরিচয় প্রকাশ করতে নিষেধ করেন। এমন মহানুভবতার জন্য সবার পক্ষ থেকে সৌমিত্র তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

এমন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আর্থিক সহায়তা পেয়ে কেঁদে ফেলেন ওই দম্পতি।

বুধোই জানান, দুই ছেলেকে নিয়ে খুবই কষ্টে তাদের দিন যায়। এ অবস্থায় শনিবার একমাত্র ছাগলটা অসুস্থ হয়ে পড়লে বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে নেয়া হয়।

শনিবার অফিস ছুটির দিন হওয়ায় একজন ডাক্তারকে ফোন দিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেন। ডাক্তার আসতে আসতে তার ছাগলটি মারা যায়।

তিনি জানান, এই টাকা তাদের আবার ভরসা জুগিয়েছে। দ্রুতই তারা ছাগল কিনবেন। যে ব্যক্তি এভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে তার প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন।

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন

কিশোর হত্যা মামলায় দুইজন কারাগারে

কিশোর হত্যা মামলায় দুইজন কারাগারে

প্রতীকী ছবি

ওসি দুলাল বলেন, ‘দীর্ঘসময় জিজ্ঞাসাবাদের পর মহসীন ও ইরিফান খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্যই মূলত শাকিলকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন তারা।’

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এক কিশোর হত্যা মামলায় দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ।

দুই আসামি হলেন উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মহসীন এবং চট্টগ্রাম নগরীর ইতালি কলোনি এলাকার মো. ইরফান।

এর আগে শনিবার বিকেল ৫ টার দিকে উপজেলার বন্দর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ওইদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী সড়কের পাশের ধানক্ষেত থেকে মো. শাকিল নামের ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শাকিল একই উপজেলার শিকলবহা ইউনিয়নের মো. নাজিমের ছেলে।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে কর্ণফুলী থানায় মামলা করে শাকিলের বাবা নাজিম।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুইজনের কাছ থেকে শাকিলের মোবাইল ও অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে।

ওসি দুলাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শনিবার সকালে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধারের পর বিকেলে তার বাবা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

ওসি আরও বলেন, ‘দীর্ঘসময় জিজ্ঞাসাবাদের পর মহসীন ও ইরিফান খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্যই মূলত শাকিলকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন তারা।’

মামলাল এজহার থেকে জানা যায়, শাকিল কর্ণফুলীর পুরাতন ব্রিজঘাট এলাকায় একটি গ্যাসের দোকানে কাজ করত। অতিরিক্ত উপার্জনের জন্য মাঝেমধ্যে রাতে রিকশা চালাত সে।

শুক্রবার বিকেলেও রিকশা নিয়ে বের হয় শাকিল। কিন্তু এরপর তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। রাতে তার মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়।

কর্ণফুলী থানার ওসি দুলাল বলেন, ‘উদ্ধারের সময় শাকিলের গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।’

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে জখম

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে জখম

প্রতীকী ছবি

আহত টিপুর ভাই আকাশ জানান, তার ভাই মাছের আড়তে কাজের পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। সকালে স্থানীয় জুবায়ের, বাদু, শামসুদ্দিন, শাহাবুদ্দিন, দানেশ, শুকুরসহ ৮ থেকে ১০ জন আলাপের কথা বলে টিপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। তারা তাকে মাদক কারবারের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তারা দোলাইরপার কবরস্থান রোড এলাকায় টিপুকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন।

রাজধানীর কদমতলীতে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।

দোলাইরপাড় কবরস্থান রোড এলাকায় রোববার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। অবস্থা সংকটপূর্ণ হওয়ায় আহতকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তার আত্মীয়রা।

আহত যুবকের নাম মোহাম্মদ টিপু। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলায়। দোলাইরপাড় বাজার এলাকায় স্ত্রী শীমলা বেগম ও দুই মাসের ছেলেসন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকেন তিনি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২৬ বছর বয়সী আহত টিপুর ভাই আকাশ জানান, টিপু মাছের আড়তে কাজের পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। সকালে স্থানীয় জুবায়ের, বাদু, শামসুদ্দিন, শাহাবুদ্দিন, দানেশ, শুকুরসহ ৮ থেকে ১০ জন আলাপের কথা বলে টিপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। তারা টিপুকে মাদক কারবারের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তারা দোলাইরপার বাজারের লালমিয়ার গলি কবরস্থান রোড এলাকায় টিপুকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন।

পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

আকাশ আরও বলেন, ‘টিপুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক আমাদের ৪ ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে রাখতে বলেছেন।’

পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। আহত যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসক।

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন

গাভির তিন বাছুর প্রসব

গাভির তিন বাছুর প্রসব

ছ‌বি বেগম ব‌লেন, ‘তিন‌টি বাছুর একসা‌থে প্রসব হই‌ছে শুইনা দেখ‌তে আস‌ছি। দেখ‌ছিও, এমন ঘটনা প্রথমই শুন‌ছি।’

সাধারণত একসঙ্গে একটি বা দুটি বাছুর প্রসবের খবর মেলে। কিন্তু এবার তিনটি বাছুর প্রসব করেছে একটি গাভি। সেই গাভি ও বাছুরগুলোক দেখতে আবার ভিড় করছে উৎসুক মানুষ।

ঘটনাটি ব‌রিশা‌লের বানারীপাড়া উপ‌জেলার। এই উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রা‌মে শা‌হিন হাওলাদা‌রের ডেই‌রি ফার্মে রোববার জন্ম নেয়া তিনটি বাছুরই সুস্থ রয়েছে। সুস্থ আছে গাভিটিও।

শাহিনের ফার্মে গাভি দেখতে এসেছেন মো. জয়নাল। তিনি বলেন, এক‌টি বা দুটি বাছুর প্রসব করার খবর শু‌নি, কিন্তু একসঙ্গে তিন‌টি বাছুর প্রস‌বের কথা প্রথম শুনেছি। তাই দেখ‌তে এ‌সে‌ছি বাছুরগুলোকে।

ছ‌বি বেগম ব‌লেন, ‘তিন‌টি বাছুর একসা‌থে প্রসব হই‌ছে শুইনা দেখ‌তে আস‌ছি। দেখ‌ছিও, এমন ঘটনা প্রথমই শুন‌ছি।’

ফার্মের মা‌লিক শাহিন হাওলাদার ব‌লেন, সকাল ৭টার দিকে আমার ডেইরি ফার্মের একটি গাভি তিনটি বাছুর প্রসব করে। বাছুরগুলো সুস্থ আ‌ছে।

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন

পাঠ্যপুস্তকে ভুল: এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

পাঠ্যপুস্তকে ভুল: এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

আইনজীবী আলী মোস্তাফা খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে ভুল। সেই ভুলের বিষয়ে দায়িত্বহীন আচরণের কারণে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট সে ভুলগুলো সংশোধনে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে।’

পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভুল থাকায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহাকে তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী ১০ নভেম্বর তাকে সশরীরে হাজির হতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন আলী মোস্তাফা খান।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে ভুল। সেই ভুলের বিষয়ে দায়িত্বহীন আচরণের কারণে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট সে ভুলগুলো সংশোধনে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে।’

তার সঙ্গে কারিকুলাম বোর্ডের সদস্যকেও আদালত তলব করেছে। একই দিনে তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মহামারি মোকাবিলায় দরকার সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি দেড় কোটি মানুষ
যশোরে করোনায় এক দিনে মৃত্যু ১৭
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৪৬ মৃত্যু
ভারতে করোনার তৃতীয় ধাক্কা অক্টোবর-নভেম্বরে

শেয়ার করুন