এক দিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮২২

এক দিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮২২

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৮২২ জনের শরীরে। দেশে এ নিয়ে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৫৮ জনের। এর মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৪ হাজার ৫০৩ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের গত ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জনের।

করোনায় এর আগে গত ২৭ জুন এক দিনে সর্বোচ্চ ১১৯ জনের মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৮২২ জনের শরীরে। দেশে এ নিয়ে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৫৮ জনের। এর মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৪ হাজার ৫০৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬৫টি ল্যাবে ৩৫ হাজার ১০৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ১৩। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪ হাজার ৫৫০ জন সুস্থ হয়েছে। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৮ লাখ ১৬ হাজার ২৫০ জন।

সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১১৫ জনের মধ্যে ৭২ পুরুষ ও ৪৩ নারী।

বয়স বিবেচনায় মৃত ১১৫ জনের মধ্যে বিশোর্ধ্ব ৪, ত্রিশোর্ধ্ব ১২, চল্লিশোর্ধ্ব ১৭, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২৫ ও ষাটোর্ধ্ব ৫৭ জন।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। এরপরই রয়েছে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন করে। ঢাকায় ১৭, বরিশালে ২, সিলেটে ৩, রংপুরে ১১ ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ মৃত্যু হয়েছে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের কথা ঘোষণা করে।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত বছরের ৪ জানুয়ারি থেকেই দেশের বিমানবন্দরসহ সব স্থল ও নৌবন্দরে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু করে। ওই বছরের ৪ মার্চ সমন্বিত করোনা কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য