করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কাজী এন্টারপ্রাইজেসের

করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কাজী এন্টারপ্রাইজেসের

কাজী এন্টারপ্রাইজেসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৮ মে এবং ৬ জুন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনে পৌঁছে দেয়া হয় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী।

করোনাভাইরাস মহামারির এই সময়ে দেশে জরুরি সেবা দিয়ে মানুষের জীবন বাঁচানোর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত ফ্রন্টলাইনারদের সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছে কাজী এন্টারপ্রাইজেস।

সোমবার প্রতিষ্ঠানটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘ ২০ বছরের পথচলায় বাংলাদেশের ঘরে ঘরে সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতায় এক অনন্য নাম কাজী এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন পণ্যের মাধ্যমে দেশের মানুষের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা রয়েছে কাজী এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ মে এবং ৬ জুন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনে পৌঁছে দেয়া হয় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পক্ষে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ, ডিএমপির পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) টুটুল চক্রবর্তী এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যবস্থাপক (ইমেজ অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স) সালমান খান ইয়াসিন সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী গ্রহণ করেন।

এ সময় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তারা কাজী এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এভাবেই বেসরকারি খাত দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসবে। এ সময় তারা সবাইকে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে কাজী এন্টারপ্রাইজেস জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী এই মহামারীর সময়ে পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। তাই, বুয়েট টেস্টের মাধ্যমে তাদের পণ্যসামগ্রীর সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের এফএমসিজি খাতে এই প্রথম।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অক্সফোর্ডের টিকা উদ্ভাবকের বারবি

অক্সফোর্ডের টিকা উদ্ভাবকের বারবি

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার গবেষণালব্ধ টিকার নকশাকারী অধ্যাপক সারাহ গিলবার্ট। ছবি: সংগৃহীত

বারবি পুতুলে নারীত্বের অবাস্তব এক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলার জন্য ব্যাপক সমালোচিত খেলনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাটেল। কয়েক বছর ধরেই সমালোচনার জবাব দিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বছর বারবির আদলে অস্ট্রেলিয়ার এক চিকিৎসক আর ব্রাজিলের এক বায়োমেডিক্যাল গবেষকের পুতুলও তৈরি করেছে ম্যাটেল।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার গবেষণালব্ধ টিকার ডিজাইনার সারাহ ক্যাথরিন গিলবার্টের আদলে তৈরি করা হয়েছে একটি বারবি পুতুল।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ৫৯ বছর বয়সী অধ্যাপকের আদলে পুতুলটি তৈরি করেছে বারবি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাটেল।

বিশ্বজুড়ে শিশুদের বিনোদনের জন্য ম্যাটেলের তৈরি বারবি পুতুলে রাজকুমারী বা আধুনিক কেতাদুরস্ত, তথাকথিত দেখতে সুন্দর মুখ আর আকৃতির প্রাধান্য নিয়ে রয়েছে বেশ বিতর্ক।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল আর গণিতে কর্মরত পাঁচ নারীকে সম্মাননা জানানোর সিদ্ধান্ত নেয় ম্যাটেল। তাদেরই একজন ড. গিলবার্ট।

নিজের আদলে বারবি পুতুল দেখে চমকে যাওয়ার কথা জানিয়ে গিলবার্ট বলেন, ‘শুরুতে বিষয়টি অদ্ভূত মনে হয়েছিল। কিন্তু পরে ভাবলাম আমার মতো পুতুল দেখে হয়তো পেশা নিয়ে সচেতন নয়, এমন শিশুরাও সচেতন হবে। টিকা গবেষক বা এমন অন্য পেশায় তারা আগ্রহী হবে।’

ভ্যাকসিনোলজিস্ট বা টিকা গবেষক সারাহ গিলবার্ট ব্রিটিশ রানির জন্মদিন উপলক্ষে দেয়া খেতাব ‘ডেমহুড’ পেয়েছেন।

চীনে করোনার অস্তিত্ব শনাক্তের পর ২০২০ সালের শুরুতেই ভাইরাসটির টিকা উদ্ভাবনের গবেষণায় যোগ দেন ড. গিলবার্ট। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত তার উদ্ভাবিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। ১৭০টির বেশি দেশে কোটি মানুষ নিয়েছেন টিকাটি।

তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের মেয়েদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল আর গণিতভিত্তিক পেশায় আগ্রহী দেখতে চাই। বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞাননির্ভর পেশা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা যদি আমার পুতুল নিয়ে খেলা করা শিশুরা উপলব্ধি করতে পারে, সেটাই যথেষ্ট।’

বারবি পুতুলে নারীত্বের অবাস্তব এক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলার জন্য ব্যাপক সমালোচিত খেলনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাটেল। গত কয়েক বছর ধরেই সমালোচনার জবাব দিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বছর বারবির আদলে অস্ট্রেলিয়ার এক চিকিৎসক আর ব্রাজিলের এক বায়োমেডিক্যাল গবেষকের পুতুলও তৈরি করেছে ম্যাটেল।

এ ছাড়া সম্প্রতি ম্যাটেলের তৈরি করা পুতুলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, চিকিৎসক, নভোচারীসহ নানা পেশায় কর্মরত নারীদের তুলে ধরা হচ্ছে। ১৯৫৯ সালে প্রথম বাজারে আসার পর থেকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত কেবল সোনালি চুলের শ্বেতাঙ্গ পুতুল তৈরি করলেও ইদানীং ভিন্ন রং-বর্ণের মানুষের পুতুলও তৈরি হচ্ছে।

মহামারিকালে ঘরবন্দি জীবনের কারণে শিশুদের খেলনায় ঝোঁক বাড়ায় গত বছর ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি দেখেছে বারবি।

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু বিস্তার রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ নির্দেশনা

ডেঙ্গু বিস্তার রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ নির্দেশনা

ডেঙ্গু ছড়ায় এডিস মশা। ছবি: কবিরুল বাশার

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়, শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন, খোলা জায়গা, মাঠ, ফুলের টব, পানির পাম্প বা পানি জমে এমন পাত্র, ফ্রিজ বা এসির পানি জমার ট্রে, পানির ট্যাপের আশেপাশের জায়গা, বাথরুম, বাথরুমের কমোড, গ্যারেজ, নির্মাণাধীন ভবন, লিফট, সিঁড়ি, পরিত্যাক্ত বস্তু যেসবে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হতে পারে বা দুই দিনের বেশি পানি জমতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা অফিস ও এর আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার করাসহ চার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নির্দেশও দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ জন্য ৪ দফা নির্দেশনা আদেশ জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১. মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ও আশেপাশের খোলা জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

২. শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন, খোলা জায়গা, মাঠ, ফুলের টব, পানির পাম্প বা পানি জমে এমন পাত্র, ফ্রিজ বা এসির পানি জমার ট্রে, পানির ট্যাপের আশেপাশের জায়গা, বাথরুম, বাথরুমের কমোড, গ্যারেজ, নির্মাণাধীন ভবন, লিফট, সিঁড়ি, পরিত্যাক্ত বস্তু যেসবে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হতে পারে বা দুই দিনের বেশি পানি জমতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. শিক্ষকদের অনলাইন ও ভার্চুয়াল ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের করোনা ও ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের অনুরোধ জানাতে হবে।

৪. শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে স্থানীয় প্রশাসন. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় সরকর প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে।

চলতি বছর করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই দেশে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে।

এখন প্রতিদিনই ঢাকায় অন্তত ২০০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

জুলাইয়ে দুই হাজার ২৮৬ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। জুন মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭২। উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হাসপাতাল সুনির্দিষ্ট করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু সন্দেহে চারজনের মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তারে আক্রান্ত হয় ১ লাখের বেশি মানুষ। যাদের মধ্যে মারা যায় ১৭৯ জন। গত বছর সংক্রমণের মাত্রা অনেকটা কম থাকলেও এ বছর পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে।

করোনার মধ্যে ডেঙ্গুর এই বিস্তার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে সরকার। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র এডিস মশা নির্মূলে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। নগরীর বিভিন্ন ভবনে অভিযান চালিয়ে এডিস বিস্তারের পরিবেশ থাকায় জরিমানা করা হয়েছে। সচেতনতা বাড়াতে চলছে প্রচারণা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায় মশার মাধ্যমে। আর অন্য মশার সঙ্গে ডেঙ্গুর ভাইরাসবাহী এডিস মশার পার্থক্য আছে। মূলত এই মশাগুলোর জন্ম হয় আবদ্ধ পরিবেশে। ফলে নাগরিকরা সচেতন না হলে এই রোগ প্রতিরোধ করা কঠিন।

২০১৯ সালে ডেঙ্গু রোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার পর গত বছর সতর্ক অবস্থানে ছিল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তারপরও ২০২০ সালে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ হাজার ৪০৫ জন, যাদের মধ্যে ৬ জন মারা যান।

শেয়ার করুন

খুলনা ও সিলেটে ৫৫ মৃত্যু, সুস্থ ১৩৯৩

খুলনা ও সিলেটে ৫৫ মৃত্যু, সুস্থ ১৩৯৩

ফাইল ছবি

করোনা শনাক্ত হয়ে খুলনা বিভাগে এক দিনে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯০ জন। আর সিলেট বিভাগে এক দিনে করোনায় মারা গেছেন ২০ জন, যা এই বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

করোনা শনাক্ত হয়ে খুলনা বিভাগে এক দিনে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ হিসাব মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক জসিম উদ্দিন হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে আরও ৭৪৫ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মৃত ৩৫ জনের মধ্যে আছেন খুলনার ৯ জন, যশোরের ৭, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার ৬ জন করে, মেহেরপুর ও মাগুরার ৩ জন করে ও ঝিনাইদহের ১ জন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। সে থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৭৬ রোগী। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৫২০ জনের।

সিলেট বিভাগে এক দিনে করোনায় মারা গেছেন ২০ জন, যা এই বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৭১৫ করোনা রোগী; সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩০৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিমাংশু লাল রায় স্বাক্ষরিত করোনার দৈনিক প্রতিবেদন থেকে বুধবার দুপুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

তাতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৭ নতুন রোগী। এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে বিভাগের ৪২ হাজার ৭৩০ জনের। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭৪৮ জনের। এ ছাড়া করোনামুক্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ৯৭৩ জন।

নতুন শনাক্ত হওয়া ৭১৫ জনের মধ্যে ৪১৬ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। এ ছাড়া সুনামগঞ্জ জেলার ৯৭ জন, হবিগঞ্জের ৩৮ জন ও মৌলভীবাজার জেলার ১২৬ জন। এ ছাড়া সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৩৮ জন রোগীর করোনা শনাক্ত হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মারা যাওয়া ২০ জন রোগীর মধ্যে ৯ জন সিলেট জেলার, ৩ জন সুনামগঞ্জ ও ১ জন হবিগঞ্জের। এ ছাড়া সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৭ রোগী করোনায় মারা গেছেন।

শেয়ার করুন

টিকা ছাড়া বাইরে আসা নিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার মন্ত্রীর

টিকা ছাড়া বাইরে আসা নিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার মন্ত্রীর

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ফাইল ছবি

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককেই পর্যায়ক্রমে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে। তবে ‘টিকা নেয়া ছাড়া ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কেউ ১১ আগস্টের পর হতে বাইরে বের হতে পারবে না’ মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মন্ত্রীর যে বক্তব্য প্রচার হচ্ছে ,বক্তব্যের সে অংশটুকু প্রত্যাহার করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

করোনাভাইরাস রোধে সরকারের আরোপ করা লকডাউন শেষে টিকা ছাড়া ১৮ বছরের বেশি বয়সীরা বাইরে আসতে পারবেন না বলে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ফোনে নিউজবাংলাকে বক্তব্য প্রত্যাহারের বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ পরে বক্তব্য প্রত্যাহারের বিষয়টি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান।

তিনি জানান, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককেই পর্যায়ক্রমে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে। তবে ‘টিকা নেয়া ছাড়া ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কেউ ১১ আগস্টের পর হতে বাইরে বের হতে পারবে না’ মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মন্ত্রীর যে বক্তব্য প্রচার হচ্ছে, বক্তব্যের সে অংশটুকু প্রত্যাহার করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

করোনাভাইরাস রোধে সরকারের আরোপ করা লকডাউনের পর ১১ আগস্ট থেকে অফিস খুলে দেয়া হবে। বাস চলাচল করবে, খুলবে দোকানপাট।

প্রায় ১৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে সচিবালয়ে এক সভা হয় মঙ্গলবার। সে সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক।

সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ১১ আগস্টের পর টিকা ছাড়া ১৮ বছরের বেশি বয়সীরা কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারবেন না। গেলে শাস্তি পেতে হবে।

তার এমন বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয়। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তার মন্ত্রণালয় থেকেও মঙ্গলবার জানানো হয়, তারা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বুধবার তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মঙ্গলবার যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নয়।

তিনি বলেন, ‘এমন বক্তব্য কারও ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে, কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত নয়।’

সচিবালয়ে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে আসলে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি যে টিকা ছাড়া ১৮ বছরের বেশি বয়সের কেউ বের হলে অপরাধ হবে। সে ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

এমন বক্তব্য সরকারের সমন্বয়হীনতা কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নাহ, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত সেখানে হয়নি। আমাদের সচিবও সেই বৈঠকে যুক্ত ছিলেন। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি কারও ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে, কিন্তু এই ধরনের সরকারি সিদ্ধান্ত হয়নি।’

মাস্ক পরার ওপর জোর দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি যাতে সবাই মানে সেটির ওপর জোর দেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া ওই বৈঠকে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার বিষয়টিও জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে না বলেও জানিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘মাস্ক না পরলে পরে যাতে ইনস্ট্যান্টলি শাস্তি দেয়া যায়, সে জন্য পুলিশের কাছে এ ধরনের... অবশ্যই বিচারিক ক্ষমতা নয়, পুলিশ যেমন অবৈধ যানবাহনের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে, ট্রাফিক পুলিশ ভায়োলেট করলে সেখান থেকে জরিমানা আদায় করে, সুতরাং সেই ধরনের ইনস্টিটিউট দ্বারা ভ্যালিডেটেড অবশ্যই হতে হবে সেটি আইন আনুযায়ী।’

বিষয়টি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘পুলিশ যাতে জরিমানা করতে পারে, সেটি আইনের মধ্যে থেকে কীভাবে করা যায়, সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। সেটা করা প্রয়োজন বলেও সবাই অভিমত ব্যক্ত করেছে।’

৭ আগস্ট থেকে সরকার ব্যাপক টিকা কার্যক্রমে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১ সপ্তাহে ১৪ হাজার কেন্দ্র থেকে ১ কোটি টিকা দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘তখন কেউ কেউ, আমার ঠিক মনে নেই, এ ধরনের আলোচনা করেছে। টিকা ছাড়া বের হলে... এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

শেয়ার করুন

নিউইয়র্কে বাড়ির বাইরে গেলে থাকতে হবে টিকা সনদ

নিউইয়র্কে বাড়ির বাইরে গেলে থাকতে হবে টিকা সনদ

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা প্রতিরোধী টিকা নেয়ার প্রমাণ হিসেবে বেশিরভাগ মানুষই সিডিসি কর্তৃক সরবরাহকৃত এই ভ্যাকসিন কার্ড পেয়েছেন। ছবি: ইউএসএ টুডে

ধারণা করা হচ্ছে, মাস্ক পরা ও গত বছর ঘরে থাকার নির্দেশনার মতোই সবাইকে করোনার টিকার আওতায় আনার এ প্রচেষ্টা নিয়েও বিরোধিতার মুখে পড়বে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার। এরই মধ্যে আমেরিকান জনগণ, বিশেষ করে রক্ষণশীলদের মধ্যে সরকারের ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ কর্মসূচি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম শহর হিসেবে ‘ভ্যাকসিন পাস’ বা টিকা সনদ চালু করল নিউইয়র্ক। অর্থাৎ বাড়ি থেকে বের হতে হলে নগরবাসীদের সঙ্গে থাকতে হবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নেয়ার প্রমাণপত্র।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশেষ করে যে কোনো রেস্তোরাঁ, জিম ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করার আগে দেখাতে হবে টিকা সনদ।

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও জানান, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে নতুন নিয়ম। কমপক্ষে এক ডোজ টিকা নেয়ার প্রমাণ দেখাতে হবে নগরবাসীকে।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রূপ পরিবর্তিত করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার বাড়তে থাকার মধ্যেই এলো এ ঘোষণা।

গত বছরের মতো এ বছরও সবকিছু বন্ধ রেখে জনগণকে ঘরবন্দি না রাখতে বিকল্প খুঁজছে প্রশাসন। সংক্রমণ বৃদ্ধির বাস্তবতা মাথায় রেখেই চলছে অর্থনীতি সচলের চেষ্টা। তাই টিকা সহজলভ্য হতে থাকায় সবাইকে ডোজ নিয়ে ও মাস্ক পরে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে, ডেল্টার বিস্তারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) নতুন একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এতে উচ্চ সংক্রমিত এলাকাগুলো থেকে বাসিন্দাদের বের হওয়া বন্ধে ৬০ দিনের স্থগিতাদেশ রয়েছে।

যদিও এ ধরনের স্থগিতাদেশ কার্যকরে কংগ্রসকে নতুন আইন পাস করতে হবে বলে চলতি বছরের জুনে এক সিদ্ধান্তে জানায় যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার এবং বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্য হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মীদের জন্য টিকাগ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছে। গুগল, ফেসবুক, টাইসন ফুডসসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও কর্মীদের জন্য একই নীতিমালা নিয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, মাস্ক পরা ও গত বছর ঘরে থাকার নির্দেশনার মতোই সবাইকে করোনার টিকার আওতায় আনার এ প্রচেষ্টা নিয়েও বিরোধিতার মুখে পড়বে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।

এরই মধ্যে আমেরিকান জনগণ, বিশেষ করে রক্ষণশীলদের মধ্যে সরকারের ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ কর্মসূচি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এফডিএ) সেপ্টেম্বরের শুরুতেই ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকায় পূর্ণ অনুমোদন দিতে পারে বলে সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। করোনা প্রতিরোধী সব টিকাই এখন পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে জরুরি অনুমোদন সাপেক্ষে।

শেয়ার করুন

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৫০০ মৃত্যু

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৫০০ মৃত্যু

ফাইল ছবি

ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ৩০০ শয্যার ক‌রোনা ইউ‌নি‌টে বুধবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৯ জন ভ‌র্তি। যার ম‌ধ্যে ১২৪ জনের ক‌রোনা প‌জি‌টিভ। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ইউ‌নি‌টে ৫৩ নতুন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন।

বরিশাল বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা শনাক্ত হয়ে ৬ ও উপসর্গ নিয়ে ১০ জন মারা গেছেন। তারা সবাই বরিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডিক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে চি‌কিৎসা নিচ্ছিলেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ৭৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালে শনাক্তের সংখ্যা ৩৩৭, ভোলায় ১৮২, পটুয়াখালী‌তে ৯৭, পি‌রোজপু‌রে ৪৭, বরগুনায় ৬৪ ও ঝালকা‌ঠি‌তে ৪৬।

ব‌রিশাল বিভা‌গে মোট ক‌রোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ১৪০।

এ‌দি‌কে ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ৩০০ শয্যার ক‌রোনা ইউ‌নি‌টে বুধবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৯ জন ভ‌র্তি। যার ম‌ধ্যে ১২৪ জনের ক‌রোনা প‌জি‌টিভ।

গত ২৪ ঘণ্টায় এ ইউ‌নি‌টে ৫৩ নতুন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন।

শেয়ার করুন

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ২২ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ২২ মৃত্যু

ফাইল ছবি

হাসপাতালের ফোকাল পারসন মহিউদ্দিন খান মুন জানান, বুধবার সকাল পর্যন্ত করোনা ইউনিটে ৫৫৩ জন চিকিৎসাধীন। ভর্তি হওয়া রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আইসিইউতে ভর্তি আছেন ২২ জন।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

মৃতদের মধ্যে ১০ জন করোনা শনাক্ত ও ১২ জনের উপসর্গ ছিল। তাদের মধ্যে ৮ জন নারী ও ১৪ জন পুরুষ।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (ফোকাল পারসন) মহিউদ্দিন খান মুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বুধবার সকাল পর্যন্ত করোনা ইউনিটে ৫৫৩ জন চিকিৎসাধীন। ভর্তি হওয়া রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আইসিইউতে ভর্তি আছেন ২২ জন।

এক দিনে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১০০ রোগী। এ সময়ের মধ্যে ৮৩ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

জেলা সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম জানান, নতুন করে ১ হাজার ৪৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

শেয়ার করুন