কোস্টগার্ড

মোংলায় করোনার সংক্রমণ রোধে জনগণকে কঠোর বিধি নিষেধ মানাতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় মাঠে নেমেছেন কোস্টগার্ড সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

৭ জনে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট, গ্রাম মহল্লায় বিশেষ লকডাউন

নোয়াখালী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ বাড়ায় নতুন নতুন গ্রাম, পাড়া, মহল্লায় কঠোর লকডাউন দেয়া হচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদরে সাতজনের শরীরে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। রোহিঙ্গা-অধ্যুষিত উখিয়া ও টেকনাফের কিছু এলাকায় সংক্রমণ বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে।

গোপালগঞ্জে সাতজনের শরীরে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তাদের বাড়িঘর ঘিরে পুরো এলাকায় বিশেষ লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ বাড়ায় নতুন নতুন পাড়া-মহল্লায় কঠোর লকডাউন দেয়া হচ্ছে।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা-অধ্যুষিত উখিয়া ও টেকনাফের কিছু এলাকায় সংক্রমণ বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। মোংলায় করোনার সংক্রমণ রোধে জনগণকে কঠোর বিধিনিষেধ মানাতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় মাঠে নেমেছেন কোস্টগার্ড সদস্যরা। নিউজবাংলা প্রতিনিধিদের বিস্তারিত খবর-

৭ জনের শরীরের ভারতীয় ভেরিয়েন্ট

গোপালগঞ্জ সদরে করোনায় আক্রান্ত সাতজনের শরীরের ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে।

সদর উপজেলার সাতপাড় ইউনিয়নের তেলিভিটা গ্রামে আরও সাত দিন লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া নতুন করে কালিভিটা গ্রামকে সাত দিনের কঠোর লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন সুজাত আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তেলিভিটা গ্রামের ২৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৫০ জনের করোনা পজিটিভ আসে। এর মধ্য থেকে ১১ জনের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। রিপোর্টে সাতজনের নমুনায় ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। তাদের বাড়ি সাতপাড়ের তেলিভিটা ও কালিভিটা গ্রামে।

তেলিভিটা গ্রামে লকডাউন বাড়ানোর পাশাপাশি কালিভিটা গ্রামকে নতুন করে সাত দিনের কঠোর লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।

এর আগে ২৭ মে তেলিভিটা গ্রামসহ সাতপাড়, সাহাপুর ও বৌলতলী ইউনয়নে সাত দিনের লকডাউন দেয়া হয়।

সিভিল সার্জন জানান, করোনা আক্রান্তদের দেখভালের জন্য ওই এলাকায় ১০ জন চিকিৎসক নিযুক্ত করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় গোপালগঞ্জে নতুন করে ১৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৪৩ জন। মারা গেছেন ৪০ জন।

আরও চার গ্রামে লকডাউন

চুয়াডাঙ্গায় গত কয়েক দিনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশের বাড়ি সীমান্তবর্তী কার্পাসডাঙ্গা এলাকায়।

সংক্রমণ বাড়ায় দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী আরও চার গ্রামে লকডাউন দেয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলা কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নতুন লকডাউন করা গ্রামগুলো হলো কুড়ালগাছি ইউনিয়নের ঠাকুরপুর, চাকুলিয়া, ফুলবাড়ি ও পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের বড় বলদিয়া।

এ নিয়ে দামুড়হুদা উপজেলায় ১১টি গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। এর আগে ২ জুন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সাত গ্রাম ও নাটুদহ ইউনিয়নের দুটি এলাকা লকডাউন করে উপজেলা প্রশাসন।

৭ জনে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট, গ্রাম মহল্লায় বিশেষ লকডাউন
নওগাঁয় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যানবাহন বের করলে জরিমানা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কমিটির সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল দামুড়হুদার সবশেষ করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, উপজেলায় বর্তমানে ৯৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৬২ জন বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সভায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর বলেন, ভারত থেকে কেউ যেন অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

মোংলায় মাঠে নেমেছে কোস্টগার্ড

মোংলায় করোনার সংক্রমণ বাড়ায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় মাঠে নেমেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সদস্যরা।

করোনার কঠোর বিধিনিষেধের সপ্তম দিনে শনিবার মোংলায় সব ধরনের যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বাগেরহাটে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও গত ২৪ ঘণ্টায় মোংলায় আরও ৩৪ জন, মোরেলগঞ্জে পাঁচ, শরণখোলায় দুই, ফকিরহাটে এক ও রামপালে চারজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জীবিতেষ বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার জানান, মোংলায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কোস্টগার্ড, পুলিশের পাশাপাশি দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন। অপ্রয়োজনে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে শহরে প্রবেশ ও অহেতুক ঘোরাফেরা করলেই জরিমানা করা হচ্ছে।

বাগেরহাট জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৮ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের।

শরণার্থী শিবিরে বাড়ছে সংক্রমণ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা-অধ্যুষিত উখিয়া ও টেকনাফের কিছু এলাকায় ৬ জুন পর্যন্ত রেড জোন ও লকডাউন বাড়ানো হয়েছে।

প্রশাসনে কঠোর নজরদারির মধ্যেও উখিয়া-টেকনাফে লকডাউনের নির্দেশনা মানছে না অধিকাংশ মানুষ।

করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে। দিন দিন লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

গত ২৪ ঘণ্টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ জানান, উখিয়ায় ২০ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ৬ জুন পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়।

একই সঙ্গে রাজাপালং ইউনিয়নের ৪টি ওয়ার্ডে রেড জোন কার্যকর করা হয়েছে। রেড জোন ও লকডাউন বাস্তবায়নে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।

৭ জনে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট, গ্রাম মহল্লায় বিশেষ লকডাউন
মোংলায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তায় মাঠে নেমেছে কোস্টগার্ড

কক্সবাজারের সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান জানান, ঘনবসতি হওয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন কার্যকর করা অনেকটা কঠিন।

৩ জুন পর্যন্ত জেলায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৫৭৮ জনের শরীরে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা ১২৭৭ জন।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া জানান, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলায় করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। কাজের জন্য রোহিঙ্গারা নিয়মিত ভোরে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে সন্ধ্যায় ফেরে। এনজিও কর্মীরা প্রতিদিন ক্যাম্পে যাওয়া-আসা করছেন।

দুই ওয়ার্ডে সীমিত লকডাউন

যশোরে করোনা সংক্রমণ রোধে দুই ওয়ার্ডে সীমিত লকডাউন দিয়েছে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। এ ছাড়া যশোর পৌরসভার দুটি ওয়ার্ডে চলাচল সীমাবদ্ধ করা হচ্ছে।

শনিবার দুপুর ১২টা থেকে ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনার শনাক্ত হয়েছে ১৮ জনের। এর মধ্যে কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারতফেরত পাসপোর্টধারী যাত্রী রয়েছেন ২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে যশোর।

করোনায় এক দিনে ২ জনের মৃত্যু

নওগাঁ জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক দিনে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজনের বাড়ি সদরে আর অপরজন রানীনগর উপজেলার।

সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার আশীষ কুমার সরকার জানান, আরও দুজনসহ নওগাঁয় করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ জনে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শনিবার সকাল ৮টার দিকে একজনের মৃত্যু হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ধামইরহাট উপজেলা সদরে বাসায় মারা যান আরেকজন।

জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, নওগাঁয় করোনা আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা সংক্রমণের হার না কমলে সাত দিনের বিশেষ লকডাউন আরও বাড়তে পারে।

পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে নওগাঁ পৌরসভা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় সাত দিনের বিশেষ লকডাউন চলছে। শনিবার সকাল থেকে নওগাঁ পৌরসভা ও নিয়ামতপুরে মোট ৪৫টি স্থানে ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যানবাহন বের করা হলে জরিমানা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া বন্ধ রয়েছে অন্য সব দোকান।

সিভিল সার্জন অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে ১০৫ জনকে। এ নিয়ে কোয়ারেন্টিনে আছেন ১ হাজার ১২০ জন।

মাইজদীতে ঢিলেঢালা লকডাউন

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নোয়াখালী পৌরসভাসহ সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে শনিবার ভোর ৬টা থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, জেলা শহর মাইজদী থেকে দূরপাল্লার কোনো যানবাহন না ছাড়লেও দুপুরের দিকে অভ্যন্তরীণ সড়কে সিএনজি, অটোরিকশা, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করেছে। গণপরিবহনে ভাড়াও আদায় করা হচ্ছে বেশি।

শহরের দোকানপাট ও শপিংমলগুলো বন্ধ রয়েছে। সদর উপজেলার ছয় ইউনিয়নে লকডাউনে দোকানপাট খোলা ছিল। গণপরিবহনও চলাচল করেছে অন্য সময়ের মতো।

শহরে লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে। বিভিন্ন চেকপোস্টে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশা ও যাত্রীকে জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার জানান, ঈদের পর জেলায় করোনা সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। নোয়াখালী পৌরসভাসহ সদর উপজেলায় আক্রান্তের হার বেশি।

তিনি জানান, লকডাউন কার্যকর করতে ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৬টি মোবাইল টিম ও স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ৪টি টিম মাঠে কাজ করছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৯০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এবার নভোভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম

এবার নভোভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম

নভোভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। করোনা প্রতিরোধে ৯০ শতাংশ কার্যকর এই টিকা। নভোভ্যাক্সের টিকার বাণিজ্যিক নাম কভোভ্যাক্স।এখন দেশে কোভিশিল্ড তৈরি করেছে সিরাম। পাশাপাশি স্পুতনিক ভি তৈরিরও ছাড়পত্র পেয়েছে আদর পুনাওয়ালার সংস্থা।

ভারতে আরেকটি করোনা প্রতিষেধক ভ্যাকসিন তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ট্রায়ালের পর প্রকাশ্যে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের সংস্থা নভোভ্যাক্স ও কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনের তৈরি টিকার কার্যকারিতা।

সংস্থা জানিয়েছে, করোনা প্রতিরোধে ৯০ শতাংশ কার্যকর নভোভ্যাক্সের টিকা। সোমবারই প্রকাশ্যে এসেছে এই তথ্য। মোট ২৯ হাজার ৯৬০ জনের ওপর ট্রায়াল হয়েছিল এই টিকার। এরপর সংস্থার দাবি, মাঝারি সংক্রমণের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ কার্যকর এই টিকা। সামগ্রিকভাবে এ টিকা ৯০.৪ শতাংশ কার্যকর। নভোভ্যাক্সের টিকার বাণিজ্যিক নাম কভোভ্যাক্স।

নির্মাতা মেরিল্যান্ডের সংস্থা জানিয়েছে ২০২১ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে আপৎকালীন অনুমোদনের জন্য আবেদন করবে তারা। সংস্থার প্রেসিডেন্ট স্ট্যানলি সি এর্ক জানিয়েছেন, নভোভ্যাক্স ২০২১ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রতি মাসে ১ কোটি টিকা তৈরি করবে। আর ২০২১ সালের শেষে প্রতি মাসে দেড় কোটি টিকা তৈরি করবে তারা। সারা বিশ্বের জনস্বাস্থ্যে বড় অবদান রাখবে নভোভ্যাক্স, এমনটিই জানিয়েছেন স্ট্যানলি সি এর্ক।

জানা গেছে, নভোভ্যাক্সের এই টিকা তৈরি করবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। এখন দেশে কোভিশিল্ড তৈরি করেছে সিরাম। পাশাপাশি স্পুতনিক ভি তৈরিরও ছাড়পত্র পেয়েছে আদর পুনাওয়ালার সংস্থা। এবার নভোভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম। নভোভ্যাক্সের এই টিকার আরেক নাম NVX-CoV2373। ২ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যায় নভোভ্যাক্সের টিকা। তাই ভারতে এই টিকা পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন

নওগাঁয় করোনা শনাক্তের হার ২৬.৪১ শতাংশ

নওগাঁয় করোনা শনাক্তের হার ২৬.৪১ শতাংশ

নওগাঁ সিভিল সার্জনের অফিস সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৪০৫টি নমুনা পরীক্ষায় ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের।

নওগাঁয় ২৪ ঘণ্টায় ৪০৫টি নমুনা পরীক্ষায় ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৪১ শতাংশ।

নওগাঁ সিভিল সার্জনের অফিস সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৪০৫টি নমুনা পরীক্ষায় ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ল্যাব ও বগুড়ার টিএমএসএস হাসপাতাল আরটিপিসিআর ল্যাবে ১৬৮ জনের পাঠানো নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসে সোমবার দুপুরে। এতে ৬৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

এছাড়া ২৪ ঘন্টায় নওগাঁ সদর হাসপাতালসহ জেলার ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে ২৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

নতুন আক্রান্তর মধ্যে নওগাঁ সদর উপজেলায় ১৮, রাণীনগরে ৬, আত্রাইয়ে ৮, মহাদেবপুরে ১৫, মান্দায় ২৩, বদলগাছীতে ১, পত্নীতলায় ৮, ধামইরহাটে ৮, নিয়ামতপুরে ১২, সাপাহারে ১ ও পোরশা উপজেলায় ৭ জন শনাক্ত হয়েছে।

নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর-এ মোর্শেদ জানান, ‘গত এক সপ্তাহ ধরে জেলায় করোনা সংক্রমণ স্থিতিশীল আছে। এই সময়ে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণের হার ২০ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।

‘নমুনা দিতে মানুষের অনাগ্রহের পাশাপাশি জেলায় আরটিপিসিআর ল্যাব না থাকা এবং স্বাস্থ্যবিভাগের জনবল সংকটের কারণে নমুনা সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৫০টি নমুনা সংগ্রহ হচ্ছে। এই সংখ্যা অন্তত ৬০০ থেকে ৭০০ হলে ভালো হতো।’

জেলায় এ পর্যন্ত ১৮ হাজার ৯২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২ হাজার ৯১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর হার এক দশমিক সাত পাঁচ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন

২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগে ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮

২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগে ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

২৪ ঘণ্টায় করোনায় দিনাজপুরে চার ও ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। দিনাজপুুরে ৭০, ঠাকুরগাঁওয়ে ৪২, রংপুরে ১৬, লালমনিরহাটে ১৬, কুড়িগ্রামে ১৪, গাইবান্ধায় পাঁচ, পঞ্চগড়ে তিন এবং নীলফামারী জেলায় দুই জন শনাক্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগে করোনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুরে চার এবং ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৩৮ । নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৬৮ জন।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সোমবার বিকালে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রোববার রংপুর বিভাগের আট জেলার ৫৭৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৮ জনকে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।

২৪ ঘণ্টায় দিনাজপুুরে ৭০, ঠাকুরগাঁওয়ে ৪২, রংপুরে ১৬, লালমনিরহাটে ১৬, কুড়িগ্রামে ১৪, গাইবান্ধায় পাঁচ, পঞ্চগড়ে তিন এবং নীলফামারী জেলায় দুই জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন।

রোববার পর্যন্ত রংপুর জেলায় ৫ হাজার ২৪৩ জন শনাক্ত এবং ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, দিনাজপুুরে ৬ হাজার ৩৪১ জন আক্রান্ত ও ১৫৮ জনের মৃত্যু, ঠাকুরগাঁওয়ে ২ হাজার ৬ জন শনাক্ত ও ৫৪ জনের মৃত্যু, গাইবান্ধায় এক হাজার ৮১৬ জন শনাক্ত ও ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়াও নীলফামারীতে ১ হাজার ৬১৭ জন আক্রান্ত ও ৩৮ জনের মৃত্যু, কুড়িগ্রামে ১ হাজার ৩৩১ জন আক্রান্ত ও ২৪ জনের মৃত্যু, লালমনিরহাটে ১ হাজার ১৯৫ জন আক্রান্ত ও ১৮ জনের মৃত্যু এবং পঞ্চগড় জেলায় ৮৫৯ জন আক্রান্ত ও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আহাদ আলী নিউজবাংলাকে বলেন, বিভাগে বর্তমানে ২০ হাজার ৪০৮ জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৪১৫ জন। বিভাগের প্রতিটি জেলায় শনাক্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েছে।

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন

ঢাকা মেডিক্যালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত

ঢাকা মেডিক্যালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত

রোগীটি করোনাভাইরাসেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মাথাব্যথা, সাইনোসাইটিস এবং ডানচোখে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসক শাহরিয়ার আহমেদ সৌরভের অধীনে চিকিৎসা চলছে তার। চোখে যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ছড়িয়েছে এটা রিমুভ করার সুযোগ নেই।

খুলনা থেকে ডানচোখে সমস্যা নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন চিকিৎসা করাতে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রোগীটি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীটি দুই দিন আগেই শনাক্ত হয় বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. ফরহাদ হাছান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে একজন পুরুষ শনাক্ত করা হয়েছে। গত সপ্তাহে খুলনা চিকিৎসা নিতে হাসপতালে ভর্তি হন। এর আগে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন।’

এই রোগীর চিকিৎসা চলছে জানিয়ে ফরহাদ হাছান বলেন, ‘আমি তাকে ফাঙ্গাস ইনফেকশন সন্দেহ করি এবং নাক কান গলা বিভাগের সহযোগিতা নিয়ে সাইনাস অপারেশন করি। তারপর ওখানকার স্যাম্পল নিয়ে ফাঙ্গাস টেস্ট করতে দিই। রোগীর হিস্টোপ্যাথলজি, মাইক্রোস্কপি আর কালচার তিনটাতেই মিউকর মাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়। বর্তমানে রোগীর এম্ফোটেরিসিন-বি দিয়ে চিকিৎসা চলছে। মাইক্রোবায়োলজিক্যাল পরীক্ষাগুলো করেন বারডেম হাসপাতালের প্রফেসর লাভলি বাড়ৈ।

তিনি জানান, রোগীটির মাথাব্যথা, সাইনোসাইটিস এবং ডানচোখে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। চিকিৎসক শাহরিয়ার আহমেদ সৌরভের অধীনে চিকিৎসা চলছে। চোখে যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ছড়িয়েছে এটা রিমুভ করার সুযোগ নেই।

চোখ ফেলে দেয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জাবাবে ফরহাদ হাছান বলেন, ‘আমরা চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, ওনি সুস্থ হয়ে যাবেন।’

আর আগে গত ২৫ মে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপসর্গ নিয়ে দেশে একজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছিল বারডেম জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘোষণার তিনদিন আগে ওই রোগীর মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত ব্ল্যাকফাঙ্গাস শনাক্ত হয়েছে তিনজনের শরীরে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে নতুন আতঙ্কের নাম এখন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। মহামারিতে নাজেহাল ভারতে ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে এই ছত্রাকের সংক্রমণ। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশেও রোগটি শনাক্তের খবর আসছে।

গত এক-দেড় মাসে ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্তদের প্রায় সবাই করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠার কিছুদিনের মধ্যে ছত্রাকটিতে আক্রান্ত হন।

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন

করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কাজী এন্টারপ্রাইজেসের

করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কাজী এন্টারপ্রাইজেসের

কাজী এন্টারপ্রাইজেসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৮ মে এবং ৬ জুন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনে পৌঁছে দেয়া হয় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী।

করোনাভাইরাস মহামারির এই সময়ে দেশে জরুরি সেবা দিয়ে মানুষের জীবন বাঁচানোর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত ফ্রন্টলাইনারদের সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছে কাজী এন্টারপ্রাইজেস।

সোমবার প্রতিষ্ঠানটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘ ২০ বছরের পথচলায় বাংলাদেশের ঘরে ঘরে সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতায় এক অনন্য নাম কাজী এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন পণ্যের মাধ্যমে দেশের মানুষের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা রয়েছে কাজী এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ মে এবং ৬ জুন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনে পৌঁছে দেয়া হয় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পক্ষে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ, ডিএমপির পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) টুটুল চক্রবর্তী এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যবস্থাপক (ইমেজ অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স) সালমান খান ইয়াসিন সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী গ্রহণ করেন।

এ সময় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তারা কাজী এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এভাবেই বেসরকারি খাত দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসবে। এ সময় তারা সবাইকে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে কাজী এন্টারপ্রাইজেস জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী এই মহামারীর সময়ে পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। তাই, বুয়েট টেস্টের মাধ্যমে তাদের পণ্যসামগ্রীর সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের এফএমসিজি খাতে এই প্রথম।

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামেও মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

চট্টগ্রামেও মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

গবেষকদের কয়েকজন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং ঢাকার আইসিডিডিআরবি’র একটি যৌথ গবেষণায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একই সাথে নাইজেরীয় ইটা ভ্যারিয়েন্ট, যুক্তরাজ্যের আলফা ভ্যারিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান বিটা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

এবার চট্টগ্রামেও করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) একদল গবেষক।

চট্টগ্রামের সাতটি করোনা পরীক্ষার ল্যাব থেকে ৪২ জন করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে দুইজনের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পান তারা। তবে এই দুইজনের কেউই সম্প্রতি ভারতে যাননি বা ভারতফেরত কারও সরাসরি সংস্পর্শে আসেননি।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং ঢাকার আইসিডিডিআরবির একটি যৌথ গবেষণায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একই সাথে নাইজেরীয় ইটা ভ্যারিয়েন্ট, যুক্তরাজ্যের আলফা ভ্যারিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান বিটা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। গবেষণায় অর্থায়ন করেছেন বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি)।

চলতি বছরের মের শেষ সপ্তাহে চট্টগ্রামের সাতটি করোনা পরীক্ষাগার থেকে ৮২টি নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ঢাকার আইসিডিডিআরবিতে পাঠায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল। এর মধ্যে ৪২টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলাফল পর্যালোচনা করে দুটি নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। পাশাপাশি ৩৩টি নমুনায় আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, তিনটি নমুনায় নাইজেরীয় ভ্যারিয়েন্ট এবং চারটি নমুনায় যুক্তরাজ্যের ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। অর্থাৎ প্রাপ্ত ফলাফলে ৪২টি নমুনায় ৪.৮ শতাংশ ভারতীয়, ৭.২ শতাংশ নাইজেরীয়, ৯.৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যের এবং ৭৮.৫ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া দুজন রোগী সম্প্রতি ভারত যাননি, ভারতফেরত কারও সংস্পর্শেও আসেননি। তবু তাদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়ায় চট্টগ্রামে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের কমিউনিটি সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।

এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আল ফোরকান নিউজবাংলাকে বলেন, ’এটি একটি চলমান গবেষণা। এই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের সাতটি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ ল্যাব থেকে সংগ্রহ করা ৪২টি নমুনার ধরন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২টি (৪.৮%) ভারতীয় (ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট), ৩টি (৭.২%) নাইজেরীয় (ইটা ভ্যারিয়েন্ট), ৪টি (৯.৫%) যুক্তরাজ্যের (আলফা ভ্যারিয়েন্ট) এবং বাকি ৩৩টি (৭৮.৫%) দক্ষিণ আফ্রিকার (বিটা ভ্যারিয়েন্ট) শনাক্ত হয়। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত দুইজন রোগীর কেউই সম্প্রতি ভারতে যাননি এবং তাদের জানামতে ভারতফেরত কারও সংস্পর্শেও আসেননি।‘

তিনি বলেন, ’বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী চীনের উহান থেকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ সংক্রমণের শুরু থেকে এই পর্যন্ত সার্স-কভ-২ (করোনাভাইরাস) মোট ১০ বার রূপ পরিবর্তন করেছে। এর মাধ্যমে মূলত ছয়টি দেশে (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া, ব্রাজিল এবং ভারত) অতিসংক্রমণ এবং মহামারি আকার ধারণ করে ভাইরাসটি।

‘আমাদের বর্তমান গবেষণায় চট্টগ্রামে ভারতীয়সহ চারটি ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণক্ষমতা অনেক বেশি এবং অতিসত্বর বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনাপূর্বক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে, যার পরিণতি ভারতের মতো ভয়াবহ হতে পারে।’

গবেষণা দলের সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. লায়লা খালেদা বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় নতুন করে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি খুব উদ্বেগজনক। এখনই সতর্ক না হলে সংক্রমণ কমানোর বিষয়টি অনিশ্চয়তার দিকে চলে যেতে পারে।’

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন

গণটিকা আবার শুরু শনিবার

গণটিকা আবার শুরু শনিবার

রোববার সন্ধ্যায় উপহার হিসেবে চীন থেকে সিনোফার্মের আরও ৬ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছায়। এর আগে প্রথম দফায় ১২ মে দেশে ৫ লাখ ডোজ টিকা পাঠায় চীন। আর ৩১ মে কোভ্যাক্স থেকে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা পায় বাংলাদেশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাতে যতটুকু ভ্যাকসিন পাওয়া গেছে তা দিয়ে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম আবার চালু হবে ১৯ জুন।’

উপহার হিসেবে চীন থেকে আরও ৬ লাখ ডোজ টিকা আসার পর আবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানালেন, আগামী শনিবার থেকে শুরু হবে গণটিকা।

সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের মা প্রয়াত ফৌজিয়া মালেকের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাতে যতটুকু ভ্যাকসিন পাওয়া গেছে তা দিয়ে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম আবার চালু হবে ১৯ জুন।’

রোববার সন্ধ্যায় উপহার হিসেবে চীন থেকে সিনোফার্মের আরও ৬ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছায়। এর আগে প্রথম দফায় ১২ মে দেশে ৫ লাখ ডোজ টিকা পাঠায় চীন। আর ৩১ মে কোভ্যাক্স থেকে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা পায় বাংলাদেশ।

চীন থেকে প্রথম দফায় টিকা পাওয়ার পর ঢাকার সরকারি চারটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান শুরু হয়। আরও টিকা হাতে আসায় টিকাদানের পরিসর আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন, ইতিমধ্যে আমাদের হাতে কিছু টিকা চলে আসছে। চীন থেকে গতকাল ৬ লাখ টিকা হাতে আসছে। ফাইজারের টিকাও রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আমাকে অবহিত করেছেন। আগামী ১৯ জুন থেকে এই টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। আগের নিবন্ধনকারীরা এই টিকা পেতে অগ্রাধিকার পাবেন।

‘করোনা প্রতিরোধে আমরা টিকাদান কার্যক্রম আবার শুরু করেছি। ১ কোটি টিকা দেয়া হয়ে গেছে। আরও কয়েক কোটি টিকা লাগবে। সেই টিকার অনেক সংকট রয়েছে।’

বাংলাদেশ প্রথমে করোনার অক্সফোর্ড উদ্ভাবিত টিকা ব্যবহারের পক্ষে ছিল। এ জন্য ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা কেনার চুক্তিও করে। প্রতি মাসে আসার কথা ছিল ৫০ লাখ করে। কিন্তু দুই মেয়াদে ৭০ লাখ টিকা পাঠানোর পর ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় আর কোনো টিকা পাঠাতে পারেনি। কেনা টিকার বাইরে উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে ৩৩ লাখ ডোজ টিকা দিয়েছে ভারত।

ন্যায্যতার ভিত্তিতে টিকা বিতরণে গড়ে ওঠা জোট কোভ্যাক্স থেকেও আসার কথা ছিল ৬ কোটি ৭০ লাখ টিকা। পরে জানানো হয় আরও বেশি আসবে। কিন্তু সেখান থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

টিকাস্বল্পতায় বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিই বন্ধ হয়ে যেতে চলেছে। এমন অবস্থায় টিকার বিকল্প উৎস হিসেবে চীন ও রাশিয়া থেকে টিকা আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে চীন থেকে ৪ থেকে ৫ কোটি টিকা কেনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দুটি দেশের টিকা দেশে উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৩ হাজার ৫০ জনের শরীরে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা আবার বাড়ছে। এখন থেকেই সবাইকে আবার সচেতন হতে হবে। হাসপাতালে শয্যা কম। করোনা বেশি বাড়লে সেবাও ব্যাহত হবে। তাই প্রতিরোধের ওপর জোর দিতে হবে, নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালের ছবি দেখিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণ হবে না। এ সময় করোনার উৎপত্তিস্থলের ছবি টেলিভিশনে প্রচার করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় শুরু ৭ দিনের লকডাউন
নোয়াখালী সদরে ৭ দিনের লকডাউন   
ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫
করোনা: শ্রীমঙ্গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লকডাউন
সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে সাত দিনের লকডাউন

শেয়ার করুন