করোনায় আরও ৩১ মৃত্যু, শনাক্ত ১৩৫৮

করোনায় আরও ৩১ মৃত্যু, শনাক্ত ১৩৫৮

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৩ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৫১১ জনের। ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১ হাজার ৩৫৮ জনের শরীরে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৩ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৫১১ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৪৯৭টি ল্যাবে ১৪ হাজার ৬০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

করোনা থেকে গত এক দিনে সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৬৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৩৬ হাজার ২২১জন। সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ, ১৩ জন নারী। এদের মধ্যে দুইজন শিশু রয়েছে। বাকিদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব চার, চল্লিশোর্ধ্ব পাঁচ, পঞ্চাশোর্ধ্ব সাত ও ষাটোর্ধ্ব ১৩ জন।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ জন করে মৃত্যু হয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে। এছাড়া, রাজশাহী বিভাগে দুই, খুলনা ছয়, সিলেট এক এবং রংপুরে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের কথা ঘোষণা করে।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত বছরের ৪ জানুয়ারি থেকেই দেশের বিমানবন্দরসহ সব স্থল ও নৌবন্দরে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু করে। ওই বছরের ৪ মার্চ সমন্বিত করোনা কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়।

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে শনাক্ত ১৩

২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে শনাক্ত ১৩

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক দিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে দুই দিনে করোনো আক্রান্ত হন ১০ জন।

খাগড়াছড়িতে করোনা সংক্রমণ হঠাৎ বেড়েছে গেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জন শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক দিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে দুই দিনে আক্রান্ত হন ১০ জন।

জেলায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, এখন পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলায় ছয় হাজার ৭২০ জন করোনা পরীক্ষা করেছেন। এর মধ্যে পজিটিভ হয়েছেন ৯৩১ জন। আক্রান্তের হার ৯ শতাংশ। এখন পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে আট জনের।

খাগড়াছড়ির ডেপুটি সিভিল সার্জন মিটন চাকমা বলেন, জেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কিছুটা অবহেলা দেখা যাচ্ছে। সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এতে সংক্রমণ কমানো সম্ভব হবে।

সিভিল সার্জন নুপূর কান্তি দাশ বলেন, মাঝে কম থাকলেও নতুন করে শনাক্তের হার বেড়েছে। সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এছাড়া কোন উপায় নেই।

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

জামালপুর শহরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃত্যু ৪২ জনে দাঁড়ালো।

এরা হলেন আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম এবং পিডিবি কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস।

তিনি জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জামালপুর পৌরসভার কাচারিপাড়া এলাকার আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান ১৭ জুন করোনায় আক্রান্ত হন। তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

পৌর এলাকার পাথালিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম করোনার উপসর্গ নিয়ে দুদিন আগে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার তার নমুনা পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হয়। রাতেই তিনি মারা যান।

একই এলাকার পিডিবির কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন হৃদরোগে অসুস্থ হলে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জুন তিনি পজিটিভ হন। শনিবার বিকালে মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন

সিরাজগঞ্জে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া শুরু

সিরাজগঞ্জে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া শুরু

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ আমিরুল জানান, সিরাজগঞ্জের তিনটি মেডিক্যাল কলেজের ৮৬৮ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়া হবে। প্রথমদিনেই তিন মেডিক্যালের ১৯২ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।

সদর উপজেলার শিয়ালকোলস্থ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বর্হিবিভাগে শনিবার দুপুরে এই কর্মসূচির উদ্বোধন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত মুন্না।

এ কার্যক্রম আগামী ১৯, ২২, ২৬, ২৯ জুন ও ১ জুলাই চলবে।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ আমিরুল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক কৃষ্ণ কুমার পাল, পরিচালক আবুল কাশেম, সিভিল সার্জন রামপদ পাল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম হীরা।

আরও উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক আব্দুল্লাহেল কাফী, টিকাদান কেন্দ্রের ভোকালপারসন সহকারী অধ্যাপক লায়লা রাজ্জাক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ উদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক।

এ সময় সাংসদ হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে টিকা নেয়ার পরও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সুরক্ষা নীতি মেনে মাস্ক ব্যবহার ও হাত পরিষ্কার করুন। পাশাপাশি নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন ও অন্যকেও সুরক্ষিত রাখার পরামর্শ দিন।’

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিকাদান কার্যক্রমে প্রথম টিকা নেন শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী তানভীরুল ইসলাম। প্রথম দিনে ১৯২ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়।

এর মধ্যে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ৫৩ জন, নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ৫৬ জন ও খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ৮৩ জন টিকা পান।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ আমিরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সিরাজগঞ্জের তিনটি মেডিক্যাল কলেজের ৮৬৮ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে এই টিকা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন

করোনার টিকা, ৩২ বুথের মধ্যে চালু ২টি

করোনার টিকা, ৩২ বুথের মধ্যে চালু ২টি

পটুয়াখালিতে শনিবার ১২০ জনকে করোনার টিকা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

‘চীনের তৈরি ‘সাইনোফার্ম কোভিড-১৯ নামের এই টিকা পটুয়াখালী জেলার জন্য ৮ হাজার ৪০০ ডোজ পাওয়া গেছে। চার বিভাগে টিকা দেয়া হচ্ছে। এই চার বিভাগে আছেন নার্স, মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, বিদেশগামী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।’

পূর্ব ঘোষণা ছাড়া টিকা দেয়া বন্ধের ২০ দিনের মাথায় পটুয়াখালীতে আবারও শুরু হয়েছে টিকাদান।

পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শনিবার বেলা ১০টার দিকে টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী।

তবে আগের মত ৩২টি বুথে নয় এবার শুধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভেতর দুটি বুথে এ টিকাদান চলবে। আগেরবার কেবল পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮টি বুথে টিকাদান দেয়া হয়েছিল।

সীমিত আকারে স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টদের এই টিকা দেয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম শিপন।

তিনি বলেন, ‘চীনের তৈরি ‘সাইনোফার্ম কোভিড-১৯ নামের এই টিকা পটুয়াখালী জেলার জন্য ৮ হাজার ৪০০ ডোজ পাওয়া গেছে। চার বিভাগে টিকা দেয়া হচ্ছে। এই চার বিভাগে আছেন নার্স, মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, বিদেশগামী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

‘ইতোমধ্যে নিবন্ধন করা ১২০ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে।’

২৮ মে পূর্ব ঘোষণা ছাড়া পটুয়াখালীতে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় স্বাস্থ্যবিভাগ।

চলতি বছরের গত ৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৮টি বুথসহ জেলার আট উপজেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ৩২টি বুথে একযোগে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানিয়েছে, জেলায় এ পর্যন্ত টিকা গ্রহনের জন্য ৫৮ হাজার ৫৮২জন আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে ২৮ মে পর্যন্ত ১ম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৪৫ হাজার ৫৩৭ জন।

জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম শিপন জানান, ‘পটুয়াখালীতে যে পরিমাণ করোনা টিকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে, তা শেষ হওয়ার কারণে টিকা দান কর্মসূচী বন্ধ ছিল।

‘প্রথমবার ৪৬ হাজার ডোজ থেকে ৪৫ হাজার ৫৩৭ ডোজ দেয়া হয়েছে। ৪৬৩ ডোজ সিস্টেম লস বা অপচয়। একটা ভায়াল থেকে ১০বার ইনজেকশন নিলে কিছু অপচয় হয়।

‘এরপর ২য় দফায় ৩১ হাজার ডোজ থেকে ৩০ হাজার ৮২৪ জন নিবন্ধনকারীকে দেয়া হয়। দুই ডোজ মিলিয়ে আমাদের সিস্টেম লস বা অপচয় ০.৮%।’

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন

দিনাজপুরে পথে পথে বাঁশের ব্যারিকেড, মানছে না অনেকেই

দিনাজপুরে পথে পথে বাঁশের ব্যারিকেড, মানছে না অনেকেই

দিনাজপুরে রাস্তার মোড়ে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না মানুষের চলাচল। ছবি: নিউজবাংলা

শহরের সরকারি কলেজ মোড়, মহারাজার মোড় ও ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের পাশাপাশি শহরে প্রবেশের সব পথগুলো বাঁশের ব্যরিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হলেও সাধারণ মানুষকে দমানো যাচ্ছে না। দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কাছে ওষুধ, বাচ্চার খাবারসহ নানা জিনিসের জরুরি প্রয়োজনের দোহাই দিচ্ছেন তারা।

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা দিনাজপুরে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ হিসেবে যেসব প্রশাসন যেসব নির্দেশনা দিয়েছে, সেগুলো মানতে চরম অনীহা দেখাচ্ছে মানুষ।

শহরের সরকারি কলেজ মোড়, মহারাজার মোড় ও ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের পাশাপাশি শহরে প্রবেশের সব পথগুলো বাঁশের ব্যরিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হলেও সাধারণ মানুষকে দমানো যাচ্ছে না।

সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কাছে ওষুধ, বাচ্চার খাবারসহ নানা জিনিসের জরুরি প্রয়োজনের দোহাই দিচ্ছেন তারা। এভাবে প্রতিদিনই শহরে ঢুকছে অসংখ্য মানুষ।

দিনাজপুরে করোনার সংক্রমণ ও এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় গত ১৫ জুন মঙ্গলবার থেকে কঠোর লকডাউন চলছে। লকডাউনের পঞ্চম দিন শনিবার শহরে প্রবেশের সব পথে বাঁশের ব্যারিকেড দেখা গেলেও সেগুলো কাজে লাগতে দেখা যায়নি।

তেমন কোনো কাজ না থাকলেও ওষুধ-খাবারের জরুরি প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে দিচ্ছেন ব্যারিকেডে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের। তাদের আর আটকে রাখার মতো পর্যাপ্ত লোকবল নেই প্রশাসনের। এই সুযোগে বাঁশের ব্যরিকেডের নিচ দিয়ে শহরের ঢুকতে দেখা গেছে অনেক মানুষকে। শহরে গণপরিবহন বন্ধ থাকার কথা থাকলেও চলছে ইজিবাইক, ভ্যান ও রিকশা। বেশিরভাগ দোকানপাটও রয়েছে খোলা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা যথা সাধ্য বাধা দিচ্ছেন। কিন্তু মানুষ কথা শুনতে চায় না। নিষেধ করলে নানা অজুহাত দেখায়। বোঝা যায়, বেশিরভাগ বানানো কথা। কিন্তু যাচাই করা সম্ভব হয় না। তাই ছেড়ে দিতে হয়।

শনাক্ত আরও ৬৫, মৃত্যু ৩

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, দিনাজপুরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ সময়ে ১৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়; শনাক্তের হার ৪৭ শতাংশ।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলায় ১১১ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়, ভাইরাসটি শনাক্ত হয়ে ৫৫ জনের; শনাক্তের হার প্রায় ৫০ শতাংশ।

একই সময়ে জেলায় করোনায় মারা গেছেন ৩ জন। তারা হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার ভিয়াইল তালপুকুর গ্রামের ৮৪ বছর বয়সী আনিসুর রহমান, ফুলবাড়ী উপজেলার কাটাবাড়ী গ্রামের ৮৪ বছর বয়সী এম এ হান্নান ও হাকিমপুর পৌর শহরের হিলি বাজারের ৫০ বছর বয়সী রোকেয়া বেগম।

তাদেরকে নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৫০ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে চলতি মাসে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ও জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কঠোর লকডাউন চলছে। তবে প্রশাসনের চেয়ে সাধারণ মানুষদের আগের সচেতন হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় তিন মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় তিন মৃত্যু

চিকিৎসা চলাকালে শনিবার বেলা ২টার দিকে দুজন ও বিকেল ৫টার দিকে একজন মারা যান। জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় আক্রান্ত এক নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

চিকিৎসা চলাকালে শনিবার বেলা ২টার দিকে দুজন ও বিকেল ৫টার দিকে একজন মারা যান। জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মৃত ব্যক্তিরা হলেন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার জ্বীনতলা মল্লিকপাড়ার আনিছুর রহমানের স্ত্রী ছালেহা বেগম, জীবননগর উপজেলার বাকা গ্রামের শুকুর আলী ও দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের আক্কাস আলী শেখ।

সিভিল সার্জন জানান, গত ১৩ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে ভর্তি হন ৭০ বছর বয়সী শুকুর আলী। ওই দিনই করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা নেয়া হয়। পরদিন তার করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকে করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের রেড জোনে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালে শনিবার দুপুরে মারা যান তিনি।

অন্যদিকে একই সময় করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে মারা যান ছালেহা বেগম নামের ৭০ বছর বয়সী আরেক বৃদ্ধা। গত ১২ জুন রাত ১০টার দিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন ছালেহা। পরদিন তার নমুনা নিয়ে পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। ১৬ জুন পাওয়া ফলাফলে তার করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকে করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের রেড জোনে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।

শনিবার বিকেল ৫টার দিকে মারা যান আক্কাস আলী শেখ। ১৩ জুন সকাল ৯টার দিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন আক্কাস। ওই দিনই তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ১৬ জুন তার করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের রেড জোনে ভর্তি করা হয়।

মৃত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন মারুফ হাসান।

জেলায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮০ জনে। শুক্রবার জেলায় করোনা আক্রান্ত দুজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে নতুন করে এ জেলায় আরও ৭৬ জনে করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে চুয়াডাঙ্গায় এটিই এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৫২৩ জনে। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন, মোট সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৯৩৮।

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন

জেলায় জেলায় সিনোফার্মের টিকাদান শুরু

জেলায় জেলায় সিনোফার্মের টিকাদান শুরু

সিনোফার্মের টিকাদান শুরু হয়েছে বিভিন্ন জেলায়। ছবি; নিউজবাংলা

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ময়মনসিংহের জন্য চীনের সিনোফার্মের ৭৫ হাজার ৬০০ ডোজ টিকা এসেছে। মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থী, বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই টিকা দেয়া হবে।

ময়মনসিংহ, নওগাঁ, নীলফামারী ও নাটোরেও শনিবার থেকে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাসের টিকাদান। সিনোফার্মের তৈরি টিকার ১১ লাখ ডোজ চীন সরকার উপহার দেয়। সেই টিকা দিয়েই এই কার্যক্রম শুরু হলো।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের দুই থেকে আড়াই শ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়ার মধ্য দিয়ে শনিবার শুরু হয়েছে জেলায় টিকাদান।

সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ গ্যালারিতে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার চিত্তরঞ্জন দেবনাথ।

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ময়মনসিংহের জন্য চীনের সিনোফার্মের ৭৫ হাজার ৬০০ ডোজ টিকা এসেছে। মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থী, বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই টিকা দেয়া হবে।

টিকা পাবেন জেলায় থাকা চীনা নাগরিক, ডেন্টাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও সম্মুখসারির কর্মীরা।

নওগাঁতেও শুরু হয়েছে সিনোফার্মের টিকাদান কর্মসূচি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বেলা ১১টার দিকে নওগাঁ নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর-এ মোর্শেদ জানান, বুধবার জেলায় ১০ হাজার ৮০০ ডোজ টিকা পৌঁছায়। আজ থেকে টিকাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্বাস্থ্যকর্মী, মেডিক্যাল, ম্যাটস, ডেন্টাল ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা পাবেন। প্রথম ডোজের চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ পাবেন তারা।

দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণের আগে জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সুরক্ষা ওয়েব পোর্টালে অ্যাপে নিবন্ধন করে নিতে হবে।

অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ঘা, অ্যাজমা, কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন এমন ব্যক্তি, ক্যানসারে আক্রান্ত এবং স্বল্প রোগ প্রতিরোধক্ষমতার জনগোষ্ঠীর টিকা নেয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান ডেপুটি সিভিল সার্জন।

নীলফামারীতেও শনিবার শুর হয়েছে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী সিনোফার্মের টিকা দেয়া। প্রথম দফায় মেডিক্যাল কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের দেয়া হয়েছে এই টিকা।

এর আগে ১৬ জুন নীলফামারীতে ৯ হাজার ৬০০ ডোজ টিকা পৌঁছে। এই টিকা দেয়া হবে ৪ হাজার ৮০০ জনকে দেয়া যাবে।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের কোভিট-১৯ টিকাদান কেন্দ্রে এই টিকা দেয়া হয় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। প্রথম দিনে ৯২ জন টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৯ জন পুরুষ ৮৩ জন নারী।

জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর কবির জানান, চীনের এই টিকার সুযোগ পাবেন হাসপাতালের নার্স, নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী, মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ও অন্য শিক্ষার্থীরা।

প্রথম দফায় জেলায় ৭৬ হাজার ৭২৭ জকে প্রথম ডোজের কোভিশিল্ডে টিকা দেয়া হয়। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৫০ হাজার ২৭৩ জন। মজুত শেষ হওয়ায় ২৬ হাজার ৪৫৪ জন দ্বিতীয় ডোজ পাননি এখনও।

নাটোরে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর হাসপাতালে করোনার সিনোফার্মের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।

জেলার সিভিল সার্জন কাজী মিজানুর রহমান জানান, এই টিকা শুধু মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, সৎকার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, ধাত্রী, চীনা নাগরিকসহ স্বল্প ক্যাটাগরির লোকজনকে দেয়া হবে।

জেলায় ৬ হাজার টিকা গেছে। যার অর্ধেক প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে অর্ধেক দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সনদে ‘সময়’ নেই, বিড়ম্বনায় বিদেশগামী
ভারতে ৪৪ দিনে সর্বনিম্ন সংক্রমণ
একদিনেই করোনা জয়, নাকি ভুল ফল
এক গ্রামে ২৩ জনের করোনা, লকডাউন
দেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

শেয়ার করুন