টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন কাদের

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার সকালে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন কাদের

গত ৩১ মার্চ টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। এর আট সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিলেন ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার সকালে টিকার ডোজ সম্পন্ন করেন তিনি।

গত ৩১ মার্চ টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। এর আট সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিলেন ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা।

গত ২২ জানুয়ারি ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে প্রথম করোনার টিকা আসে বাংলাদেশে। এরপর ২৭ জানুয়ারি টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবশ্য এর আগেই গত বছরের ৫ নভেম্বর টিকা পেতে সিরামের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করে সরকার।

চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা পর্যায়ক্রমে দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু ভারতে সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আপাতত টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটি। আর এর ফলে টিকা পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

টিকা আমদানি করতে এখন বিকল্প খুঁজছে বাংলাদেশ। কথা চলছে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে।

সিরামের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে ছয় ধাপে দেশে ৩ কোটি ডোজ টিকা পৌঁছানোর কথা থাকলেও সিরাম দিতে পারছে না। দুই ধাপে ৭০ লাখ ডোজ টিকা দিতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বর্তমানে দেশে টিকার যে ডোজ মজুত আছে তা দিয়ে বড়জোর এক সপ্তাহ টিকা কার্যক্রম চালানো যাবে। শনিবার পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়েছে ৯৭ লাখ ৯২ হাজার ১৩০ ডোজ। সেই অনুযায়ী এখন মাত্র ৪ লাখ ৭ হাজার ৮৭০ ডোজ ভ্যাকসিন অবশিষ্ট আছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এখন পর্যন্ত টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৯১২ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৩৯ লাখ ৭২ হাজার ২১৮ জন। অর্থাৎ দুই ডোজ মিলিয়ে ৯৭ লাখ ৯২ হাজার ১৩০ ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সিনোফার্মের টিকা পেলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যালের ১৯৬ শিক্ষার্থী

সিনোফার্মের টিকা পেলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যালের ১৯৬ শিক্ষার্থী

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকাদান কর্মসূচির ফোকাল পার্সন অজয় কুমার ঘোষ ‘আমরা আপাতত ৩০ তারিখ পর্যন্ত চট্টগ্রামের পাবলিক ও প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজের প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়ার তালিকা প্রস্তুত করেছি। তাছাড়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা টিকা দেয়ার নির্ধারিত বুথে টিকা না দিয়ে আমরা আপাতত মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের টিউটোরিয়াল কক্ষে শিক্ষার্থীদের করোনা টিকা দিচ্ছি।’

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের পাঠানো টিকাদানের প্রথম দিনে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের ১৯৬ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়েছে।

শনিবার সকাল নয়টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের টিউটোরিয়াল কক্ষে চলে টিকাদান কার্যক্রম। নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান শিক্ষার্থীদের টিকাদান কর্মসূচির ফোকাল পার্সন ও কলেজের চর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অজয় কুমার ঘোষ।

তিনি জানান, এদিন এমবিবিএস পঞ্চম বর্ষ, বিডিএস তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের ১৯৬ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়েছে।

অজয় কুমার ঘোষ বলেন, ‘সিনোফার্মের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর দিন শনিবার আমাদের কলেজের ১৯৬ জন শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপাতত ৩০ তারিখ পর্যন্ত চট্টগ্রামের পাবলিক ও প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়ার তালিকা প্রস্তুত করেছি। তাছাড়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা টিকা দেয়ার নির্ধারিত বুথে টিকা না দিয়ে আমরা আপাতত মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের টিউটোরিয়াল কক্ষে শিক্ষার্থীদের করোনা টিকা দিচ্ছি।’

প্রথমদিন টিকা গ্রহণকারী মেডিক্যাল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘আমাদের আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়নি, আমাদের সমস্ত তথ্য যেহেতু জমা দেয়া আছে তাই আমরা সহজেই টিকা পেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে (পঞ্চম বর্ষ) যারা আগে টিকা নেয়নি, তাদের সবাইকে টিকা দেয়া হয়েছে। এক সপ্তাহ পর আমাদের ফাইন্যাল (চূড়ান্ত) পরীক্ষা, পরীক্ষা শেষে ইন্টার্ন। এখন টিকা নেয়ায় তখন কাজ করার সময় আর খুব একটা ভয় থাকবে না। চার সপ্তাহ পর টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার কথাও রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন

২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে শনাক্ত ১৩

২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে শনাক্ত ১৩

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক দিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে দুই দিনে করোনো আক্রান্ত হন ১০ জন।

খাগড়াছড়িতে করোনা সংক্রমণ হঠাৎ বেড়েছে গেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জন শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক দিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে দুই দিনে আক্রান্ত হন ১০ জন।

জেলায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, এখন পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলায় ছয় হাজার ৭২০ জন করোনা পরীক্ষা করেছেন। এর মধ্যে পজিটিভ হয়েছেন ৯৩১ জন। আক্রান্তের হার ৯ শতাংশ। এখন পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে আট জনের।

খাগড়াছড়ির ডেপুটি সিভিল সার্জন মিটন চাকমা বলেন, জেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কিছুটা অবহেলা দেখা যাচ্ছে। সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এতে সংক্রমণ কমানো সম্ভব হবে।

সিভিল সার্জন নুপূর কান্তি দাশ বলেন, মাঝে কম থাকলেও নতুন করে শনাক্তের হার বেড়েছে। সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এছাড়া কোন উপায় নেই।

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

জামালপুর শহরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃত্যু ৪২ জনে দাঁড়ালো।

এরা হলেন আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম এবং পিডিবি কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস।

তিনি জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জামালপুর পৌরসভার কাচারিপাড়া এলাকার আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান ১৭ জুন করোনায় আক্রান্ত হন। তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

পৌর এলাকার পাথালিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম করোনার উপসর্গ নিয়ে দুদিন আগে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার তার নমুনা পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হয়। রাতেই তিনি মারা যান।

একই এলাকার পিডিবির কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন হৃদরোগে অসুস্থ হলে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জুন তিনি পজিটিভ হন। শনিবার বিকালে মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন

সিরাজগঞ্জে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া শুরু

সিরাজগঞ্জে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া শুরু

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ আমিরুল জানান, সিরাজগঞ্জের তিনটি মেডিক্যাল কলেজের ৮৬৮ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়া হবে। প্রথমদিনেই তিন মেডিক্যালের ১৯২ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।

সদর উপজেলার শিয়ালকোলস্থ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বর্হিবিভাগে শনিবার দুপুরে এই কর্মসূচির উদ্বোধন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত মুন্না।

এ কার্যক্রম আগামী ১৯, ২২, ২৬, ২৯ জুন ও ১ জুলাই চলবে।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ আমিরুল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক কৃষ্ণ কুমার পাল, পরিচালক আবুল কাশেম, সিভিল সার্জন রামপদ পাল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম হীরা।

আরও উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক আব্দুল্লাহেল কাফী, টিকাদান কেন্দ্রের ভোকালপারসন সহকারী অধ্যাপক লায়লা রাজ্জাক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ উদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক।

এ সময় সাংসদ হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে টিকা নেয়ার পরও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সুরক্ষা নীতি মেনে মাস্ক ব্যবহার ও হাত পরিষ্কার করুন। পাশাপাশি নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন ও অন্যকেও সুরক্ষিত রাখার পরামর্শ দিন।’

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিকাদান কার্যক্রমে প্রথম টিকা নেন শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী তানভীরুল ইসলাম। প্রথম দিনে ১৯২ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়।

এর মধ্যে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ৫৩ জন, নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ৫৬ জন ও খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ৮৩ জন টিকা পান।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ আমিরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সিরাজগঞ্জের তিনটি মেডিক্যাল কলেজের ৮৬৮ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে এই টিকা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন

করোনার টিকা, ৩২ বুথের মধ্যে চালু ২টি

করোনার টিকা, ৩২ বুথের মধ্যে চালু ২টি

পটুয়াখালিতে শনিবার ১২০ জনকে করোনার টিকা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

‘চীনের তৈরি ‘সাইনোফার্ম কোভিড-১৯ নামের এই টিকা পটুয়াখালী জেলার জন্য ৮ হাজার ৪০০ ডোজ পাওয়া গেছে। চার বিভাগে টিকা দেয়া হচ্ছে। এই চার বিভাগে আছেন নার্স, মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, বিদেশগামী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।’

পূর্ব ঘোষণা ছাড়া টিকা দেয়া বন্ধের ২০ দিনের মাথায় পটুয়াখালীতে আবারও শুরু হয়েছে টিকাদান।

পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শনিবার বেলা ১০টার দিকে টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী।

তবে আগের মত ৩২টি বুথে নয় এবার শুধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভেতর দুটি বুথে এ টিকাদান চলবে। আগেরবার কেবল পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮টি বুথে টিকাদান দেয়া হয়েছিল।

সীমিত আকারে স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টদের এই টিকা দেয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম শিপন।

তিনি বলেন, ‘চীনের তৈরি ‘সাইনোফার্ম কোভিড-১৯ নামের এই টিকা পটুয়াখালী জেলার জন্য ৮ হাজার ৪০০ ডোজ পাওয়া গেছে। চার বিভাগে টিকা দেয়া হচ্ছে। এই চার বিভাগে আছেন নার্স, মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, বিদেশগামী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

‘ইতোমধ্যে নিবন্ধন করা ১২০ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে।’

২৮ মে পূর্ব ঘোষণা ছাড়া পটুয়াখালীতে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় স্বাস্থ্যবিভাগ।

চলতি বছরের গত ৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৮টি বুথসহ জেলার আট উপজেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ৩২টি বুথে একযোগে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানিয়েছে, জেলায় এ পর্যন্ত টিকা গ্রহনের জন্য ৫৮ হাজার ৫৮২জন আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে ২৮ মে পর্যন্ত ১ম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৪৫ হাজার ৫৩৭ জন।

জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম শিপন জানান, ‘পটুয়াখালীতে যে পরিমাণ করোনা টিকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে, তা শেষ হওয়ার কারণে টিকা দান কর্মসূচী বন্ধ ছিল।

‘প্রথমবার ৪৬ হাজার ডোজ থেকে ৪৫ হাজার ৫৩৭ ডোজ দেয়া হয়েছে। ৪৬৩ ডোজ সিস্টেম লস বা অপচয়। একটা ভায়াল থেকে ১০বার ইনজেকশন নিলে কিছু অপচয় হয়।

‘এরপর ২য় দফায় ৩১ হাজার ডোজ থেকে ৩০ হাজার ৮২৪ জন নিবন্ধনকারীকে দেয়া হয়। দুই ডোজ মিলিয়ে আমাদের সিস্টেম লস বা অপচয় ০.৮%।’

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন

দিনাজপুরে পথে পথে বাঁশের ব্যারিকেড, মানছে না অনেকেই

দিনাজপুরে পথে পথে বাঁশের ব্যারিকেড, মানছে না অনেকেই

দিনাজপুরে রাস্তার মোড়ে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না মানুষের চলাচল। ছবি: নিউজবাংলা

শহরের সরকারি কলেজ মোড়, মহারাজার মোড় ও ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের পাশাপাশি শহরে প্রবেশের সব পথগুলো বাঁশের ব্যরিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হলেও সাধারণ মানুষকে দমানো যাচ্ছে না। দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কাছে ওষুধ, বাচ্চার খাবারসহ নানা জিনিসের জরুরি প্রয়োজনের দোহাই দিচ্ছেন তারা।

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা দিনাজপুরে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ হিসেবে যেসব প্রশাসন যেসব নির্দেশনা দিয়েছে, সেগুলো মানতে চরম অনীহা দেখাচ্ছে মানুষ।

শহরের সরকারি কলেজ মোড়, মহারাজার মোড় ও ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের পাশাপাশি শহরে প্রবেশের সব পথগুলো বাঁশের ব্যরিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হলেও সাধারণ মানুষকে দমানো যাচ্ছে না।

সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কাছে ওষুধ, বাচ্চার খাবারসহ নানা জিনিসের জরুরি প্রয়োজনের দোহাই দিচ্ছেন তারা। এভাবে প্রতিদিনই শহরে ঢুকছে অসংখ্য মানুষ।

দিনাজপুরে করোনার সংক্রমণ ও এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় গত ১৫ জুন মঙ্গলবার থেকে কঠোর লকডাউন চলছে। লকডাউনের পঞ্চম দিন শনিবার শহরে প্রবেশের সব পথে বাঁশের ব্যারিকেড দেখা গেলেও সেগুলো কাজে লাগতে দেখা যায়নি।

তেমন কোনো কাজ না থাকলেও ওষুধ-খাবারের জরুরি প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে দিচ্ছেন ব্যারিকেডে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের। তাদের আর আটকে রাখার মতো পর্যাপ্ত লোকবল নেই প্রশাসনের। এই সুযোগে বাঁশের ব্যরিকেডের নিচ দিয়ে শহরের ঢুকতে দেখা গেছে অনেক মানুষকে। শহরে গণপরিবহন বন্ধ থাকার কথা থাকলেও চলছে ইজিবাইক, ভ্যান ও রিকশা। বেশিরভাগ দোকানপাটও রয়েছে খোলা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা যথা সাধ্য বাধা দিচ্ছেন। কিন্তু মানুষ কথা শুনতে চায় না। নিষেধ করলে নানা অজুহাত দেখায়। বোঝা যায়, বেশিরভাগ বানানো কথা। কিন্তু যাচাই করা সম্ভব হয় না। তাই ছেড়ে দিতে হয়।

শনাক্ত আরও ৬৫, মৃত্যু ৩

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, দিনাজপুরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ সময়ে ১৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়; শনাক্তের হার ৪৭ শতাংশ।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলায় ১১১ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়, ভাইরাসটি শনাক্ত হয়ে ৫৫ জনের; শনাক্তের হার প্রায় ৫০ শতাংশ।

একই সময়ে জেলায় করোনায় মারা গেছেন ৩ জন। তারা হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার ভিয়াইল তালপুকুর গ্রামের ৮৪ বছর বয়সী আনিসুর রহমান, ফুলবাড়ী উপজেলার কাটাবাড়ী গ্রামের ৮৪ বছর বয়সী এম এ হান্নান ও হাকিমপুর পৌর শহরের হিলি বাজারের ৫০ বছর বয়সী রোকেয়া বেগম।

তাদেরকে নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৫০ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে চলতি মাসে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ও জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কঠোর লকডাউন চলছে। তবে প্রশাসনের চেয়ে সাধারণ মানুষদের আগের সচেতন হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় তিন মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় তিন মৃত্যু

চিকিৎসা চলাকালে শনিবার বেলা ২টার দিকে দুজন ও বিকেল ৫টার দিকে একজন মারা যান। জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় আক্রান্ত এক নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

চিকিৎসা চলাকালে শনিবার বেলা ২টার দিকে দুজন ও বিকেল ৫টার দিকে একজন মারা যান। জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মৃত ব্যক্তিরা হলেন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার জ্বীনতলা মল্লিকপাড়ার আনিছুর রহমানের স্ত্রী ছালেহা বেগম, জীবননগর উপজেলার বাকা গ্রামের শুকুর আলী ও দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের আক্কাস আলী শেখ।

সিভিল সার্জন জানান, গত ১৩ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে ভর্তি হন ৭০ বছর বয়সী শুকুর আলী। ওই দিনই করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা নেয়া হয়। পরদিন তার করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকে করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের রেড জোনে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালে শনিবার দুপুরে মারা যান তিনি।

অন্যদিকে একই সময় করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে মারা যান ছালেহা বেগম নামের ৭০ বছর বয়সী আরেক বৃদ্ধা। গত ১২ জুন রাত ১০টার দিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন ছালেহা। পরদিন তার নমুনা নিয়ে পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। ১৬ জুন পাওয়া ফলাফলে তার করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকে করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের রেড জোনে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।

শনিবার বিকেল ৫টার দিকে মারা যান আক্কাস আলী শেখ। ১৩ জুন সকাল ৯টার দিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন আক্কাস। ওই দিনই তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ১৬ জুন তার করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের রেড জোনে ভর্তি করা হয়।

মৃত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন মারুফ হাসান।

জেলায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮০ জনে। শুক্রবার জেলায় করোনা আক্রান্ত দুজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে নতুন করে এ জেলায় আরও ৭৬ জনে করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে চুয়াডাঙ্গায় এটিই এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৫২৩ জনে। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন, মোট সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৯৩৮।

আরও পড়ুন:
অপকর্ম করলে কাউকে ছাড় নয়: কাদের
রোজিনার তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে কাদেরের প্রশ্ন
রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়েছেন শেখ হাসিনা: কাদের
‘বিএনপি আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির নজির নেই’
বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই জেলের বাইরে খালেদা: কাদের

শেয়ার করুন