আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে ভিড়। ছবি: সাইফুল ইসলাম

আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ

খোরশেদ আলম বলেন, কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার পর প্রাকৃতিক সুরক্ষা বা ন্যাচারাল ইমিউনিটি কতটা বা কত দিন থাকে তা নিয়ে সংশয় আছে। তাই আগে কারও কোভিড হয়ে থাকলেও তাকে টিকা নিতে হবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর যারা ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন তারা নেগেটিভ হওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) টিকাদান কেন্দ্রের সমন্বয়কারী খোরশেদ আলম বৃহস্পতিবার কনভেনশন সেন্টারের কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে খোরশেদ আলম বলেন, কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার পর প্রাকৃতিক সুরক্ষা বা ন্যাচারাল ইমিউনিটি কতটা বা কত দিন থাকে তা নিয়ে সংশয় আছে। তাই আগে কারও কোভিড হয়ে থাকলেও তাকে টিকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, তবে করোনা নেগেটিভ হওয়ার ২৮ দিন পর টিকা নিতে পারবেন তিনি।

খোরশেদ আলম বলেন, মন্ত্রীসহ অনেক বিশিষ্ট নাগরিক টিকা নিয়েও আক্রান্ত হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার ২৮ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

এরপর প্রথম ডোজ যে কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে, সেই কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। যদি কারো এসএমএস না আসে তাও সমস্যা হবে না বলেও জানান তিনি।

সম্প্রতি কোভিড হয়ে থাকলে অন্যদের সুযোগ দিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কিছুদিন পর টিকা দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

সংকট থাকলেও দেশে বৃহস্পতিবার থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দেশে করোনার ৪ ধরন শনাক্ত

দেশে করোনার ৪ ধরন শনাক্ত

রাজধানীর একটি করোনা টিকাদান কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা লোকজনের অপেক্ষা। ছবি: নিউজবাংলা

আইইডিসিআরের ওয়েবসাইটে সোমবার এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের চারটি ধরন শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে সোমবার এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন

মোদির সমালোচনা করে ভাইরোলজিস্টের পদত্যাগ

মোদির সমালোচনা করে ভাইরোলজিস্টের পদত্যাগ

ভারতে করোনায় দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে করোনাভাইরাসবিষয়ক তথ্য সংগ্রহে ফাঁকফোকরের কথা উল্লেখ করে ড. জামিল লিখেছিলেন, ‘গত ৩০ এপ্রিল আট শতাধিক ভারতীয় বিজ্ঞানী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে তারা বিশদ গবেষণার জন্য তথ্যে তাদের প্রবেশাধিকার দেয়ার অনুরোধ করেছিলেন। মহামারির গতিপ্রকৃতির পূর্বাভাস এবং ভাইরাসে বিস্তার নিয়ন্ত্রণে এটি জরুরি ছিল।’

ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিদ ও বিজ্ঞানীদের নিয়ে সরকারের গঠিত একটি উপদেষ্টা ফোরাম থেকে পদত্যাগ করেছেন দেশটির শীর্ষ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ শহীদ জামিল।

করোনার দাপটে মৃত্যুপুরীতে রূপ নেয়া দেশটিতে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই নরেন্দ্র মোদির সরকারের নেয়া বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে আসছিলেন তিনি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাস শনাক্তে এবং এ নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যে ইন্ডিয়ান সার্স-কোভ-টু জেনেটিকস কনসোর্টিয়াম বা ইনসাকগ ফোরাম তৈরি করেছিল মোদি প্রশাসন।

কিন্তু করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের সরবরাহকৃত তথ্য-প্রমাণের দিকে কর্তৃপক্ষের একেবারেই নজর নেই বলে অভিযোগ ছিল ড. শহীদ জামিলের।

এমন পরিস্থিতিতে তিনি পদত্যাগ করলেও সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি তিনি। পদত্যাগের খবর সঠিক উল্লেখ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ক্ষুদে বার্তায় তিনি লিখেন, ‘কারণ জানাতে আমি বাধ্য নই।’

তবে সেই ক্ষুদে বার্তায় জামিল জানান, তাকে গত শুক্রবার ফোরাম থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দৈনিক দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে একটি কলাম লেখেন জামিল। সেখানে তিনি লেখেন, ‘ভারতে প্রমাণসাপেক্ষ নীতি গ্রহণে তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।’

কলামে তিনি নরেন্দ্র মোদির সরকারের করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থাপনা, বিশেষ করে স্বল্পসংখ্যক নমুনা পরীক্ষা, ধীর গতির টিকাদান, টিকার ঘাটতি এবং স্বাস্থ্যখাতে জনবলের ব্যাপক সংকট নিয়ে কথা বলেন।

তিনি লেখেন, ‘এই সংকটগুলো সমাধানের ওপর বারবার জোর দিচ্ছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা। কিন্তু প্রমাণসাপেক্ষ নীতি নির্ধারণে তাদের মত উপেক্ষা করার যেন সিদ্ধান্তই নিয়ে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।’

দেশটিতে করোনাভাইরাস বিষয়ক তথ্য সংগ্রহে ফাঁকফোকরের কথা উল্লেখ করে শহীদ জামিল লিখেন, ‘গত ৩০ এপ্রিল আট শতাধিক ভারতীয় বিজ্ঞানী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে তারা বিশদ গবেষণার জন্য তথ্যে তাদের প্রবেশাধিকার দেয়ার অনুরোধ করেছিলেন। মহামারির গতিপ্রকৃতির পূর্বাভাস ও ভাইরাসে বিস্তার নিয়ন্ত্রণে এটি জরুরি ছিল।’

তিনি আরও লেখেন, ‘কেবল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়াও আত্মঘাতী পদক্ষেপ। এতে দিনে দিনে মহামারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ছাড়া আর কিছু হয়নি। যে হারে মানুষ মরছে, আমাদের জাতীয় জীবনে এটি স্থায়ী কলঙ্ক হয়ে থাকবে।’

ভারতের শীর্ষ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ড. শাহিদ জামিল।

চলতি মাসে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চে ভাইরাসের ব্যাপকতা এবং দেশজুড়ে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে আগেই সরকারকে সতর্ক করেছিল শহীদ জামিলের ইনসাকগ।

করোনার বি.১.৬১৭ প্রজাতিটিই ভারতে চলমান করোনা তাণ্ডবের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন গবেষকরা। বৈশ্বিক মহামারির এ পর্যায়ে ভারতে করোনায় প্রতিদিন গড়ে প্রাণ হারাচ্ছেন চার হাজারের বেশি মানুষ।

কেন ভারত সরকার বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা শোনেনি, বিশেষ করে জনসমাগম নিষিদ্ধের মতো বিষয়ে, সে প্রশ্নে রয়টার্সকে ড. জামিল বলেন, করোনা প্রতিরোধে নীতিমালা গ্রহণে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় মনোযোগ দিচ্ছিল না কর্তৃপক্ষ।

মহামারির বাস্তবতা উপেক্ষা করে পাঁচ রাজ্যে মাসব্যাপী বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ, প্রচারণা ও জনসমাবেশ; হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব কুম্ভমেলায় কোটি মানুষের অংশগ্রহণের পরপরই অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে শুরু করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।

ব্যাপক সমালোচনার পরেও নির্বাচনি সমাবেশে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ ভারত সরকারের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের অনেকে।

করোনায় প্রাণহানিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরের অবস্থান ভারতের। দেশটিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা পৌনে তিন লাখের কাছাকাছি।

সংক্রমণ শনাক্তের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভারত। দেশটিতে এ নিয়ে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আড়াই কোটি মানুষের দেহে।

রোববার ২৪ ঘণ্টায় ভারতে তিন লাখ ১১ হাজার মানুষের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে চার হাজার ৭৭ জনের।

ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকায় ঘাটতি দেখা দিয়েছে করোনার টেস্ট কিট, ওষুধ, অক্সিজেনসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের। রোগীর বিপরীতে স্বাস্থ্য খাতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক লোকবল সংকট।

মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতে থাকায় শ্মশান, কবরস্থানগুলোতেও স্বজনদের মরদেহ নিয়ে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে অসংখ্য মানুষকে।

এমন পরিস্থিতিতে সৎকারের খরচ তিন গুণ বেড়ে ১৫ হাজার রুপি ছাড়িয়েছে অনেক জায়গায়। সৎকার ছাড়াই নদীতে ভাসিয়ে অথবা মাটিচাপা দেয়া হচ্ছে অনেক মরদেহ।

কারণ শেষকৃত্যে বিপুল খরচ আর চিতায় পোড়ানোর জন্য কাঠের ঘাটতির ফলে দরিদ্র মানুষদের জন্য স্বজনদের অন্তিম যাত্রায় ধর্মীয় রীতি নিশ্চিত করে মরদেহ পোড়ানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন

ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবি প্রজ্ঞার

ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা 
চূড়ান্ত করার দাবি প্রজ্ঞার

হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্প উৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ট্রান্সফ্যাটমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে খসড়া ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণে এখন কাজ করছে।

১৭ মে, সোমবার। বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। দিবসটিকে সামনে রেখে রোববার অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি হ্রাসে খাদ্যে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে খসড়া ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ শিগগির চূড়ান্ত এবং বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে অ্যাডভোকেসি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা বা প্রগতির জন্য জ্ঞান।

জানা গেছে, হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্প উৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ট্রান্সফ্যাটমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে খসড়া ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণে এখন কাজ করছে।

উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। সর্বশেষ প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে ২০১৭-১৮-এর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি ৪ জনে ১ জন উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, হার্ট সুস্থ রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং সুস্থ জীবন-যাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে খাদ্যদ্রব্য থেকে ট্রান্সফ্যাট নামক বিষাক্ত কেমিক্যাল নির্মূল হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফঅ্যা) বা ট্রান্সফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর একটি খাদ্য উপাদান। ডালডা বা বনস্পতি ঘি এবং এটি দিয়ে তৈরি নানা মুখরোচক খাবার ও বেকারি পণ্যে ট্রান্সফ্যাট থাকে। এ ছাড়া ভাজাপোড়া খাবার তৈরিতে একই তেল বারবার ব্যবহার করলে ট্রান্সফ্যাট তৈরি হয়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

এ প্রসঙ্গে প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ‘আমাদের দেশে অসংক্রামক রোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। খাদ্যে টান্সফ্যাট নির্মূল নিঃসন্দেহ সরকারের জন্য একটি ব্যয় সাশ্রয়ী পদক্ষেপ। এটি একদিকে যেমন অসংক্রামক রোগের প্রকোপ কমাবে, অন্যদিকে সরকারের স্বাস্থ্য সেবা ব্যয় কমাতে ভূমিকা রাখবে।’

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন

মজুত শেষ, সিলেটে টিকা দেয়া বন্ধ

মজুত শেষ, সিলেটে টিকা দেয়া বন্ধ

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মজয় দত্ত বলেন, সিলেটে টিকার মজুত ফুরিয়ে গেছে। গত বুধবার থেকে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। নতুন করে টিকা এলে আবার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।

সিলেটে ফুরিয়ে গেছে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন-কোভিশিল্ডের মজুত। ঈদের দুদিন আগ থেকেই সিলেট জেলায় টিকা দেয়া বন্ধ রয়েছে। টিকাদান বন্ধ রয়েছে সুনামগঞ্জেও। তবে সিলেট বিভাগের অন্য দুই জেলা মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সামান্য পরিমাণ মজুত রয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘টিকার মজুত শেষ হয়ে আসায় ঈদের দুই দিন আগে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন এ রকম প্রতিদিন যদি ১ হাজারের বেশি মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়, তাহলে আগামী ২ দিনের মধ্যে মজুত শেষ হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, রোববার টিকা কেন্দ্রে উপস্থিত সব গ্রহীতাকে টিকা দেয়া সম্ভব হয়নি। দেশে নতুন করে টিকা না আসা পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের জন্য নিবন্ধিতদের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মজয় দত্ত বলেন, সিলেটে টিকার মজুত ফুরিয়ে গেছে। গত বুধবার থেকে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। নতুন করে টিকা এলে আবার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।

তবে কিছু টিকা এখনও মজুত রয়েছে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে।

মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মোর্শেদ নিউজবাংলাকে বলেন, এখনও ৩৬০ ভায়াল করোনার টিকা হাতে রয়েছে, যা দিয়ে আরও ৩-৪ দিন চলবে।

হবিগঞ্জে রোববার পর্যন্ত টিকার মজুত ছিল ৬০৮ ভায়াল অর্থাৎ ৬ হাজার ৮০ ডোজ।

মজুত টিকায় আরও এক সপ্তাহ চলবে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন কেএম মুস্তাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, দ্বিতীয় দফায় হবিগঞ্জে টিকা এসেছিল ৩৬ হাজার ডোজ। এ ছাড়া সিলেট থেকে আনা হয় ৪ হাজার ডোজ।

অপরদিকে, সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন শামস উদ্দিন জানান, সুনামগঞ্জে ৫০০-৬০০ ভায়ালের মতো টিকা মজুত রয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় মজুত সামান্য হওয়ায় বর্তমানে টিকা প্রদান বন্ধ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি ভায়ালে ১০টি করে ডোজ থাকে।

করোনা টিকার সংকটের কারণে গত ২৬ এপ্রিল ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেয়া বন্ধ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাংলাদেশে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট গত মার্চে বাংলাদেশে ভ্যাকসিনটির চালান বন্ধ করে দেয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি থেকে দুই চালান ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসে।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন

টিকা উৎপাদনের অনুমতি পায়নি ইনসেপ্টা

টিকা উৎপাদনের অনুমতি পায়নি ইনসেপ্টা

করোনা প্রতিরোধী টিকা উৎপাদনে দেশের কোনো ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিকে এখনও অনুমতি দেয়া দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাইতে গঠিত কমিটির ২৫ নম্বরের মধ্যে ২১ নম্বর পেয়েছে ইনসেপ্টা। পাঁচটি পর্যায়ে এই সক্ষমতার বিচারে এই নম্বর দিয়েছে কমিটি। সোমবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করার কথা রয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের।

ওষুধ উৎপাদনকারী দেশীয় কোম্পানি ইনসেপ্টাকে চীনের সিনোফার্মের করোনা প্রতিরোধী টিকা উৎপাদনের অনুমতি দেয়ার সংবাদটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

রোববার রাত আটটার দিকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দেশের কোনো ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিকে এখনও পর্যন্ত করোনা টিকা উৎপাদনের অনুমতি দেয়া হয়নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাইতে গঠিত কমিটির ২৫ নম্বরের মধ্যে ২১ নম্বর পেয়েছে ইনসেপ্টা।

পাঁচটি পর্যায়ে এই সক্ষমতার বিচারে এই নম্বর দিয়েছে কমিটি। সোমবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করার কথা রয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের।

সেখানে চীনের সিনোফার্মের করোনা ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদনের জন্য ইনসেপ্টাকে অনুমতি দেয়ার বিষয়টি জানানো হতে পারে।

এর আগে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছিল, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে টিকা উৎপাদনে অনুমতি দেয়া যায় কিনা তার প্রাথমিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিকা সংগ্রহ ও বিতরণ বিষয়ক আন্তমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কমিটি।

এ ছাড়া, রেনেটা এবং ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস রাশিয়ার টিকা উৎপাদনের অনুমতি চেয়ে ঔষধ প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে।

গত ২ মে রাশিয়াকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছে ওরিয়ন ফার্মা। এর দুই দিন পর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সেই বিষয়টি জানায় তারা।

চীনের টিকার পাশাপাশি রাশিয়ার টিকাও উৎপাদন করতে আগ্রহী পপুলার, হেলথকেয়ার, ইনসেপটা ও রেনাটা। এ জন্য রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগও করেছে কোম্পানিগুলো।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেছিলেন, ‘আমাদের বেশ কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানির করোনা টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও সরকার বর্তমানে তিন কোম্পানির টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাই করবে। এটা আমাদের বিশেষজ্ঞ কমিটি থেকে সুপারিশ করা হয়েছে।’

করোনা প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রমের শুরু থেকেই ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত কোভিশিল্ড টিকার ওপর নির্ভর করে আসছিল বাংলাদেশ।

ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩ কোটি ডোজ টিকা আনতে গত বছরের ৫ নভেম্বর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করে ঢাকা। চুক্তি অনুষ্ঠানে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীও।

চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে ছয় ধাপে দেশে ৩ কোটি ডোজ টিকা পৌঁছানোর কথা থাকলেও সিরাম তা পারছে না। দুই ধাপে ৭০ লাখ ডোজ টিকা দিতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি। বাকি টিকা পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

সিরাম থেকে ৫০ লাখ ডোজের প্রথম চালানটি আসে গত জানুয়ারিতে। ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় চালানে টিকা আসে ২০ লাখ ডোজ। তবে কেনা টিকার বাইরে ভারত সরকার তিন ধাপে বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিয়েছে ৩৩ লাখ ডোজ টিকা। সব মিলিয়ে দেশে টিকার মজুত দাঁড়ায় ১ কোটি ৩ লাখ ডোজ।

এর মধ্যে ৭০ লাখ ডোজ টিকা মজুত নিয়ে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় করোনা প্রতিরোধী গণটিকা কার্যক্রম।

গণটিকাদান শুরুর ৭৮ দিনের মাথায় ২৫ এপ্রিল প্রথম ডোজ বন্ধ করে দেয়া হয়। তত দিনে প্রথম ডোজ প্রয়োগ করা হয় ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৬৪৬ জনকে। এদের সবার দ্বিতীয় ডোজ লাগবেই। প্রথম ডোজে যাদের সিরামের টিকা দেয়া হয়েছে, তাদের সবার টিকা নিশ্চিত করতে হলে আরও অন্তত ১৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৯২ ডোজ লাগবে। সরকারের মজুতে সে পরিমাণ টিকা নেই।

ভারত টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় টিকার সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। সংকট নিরসনে সরকার বিকল্প উৎস থেকে টিকা পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর অংশ হিসেবে গত ২৭ এপ্রিল রাশিয়ার মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি স্পুৎনিক-ভি ও ২৯ এপ্রিল চীনের সিনোফার্মের টিকাকে জরুরি প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়। এই দুটি দেশ থেকে টিকা কেনার পাশাপাশি তাদের টিকা দেশে উৎপাদনের প্রযুক্তি নিতে চায়।

সেসব দেশ থেকে টিকা কিনে আনার পাশাপাশি ফর্মুলা গোপন রাখার শর্তে চীন ও রাশিয়ার টিকা দেশেই উৎপাদন করতে চায় সরকার। সরকারের এই কাজে সহযোগিতা করবে দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এক্ষেত্রে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা আছে বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন

ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত

ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত

বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায় জানান, গত ২৬ এপ্রিল বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে দুই শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৭৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ভারতফেরত ওই তিন শিক্ষার্থীর ভ্যারিয়েন্ট পরীক্ষার জন্য তাদের নমুনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

লালমনিরহাটে ভারতফেরত তিন শিক্ষার্থীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

সম্প্রতি বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ১৬ শিক্ষার্থী বাংলাদেশে আসেন। রোববার তাদের তিনজনসহ চারজনের করোনা শনাক্ত হয়।

তারা হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে আছেন বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী প্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান।

তিনি জানান, ওই তিন শিক্ষার্থী শিলিগুড়ির স্যাক্রেড হার্ট স্কুলে পড়ালেখা করেন। তারা হলেন ঢাকার কলাবাগানের মো ইয়াসিন, ফয়সাল হোসেন ও সূত্রাপুরের জয়চন্দ্র পাল।

এ পর্যন্ত এ জেলায় ১ হাজার ৫৩ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের, সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩২ জন।

বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩৬ জন। তাদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৫, কালীগঞ্জে পাঁচজন ও পাটগ্রামে ছয়জন আছেন।

জেলা সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায় নিউজবাংলাকে জানান, গত ২৬ এপ্রিল বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে দুই শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৭৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

ভারতফেরত ওই তিন শিক্ষার্থীর ভ্যারিয়েন্ট পরীক্ষার জন্য তাদের নমুনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন

শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট এবার কমিউনিটি ক্লিনিকে

শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট এবার কমিউনিটি ক্লিনিকে

নীলফামারী সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের কানিয়াল খাতা কমিউনিটি ক্লিনিকে রোববার শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা

নীলফামারী জেলায় ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৬ লাখ ১১ হাজার ৭২ শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে ২০ মে পর্যন্ত।

গত বছর বন্ধ থাকলেও এবার বিকল্প ব্যবস্থায় ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের খাওয়ানো শুরু হয়েছে কৃমিনাশক ট্যাবলেট।

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের কানিয়াল খাতা কমিউনিটি ক্লিনিকে রোববার দুপুরে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাশেবুল হোসেন, ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রশিদ মঞ্জু।

অনুষ্ঠানে শিশুদের একটি করে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাইয়ে জাতীয় কৃমিনাশক সপ্তাহ ২০২১-এর উদ্বোধন করা হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, নীলফামারী জেলায় ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৬ লাখ ১১ হাজার ৭২ শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে ২০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন জানান, গত বছর করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো বন্ধ থাকলেও এবার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে খাওয়ানো হবে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হতো।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন হুদা, পলক, খালিদ
টিকার সংকটের মধ্যেই শুরু দ্বিতীয় ডোজ
পর্যাপ্ত টিকার মজুত না থাকলেও দ্বিতীয় ডোজ শুরু বৃহস্পতিবার
রংপুরে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু হচ্ছে
টিকার নতুন চালান এ মাসেই পাওয়ার আশা মন্ত্রীর

শেয়ার করুন